রোজায় চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তি

June 16, 2015 1:15 amComments Off on রোজায় চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তিViews: 43
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube
রোজায় চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্তি
-অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ:
মাস সমাগত। এ সময়টাতে রোগী কোন অবস্থায় রোজা রাখতে পারবেন, কখন পারবেন না এ বিষয়ে ধর্মীয় দিক-নির্দেশনা থাকলেও অসুস্থ অবস্থায় যারা রোজা রাখতে চান তাদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগ নিয়ে অনেকের মাঝেই নানা রকম বিভ্রান্তি রয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় অনেকেই রোজা রাখতে আগ্রহী হন কিন্তু ওষুধ গ্রহণ বিষয়ে সঠিক দিক-নির্দেশনার অভাবে অনেকেই রোজা রাখতে গিয়ে সমস্যার মুখোমুখি হন। আবার এমন রোগীও আছেন যারা বলেন, যা হওয়ার হবে, তবুও রোজা ছাড়ব না। এ নিয়ে ডাক্তারাও অনেক সময় অসুবিধায় পড়েন। রোজা থাকাকালীন কোনটি উচিত, কোনটি অনুচিত তা অনেক সময় বুঝে উঠতে পারেন না। এসব বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ১৯৯৭ সালের জুন মাসে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত নবম ফিক্হ-চিকিত্সা সম্মেলন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এই সম্মেলনে , , , , এবং ইসলামিক শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (আইএসইএসসিও) প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞ প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

এই সম্মেলনে মূল আলোচনার বিষয় ছিল— রোজা অবস্থায় যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ওষুধ প্রয়োগে রোজা নষ্ট হবে না সে বিষয়ে একটা সঠিক দিক-নির্দেশনা দেওয়া। এ লক্ষ্যে ইসলামিক চিন্তাবিদরা চিকিত্সা বিজ্ঞানে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও গবেষণা করে রোজা অবস্থায় ওষুধ প্রয়োগ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পর্কে সুচিন্তিত তথ্য উপস্থাপন করেন যা ২০০৪ সালে বিখ্যাত ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়। নিবন্ধে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অসুস্থ অবস্থায় যেসব ওষুধ গ্রহণে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না বলে মত দেওয়া হয়েছে তা তুলে ধরা হলো— রোজা অবস্থায় চোখ, নাক ও কানের ড্রপ, স্প্রে, ইনহেলার ব্যবহার করা যাবে। হার্টের এনজাইনার সমস্যার জন্য বুক ব্যথা উঠলে ব্যবহূত নাইট্রোগ্লিসারিন ট্যাবলেট বা স্প্রে জিহ্বার নিচে ব্যবহার করলে রোজা নষ্ট হবে না। শিরাপথে খাদ্য উপাদান ছাড়া কোনো ওষুধ ত্বক, মাংসপেশি, হাড়ের জোড়ায় ইনজেকশন হিসেবে প্রয়োগ করলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে রোজা রাখা অবস্থায় স্যালাইন বা গ্লুকোজ জাতীয় কোনো তরল শিরাপথে গ্রহণ করা যাবে না। চিকিত্সার প্রয়োজনে রোজা রেখে অক্সিজেন কিংবা চেতনা নাশক গ্যাস গ্রহণে রোজা নষ্ট হবে না। এছাড়া চিকিত্সার প্রয়োজনে ক্রিম, অয়েন্টমেন্ট, ব্যান্ডেজ, প্লাস্টার ইত্যাদি ব্যবহার করলে এবং এসব উপাদান ত্বকের গভীরে প্রবেশ করলেও রোজার কোনো সমস্যা হবে না। রোজা রেখে দাঁত তোলা যাবে এবং দাঁতের ফিলিং করা যাবে এবং ড্রিল ব্যবহার করা যাবে। এ ছাড়া দাঁত পরিষ্কারের সময় অসাবধানতাবশত কোনো কিছু গিলে ফেললে রোজা নষ্ট হবে না। রোজা রেখে রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে এবং কাউকে রক্ত দানেও কোনো বাধা নেই। একই সঙ্গে রক্ত গ্রহণ করতেও বাধা নেই রোজা রেখে। রোজা রেখে চিকিত্সার জন্য যোনিপথে ট্যাবলেট কিংবা পায়ুপথে সাপোজিটরি ব্যবহারে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। এমনকি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যোনিপথ কিংবা পায়ুপথে চিকিত্সক বা ধাত্রী আঙ্গুল প্রবেশ করালেও রোজা নষ্ট হবে না।

এছাড়া রোজা রেখে জরায়ু পরীক্ষার জন্য হিস্টোরোস্কপি এবং আইইউসিডি ব্যবহার করা যাবে। হার্ট কিংবা অন্য কোনো অঙ্গের এনজিওগ্রাফি করার জন্য কোনো রোগ নির্ণয়ক দ্রবণ শরীরে প্রবেশ করানো হয় তাতেও রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। একইভাবে কোনো অঙ্গের অভ্যন্তরীণ চিত্রধারণের জন্য সেই অঙ্গের প্রবেশ পথে কোনো ক্যাথেটার বা নালীর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তরল রঞ্জক প্রবেশ করালে রোজা নষ্ট হবে না। রোগ নির্ণয়ের জন্য এন্ডোস্কপি বা গ্যাস্ট্রোস্কপি করলেও রোজা নষ্ট হয় না। তবে এন্ডোস্কপি বা গ্যাস্ট্রোস্কপি করার সময় ভেতরে তরল কিংবা অন্য কোনো কিছু প্রবেশ করানো যাবে না যার খাদ্যগুণ রয়েছে। রোজা রাখা অবস্থায় না গিলে মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যাবে। রোজা রেখে লিভারসহ অন্য যে কোনো অঙ্গের বায়োপসি করা যাবে। রোজা রাখা অবস্থায় পেরিটোনিয়াল কিংবা মেশিনে কিডনি ডায়ালাইসিস করা যাবে।

ডা. এবিএম আবদুল্লাহ  বলেন, রোজা রাখার উদ্দেশ্য শরীরকে দুর্বল করে অকর্মন্য করা নয়, বরং শরীরকে সামান্য কিছু কষ্ট দিয়ে দৈহিক ও আত্মিক উৎকর্ষ সাধন। শুধু তাই নয়, অনেক রোগের বেলায় রোজায় ক্ষতি না হয়ে বরং বহু রোগব্যাধির প্রতিরোধক এবং আরোগ্যমূলক চিকিৎসা লাভে সহায়ক হয়। রোজায় স্বাস্থ্যের সমস্যার চেয়ে বরং স্বাস্থ্যের উপকারই বেশি হয়। রোজা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে রোগীদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ ও রহমতস্বরূপ। ডায়াবেটিস রোগীরা সঠিক নিয়মে রোজা রাখলে নানা রকম উপকার পেতে পারেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মূল উপায় হলো খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, আর রোজা রাখা হতে পারে এক অন্যতম উপায়। এতে সহজেই খাদ্য নিয়ন্ত্রণ সহজ ও সুন্দরভাবে করা যায়। যারা ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল নন, তাদের ক্ষেত্রে রোজা রাখা হতে পারে আদর্শ চিকিৎসা ব্যবস্থা। যারা ইনসুলিন নেন তাঁদের ক্ষেত্রেও রোজা অবস্থায় ওষুধের মাত্রা কমাতে সহায়ক। শুধু রক্তের গ্লুকোজই নয়, রক্তের চর্বি নিয়ন্ত্রণেও রোজা মোক্ষম। এর সঙ্গে সঙ্গে রোজা ডায়াবেটিস রোগীকে সংযম, পরিমিতিবোধ ও শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয় যা ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় অপরিহার্য। যাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি, রোজা তাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। রোজা ভাল কোলেস্টেরলকে (এইচডিএল) বাড়াতে এবং মন্দ কোলেস্টেরলকে (এলডিএল) ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে। যাদের ওজন অতিরিক্ত, তাদের ক্ষেত্রে রোজা ওজন কমানোর জন্য এক সহজ ও সুবর্ণ সুযোগ। ওজন কমে যাওয়ায় বিভিন্ন রোগ থেকে বেঁচে থাকা যায় যেমন উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ শ্বাসকষ্টজনিত রোগ, বাতের ব্যথা, অস্টিওআথ্রাইটিস, গাউট ইত্যাদি। আবার ওজন কমাতে পারলে কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমে আসে। রোজার মাধ্যমে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ হওয়ার ফলে যারা হৃদরোগে অথবা উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাঁদের জন্য রোজা অত্যন্ত উপকারী। এতে শরীরের, বিশেষ করে রক্তনালীর চর্বি হ্রাস পায়, রক্তনালীর এথেরোস্ক্লেরোসিস কমাতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। একসময় ধারণা ছিল পেপটিক আলসারে আক্রান্ত রোগীরা রোজা রাখতে পারবেন না, তাদের ঘন ঘন খাওয়া খেতে হবে, অনেকক্ষণ পেট খালি রাখা যাবে না। অনেকে মনে করেন রোজা পেপটিক আলসারের ক্ষতি করে এবং এ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়।

কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এসব ধারণা ঠিক নয়। রোজায় নিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়ার ফলে এ্যাসিডের মাত্রা কমে যায়। তাই সঠিকভাবে রোজা রাখলে এবং সঠিক খাবার দিয়ে সেহরি ও ইফতার করলে রোজা বরং আলসারের উপশম করে, অনেক সময় আলসার ভাল হয়ে যায়। এছাড়া রোজা গ্যাস্ট্রাইটিস, আইবিএস ইত্যাদি রোগেও উপকারী। শ্বাসকষ্ট বা এ্যাজমা রোগে যাঁরা ভোগেন, তাঁদেরও রোজা রাখতে কোন অসুবিধা নেই। রোজায় এ ধরনের রোগ সাধারণত বৃদ্ধি পায় না। বরং চিন্তামুক্ত থাকায় এবং আল্লাহর প্রতি সরাসরি আত্মসমর্পণের ফলে এ রোগের প্রকোপ কমই থাকে। প্রয়োজনে রাতে একবার বা দু’বার ওষুধ খেয়ে নেবেন যা দীর্ঘক্ষণ শ্বাস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
লেখক : ডিন, মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

রোজায় কার জন্য কোন খাবার
রমজান মাসে খাবারদাবারের সময় ও ধরনে অনেক পরিবর্তন আসে। দিনের একটা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার দরুন শরীরেও এর প্রভাব পড়ে। আবার যাঁদের আগে থেকেই অসুখবিসুখ আছে তারাও কী খাবার খাবেন তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে থাকেন। লিখেছেন বারডেম হাসপাতাল, ঢাকার প্রধান পুষ্টিবিদ ও নিউট্রিশন বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার আলো

ডায়াবেটিস

যাঁদের ডায়াবেটিস আছে তাঁরা ইফতারে স্বাভাবিক শরবতের পরিবর্তে বিকল্প চিনি দিয়ে ইসবগুলের ভুসি, তোকমা, লেবু, কাঁচা আম বা তেঁতুল দিয়ে শরবত খেতে পারেন। ছোলা, বেগুনি, পেঁয়াজু, মুড়ি, হালিম ইত্যাদি কোনোটিই নিষেধ নয়। তবে কতটুকু খাওয়া যাবে তা ডায়াবেটিস রোগীর খাদ্যতালিকা অনুযায়ী যেন হয়, সেটি লক্ষ রাখতে হবে। ইফতারিতে জিলাপি ও খেজুরের প্রতি অনেকের আগ্রহ থকে। সে ক্ষেত্রে জিলাপি একেবারেই বাদ দিতে হবে এবং খেজুর ১টা খেতে পারেন। এখন আম-কাঁঠালের মৌসুম। খেতে হলে রক্তের মাত্রা বুঝে খাবেন। তবে আম দুই টুকরা বা ২০ গ্রামের মতো এবং কাঁঠাল দুই কোয়ার ঊর্ধ্বে না খাওয়াই উচিত। মুড়ি ও চিঁড়া যা-ই খান না কেন, পরিমাণ ঠিক রেখে খাবেন। আগে দিনে দিন-রাত মিলিয়ে যে পরিমাণে খাওয়া হতো সন্ধ্যারাতের খাবার থেকে সেহরি পর্যন্ত সেই পরিমাণ খাবেন। তবে ইফতারে বেশি খেয়ে রাতের খাবার বাদ দেওয়া ঠিক নয়। সেহরিতে রুটি বা ভাত- যার যেটা পছন্দ সে অনুযায়ী খেতে পারেন। সেহরিতে খাবারের পরিমাণ হবে অন্যান্য দিনে দুপুরে যতুটুকু খাবার খাওয়া হয় ততটুকু। যাঁরা দুধ খেতে পছন্দ করেন তাঁরা সেহরিতে দুধ খাবেন। তবে দুধ খেলে ডাল খাওয়ার প্রয়োজন নেই।

বাত

এ ধরনের রোগীদের ইফতারিতে ছোলা, পেঁয়াজু ইত্যাদি ডালজাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। তাদের খেতে হবে চিঁড়া-মুড়ি, ময়দা ও চালের গুঁড়ার তৈরি খাবার। এ ছাড়া দুধ-সেমাই, দুধ-সুজি, চিঁড়া-দই, কলা ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। ডালে পিউরিন আছে বলে ডাল খেলে বাতের ব্যথা বেড়ে যাবে। এ ছাড়া সন্ধ্যারাতে ও সেহরিতে যতটা সম্ভব মাংস কম খেতে হবে। এ সময় ডিম, দুধ, মাছ দিয়ে খাবার গ্রহণ করলে ভালো হয়।

পেপটিক আলসার

পেপটিক আলসার ও গ্যাসট্রাইটিসের রোগীরা মনে করেন, রোজা রাখলে তাঁদের আরো বেশি শারীরিক সমস্যা হবে। এটা ঠিক নয়। আসলে রোজায় সারা দিন শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হয় বলে কোনো ক্ষতি হয় না। তবে এ ধরনের রোগীদের ইফতারে ডুবো তেলে ভাজা খাবার একেবারেই পরিহার করা উচিত। এ ছাড়া ডালের তৈরি খাবার পরিপাকতন্ত্রে শোষিত হতে সময় বেশি লাগে বলে এগুলোও বাদ দেওয়া ভালো। ইফতারে খেতে পারেন ভেজানো চিঁড়া-কলা, নারিকেল, চিনি/গুড়, চিঁড়ার পোলাও, নুডলস, আলুর দম, হালকা তেলের তৈরি তেহারি, সঙ্গে খেজুর ও অন্যান্য ফল। সন্ধ্যারাতে ও সেহরিতে খেতে পারেন ভাত, মাছ, মুগডাল ও আঁশবিহীন সবজি। যাঁদের দুধে সমস্যা হয় না তাঁরা দুধ খেতে পারেন।

হৃদরোগ

হৃদরোগীদের ওপর রোজায় কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে না। তবে ট্রান্স ফ্যাটের জন্য ডুবো তেলে ভাজা-অর্থাৎ পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ ইত্যাদি এড়িয়ে যাওয়া ভালো। ফলের পটাশিয়াম ও ভিটামিন ‘সি’ হৃদরোগীদের জন্য খুবই ভালো। এ জন্য ইফতারে ফলের জুস থাকলে উপকার পাওয়া যাবে। অতিরিক্ত তেল, ঘি, চর্বি বাদ দিয়ে হালকা তেলে রান্না সহজপাচ্য খাবার খাওয়াই হৃদরোগীদের জন্য উপকারী।

অধিক ওজন বা ওবেসিটি

ইফতারে তেলযুক্ত খাবার কমানো জরুরি। তাই তেলে ভাজা খাবার না খেয়ে ইফতারে খেতে পারেন সিদ্ধ ছোলা, মুড়ি, চিঁড়া, অল্প তেলের ফ্রায়েড রাইস, অল্প তেল ও সবজি বেশি দিয়ে রান্না করা নুডলস, চিঁড়া ইত্যাদি। ইফতারে শসা, ডাবের পানি, ফল রাখা যেতে পারে।

 

Source: BD-Protidin.com
Link: http://goo.gl/Tlq5HG

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.