সিনে পাড়া ২০১৬

December 26, 2016 10:13 amComments Off on সিনে পাড়া ২০১৬Views: 8
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube

সিনে পাড়ার আলোচিত ১০

মাসুম আওয়াল |  ডিসেম্বর ২৬,২০১৬

সিনে পাড়ার আলোচিত ১০


বছরজুড়ে নানা ঘটনায় সরগরম ছিল ঢাকার সিনে পাড়া। একের পর এক সিনেমার ব্যর্থতার পাশাপাশি ছিল কিছু সুখবর। এ বছরই মুক্তি পেয়েছে ‘আয়নাবাজি’, ‘শিকারি’র মতো তোলপাড় করা সিনেমা। ছিল ভারতীয় সিনেমা নিয়ে আন্দোলন, মুক্তি প্রতিক্ষীত ‘’ নিয়ে বিতর্ক। আরো ছিল নায়িকাদের প্রেম, বিয়ের কেচ্ছা। সেখান থেকে বাছাই করা ১০টি বিষয়ে জেনে নিন—

আয়নাবাজির বাজিমাত : বছরের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা ‘আয়নাবাজি’ মুক্তি পায় ৩০ সেপ্টেম্বর। প্রথম সপ্তাহে ২২টি হল পেলেও পরের সপ্তাহগুলোতে বাড়তে থাকে। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেও একাধিক হলে প্রদর্শিত হচ্ছে। বিদেশেও সমাদর পেয়েছে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘আয়নাবাজি’। ২০ অক্টোবর একটি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের অনলাইন টিভি থেকে ফাঁস হয়ে যায় ছবিটি। এ নিয়ে বিতর্কে পড়েন সিনেমাটির নির্মাতা ও প্রযোজক।

দ্বিতীয়বার যৌথ প্রযোজনায় : যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘সবার উপর তুমি’তে এক দশক আগে মুখ দেখিয়েছিলেন শাকিব খান। ২০১৬ সাল মুক্তি পায় দ্বিতীয় সিনেমা ‘শিকারি’। নতুন লুকে দেশি দর্শকের মন কেড়েছেন তিনি। তবে কলকাতায় ভালো চলেনি। দেশে সমালোচনায়ও পড়েছেন শাকিব। অভিযোগ ওঠে, যৌথ প্রযোজনা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে যা বলেছেন তারই উল্টো করেছেন তিনি।

অপু আউট, বুবলি ইন :  অন্তরালে গিয়ে বছরের মাঝামাঝি থেকে আলোচনায় আছেন অপু বিশ্বাস। গুজব ওঠে ২০০৮ সালে শাকিবকে বিয়ে করেছেন তিনি। নভেম্বরে কলকাতায় দ্বিতীয় সন্তানের মা হয়েছেন। ে তেমন একটি ছবিও ভাইরাল হয়। অপুর অভাব পূরণেই যেন হাজির হয়েছেন শবনম বুবলি। কোরবানি ঈদে ‘বসগিরি’ ও ‘শুটার’-এর মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় তার। এ নায়িকাও বিয়ে-সন্তানের গুজবের শিকার হন। তার পক্ষ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন শাকিব।

বৃহন্নলার পুরস্কার বাতিল : ২৫ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৪। শ্রেষ্ঠ সিনেমা, কাহিনী ও সংলাপ শাখায় পুরস্কার জেতে মুরাদ পারভেজের ‘বৃহন্নলা’। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। পশ্চিম বঙ্গের লেখক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের গল্প চুরির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বাতিল হয় পুরস্কার।

মাহির বিয়ে, মামলা :  ২৫ মে পারভেজ মাহমুদ অপুর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন । এর পরপরই স্ত্রী দাবি করে অনলাইনে ছবি ছড়িয়ে দেয় মাহির বন্ধু শাওন। ২৭ মে রাতে তথ্য প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করেন । গ্রেফতার হন শাওন। পরে সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিষয়টির সমাধান হয়।

পরী মনির বিয়ে বিতর্ক : ফ্রেব্রুয়ারিতে পরী মনির বিয়ের কাবিননামা ও স্বামীর সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ হয় অনলাইনে। ফেরদৌস কবীর সৌরভ নামের এক ব্যক্তি পরীকে স্ত্রী বলে দাবি করেন। পরী মনির দাবি— উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছবিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে। বিতর্কের পাশাপাশি ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘রক্ত’ দিয়ে প্রশংসিত হন তিনি।

উপমহাদেশীয় ভাষার চলচ্চিত্র প্রদর্শনে প্রতিবাদ : জুলাইয়ের শেষ দিকে মুক্তি পায় ভারতীয় চলচ্চিত্র ‘কেলোর কীর্তি’। প্রতিবাদে ২৮ জুলাই মাঠে নামেন চলচ্চিত্রকর্মীরা।

শঙ্খচিল বিতর্ক : সমালোচিত হয় টেলিফিল্মের যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘শঙ্খচিল’। অভিযোগ ওঠে— সীমান্তের দুই পাড়ের মানুষের মানবিকতার কথা বলা হলেও, চলচ্চিত্রটির কোথাও িদের হত্যা কিংবা নিহতদের পরিবারের যন্ত্রণার প্রতিফলন দেখা যায়নি। উল্টো ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রতি সাফাই গাওয়া হয়। চলচ্চিত্রটি আঞ্চলিক ভাষা বিভাগে ভারতের জাতীয় পুরস্কার জেতে।

অনলাইনে অজ্ঞাতনামার সাফল্য : আগস্টে মুক্তি পেয়েও আলোচনা তুলতে পারেনি তৌকীর আহমেদের ‘’। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে অনলাইনে ফাঁস হলে সিনেমাটি দারুণ প্রশংসা লাভ করে। এর জন্য দুর্বল মার্কেটিং ও পাবলিসিটিকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

ডুব বিতর্ক : হুমায়ূন আহমেদের জীবনীতে নির্মিত হয়েছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ডুব। এমন খবরে অক্টোবরে শুরু হয় বিতর্ক। পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়ে মাঠ জমিয়ে রাখেন ফারুকী ও হুমায়ূনের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন।

সালতামামি : কমেছে চলচ্চিত্র মুক্তি তবুও…

মাসুম আওয়াল | ডিসেম্বর  ২১,২০১৬

সালতামামি : কমেছে চলচ্চিত্র মুক্তি তবুও…


ঢালিউডে ২০১৬ সাল শুরু হয় সাদামাটা ভাবেই। বছরের প্রথম ছবি ছিল সাইমন সাদিক ও মৌমিতা অভিনীত ‘মাটির পরী’। এর পরপরই মুক্তি পায় বহুল আলোচিত ঢাকা-কলকাতার যৌথ প্রযোজনার ‘অঙ্গার’। অভিনয় করেন নবাগত জলি ও ওম। কিন্তু কোনো ছবিই ভালো ব্যবসা করেনি। সে রেশ সারাবছরই ছিল। তারপরও ঘটেছে আশাবাদী হওয়ার মতো ঘটনা।

১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুক্তি পেয়েছে ৫৫টি চলচ্চিত্র। ২৩ ও ৩০ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে আরো দুটি সিনেমা। সব মিলিয়ে ৫৭। অন্যদিকে ২০১৫ সালে মুক্তি পায় ৬৩টি চলচ্চিত্র। এ সংখ্যা ২০১৪ সালে ছিল ৭৬। অর্থাৎ আগের দুই বছরের তুলনায় সিনেমা মুক্তি কমেছে। আরেকটু পেছনে ফিরলে দেখা যায়, ২০১৩ সালে ৫৩, ২০১২ সালে ৫১ ও ২০১১ সালে ৪৮টি চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছিল।

ছবি কম মুক্তি পেলেও ঢালিউডের জন্য আলোচিত বছর ২০১৬। ঈদুল ফিতরে বাজিমাত করে যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্র ‘শিকারি’। বছরের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝিতে মুক্তি পায় অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘আয়নাবাজি’। সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি ডিসেম্বরেও প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে।

পরিবর্তন ডটকম ২০১৬ সালের সিনেমার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি থেকে। ওই তালিকায় নেই জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত কোনো চলচ্চিত্রের নাম। যদিও ৮টি সিনেমার প্রচারণায় প্রতিষ্ঠানটির নাম ব্যবহার করা হয়েছে। পরে জানা যায়, কাগজপত্রে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলো জাজেরই অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক কোন মাসে কোন সিনেমা মুক্তি পেয়েছিল—

জানুয়ারি :  মাটির পরী, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মাটির পরী মাল্টিমিডিয়া, মুক্তি ১ জানুয়ারি। পরিচালক সায়মন তারিক। অভিনয়ে সাইমন সাদিক, , লামিয়া, মৌমিতা প্রমুখ।

‘ভুল যদি হয়’, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান মাল্টিমডিয়া প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড, মুক্তি ৮ জানুয়ারি। পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। অভিনয়ে ইমন, সম্রাট, আলিশা প্রধান প্রমুখ।

‘অঙ্গার’, আদর এন্টারটেইনমেন্ট (যৌথ প্রযোজনা), মুক্তি ১৫ জানুয়ারি। পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন। অভিনয় করেছেন ওম, জলি, রজতাভ দত্ত, অমিত হাসান প্রমুখ।

‘আন্ডার কনস্ট্রাকশান’, খনা টকিজ, ২২ জানুয়ারি। পরিচালক সৈয়দা রুবায়েত হোসেন। অভিনয় করেছেন— শাহানা গোস্বামী, রাহুল বোস, মিতা চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

‘পুড়ে যায় মন’, সনি মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল, ২৯ জানুয়ারি। পরিচালনা অপূর্ব রানা। অভিনয় করেছেন— সাইমন, পরী মনি, আলীরাজ প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি : ‘রাজা ৪২০’, গোধুলী ফিল্মস, ৫ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক উত্তম আকাশ। অভিনয় করেছেন শাকিব, অপু, অমিত হাসান।

‘সুইট হার্ট’, ডিজিটাল মুভিজ, ১২ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন। অভিনয় করেছেন বাপ্পী, মিম, রিয়াজ।

‘ভালোবাসবই তো’, ২০ সেঞ্চুরি অ্যাড, ১২ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক বেলাল আহমেদ। অভিনয় করেছেন মৌসুমী, ওমর সানি।

‘হিরো ৪২০’, এসএস ফিল্মস (যৌথ প্রযোজনা), ১৯ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক সৈকত নাসির। অভিনয় করেছেন ওম, ফারিয়া, আশীষ বিদ্যার্থী প্রমুখ।

‘বেপরোয়া’ (আমদানিকৃত), খান ব্রাদার্স, ২৬ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক পিযুষ সাহা। অভিনয় করেছেন সূর্য ও পাপড়ি।

‘বেলাশেষে’ (আমদানিকৃত), ধ্বনিচিত্র লিমিটেড, ২৬ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রকাশ মুখার্জী। অভিনয় করেছেন সৌমিত্র চ্যাটার্জী, সাথীলেখা, ঋতুপর্ণা, অপরাজিতা প্রমুখ।

‘কৃষ্ণপক্ষ’, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম, ২৬ ফেব্রুয়ারি। পরিচালক মেহের আফরোজ শাওন। অভিনয় করেছেন রিয়াজ, মাহি ও ফেরদৌস।

মার্চ : ‘ছিন্নমূল’, রোজ ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল, ৪ মার্চ। পরিচালক কাজী হায়াৎ। অভিনয় করেছেন মারুফ, অরিন, কাজী হায়াৎ।

‘গুণ্ডামি’, আলী ফিল্মস, ১১ মার্চ। পরিচালক সায়মন তারিক। অভিনয় করেছেন শাহরিয়াজ ও বিপাশা।

‘বুলেট বাবু’, এসএনএ ফিল্মস, ১১ মার্চ। পরিচালক মঈন বিশ্বাস। অভিনয় করেছেন রোহান, সাকিরা, ইমু, আলেক জান্ডার বো প্রমুখ।

‘মিয়া বিবি রাজি’, নোলক চলচ্চিত্র, ১৮ মার্চ। পরিচালক শাহীন সুমন। অভিনয় করেছেন সুমিত, শিরিন শীলা ও মিশা সওদাগর।

‘ভোলা তো যায় না তারে’, ধলেশ্বরী চলচ্চিত্র, ১৮ মার্চ। পরিচালক রফিক শিকদার। অভিনয় করেছেন নিরব, তানহা, হিল্লোল, সুব্রত ও মাসুম আজিজ।

‘ছোট কাকু’, এসএম মুভিজ, ১৮ মার্চ। পরিচালক আফজাল হোসেন। অভিনয় করেছেন আফজাল হোসেন, অর্ষা, সীমান্ত।

‘উতলা মন’, আউয়াল চলচ্চিত্র, ২৫ মার্চ। পরিচালক আব্দুল আউয়াল। অভিনয় করেছেন আড়িয়াল শাহ, মনিকা, মিশা সওদাগর।

এপ্রিল : ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’, প্রিয়জন কথাচিত্র, ১ এপ্রিল। পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার। অভিনয় করেছেন মৌসুমী, রাজ্জাক, পরী মনি।

‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কহিনী ২’, ফ্রেন্ডস মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল, ৮ এপ্রিল। পরিচালক সাফিউদ্দীন সাফি। অভিনয় করেছেন শাকিব খান, জয়া আহসান, ইমন ও মৌসুমী হামিদ।

‘অনেক দামে কেনা’, নাসির ট্রেডার্স, ৮ এপ্রিল। পরিচালক জাকির হোসেন রাজু। অভিনয় করেছেন মাহি, বাপ্পী ও ডিপজল।

‘শঙ্খচিল’, আশীর্বাদ চলচ্চিত্র (যৌথ প্রযোজনা), ১৫ এপ্রিল। পরিচালক গৌতম ঘোষ। অভিনয় করেছেন প্রসেনজিৎ ও কুসুম শিকদার।

‘মুসাফির’, পারসেপচুয়াল পিকচার্স, ২২ এপ্রিল। পরিচালক আশিকুর রহমান। অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, মারজান, মিশা সওদাগর, টাইগার রবি।

‘বাজে ছেলে’, ইস্টার্ন মোশন পিকচার্স, ২৯ এপ্রিল। পরিচালক সোহেল বাবু। অভিনয় করেছেন আরশী ও বাপ্পী।

‘আইসক্রিম’, পিংপং এন্টারটেইনমেন্ট, ২৯ এপ্রিল। পরিচালক রেদওয়ান রনি। অভিনয় করেছেন কুমার উদয়, নাফিসা, তুষি, শরিফুল রাজ।

মে : ‘অস্তিত্ব’, ড্রিম বক্স লিমিটেড, ৬ মে। পরিচালক অনন্য মামুন। অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, তিশা, সুচরিতা ও সুব্রত।

‘অজান্তে ভালোবাসা’, চুয়াডাঙা চলচ্চিত্র, ১৩ মে। পরিচালক এজে রানা। অভিনয় করেছেন সাইমন ও আলিশা।

‘রুদ্র’, পার্পল রেইন ফিল্মস, ১৩ মে। পরিচালক সায়েম জাফর ইমামি। অভিনয়ে এবিএম সুমন ও পিয়া বিপাশা।

‘দিওয়ানা মন’, এনআর ফিল্মস ইন্টারন্যাশনাল, ২৬ মে। পরিচালক নূরুল ইসলাম প্রীতম। অভিনয় করেছেন রাফি সালমান, ওমর সানি, জাভেদ, ড্যানি রাজ।

পবিত্র রমজানের কারণে জুনে কোনো ছবি মুক্তি পায়নি।

জুলাই : ‘শিকারি’ (যৌথ প্রযোজনা), এসএইচ ফিল্মস, ৭ জুলাই (ঈদুল ফিতর)। পরিচালক আব্দুল আজিজ। অভিনয় করেছেন শাকিব ও শ্রাবন্তী।

‘বাদশা দ্য ডন’ (যৌথ প্রযোজনা), থ্রিএ মুভিজ, ৭ জুলাই (ঈদুল ফিতর)। পরিচালক আব্দুল আজিজ। অভিনয় করেছেন জিৎ ও নুসরাত ফারিয়া।

‘সম্রাট’, টাইগার মিডিয়া, ৭ জুলাই (ঈদুল ফিতর)। পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। অভিনয় করেছেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস ও মিশা সওদাগর।

‘রানা পাগলা (মেন্টাল)’, বাংলা এক্সপ্রেস ফিল্ম, ৭ জুলাই (ঈদুল ফিতর)। পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। অভিনয় করেছেন শাকিব খান, তিশা, আঁচল, মিশা, পড়শী প্রমুখ।

‘দর্পন বিসর্জন’, ৭ জুলাই (ঈদুল ফিতর)। পরিচালক সুমন ধর। অভিনয় করেছেন অপর্ণা ঘোষ, মাজনুন মিজান প্রমুখ।

‘কেলোরকীর্তি’ (আমদানিকৃত), আরাধনা এন্টারপ্রাইজ, ২৯ জুলাই। পরিচালক রাজা চন্দ। অভিনয় করেছেন দেব, অঙ্কুশ, যীশু, নুসরাত প্রমুখ।

আগস্ট : ‘আড়াল’, ত্রিভুজ চলচ্চিত্র, ৫ আগস্ট। পরিচালক শাহেদ চৌধুরী। অভিনয় করেছেন শাহরিয়াজ, আঁচল, বিপাশা কবির।

‘নিয়তি’ (যৌথ প্রযোজনা), এএইচ খান এন্টারপ্রাইজ, ১২ আগস্ট। পরিচালক জাকির হোসেন রাজু। অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ ও জলি প্রমুখ।

‘মাস্তানি’, অ্যাডকম, ১৯ আগস্ট। পরিচালক ফিরোজ খান প্রিন্স। অভিনয় করেছেন মারুফ, মৌসুমী হামিদ ও কাবিলা।

‘অজ্ঞাতনামা’, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম, ১৯ আগস্ট। পরিচালক তৌকীর আহমেদ। অভিনয় করেছেন নিপুন, প্রমুখ।

‘এক জবানের জমিদার হেরে গেলেন এইবার’, এসএস ইন্টারন্যাশনাল, ২৬ আগস্ট। পরিচালক উত্তম আকাশ। অভিনয় করেছেন আমিন, সিলভী, হুমায়ূন ফরীদি প্রমুখ।

সেপ্টেম্বর : ‘পৌষ মাসের পিরিত’, ফেমকম বাংলাদেশ, ২ সেপ্টেম্বর। পরিচালক নারগিস আক্তার। অভিনয় করেছেন পপি, টনি ডায়েস, আহমেদ রুবেল, প্রিয়াঙ্কা প্রমুখ।

‘শুটার’, সুনান ফিল্মস, ১৩ সেপ্টেম্বর (ঈদুল আজহা)। পরিচালক রাজু চৌধুরী। অভিনয় করেছেন শাকিব, বুবলি, মিশা প্রমুখ।

‘রক্ত’ (যৌথ প্রযোজনা), জেমিনি মুভিজ, ১৩ সেপ্টেম্বর (ঈদুল আজহা)। পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন। অভিনয় করেছেন পরী মনি, রোশান, আশীষ বিদ্যার্থী প্রমুখ।

‘বসগিরি’, খান ফিল্মস, ১৩ সেপ্টেম্বর (ঈদুল আজহা)। পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। অভিনয় করেছেন শাকিব, বুবলি, মিশা সওদাগর।

‘আয়নাবাজি’, হাফস্টপ ডাউন লিমিটেড, ৩০ সেপ্টেম্বর। পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা, পার্থ বড়ুয়া প্রমুখ।

‘এক রাস্তা’, দি অ্যাড্রেস, ৩০ সেপ্টেম্বর। পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী। অভিনয় করেছেন বাপ্পী, ববি, আনিসুর রহমান মিলন।

অক্টোবর : ‘প্রেম কি বুঝিনি’ (যৌথ প্রযোজনা), আফসানা মুভিজ, ৭ অক্টোবর। পরিচালক আব্দুল আজিজ। অভিনয় করেছেন ওম ও শুভশ্রী।

‘চোখের দেখা’, কুশলী মাল্টিমিডিয়া, ১৪ অক্টোবর। পরিচালক পিএ কাজল। অভিনয় করেছেন সাইমন, অহনা, কাজী হায়াৎ।

নভেম্বর : ‘ভালোবাসাপুর’, জ্যাকফ্রুট মাল্টিমিডিয়া, ১১ নভেম্বর। পরিচালক এখলাস আবেদীন। অভিনয় করেছেন মনিরাজ খান, অর্ণা, সাদেক বাচ্চু, সুব্রত, জলি।

‘যদি তুমি জানতে’, ইউরোবাংলা এন্টারটেইনমেন্ট, ১৮ নভেম্বর। পরিচালক নদী ফিরোজ। অভিনয় করেছেন তানিয়া বৃষ্টি, আশরাফ টিটু ও রাইসুল ইসলাম আসাদ।

ডিসেম্বর : ‘পৃথিবীর নিয়তি’, মাল্টি লিংকেজ প্রডাকশন, ২ ডিসেম্বর। পরিচালক শেখ শামীম। অভিনয় করেছেন রুবেল, রাবিনা বৃষ্টি, রাশেদ প্রমুখ।

‘ধুমকেতু’, মুন্নি প্রোডাকশন, ৯ ডিসেম্বর। পরিচালক শফিক হাসান। অভিনয় করেছেন শাকিব, পরী মনি, অমিত হাসান প্রমুখ।

‘লাল সবুজের সুর’, ইমপ্রেস টেলিফিল্ম, ১৬ ডিসেম্বর। পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার। সরকারি অনুদানের এ ছবিতে অভিনয় করেছেন ওমর সানী, সুব্রত, সেরা জামান, রফিকুল্লাহ সেলিম, ঝুনা চৌধুরী প্রমুখ।

‘আমি তোমার হতে চাই’, লাইভ টেকনোলজি লিমিটেড, ১৬ ডিসেম্বর। পরিচালক অনন্য মামুন। অভিনয় করেছেন বাপ্পী ও মিম।

‘এক পৃথিবী প্রেম’, পানকৌড়ি চলচ্চিত্র, ২৩ ডিসেম্বর। পরিচালক এসএ হক অলিক। অভিনয় করেছেন আসিফ নূর ও আইরিন।

‘মিসড কল’, ৩০ ডিসেম্বর। পরিচালক সাফিউদ্দীন সাফি। অভিনয়ে বাপ্পী, মিশা সওদাগর।

সালতামামি : বছরের আলোচিত চলচ্চিত্র

মাসুম আওয়াল |  ডিসেম্বর ২৪,২০১৬

সালতামামি : বছরের আলোচিত চলচ্চিত্র


‘মনপুরা’ মুক্তি পায় সাত বছর আগে। এরপর ‘আয়নাবাজি’র মতো আলোচিত হয়নি আর কোনো ছবি। ‘আয়নাবাজি’ মুক্তি পায় ৩০ সেপ্টেম্বর। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহেও সিনেমাটি একাধিক প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। এছাড়া ঈদে মুক্তি পাওয়া ছবিগুলোও দর্শকদের হলমুখী করেছে।


এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও প্রদর্শক সমিতির নেতা নাসিরুদ্দিন দিলু পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, “এ বছর ঈদের ছবিগুলো হলে দর্শক টেনেছে। গত সাত বছরে এই রকম ঘটনা ঘটেনি। ‘আয়নাবাজি’ প্রমাণ করেছে ভালো চলচ্চিত্র বানালে এখনো দর্শক হলে যায়। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ইন্ডাস্ট্রি শিগগিরই অনেক দূর এগিয়ে যাবে। আমরা আশার আলো দেখছি।’

এবার দেখে নেওয়া যাক বছরের আলোচিত সিনেমার খবর—

গল্প ও আধুনিক নির্মাণে দর্শকের মন কেড়েছে ‘আয়নাবাজি’। সপ্তাহের পর সপ্তাহ হাউজফুল গেছে প্রেক্ষাগৃহ। অমিতাভ রেজা চৌধুরীর পরিচালনায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা ও পার্থ বড়ুয়া। একাধিক উৎসবে অংশ নিয়ে পুরস্কারও জিতেছে ছবিটি।

যৌথ প্রযোজনার ‘শিকারি’তে নতুন লুকে হাজির হয়েছেন শাকিব খান। তার সঙ্গী ছিলেন কলকাতার শ্রাবন্তী। গল্পে কোনো চমৎকারিত্ব না থাকলেও শাকিবের অন্যরকম অবতারই দর্শক টেনেছে। বাড়িয়েছে ভক্ত। পরিচালনা করেছেন জয়দীপ মুখার্জি, যদিও হলে দেখা গেছে আব্দুল আজিজ ও বাবা যাদবের নাম। মুক্তি পায় ঈদুল ফিতরে।

আগের বছর বিভিন্ন উৎসবে ঝড় তোলা ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’ মুক্তি পায় জানুয়ারিতে। ব্যতিক্রমী গল্প ও নির্মাণের জন্য প্রশংসা পান সৈয়দা রুবায়েত হোসেন। পুরনো নিয়মেই সিনেমাটি দর্শক সমাদর পায়নি। অভিনয় করেছেন শাহানা গোস্বামী, মিতা চৌধুরী ও শাহাদাত হোসেন। বছরজুড়ে একাধিক উৎসবে অংশ নেয় ‘আন্ডার কনস্ট্রাকশন’।

প্রথম সিনেমা ‘চোরাবালি’র পর কয়েক বছর বিরতিতে ২০১৬ সালে সিনেপর্দায় ফিরেন ছোটপর্দার নির্মাতা রেদোয়ান রনি। ঢালিউড সিনেমায় আগে দেখা না যাওয়া ত্রিভুজ প্রেমের গল্পে নির্মাণ করেন ‘আইসক্রিম’। নবাগত উদয়, তুষি ও রাজ অভিনীত সিনেমাটি অল্প দর্শকই দেখেছেন। তারা প্রশংসাও করেন। কিন্তু উল্লেখ করার মতো ব্যবসায়িক সফলতা লাভ করেনি।

শামীম আহমেদ রনির ‘রানা পাগলা’ প্রমাণ করেছে কখনো কখনো যত গর্জে তত বর্ষে না। এ সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করে চমকে দেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও গায়িকা পড়শি। একই নির্মাতার ‘বসগিরি’ও দর্শকদের হতাশ করেছে। তবে ভালো ব্যবসা করা সিনেমাটিতে শাকিবের বিপরীতে ছিলেন শবনম বুবলি, যাকে অপু বিশ্বাসের বিকল্প ধরা হচ্ছে। সিনেমা দুটি মুক্তি পায় যথাক্রমে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায়।

যৌথ প্রযোজনার ‘বাদশা দ্য ডন’-এ অভিনয় করেছেন কলকাতার জিৎ ও ঢাকার নুসরাত ফারিয়া। শাকিবের ‘শিকারি’র সঙ্গে একইদিন মুক্তি পেয়েও ভালো ব্যবসা করে সিনেমাটি। নির্মাণ কৌশল-বাজেটেও ছিল এগিয়ে। পরিচালনা করেছেন আব্দুল আজিজ ও বাবা যাদব।

‘কৃষ্ণপক্ষ’-এর মূল আকর্ষণ ছিলেন পরিচালক মেহের আফরোজ শাওন ও নায়িকা মাহি। হুমায়ূন আহমেদের একই নামের উপন্যাস থেকে নির্মিত সিনেমাটি মুক্তির কথা ছিল আগের বছরের নভেম্বর। কিন্তু রিয়াজের অসুস্থতার কারণে ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পায়। সিনেমাটি দর্শকদের হলে টেনেছে। তবে দুর্বল নির্মাণের জন্য সমালোচিত হয়েছে।

আগস্টে মুক্তি পেয়েও কোনো আলোচনা তুলতে পারেনি তৌকীর আহমেদের ‘অজ্ঞাতনামা’। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে অনলাইনে ফাঁস হলে সিনেমাটি দারুণ প্রশংসা লাভ করে। এর জন্য দুর্বল মার্কেটিং ও পাবলিসিটিকে দায়ি করছে বিশ্লেষকরা। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন ফজলুল রহমান বাবু, নিপুন, মোশাররফ করিম প্রমুখ। একাধিক উৎসবে অংশ নিয়ে পুরস্কারও জিতেছে ছবিটি।

‘কিস্তিমাত’ ও ‘গ্যাংস্টার রিটার্নস’ দিয়ে হতাশ করা নির্মাতা আশিকুর রহমান ‘মুসাফির’ দিয়ে দর্শক মন ভরিয়েছেন। গল্পের গাথুনীতে সমস্যাসহ কিছু কারিগরি দুর্বলতা ধরা পড়ে। তা সত্ত্বেও পুরনো ঢাকায় চেজসহ কিছু দৃশ্য দর্শক মনে রাখবে অনেকদিন। এছাড়া এর মাধ্যমে অনেকদিন পর এসপিওনাজ থ্রিলার পেল ঢালিউড। অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ ও মারজান জেনিফা।

ফেব্রুয়ারিতে মাত করেছেন বাপ্পী ও বিদ্যা সিনহা মিম। ওয়াজেদ আলী সুমনের ভালো একটি সিনেমা ‘সুইট হার্ট’। স্মার্টনেসের জন্য সিনেমাটির কথা মনে রাখবে দর্শক। অনেকগুলো খুঁতের মধ্যে একটি হলো রিয়াজের উচ্চকিত অভিনয়।

দারুণ সম্ভাবনাময় গল্প নিয়ে নির্মাণ করলেও ‘অস্তিত্ব’ দিয়ে দর্শক সন্তুষ্ট করতে পারেননি অনন্য মামুন। গল্পের ধরন অনুযায়ী নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে অভিনয়ে মুগ্ধ করেছেন আরিফিন শুভ ও নুসরাত ইমরোজ তিশা।

পরী মনির গ্ল্যামার ও অ্যাকশন অবতার দেখতে ঈদুল আজহায় হলে ভিড় করে দর্শক। আলোচিত সিনেমা ‘রক্ত’ পরিচালনা করেন ওয়াজেদ আলী সুমন। নজর কাড়েন নতুন নায়ক রোশান।

জাতীয় পুরস্কারজয়ী নির্মাতা জাকির হোসেন রাজুর ‘নিয়তি’ এ বছর সাড়া জাগিয়েছে। আরিফিন শুভ’র কাছে থেকে তিনি আদায় করে নিয়েছেন হৃদয়স্পর্শী অভিনয়। অন্যদিকে প্রথম সিনেমায় নিন্দিত হওয়া জলি পেয়েছেন প্রশংসা। বছর জুড়ে আলোচনায় রয়েছে ‘নিয়তি’তে রিমেক হওয়া ক্লাসিক গান ‘অনেক সাধনার পরে’।

সূত্র: পরিবর্তন

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.