“গলিত জোছনায় প্লাবিত নগরে ঈশ্বর”: আইরিন সুলতানার প্রথম কাব্যগ্রন্থ

February 11, 2014 7:12 pmComments Off on “গলিত জোছনায় প্লাবিত নগরে ঈশ্বর”: আইরিন সুলতানার প্রথম কাব্যগ্রন্থViews: 50
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube

20140212-091029.jpg

“গলিত জোছনায় প্লাবিত নগরে ঈশ্বর” -বইটি অমর একুশে গ্রন্থমেলায় পাওয়া যাচ্ছে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে।

কাব্যগ্রন্থের নাম: গলিত জোছনায় প্লাবিত নগরে ঈশ্বর
প্রচ্ছদ: আইরিন সুলতানা

মোট ৮৮টি কবিতা আছে।
ছাপামূল্য: ১৫০ টাকা (মেলায় নির্ধারিত ডিসকাউন্ট থাকবে)
প্রকাশক: শব্দশৈলী
মেলায় স্টল নম্বর: ২৮৪, ২৮৫, ২৮৬

বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে –
কাব্য প্রসব হওয়ার নির্দিষ্ট কোন ক্ষণ নেই। তবে কবির নিকট সকল কবিতাই ক্ষণজন্মা। সকল অভিব্যক্তিই কালজয়ী। এক কবি সরবে দুনিয়ার তাবৎ গৎবাঁধা প্রথা বিরুদ্ধ হতে পারেন, কিন্তু শব্দ আর কবির নৈঃশব্দিক দ্যোতনা অবিচ্ছেদ্য। কবির ক্লান্তিতে, বিরাগে, বিগ্রহে, বিভ্রমে, বেতালে শব্দেরাই উপশম হয়ে আসে। কবির আলাপনে, তালে, তারুণ্যে, জাগরণে শব্দেরাই অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। কবি শব্দাশ্রয়ী হয়ে একটা পূর্ণাঙ্গ কাব্য গাঁথেন, যা সমর্পিত হয় সবুজে, বিপ্লবে, নিরাশ্রিতে, প্রণয়ে, জলে, জোছনায়। কবির এ অর্চনা পাঠক মাধ্যমে মন্ত্রপাঠে পুনরুচ্চারিত হলে মহাকালে গ্রোথিত হয় অমোঘ সত্ত্বা।
কবি আর পাঠক; কখনো সন্নিকটে মুখোমুখি, কখনো দূরত্বে অদৃশ্য। তথাপি দু’পক্ষের যোগাযোগ সূত্র শব্দযোগের কাব্য। ’গলিত জোছনায় প্লাবিত নগরে ঈশ্বর’ কাব্যগ্রন্থটি সেই যোগাযোগ স্থাপনের নিমিত্তে একটি মলাটবদ্ধ প্রয়াস।

যে পাঠক কখনো জনতা, কখনো বিপ্লবী, কখনো যোদ্ধা, কখনো সংশয়বাদী, কখনো বিশ্বাসী, কখনো মৌন, কখনো মুখর, কখনো প্রেমী, কখনো বিবাগী, তারই ছাঁচে কবি রচনা করে গেছেন একেকটি কবিতা। অথবা কবির একান্ত চিন্তাজগতই মুদ্রিত হয়েছে নানা ক্ষণে রচিত অনুকাব্যে, দীর্ঘকাব্যে। ’গলিত জোছনায় প্লাবিত নগরে ঈশ্বর’ কাব্যগ্রন্থের শুরু থেকে শেষাবধি কবি ও পাঠক উভয়েই একে অপরের চিন্তা অবয়বকে আবিষ্কৃত করবেন একেকটি পৃষ্ঠায়।

কিছু কবিতার অংশ বিশেষ

কবিতা: এবারের ছুটি ঘুমিয়ে কাটাবো
লেনদেন চুকেবুকে গেলে ছাড়পত্রে সই দিয়েছিলাম জমা,
তারপর ভ্রমণ শেষে যোজন যোজন তফাতে রয়েছি দাঁড়িয়ে;
এখানটা নিরাপদ।
মাধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে এখানটায় দেহ হয়ে পড়ে নির্ভার।
এখানেই ধ্যানস্ত হবো।
গণ্ডদেশে পলক লেপ্টে অচেতন ঘুম ঘুমুবো এখানেই…,
…এবারের শেষ ছুটিতে।

কবিতা: অভিশপ্ত অমরত্ব
মরণশীল মানুষেরা আমাকে ঈর্ষা করে,
ভীতশ্রদ্ধাও করে আমার অমরত্বকে।
মহাকালের এনসাইক্লোপিডিয়া ধারণ করে আছি বুকে,
ওরা ত্রিকালের মর্মার্থ খুঁজে পায় ওতে।
অথচ আমার কাছে সবটাই নিরর্থক। সবটাই দুর্বোধ্য।
সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আমাকে দেয়া হয়নি।
আজন্ম বোবা সাক্ষী হয়ে থাকার পরম শাস্তিটাই
আমার জন্য বেছে নিয়েছিলেন ঈশ্বর।

কবিতা: আলঝেইমার

স্বাস্থ্য বটিকায় আছে আপেল নির্যাস আলঝেইমার রোগের মহৌষধ।
নিত্যই এক গ্লাস পান আবশ্যক তাই।
টেবিলের উপর ভরা গ্লাস পড়ে থাকে;
আমি পানে ভুলে যাই।

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.