ফারুকীর ইনটেনশন ভালো না: শাওন

November 4, 2016 10:34 pmComments Off on ফারুকীর ইনটেনশন ভালো না: শাওনViews: 8
Print Friendly and PDF
FaceBook YouTube

ফারুকীর ইনটেনশন ভালো না: শাওন

সুধাময় সরকার, নভেম্বর ০৪, ২০১৬

ফারকী, শাওন ও ইরফানআজ শুক্রবার কলকাতার শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা আনন্দবাজার জানালো সেই খবরের সত্যতা। ছবিটি সেন্সরে ওঠার আগে ফারুকী সম্ভবত কলকাতার পত্রিকা দিয়ে ঢাকার মিডিয়াটাকে খানিক বাজিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। তাই তো “হুমায়ূন আহমেদের চরিত্রে ইরফান? কিন্তু এত লুকোছাপা কেন”- শিরোনামে আনন্দবাজারের এই প্রতিবেদনটি নিয়ে গেল রাত থেকেই চলছে ভক্ত সমাজে পাল্টাপাল্টি ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া আর হুমায়ূন পরিবারের মধ্যে চলছে নীরব বিস্ময় এবং রক্তক্ষরণ।

আনন্দবাজারের আজকের (৪ নভেম্বর) প্রতিবেদনের শুরুতে বলা হয়, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ডুব’ ছবিতে ইরফান খান অভিনয় করছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের চরিত্রে। গল্পটাও নাকি অনুপ্রাণিত তার জীবন থেকে।

পত্রিকাটি আরও জানায়, ছবিতে হুমায়ূন আহমেদের মেয়ে শীলা আহমেদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। হুমায়ূনের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন খানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী ও দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার অভিনেত্রী পার্নো মিত্র।

বলিউডের ইরফান খানকে নিয়ে ‘ডুব’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করেছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। যার কাহিনি নিয়ে শুরু থেকেই গোপনীয়তা রক্ষা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডুব-কথার আসরে ইরফান খানের সঙ্গে রোকেয়া প্রাচী, তিশা ও পার্নো মিত্র।আনন্দবাজারের এই প্রতিবেদনে ‌‘ডুব’ প্রসঙ্গে ফারুকী বলেন, ‘আমি চাইছি দর্শক ছবিটা দেখুক আগে। আমি নিজেও হুমায়ূন আহমেদের বিরাট ফ্যান। এটুকুই বলবো, আমি একটা পরিবারের গল্প বলছি, কয়েকজন মানুষের ভালোলাগা, দুঃখ, ক্ষোভ, হিংসা- এই আবেগগুলো ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছি। সেটা কার জীবন অবলম্বনে, তার বিচার ছবি দেখার পরে হলেই ভালো।’
ফারুকী এখানেও বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও পত্রিকাটি আরও জানায়, সিনেমাটির শুটিংয়ের আগে হুমায়ূন আহমেদের প্রচুর ভিডিও দেখেছিলেন ইরফান খান। সেগুলো দেখেই কথাবার্তা বলার ধরন ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে হোমওয়ার্ক করেছিলেন।

আনন্দবাজারের ফটো ক্যাপশনএদিকে বাংলা ট্রিবিউনের অনুসন্ধানে জানা যায়, ফারকীর ‘ডুব’ মূলত তৈরি হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে শাওনের প্রেম, গুলতেকিনের বিচ্ছেদ এবং কন্যা শীলা আহমেদের কিছু প্রতিক্রিয়ার গুঞ্জনকে অবলম্বন করে। যে গল্পে আরও উঠে এসেছে হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পরপরই পারিবারিক কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ও।
হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে তার বর্ণাঢ্য নন্দিত জীবনের এমন একটি বিতর্কিত অংশ নিয়ে ছবি নির্মাণ করার বিষয়টিকে ‌‌‌‌‘অন্যায়’ এবং ‘বিরক্তিকর’ বলে দাবি করেছেন মেহের আফরোজ শাওন। তিনি শুক্রবার দুপুরে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ফারুকীর ইনটেনশন মোটেও ভালো না। তিনি মুখে বারবার বলছেন হুমায়ূন আহমেদকে ভালো বাসেন, তার জন্য কাঁদেন! অথচ একটা ছবির শুটিং শেষ হয়ে মুক্তির অপেক্ষায় আছে। সেটি প্রসঙ্গে আমরা কেউ কিছু জানলাম না! এবং এই খবরটি আমাদেরকে জানতে হয় ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার কাছ থেকে! এটা হুমায়ূন আহমেদের প্রতি ফারুকীর কেমন ভালোবাসা? আনন্দবাজারের প্রতিবেদক দুদিন আগে আমাকে যখন ফোন দিয়ে এই বিষয়ে কমেন্ট চাইলেন এবং আমি শুনে আকাশ থেকে পড়লাম, বিব্রত হলাম- তখন কি হুমায়ূন আহমেদের সম্মান বেড়েছে? নাকি ফারুকীর সম্মান বেড়েছে? কেউ কী বলতে পারেন হুমায়ূন আহমেদের প্রতি জনাব ফারুকীর এ কেমন ভালোবাসার নিদর্শন?’

ক্ষুব্ধ মেহের আফরোজ শাওনশাওন আরও বলেন, ‘এই যে দীর্ঘজীবন এই শহরে আমি হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে আছি- কই কোনওদিন কোথাও এই ফারুকী সাহেবকে তো দেখলাম না! প্রতিদিন অসংখ্য মানুষকে দেখেছি- তার মাঝে ফারুকী সাহেবের মুখটা তো খুঁজে পেলাম না। বলতে শুনলাম না- স্যার, আমি আপনার ভক্ত। আপনাকে ভালোবাসি! তবে কি হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর তার প্রতি ভালোবাসা জন্ম নিয়েছে? নাকি সিনেমার মোড়কে হুমায়ূন পরিবারকে ঘায়েল করার জন্য এটা তার খারাপ ইনটেনশন? প্রশ্ন থেকে যায়। আমি আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি। এত সহজে থেমে যাবো না। আইনানুগভাবে যা যা করা দরকার আমি সেটা করবো। কেউ আমার সঙ্গে থাকুক আর না থাকুক।’

শাওন বলেন, ‘‘হুমায়ূন আহমেদ মারা গেছেন। আমি তো মারা যাইনি, তার স্বজন-সন্তানরাও মারা যাননি। সেটা হুমায়ূন আহমেদের ভাই থেকে শুরু করে তার সন্তান নোভা, শীলা, বিপাশা, নূহাশ, আমি আমার দুইটা ছেলে- সবাই তো ছিলাম। ধরে নিলাম ফারুকী ইনস্পায়ার্ড হয়েই ছবিটি বানিয়েছেন। ইন্সপায়ার্ড মুভি সারা দুনিয়ায় হয়। হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে কেউ ছবি বানাবে- আমিও খুব খুশি তখন পর্যন্ত, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি বুঝবো তার ইনটেনশন ভালো। যদি তার ইনটেনশন ভালো হতো সে আমাদের কাউকে না কাউকে বিষয়টি জানাতেন, শেয়ার করতেন গল্পটা। ধরে নিলাম তিনি আমাকে পছন্দ করেন না। হতে পারে আমার সম্পর্কে তার মনে মিস কনসেপশন আছে। তার স্ট্যাটাস পড়ে সেটা আজই (শুক্রবার) অনুমান করলাম। সমস্যা নেই। তাহলে অন্যদেরকেও তো বিষয়টি সে অবহিত করতে পারতেন। কিন্তু সেটা করেননি, কারণ উনার ইনটেশন ভালো ছিলো না। এবং আমি অনুমান করেই বলতে পারি- হুমায়ূন আহমেদের বিশাল জীবনের ছোট কিছু রিউমারকে তিনি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আমার সঙ্গে বা আমাদের সঙ্গে কথা বললে কী হতো? আমরা চাইতাম কিংবদন্তি এই মানুষটার জীবনের যে অংশ নিয়েই সিনেমা হোক- সেটা যেন ভুল কিছু না হয়। এমন কিছু না হয় যেটাতে তার মানহানি ঘটে। এটুকুই তো। অথচ ফারুকী সাহেব সেই সুযোগ দিলেন না। উল্টো হুমায়ূন আহমেদের পরিবার নিয়ে তিনি ফেসবুকে ওয়াজ-নসিহত করছেন। ক’দিন আগে স্টার প্লাসে ‘আজ রবিবার’ নাটকটি প্রচার নিয়েও তিনি একই কাণ্ড ঘটালেন। অদ্ভুত এবং অহেতুক।’’

প্রসঙ্গত, ‘ডুব’ প্রযোজনা করছে বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়া, ভারতের এসকে মুভিজ এবং ইরফান খান। চলতি বছরের প্রথমদিকে বাংলাদেশের একাধিক লোকেশনে ছবিটির দৃশ্যায়ন হয়। বর্তমানে সম্পাদনার টেবিলে রয়েছে ছবিটি।
/সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন

 প্রচণ্ড একটা ধাক্কা খেয়েছি

মেহের আফরোজ শাওন

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ছবি নির্মাণ করছেন, বিষয়টি নাকি আপনি মানতে চাইছেন না, কেন?

যদি সঠিক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এগোনো হতো, তাহলে কিংবদন্তি এ মানুষকে নিয়ে ছবি বানানোর খবরটা অবশ্যই সুখের হতে পারত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটা হয়নি। ঢাকঢাক  গুড়গুড় করে এতটা লুকোছাপার মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে শুনে প্রচণ্ড একটা ধাক্কা খেয়েছি। এমনকি এখন পর্যন্ত পুরোপুরি জানানোও হচ্ছে না। যে কারণে নির্মাতার ইনটেনশনটা আমার কাছে ভালো মনে হচ্ছে না। যত দূর জেনেছি, ছবির ক্রেডিট লাইনেও নাকি হুমায়ূন আহমেদের নাম থাকবে না। তার মানে, যা খুশি তা দেখাবে, সবাই বুঝে নেবে, ইনিই হুমায়ূন আহমেদ! আমার কথা হচ্ছে, একজনের জীবনকে অনুপ্রেরণা হিসেবে ছবি বানাব আর তার পরিবারের কারো কাছ থেকে অনুমতি নেব না, সেটা হতে পারে না।

একজন হুমায়ূনভক্ত হিসেবে এবং তাকে অনুপ্রেরণা হিসেবে ধরেই ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে, এমনটিই দাবি ফারুকীর—

আমার কথা হচ্ছে, ফারুকী কি কখনো সরাসরি হুমায়ূন আহমেদকে দেখেছেন? আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, তাদের দুজনের মধ্যে কখনই মুখোমুখি সাক্ষাত্ ঘটেনি। ফলে যিনি মানুষ-ব্যক্তি হুমায়ূন আহমেদকেই চেনেন না, তাকে নিয়ে কীভাবে ছবি বানাবেন, এটাই আমার প্রশ্ন।

হুমায়ূন পরিবারের অন্য সদস্যদের তুলনায় আপনিই কেন এ ঘটনার বিরুদ্ধে বেশি সোচ্চার অবস্থান নিয়েছেন?

প্রথমত. আমি শুনেছি, ছবির ভেতর আমারও চরিত্র আছে। দ্বিতীয়ত. হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী আমি। সুতরাং তাকে নিয়ে যদি অবাঞ্ছিত কোনো বিষয়ের উপস্থাপনা ছবিতে থাকে, সেটার বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার আমার আছে। আমার স্বামীকে নিয়ে ছবি বানানো হবে আর আমি হলের সব দর্শকের সঙ্গে বসে ছবিটা দেখে মতামত জানাব, সেটা মানতে পারছি না। আমার স্বামীকে কীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, নিশ্চয়ই সেটা আমি দেখতে চাইব। আমার কথা, শুধু আমার কাছ থেকে নয়, হুমায়ূন আহমেদের পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের কাছ থেকে ছবির সেন্সর করে নিতে হবে। আরেকটা কথা স্মরণ করে দিতে চাই, হুমায়ূন আহমেদের গল্প চুরি করে যখন কলকাতায় ছবি বানানো হয়, তখন পরিবারের একজন হিসেবে আমিই কিন্তু প্রতিবাদ করেছি আর কেউ নয়।

ছবিটি ও আপনাদের মন্তব্য নিয়ে ফারুকী তার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়েছেন, সেটা কি দেখেছেন?

হ্যাঁ, দেখেছি। ওখানে হুমায়ূন আহমেদের দুই পরিবার নিয়ে যে কথা ফারুকী বলেছেন, সেটার বিরোধিতা করছি। হুমায়ূন আহমেদের পরিবার একটি না দুটি, সেটা নিয়ে কথা বলার অধিকার ফারুকীর নেই। এছাড়া তার বক্তব্যে দেখেছি, সেখানে উনি একটি মহলের উল্লেখ করেছেন, সেই মহল কারা সেটা যদি উল্লেখ করতেন, তাহলে বুঝতাম উনি উদার মনের। ফারুকী তার ছবিতে অনেক কিছু দেখান, সেই জায়গা থেকে ভেবেছিলাম, ওনার চিন্তাভাবনা অনেক বড় মনের। কিন্তু তার নিজস্ব চিন্তাভাবনার মধ্যে অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। আর সংকীর্ণতা আছে বলেই তিনি এ কথাগুলো বলতে পেরেছেন।

হুমায়ূনকে নিয়ে কোনো বায়োপিক বানাচ্ছি না

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নির্মাতা

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে ছবি বানাচ্ছেন অথচ অনুমতি নেননি, এমন অভিযোগ করেছেন তার পরিবারের কেউ কেউ—

প্রথমত. আমি হুমায়ূন আহমেদকে নিয়ে কোনো বায়োপিক বানাচ্ছি না। ফলে কারো কাছ থেকে অনুমতি নেয়ার কোনো প্রয়োজনবোধ করিনি। দ্বিতীয়ত. শিল্পের খাতিরে বলা উচিত, কাউকে অনুপ্রেরণা ধরে যখন ছবি বানানো হয়, তখন অন্য কারো কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে, এমনটা শুনিনি। তাই যদি হতো, তাহলে আব্রাহাম লিংকনের ওপর যারা ছবি বানিয়েছেন, তাদেরও আব্রাহাম লিংকনের কাছ থেকে অনুমতি নিতে হতো। এর পরও বলছি, আমরা ছবিটাকে কখনো বায়োপিক দাবি করিনি, এখনো করছি না, ভবিষ্যতেও করব না।

কিন্তু হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এ ব্যাপারে একেবারেই বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন—

হুমায়ূন আহমেদের প্রতি যেমন আমার ব্যক্তিগত ভালোবাসা, শ্রদ্ধা আছে, তেমনি তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনের প্রতিও আছে। তাতে তিনি যতই বাঁকা কথা বলুন, এতে তার ওপর আমার কোনো শ্রদ্ধা কমবে না। যাহোক, আমার ছবির বেশির ভাগ গল্পই কিন্তু আমার আশপাশের জীবন থেকে নেয়া। শুধু আমার কেন, পৃথিবীর বহু সেরা গল্পের অনুপ্রেরণা আশপাশ থেকেই নেয়া। এবং সেই অনুপ্রেরণা কোনো না কোনো মানুষের জীবন থেকেই তো আসে। এখন কথা, কেউ যদি কোনো মানুষের জীবনী থেকে নিয়ে, তার নামসহ ব্যবহার করে ছবি নির্মাণ করেন, সেক্ষেত্রে একটা অনুমোদনের প্রশ্ন আসবে, সেটাই স্বাভাবিক। যদিও অনেক ক্ষেত্রে সে প্রশ্নও আসে না। একেক রকমের পরিপ্রেক্ষিতে একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয় তখন। ফলে যেটা বলতে চাই, আমি অনেককেই আমার ছবির অনুপ্রেরণা হিসেবে নিই। গল্প আহরণের এটাও একটা প্রক্রিয়া। যাহোক না কেন, আমি কী সিনেমা বানিয়েছি, সেটা নিয়ে এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কিংবা আতঙ্কিত হয়ে বিরুদ্ধ মন্তব্য করারও প্রয়োজন নেই। ছবি দেখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তাহলে এতটা গোপনীয়তার আশ্রয় নিলেন কেন?

আমি কখনই আমার কোনো ছবির সারসংক্ষেপ আগে থেকে প্রকাশ করি না। আমার কোনো ছবির ক্লু কেউ জানতে পারে না। এমনকি কোনো ছবির শুটিংয়ের ছবিও ছাপাই না পত্রিকায়। আমার সব ছবির ক্ষেত্রে আমি একটু রাখঢাক করতে পছন্দ করি। এই ছবির ক্ষেত্রে সেটার ব্যতিক্রম কিছু করব, সেটাও মনে করি না।
সূত্রঃ বনিক বার্তা 

সর্বশেষ সংবাদ

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.