বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার ও তাবলিগ জামাত

January 2, 2015 1:17 amComments Off on বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার ও তাবলিগ জামাতViews: 699
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube

বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার ও তাবলিগ জামাত

ফাইজুল ইসলাম

২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও ভারতের পর বিশ্বে অধিক সংখ্যক মুসলমান বসবাস করেন আমাদের এই সবুজ শ্যামল বাংলাদেশে। যার যার ধর্মের প্রতি অনুরাগ, ভক্তি ও ভালবাসা এই দেশের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯০ ভাগেরও বেশি মুসলমান। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার পেছনে আরব ও পারস্য মিশনারি ও বণিকদের সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীর নীরব ও নিরলস ধর্ম প্রচারের প্রচেষ্টা পালন করেছে মুখ্য ভূমিকা। পরবর্তীতে এতদঞ্চলে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই ধারা আরও বেগবান হয়েছে।

আরব ইতিহাস ও ভূগোলবিদদের বর্ণনায় পাওয়া যায়, রাসূলের (স.) জীবিতকালেই সাহাবী হযরত আবু ওয়াক্কাস ইবনে ওহাইব (রা.) ৬১৮ খ্রিস্টাব্দে ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম আসেন। সাহাবী হযরত আবু ওয়াক্কাস মালিক, তামিম আনসারি, আবু কায়েস ইবনে হারিসাও একই সময় চট্টগ্রামে আসেন বলে জানা যায়। নবীজীর (স.) মৃত্যুর পর আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা, ইবনে আমর তামিমি ও সাহিল ইবনে আবদিসহ আরও দু’এক জন সাহাবী চট্টগ্রামে আসেন। তাবেয়িদের মধ্যে মোহাম্মদ মামুন ও মোহাম্মদ মোহাইমেনের দল বাংলাদেশে ইসলাম প্রচার করেন। আরব ভূগোলবিদ আলি ইদ্রিস, আল মাসুদি ও ইয়াকুব ইবনে আব্দুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর, চাঁদপুর নদী বন্দর, রামু, কক্সবাজার, সন্দ্বীপ প্রভৃতি স্থানে আরবদের বাণিজ্য স্থাপন, আনাগোনা ও বসবাসের প্রমাণ পাওয়া যায়। মূলত তিনভাবে ইসলাম প্রচারকগণ এসেছেন এই দেশে। প্রথমত উপরোক্ত চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে। পৃথিবীর পূর্বাঞ্চল তথা চীন, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় যোগাযোগের অন্যতম প্রবেশমুখ বঙ্গোপসাগরের সন্নিহিত স্থানে অবস্থিত চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর। ইসলামপূর্ব যুগ থেকেই আরবরা এই রুট ব্যবহার করেন। দ্বিতীয়ত মালাবা দ্বীপপুঞ্জের উপকূলবর্তী তামিলনাডুর রাজা চেরুমল পেরুমল রাসূলের (স.) জীবিতকালেই ইসলামগ্রহণ করলে তা এতদঞ্চলে ইসলাম প্রচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়। সেখান থেকেও অনেক ধর্মপ্রচারক বাংলাদেশে এসে ইসলাম প্রচার করেন। তৃতীয়ত ৭১২ সালে মোহাম্মদ বিন কাশিমের সিন্ধু বিজয়ের পর আরব, ইরান, ইরাক ও তুরস্ক থেকে অনেক ধর্মপ্রচারক আসেন বাংলাদেশে।

উল্লেখ্য, পাহাড়পুর ও রাজশাহীতে খলিফা হারুন অর রশিদের (৭৮৮ খ্রিস্টাব্দের) এবং ময়নামতি ও কুমিল্লায় আব্বাসিয়া আমলের মুদ্রা পাওয়া যায় যা সে সময় থেকে মুসলমানদের এই দেশে ছড়িয়ে পড়ার ইংগিত বহন করে। তবে ব্যাপকভাবে ইসলাম প্রচার শুরু হয় ওলি-আওলিয়া ও সুফিদের কল্যাণে। ৮৬৬ থেকে ৮৭৪ সাল পর্যন্ত ইরানের বিখ্যাত দরবেশ বাইজিদ বোস্তামি (র.) চট্টগ্রামে ধর্মপ্রচার করেন।

১০৫৩ সালে শাহ মোহাম্মদ সুলতান বলখি (রহ.) মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে আসেন। তিনি বগুড়ার মহাস্থানগড়সহ বিভিন্ন স্থানে ধর্মপ্রচার করেন। একই সময় শাহ মোহাম্মদ সুলতান রুমি (রহ.) নেত্রকোনায় ধর্মপ্রচার করেন। এখানে মদনপুরের রাজা ইসলাম গ্রহণ করেন। ১১৭৯ সালে বাবা শাহ আদম (রহ.) বিক্রমপুরে ধর্মপ্রচার আরম্ভ করেন। ১১৮৪ সালে শাহ মাখদুম রুপোশ রাজশাহী অঞ্চলে প্রথমবারের ন্যায় ধর্মপ্রচার শুরু করেন। ১৩৯৮ সালে খুলনায় ধর্মপ্রচারের জন্য আসেন খান জাহান আলী (রহ.)। তিনি এই এলাকায় ৩৬০টি মসজিদ নির্মাণ ও পুকুর খনন করেন। যাট গম্বুজ মসজিদ তারই অনন্য কীর্তি। তার আগে ১৩০৩ সালে দিল্লী হয়ে সিলেটে আসেন হযরত শাহ জালাল (রহ.)। এখানে তিনি ১৪৪৬ সালে মৃত্যুর দিন পর্যন্ত অবস্থা্ন করে ধর্মপ্রচার করেন । তার সাথে ভারতে ব্যাপকভাবে ধর্মপ্রচারকারী খাজা গরীবে নেওয়াজ মইনুদ্দিন চিশতি ও নিজামুদ্দিন আউলিয়ার (র.) দেখা-সাক্ষাত্ হয়। ধর্ম প্রচারে সুফিদের মধ্যে কাদেরি, মাইজভান্ডারি, নকশেবন্দি, চিশতি, মুজাদ্দেদি, আহমদি, মোহাম্মদি, সোহরাওয়ার্দি ইত্যাদি তরিকার ভূমিকা অগ্রগণ্য।

অন্যদিকে ১৯২০ সালে দিল্লীর নিকটবর্তী নিজাম উদ্দিন আউলিয়ার (রহ.) মাজার সংলগ্ন মসজিদকে কেন্দ্র করে মাওলানা ইলিয়াস (র.) নতুন পদ্ধতিতে যে দ্বীন প্রচার শুরু করেন তাই এক সময় তাবলিগ আন্দোলনে রূপ নেয়। বাংলাদেশের টঙ্গীতে আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্ব ইজতেমা তারই অংশ। তাবলিগ জামাত বিশেষত গ্রামীণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তাবলিগের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, দ্বীনের মেহনতে জামাত আকারে একচিল্লা (৪০দিন), তিন চিল্লা এমনকি ছয় মাস বা এক বছরের জন্য দেশ-বিদেশে বের হওয়া। তাকওয়া অর্জন, দ্বীনের তালিমে অংশগ্রহণ ও আমল-আখলাক সুন্দর করার এক অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি করে তাবলিগ জামাত। সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত এই জামাতকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইসলামি আন্দোলন।

লেখক : সাংবাদিক

বিশ্ব ইজতেমার উৎপত্তি ও বিকাশ

মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান

উপমহাদেশের মুসলমানদের ইতিহাসের এক ক্রান্তিলগ্নে তাবলিগ জামাতের শুভ সূচনা হয়। বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ও সাধক হজরত মাওলানা ইলিয়াস আখতার কান্ধলভি (১৮৮৫-১৯৪৪ খ্রি.) দাওয়াতে তাবলিগ জামাতের পুনর্জাগরণ করেন। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী দিল্লির দক্ষিণ পাশে অবস্থিত এক জনবিরল নীরব অঞ্চল ‘মেওয়াত’। চারিত্রিক বিপর্যস্ত ধর্মকর্মহীন, অশিক্ষিত ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন নামেমাত্র মুসলমান ‘মেও’ জনগোষ্ঠীকে ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস, ধর্মের পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন ও কালেমার দাওয়াতি মর্ম শিক্ষাদান এবং বিভ্রান্তির কবল থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে হজরত মাওলানা ইলিয়াস (রা.) তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম শুরু করেন। ১৩৪৫ হিজরিতে দ্বিতীয় হজ থেকে ফিরে এসে তিনি তাবলিগি গাশ্ত শুরু করলেন, জনসাধারণের মধ্যে কালেমা ও নামাজের দাওয়াত দিতে লাগলেন। তাবলিগ জামাত বানিয়ে বিভিন্ন এলাকায় বের হওয়ার দাওয়াত দিলেন, এভাবে গ্রামে গ্রামে সৎ কাজ করার জন্য জামাত তৈরি করে দিতেন। কয়েক বছর মেওয়াতে এ পদ্ধতিতে দাওয়াতি কাজ অব্যাহত থাকল। ১৩৫২ হিজরিতে তৃতীয় হজ পালনের পর তিনি বুঝতে পারলেন যে গরিব মেওয়াতি কৃষকদের পক্ষে দ্বীন শেখার সময় পাওয়া কষ্টকর। ঘরসংসার ছেড়ে মাদ্রাসায় দ্বীন শেখাও অসম্ভব। ওয়াজ-নসিহতের মাধ্যমে সামগ্রিক জীবন পাল্টে দেওয়া বা জাহেলি বিশ্বাসকে পরিবর্তন করাও সম্ভব নয়। তাই ক্ষুদ্র দল বা ছোট জামাত আকারে ইলমি ও দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোয় গিয়ে সময় কাটানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন এবং ধর্মীয় পরিবেশে তালিম দিতে আরম্ভ করলেন। সেসব ধর্মীয় মজলিসে ওলামা-মাশায়েখদের ওয়াজ-নসিহতের পাশাপাশি তাদের দৈনন্দিন জীবনের নিয়মনীতি বাতলে দেওয়া হতো। মানুষ দ্বীনদার পরহেজগার লোকদের জীবনযাপন, কথাবার্তা, আচার-আচরণ, চালচলন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতেন। শুরুতে তাবলিগি কার্যক্রম ব্যাপক সমর্থন পায়নি, কিন্তু ধীরে ধীরে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মুখ নিঃসৃত শাশ্বত বাণী: ‘তোমার কাছে যদি কোনো বাণী থাকে, তা অন্যের কাছে পৌঁছে দাও।’ এ দাওয়াতি আহ্বানকে কেন্দ্র করেই পর্যায়ক্রমে তাবলিগের বিশ্বব্যাপী প্রচার ও প্রসার ঘটে। এ ব্যাপারে তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা হজরত মাওলানা ইলিয়াস (রা.) অত্যন্ত ন্যায়নিষ্ঠা, ধৈর্য, পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় অপরিসীম ভূমিকা রাখেন। তাবলিগ জামাতের দ্বিতীয় আমির মাওলানা ইউসুফ কান্ধলভি (রা.)-এর যুগে ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এ আন্দোলন সবচেয়ে বেশি ও শক্তিশালী ছিল। প্রথম ইজতেমা ১৯৪১ সালে দিল্লির নিজামউদ্দীন মসজিদের ছোট এলাকা মেওয়াতের নুহ মাদ্রাসায় আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় ২৫ হাজার তাবলিগ দ্বীনদার মুসলমান অংশ নেন। এভাবে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে মেওয়াতের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার কিছু মানুষের কাছে দ্বীনের কথা প্রচারের মধ্য দিয়ে তাবলিগ জামাতের যাত্রা শুরু হয়। বাংলাদেশে ১৯৪৬ সালে ঢাকার রমনা পার্কসংলগ্ন কাকরাইল মসজিদে তাবলিগ জামাতের বার্ষিক সম্মেলন বা ইজতেমা প্রথম অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রামে তৎকালীন হাজি ক্যাম্পে ইজতেমা হয়, ১৯৫৮ সালে বর্তমান নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। তখন এটা কেবল ইজতেমা হিসেবে পরিচিত ছিল। প্রতিবছর ইজতেমায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আশাতীতভাবে বাড়তে থাকায় ১৯৬৬ সালে ইজতেমা টঙ্গীর পাগার গ্রামের খোলা মাঠে আয়োজন করা হয়। ওই বছর স্বাগতিক বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা অংশ নেওয়ায় ‘বিশ্ব ইজতেমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ১৯৬৭ সাল থেকে বর্তমান অবধি (২০১১ সাল থেকে দুই পর্বে) ‘বিশ্ব ইজতেমা’ টঙ্গীর কহর দরিয়াখ্যাত তুরাগ নদের উত্তর-পূর্ব তীরসংলগ্ন ডোবা-নালা, উঁচু-নিচু মিলিয়ে রাজউকের হুকুমদখলকৃত ১৬০ একর জায়গার বিশাল খোলা মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম-শহর-বন্দর থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান এবং বিশ্বের প্রায় ৫০ থেকে ৫৫টি দেশের তাবলিগি দ্বীনদার মুসলমান জামাতসহ ২৫ থেকে ৩০ লক্ষাধিক মুসল্লি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক ইসলামি মহাসম্মেলন বা বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নেন। সাধারণত প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহের শুক্রবার আমবয়ান ও বাদ জুমা থেকে বিশ্ব ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্ব ইজতেমার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, তিন দিন দেশ-বিদেশের ইমানদার ত্যাগী আলেম-ওলামাদের কাছ থেকে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে বয়ান শুনে আখেরি মোনাজাত করে ইমান-আমলের দাওয়াত সারা বিশ্বে পৌঁছে দেওয়া। শুধু ইসলামি বয়ান শোনা কিংবা আখেরি মোনাজাতে প্রচুর লোকজনের অংশগ্রহণ করা ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য নয়। লক্ষ্য হলো, যাতে বেশি তাবলিগ জামাত বের হয়। প্রতিবছর এক হাজার ৫০০ থেকে এক হাজার ৭০০ জামাত বিশ্ব ইজতেমা থেকে দেশে-বিদেশে এক চিল্লা (৪০ দিন), তিন চিল্লা (চার মাস), ছয় মাস ও এক বছরের জন্য আল্লাহর দ্বীনের তাবলিগ ও দাওয়াতের জন্য বের হয়। তাবলিগের প্রতি জামাতে ১৪ থেকে ১৫ জন মুসল্লি থাকেন। জামাত বের হওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রথমত, জামাতের সাথিদের ইমান-আমল ও ইলম অর্জন করা এবং আত্মশুদ্ধি হওয়া। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি মসজিদ থেকে জামাত বের করা। তৃতীয়ত, প্রতিটি মসজিদে পাঁচ আমল পরিপূর্ণ চালু করা (সপ্তাহে দুই দিন গাশ্ত করা, প্রতিদিন মাশওয়ারা করা, প্রতিদিন আড়াই ঘণ্টা দ্বীনের দাওয়াত দেওয়া, প্রতিদিন মসজিদ ও বাড়িতে তালিম করা এবং মাসে তিন দিন তাবলিগে যাওয়া)। প্রতিটি জামাত নির্ধারিত এলাকার প্রতি মসজিদে দুই-তিন দিন করে থেকে তাওহিদ, রিসালাত, আখিরাত, ইমান ও আমলের দাওয়াত দেওয়া। এ বছর দেশের প্রতিটি মসজিদ থেকে একটি করে তাবলিগ-জামাত বের করার লক্ষ্য নিয়ে ৪৯তম বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক, গবেষক ও কলাম লেখক। dr.munimkhan@yahoo.com

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.