রঙ ফর্সাকারী ক্রিম থেকে সাবধান

January 21, 2014 1:13 pmComments Off on রঙ ফর্সাকারী ক্রিম থেকে সাবধানViews: 106
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube
রঙ ফর্সাকারী ক্রিম থেকে সাবধান
ঢাকা: টেলিভিশনে বিভিন্ন চলচ্চিত্র তারকা, খেলোয়ারসহ নানা অঙ্গনের সেলিব্রেটিকে আমরা হরদম  দেখি রঙ ফর্সাকারী ক্রিমের বিজ্ঞাপনে অংশ নিয়ে সুন্দর সুন্দর কথা বলতে। অনেকসময় এসব ক্রিমের বিজ্ঞাপনে সাতদিনে গায়ের রঙ ফর্সা করারও গ্যারান্টি দেয়া হয়। আর তাদের কথায় ভুলে এসব ক্রিম দেদারসে পৌঁছে যাচ্ছে আগ্রহীদের ঘরে ঘরে। কিন্তু এসব টিভি বিজ্ঞাপনের চটকদার কথায় ভোলার আগে দুবার ভাবুন। এখনও সময় আছে, সতর্ক হোন।

ফর্সা হওয়ার ক্রিম আপনার জীবনে ডেকে আনতে পারে চরম বিপর্যয়, এমনটাই জানাচ্ছেন বৈজ্ঞানিকরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রায় সব ফর্সা হওয়ার ক্রিমেই মেশানো থাকে পারা। যার থেকে ত্বকের অ্যালার্জি, র‌্যাশ এমনকি ক্যানসারও হতে পারে।

সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের (সিএসই) পলিউশন মনিটরিং ল্যাবে পরীক্ষা করা সবকটি ফেয়ারনেস ক্রিমেই পারার পরিমাণ পাওয়া গিয়েছে ৪৪ শতাংশেরও বেশি। বাজারে প্রথম সারির মোট ১৪টি ফেয়ারনেস ক্রিমের উপর এই পরীক্ষা চালানো হয়। সিএসইর প্রধান জেনারেল সুনীতা নারায়ণ বলেন, ‘কসমেটিক্সে পারার ব্যবহার সম্পূর্ণ ভাবে অনৈতিক ও বেআইনি।’

যে সব কোম্পানির ক্রিমের পারা পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ব্লসম কোচার বিউটি প্রোডাক্টের অ্যারোমা ম্যাজিক ফেয়ার লোশন। এর মধ্যে সবথেকে বেশি পরিমাণ পারা পাওয়া গিয়েছে। তারপরই রয়েছে প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বলের ‘ওলে ন্যাচারাল হোয়াইট’ ও হিন্দুস্তান ইউনিলিভারের ‘পন্ডস হোয়াইট বিউটি’।

শুধু ফর্সা হওয়ার ক্রিম নয়। অত্যন্ত ক্ষতিকর লিপস্টিকও। পরীক্ষাগারে দেখা গিয়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির লিপস্টিকের মধ্যে রয়েছে ক্রোমিয়াম ও নিকেল। প্রথম সারির বেশিরভাগ লিপস্টিকেই ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি ৫০ শতাংশ ও নিকেলের উপস্থিতি ৪৩ শতাংশ। যার থেকে মানসিক অবসাদ, হতাশা ও কিডনির সমস্যাও হতে পারে।

তাই পরের বার থেকে ফর্সা ত্বকে ঠোঁট রাঙানোর আগে একটু সাবধান হোন। তথাকথিত সুন্দরী হওয়ার আকাঙ্খা আপনাকে মারাত্মক সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে না তো?

বাংলামেইল২৪

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.