চূড়ান্ত হচ্ছে বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আইন

August 7, 2014 8:10 pmComments Off on চূড়ান্ত হচ্ছে বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা আইনViews: 9
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube

image

উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের বীমা খাতকে আরো গতিশীল করতে চূড়ান্ত করা হচ্ছে বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা একাডেমি আইন ২০১৪।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডার থেকে আইনটির ‘খসড়া’র উপর সংশোধন সুপারিশ গ্রহণ করেছে।

এর মধ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) খসড়া আইনের ২ (ঝ), ৩ (৭) ও (৮) যুক্ত করার প্রস্তাব করেছে, এছাড়া ৪ (৭), ৬ (খ) (ঙ) (চ) (ছ) (জ) (ঞ), ৭ (৩), ৮ (১) (৪) (৬), ৯ (১), ১১ (১), ১১ (৪) (ঘ), ১৩ (১) (খ) (ঞ) এবং ১৩ (১) (ছ) এর উপর সংশোধনী সুপারিশ দিয়েছে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলম এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।  বিষয়টি বাংলামেইলকে নিশ্চিত করেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সদস্য মো. কুদ্দুস খান ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির পরিচালক এফ কামাল উদ্দিন।

আইডিআরএ তাদের প্রস্তাবে খসড়া আইনের ২ (ঝ) যুক্ত করার প্রস্তাব করেছে।

তাতে বলা আছে, ‘কর্তৃপক্ষ’ বলতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে বুঝাবে। এছাড়া ধারা ৩ (৭) এ অভিজ্ঞ বিদেশি প্রশিক্ষকও একাডেমীর প্রশিক্ষক হতে পারবেন এবং একই ধারার উপধারা (৮) এ প্রস্তাব করা হয়েছে, প্রত্যেক বীমা করপোরেশন/কোম্পানি একাডেমির সদস্য হতে পারবেন। সদস্য প্রতিষ্ঠানসমূহ বীমা একাডেমির পরিচালনায় প্রতি বছর একাডেমির তহবিলে চাঁদা প্রদান করবে। যারা সদস্য হবে না তারা সহযোগী সদস্য হবে এবং বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত হারে প্রতিবছর একাডেমির তহবিলে চাঁদা প্রদান করিবে।’

নতুন এ আইন সম্পর্কে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের যুগ্ম সচিব এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমির পরিচালক এফ কামাল উদ্দিন বাংলামেইলকে বলেন, ‘বাংলাদেশ বীমা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা একাডেমি আইন ২০১৪ খসড়া তৈরি হয়েছে। আজ এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রণালয় সকল স্টেক হোল্ডারদের ডেকেছেন। আমরা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছি। এতে শিক্ষা, বাণিজ্য, আইন মন্ত্রণালয়, ইনসিওরেন্স একাডেমি, বীমা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ, বীমা অ্যাসোসিয়েশনসহ সকল স্টেক হোল্ডার উপস্থিত ছিলেন। আমাদের মতামত দিয়েছি। সবাই সবার মতামত দিয়েছেন। এ মতামতের যাছাই বাছাই করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। এবং পরবর্তীতে এটি আইন হিসেবে পূর্ণতা লাভ করবে।’

ইন্স্যুরেন্স একাডেমির পরিচালক বলেন, ‘এ আইনের ফলে বাংলাদেশের ইনসিওরেন্স খাত আরো সমৃদ্ধ হবে। এর ফলে দেশের বীমা শিল্প উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। একাডেমি আরো বেশি মান সম্মত শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ দিয়ে উচ্চ ডিগ্রি দেয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে।’

এ আইনের ফলে বীমা খাত নতুন গতি পাবে বলে মন্তব্য করেছেন বীমা সংশ্লিষ্টরা। আর সে জন্য আইনটি করা হচ্ছে বলে মত দিয়েছেন আইডিআরএ সদস্য মো. কুদ্দুস খান।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানে দেশের বীমা খাতকে তৈরি করতেই এ আইন হচ্ছে। এর জন্য কয়েকটি দেশের আইনকে নমুনা হিসেবে ধরা হয়েছে। যার ভিত্তিতে খসড়া তৈরি করা হয়েছে এবং আমাদের মতামত চেয়েছে। আমরা আমাদের প্রস্তাব দিয়েছি। এছাড়া আরো অনেকে দিয়েছেন। সব যাছাই করে সহসায় আইনটি চূড়ান্ত করা হবে।’

বাংলামেইল২৪ডটকম/

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.