Home Authors Posts by Ekush News Desk

Ekush News Desk

5105 POSTS 0 COMMENTS

কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস আজ

কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস আজ তারিখ: ০৬-০৮-২০১৩ বর্ষা ছিল তার প্রিয় ঋতু। কলকাতার আকাশেও সেদিন ছিল শ্রাবণের বর্ষণধারা। ৭২ বছর আগে বাংলা ১৩৪৮ সালের বর্ষণসিক্ত এমনই এক দিনে ইহধাম ত্যাগ করেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আজ সেই দিন, ২২ শ্রাবণ। রবীন্দ্রনাথ জন্মেছিলেন কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির শ্যামল আঙিনায় ১২৬৮ সনের ২৫ বৈশাখ (১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৮ মে)। তিনিই পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠেন বাংলা সাহিত্যের দিকপাল। সমৃদ্ধ করে তোলেন বাংলা সাহিত্যের সব শাখাকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একাধারে কবি, নাট্যকার, কথাশিল্গী, চিত্রশিল্গী, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, ছোট গল্পকার ও ভাষাবিদ। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির এমন কোনো দিক নেই; যা নিয়ে তিনি লেখেননি। ৮০ বছরের জীবনে বিশ্বকবি তার জন্ম ও মৃত্যুকে একাকার করে তুলেছিলেন অজস্র অমরতার শাশ্বত বার্তায়। জন্মদিন নিয়ে তিনি যেমন লিখেছেন, ‘ওই মহামানব আসে/ দিকে দিকে রোমাঞ্চ/ মর্ত্যধূলির ঘাসে ঘাসে...।’ তিনিই আবার জীবনসায়াহ্নে লিখলেন, ‘মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক আমি তোমাদেরই লোক।’ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অনেক কিছুরই প্রথম তিনি। ছোটগল্পের জনক, এমনকি বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নের পথিকৃৎও তিনি। তার সামাজিক উদ্যোগ ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডেও আছে স্বকিয়তা। শান্তি ও মানবকল্যাণের প্রতি সুগভীর প্রত্যয় তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন বহুমাত্রিক সৃজনকর্মে। ১৯১৩ সালে তার নোবেল জয় বাংলা ভাষা ও বাঙালির জন্য বয়ে আনে অনন্য গৌরব। বাংলার গ্রামীণ জীবনাচার রবীন্দ্রনাথের মানস গঠনে রেখেছিল অনন্য ভূমিকা। তিনি বাঙালির আনন্দ-বেদনা, উত্সব অভিলাসে সঙ্গীই শুধু নন; সংকটেও তিনি সাহসের উত্স, প্রতিবাদ-প্রতিরোধের প্রেরণা। তার গান-কবিতা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জাগিয়েছে অশেষ প্রেরণা। ২০১১ সালে ছিল রবীন্দ্রনাথের সার্ধশত জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে বিশ্বকবির সার্ধশত জন্মদিন উদযাপন করে। তার প্রয়াণ দিবস উপলক্ষের বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এ উপলক্ষে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। http://www.youtube.com/watch?v=gRzIjKqFyPY

ভারতে ব্যান্ডউইথ রফতানি করবে বাংলাদেশ

bandwidth - Ekush.infoভারতে ব্যান্ডউইথ রফতানি করবে বাংলাদেশ
    ঢাকা ৪ আগস্ট : ভারতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির স্থলবেষ্টিত সাতটি রাজ্যে ৫০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রাজ্যগুলো হচ্ছে আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মনিপুর ও অরুণাচল প্রদেশ। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সম্প্রতি তথ্য-প্রযুক্তি খাত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ চেয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশে ২০৮ গিগাবাইট অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ থেকে ৫০ গিগাবাইট ব্যান্ডউইথ ভারতে রফতানি করবে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখন ঢাকায় আলোচনা চলছে। আলোচনায় উভয়পক্ষ সম্মত হলে ব্যান্ডউইথ রফতানি করা সম্ভব হবে। ব্যান্ডউইথ রফতানি প্রসঙ্গে মনোয়ার হোসেন জানান, ভারত যতটুকু চাচ্ছে তার দ্বিগুণ ব্যান্ডউইথ রফতানি করা সম্ভব। তবে আমরা এ ব্যাপারে যথেষ্ট রক্ষণশীল। দ্রুত বেড়ে চলা চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা এগুচ্ছি। দেশের ভেতরেও দ্রুত ব্যান্ডউইথ চাহিদা বাড়ছে। বর্তমানে দেশে তিন কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছেন। যাদের বড় অংশই পর্যাপ্ত গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। গতি বাড়াতে হলে তাদের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দিকে যেতে হবে। তাতে ব্যান্ডউইথের চাহিদাও বাড়বে। এছাড়া তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি বা থ্রিজি চালু হলেও ব্যান্ডউইথের চাহিদা ও ব্যবহার বাড়বে। বর্তমানে প্রতি মেগাবাইট ব্যান্ডউইথ চার হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করে সাবমেরিন ক্যাবল। ভারতের কাছেও একই দামে তা বেচা হবে কী-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যান্ডউইথের দাম নিয়ে এখনও তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। সবার আগে কারিগরি দিক ও সম্ভাব্যতা দেখা হচ্ছে। এরপর দাম নিয়ে আলোচনা হবে। তবে স্থানীয় বাজারের দামে কখনোই রফতানি হওয়া উচিত না। আন্তর্জাতিক দামেই ব্যান্ডউইথ রফতানি করা হবে। জানা গেছে, ব্যান্ডউইথ সেবা চেয়ে গত ৩০ জুলাই ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় ঢাকা সফররত ভারত সরকার। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ আমদানির জন্যও আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়। এ প্রস্তাবে সরকার সায় দিলে দেশটি বাংলাদেশ থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জন্য ৫০ গিগাবাইট পার সেকেন্ড (জিবিপিএস) ব্যান্ডউইথ আমদানি করবে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতীয় প্রতিনিধি দলকে দুটি বিষয়ে লিখিত প্রস্তাব দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। লিখিত প্রস্তাবের পরই তা পর্যালোচনা করে দেখা হবে বলে জানানো হয়। - See more at:

ঈদে সবচেয়ে বড় বাজেটের ছবি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা

Ananto-Borsha-Ekush.info'নিঃস্বার্থ ভালোবাসা' দিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সিনেপ্লেক্স! বিনোদন রিপোর্ট এবারের ঈদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে অনন্ত-বর্ষা অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র 'নিঃস্বার্থ ভালোবাসা'। দেশের একাধিক সিনেমাহলে মুক্তির পাশাপাশি এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই ঢাকার আরও একটি ব্যয়বহুল সিনেপ্লেক্সের শুভযাত্রা শুরু হচ্ছে। ঢাকার বাড্ডা-বারিধারায় অবস্থিত যমুনা ফিউচার পার্কের মাল্টিপ্লেক্সে এবারের ঈদ থেকেই নতুন চলচ্চিত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। আর এই সিনেপ্লেক্সে ঈদ উপলক্ষে এরই ভেতরে একাধিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি বলিউড-টলিউড তারকাদের সমাবেশেরও কথা চলছে। তবে সিনেপ্লেক্স তাদের এই শুভযাত্রায় প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শন করবে এম এ জলিল অনন্ত পরিচালিত 'নিঃস্বার্থ ভালোবাসা' চলচ্চিত্রটি। এই চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে পরিচালক অনন্ত বলেন, 'ঈদের সবচেয়ে বড় উত্সব আমি মনে করি 'নিঃস্বার্থ ভালোবাসা' ছবিটি। দর্শকদের আনন্দ উপভোগের জন্য ঢাকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় থিয়েটার হল হিসেবে যমুনা সিনেপ্লেক্সে এই ছবির প্রদর্শনী হবে। এটা বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জন্য অনেক বড় একটি ঘটনা বলে আমি মনে করি। এ ছাড়া এবারের ঈদে এই চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর ক্ষেত্রেও বেশ কিছু চমক রাখা হয়েছে।' এ ছাড়াও এই সিনেপ্লেক্সে 'ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস সিক্স', 'জুরাসিক পার্ক থ্রিডি'সহ একাধিক হলিউড ব্লক বাস্টার মুভি ঈদের দিন থেকে প্রদর্শনীর প্রস্তুতি চলছে। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা-What is Love: Ananta Jalil Movie Trailer http://www.youtube.com/watch?v=Ng3TH0gwh6M

ঈদের দিনের রূপ চর্চায় বিউটি পার্লারে রমণীরা

ঈদের দিনের রূপ চর্চায় বিউটি পার্লারে রমণীরা রাবেয়া বেবী beauty-parlor-in-dhaka-ekush.info কেনাকাটার পাট চুকিয়ে রমণীরা এখন ঈদের দিনের রূপচর্চার জন্য বিউটি পার্লার মুখো হচ্ছেন। এক মাস সিয়াম সাধনা আর ঈদের জন্য কেনাকাটা করতে যে ক্লান্তির ছাপ তাদের চেহারায় পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে তারা রূপ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হচ্ছেন। রূপ বিশেষজ্ঞরা তাদের ত্বক, চুল, হাত-পায়ের যত্ন নিতে ব্রাইটনিং, গ্লো, ব্রাইট কালার, ফেয়ার পলিশ, সাইন অ্যান্ড ব্লু, ইন্সট্যান্ড ব্লু প্রভৃতি ফেসিয়াল, পেডিকিউর, মেনিকিউর, হেয়ার ট্রিটমেন্ট, বিভিন্ন রকমের হেয়ার কাট নেয়ার সাজেশন দিচ্ছেন। গতকাল ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, উত্তরাসহ নগরীর বিউটি পার্লারগুলোতে সব বয়সের নারীদের ভিড় দেখা গেছে। কার জন্য কি রোজায় পানির ঘাটতি হয় শরীরে। সৌন্দর্যে প্রথম ধাপ পানি পানের পরামর্শ দেন রূপ বিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন মিউনি। তিনি বলেন, যাদের রঙ একটু চাপা তাদের সিলভার ফেসিয়াল আর উজ্জ্বল রঙের নারীরা গোল্ডেন ফেসিয়াল করলে ঈদের দিনে লাবণ্যময় একটা সৌন্দর্য ফুটে উঠবে। শুষ্ক ত্বকের জন্য সিউইড, সেরো, গার্ভানিক-ফেসিয়াল করার পরামর্শ দেন রূপ বিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান। তৈলাক্ত ত্বকের নারীরা এলোভেরা, অক্সিব্রাইটং, ফেসিয়াল করলে ভাল লাগবে। এতে ত্বকের রঙ যেমন ফুটবে, তেমন লাবণ্যময় ভাবটা থাকবে কয়েকে দিন। মিশ্র ত্বকের মেয়েরা লাবণ্যময় সৌন্দর্যের জন্য ব্রাইটনিং, গ্যালভানিক সব রকমের ফেসিয়াল করলে ভাল ফল পাবেন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসিয়াল করলে ঈদের দিন মেকাপটা সুন্দর বসে যাবে এবং ন্যাচারাল একটা লুক থাকবে। ঠিক কতদিন আগে রূপর্চচার জন্য বিউটি পার্লারে আসতে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে রূপ বিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিল বলেন, ১৫ দিন আগে হেয়ারকাট আর ২/১ দিন আগে ফেসিয়াল করবেন। ঈদ উপলক্ষে নতুন কিছু ফেসিয়াল ঈদ উপলক্ষে নগরীর স্বনামধন্য বিউটি পার্লারে বেশ কিছু নতুন ফেসিয়াল চালু করা হয়েছে। তার মধ্যে ব্রাইটনিং, গ্লো, সাইন অ্যান্ড ব্লু, ইন্সট্যান্ট ব্লু প্রভৃতি ফেসিয়াল ছাড়াও আছে আয়ুর্বেদিক ব্লোইং, আয়ুর্বেদিক পিগমেন্ট, স্পা অ্যান্ড শাইনিং, ফেসিয়াল। আরো আছে কিছু প্যাকেজ অফার। খরচ:চুল কাটতে খরচ পড়বে ৩৫০ টাকা থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত। ফেসিয়াল করতে খরচ হবে ৪৫০ টাকা থেকে ২৫৫০ টাকা পর্যন্ত। আইব্রো ৩৫- ৫০ টাকা। ঈদের আগে দিন মেয়েরা মেহেদী পরতে ভিড় করেন বিউটি পার্লারে। মেহেদী লাগাতে খরচ পড়বে ২শ টাকা থেকে শুরু করে ৬শ টাকা।

২০১৪ বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রি শুরু

Brazil World Cup -Ekush.info২০১৪ বিশ্বকাপের টিকেট বিক্রি শুরু স্পোটর্স ডেস্ক ফিফার টিকেটের মূল্য নির্ধারণের পর ব্রাজিলে শুরু হয়েছে সীমিত সংখ্যক ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের গ্যালারী টিকেট বিক্রি। টিকেট পাবেন কেবল ছাত্র, ছাত্রী ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তি এবং কিছু সামাজিক সংগঠন। গত শুক্রবার আন্তজাতিক ফুটবল ফেডারেশন (ফিফা) আগামী বছর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের বিভিন্ন ক্যাটাগরির টিকিটের দাম ঘোষণা করেছে। ফিফার ঘোষিত দাম অনুযায়ী ব্রাজিল বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি টিকিটের মূল্য পড়বে ৯৯০ ডলার। আর সবচেয়ে কম দামে টিকিট কেনা যাবে ১৫ ডলারে। ব্রজিলের সাধারণ দর্শকরা টিকিট কিনতে পারবে সর্বনিম্ন ৩০ ডলারে। ব্রাজিলের বাইরের ফুটবল ভক্তদের জন্য সবচেয়ে কমমূল্যের টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ৯০ ডলার। আগামী ২০ অগাস্ট থেকে ফিফা ডটকমের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে টিকিট বিক্রি শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে টিকিট বিক্রি হবে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারে মতো হকম মূল্যে টিকিট বিক্রি করছে ফিফা। এর আগে ব্রাজিলেই ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপে টিকিট বিক্রিতে ছাড় দেয়া হয়েছিল। রিও ডি জেনিরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে ১৩ জুলাইয়ের ফাইনালের টিকিটের দাম আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য রাখা হয়েছে ৪৪০ ডলার থেকে ৯৯০ ডলার। আপনি আপনার জন্য ব্রাজিল বিশ্বকাপ ২০১৪ এর টিকেট বুকিং দিতে পারবেন এখান থেকে।

বৃক্ষ নিধনের ফলে উজাড় হচ্ছে সুন্দরবন

Sundorbon - ekush.infoবৃক্ষ নিধনের ফলে উজাড় হচ্ছে সুন্দরবন বছরে ৫২ হাজার ৬৮০ ঘনফুট কাঠ উদ্ধার মোঃ নূর আলম, মংলা(বাগেরহাট) : বনখেকোদের বৃক্ষ নিধনের ফলে উজাড় হয়ে যাচ্ছে সুন্দরবন। ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় এবং বন বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজসে চোরাকারবারীরা এ কাজ অব্যাহত রেখেছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে সুন্দরবন মরুভূমিতে পরিণত হবে বলে পরিবেশবিদরা আশংকা করছেন। গত ১ বছরে চোরাকারবারীদের হাত থেকে বন বিভাগ, কোস্টগার্ড ও পুলিশ বিভাগ ৫২ হাজার ৬৮০ ঘনফুট সুন্দরবনের কর্তণ নিষিদ্ধ সুন্দরী, বাইন, কাকড়া ও পশুর কাঠ উদ্ধার করে। যার আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি ৫৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫২০ টাকা। সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুলাই ২০১২ থেকে ৩০ জুন ২০১৩ পর্যন্ত বন বিভাগের পক্ষ থেকে ১৯ হাজার ৯৪০ ঘনফুট সুন্দরবনের কর্তণ নিষিদ্ধ সুন্দরী, বাইন, কাকড়া ও পশুর কাঠ উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৭৯ হাজার ৯৬০ টাকা। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন মংলা সূত্রে জানা যায়, জানুয়ারি ২০১৩ থেকে জুলাই ২০১৩ পর্যন্ত সাত মাসে সুন্দরবনের কর্তণ নিষিদ্ধ ৩২ হাজার ২০২ ঘনফুট কাঠ উদ্ধার করা হয় যার আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি ৪৪ লাখ ৩ হাজার ৫৬০ টাকা। এছাড়া মংলা থানা পুলিশ গত ৬ মাসে ৫৩৮ ঘনফুট সুন্দরী কাঠ উদ্ধার করে যার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার জানান, উদ্ধারকৃত কাঠ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়ে থাকে। সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান উদ্ধারকৃত কাঠ প্রসংগে বলেন, সুন্দরী কাঠ বাদে অন্য কাঠ নিলামে দেয়া হয়। আর সুন্দরী কাঠ সরকারি রাজস্ব প্রদান করে সরকারি কাজে ব্যবহৃত হয় বলে তিনি জানান। নির্বিচারে সুন্দরবনের বৃক্ষ নিধন প্রসংগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় সুন্দরবনের বন কেটে উজাড় করা হচ্ছে। তাদের সুপারিশের কারণে বনখেকোদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। সুন্দরবন সংলগ্ন চিলা গ্রামের যুবক মোহাম্মদ আলী জানান, বন বিভাগের যোগসাজসে স্থানীয় সরকারি দলের প্রভাবশালী নেতাদের সহযোগিতায় একটি চক্র নির্বিচারে বন কেটে কাঠ পাচার করছে প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে। সরকারি দল আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে কাঠ পাচার করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ ইদ্রিস আলী বলেন, যা শোনা গেছে তা সত্য কিন্তু এতে আমার কিছু করার নেই। তিনি বলেন, যারা এর সাথে যুক্ত তারা উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের দ্বারা লালিত-পালিত। বন বিভাগের যোগসাজসে কাঠ পাচার হচ্ছে এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, এ অভিযোগের কোন সত্যতা নেই। বৃক্ষ নিধন বন্ধ করতে বন বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যে হারে বৃক্ষ নিধন হচ্ছে তা নিয়ে পরিবেশবিদরা সুন্দরবন নিয়ে উদ্বিগ্ন। মংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিবেশবিদ ড. মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, যেভাবে সুন্দরবনে বৃক্ষ নিধন চলছে এ ধারা চলতে থাকলে আগামী ২০ বছরের মধ্যে সুন্দরবন মরুভূমিতে পরিণত হবে।

কনজারভেটিব প্রার্থী মিনা রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা

কনজারভেটিব প্রার্থী মিনা রহমানের ঈদ শুভেচ্ছা খুলনা: আসছে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে ক্ষমতাসীন কনজারভেটিব দলের একমাত্র বাঙ্গালী প্রার্থী মিনা রহমান সকলকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুভেচ্ছা বার্তায় মিনা রহমান বলেন মুসলমানদের প্রধান ধমীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের শান্তি ও শাম্যের শিক্ষা দেয়। ঈদে থাকেনা কোন ভেধাভেদ। হিংসা বিদ্বেস ভুলে আমরা সকলে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেই। আর এটাই ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা। মিনা রহমান ঈদ বার্তায় বিশ্বের শান্তি ও সম্বৃদ্ধি কামনা করে বলেন আমরা সকলে ঈদের শিক্ষায় উদ্ভোদ্ধ হয়ে কাজ করলে বিশ্বে থাকবেনা কোন বৈষম্য. হিংসা, বিদ্বেস, হানাহানি। // মতিয়ার চৌধুরী, এনএনবি লন্ডন: ০৩.০৮. ২০১৩ //

ফ্রান্সে বাংলাদেশী প্রবাসীদের সম্মানে আয়েবার ইফতার মাহফিল

ফ্রান্সে বাংলাদেশী প্রবাসীদের সম্মানে আয়েবার ইফতার মাহফিল আবু তাহির: বাংলাদেশের সাথে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা এবং অভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদিকে প্রাধান্য দিয়ে ইউরোপে অবস্তানরত স্হানীয় নাগরিকদের সাথে একই দেশে বসবাসরত বাংলাদেশের নাগরিকদের বন্ধুত্বপুর্ন সম্পর্ক চলমান রাখতে কাজ করে যাচ্ছে আয়েবা। প্রবাসীদের নাগরিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে শুরু থেকে এ পর্যন্ত সম্পুর্ন ইতিবাচক ভাবে আয়েবা তার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।গত পহেলা অগাষ্ট প্যারিসের ওভারবিলায় অবস্তিত বাংলাদেশী মসজিদে আয়েবার উদ্যোগে অনুষ্টিত ইফতার মাহফিলের শুভেচ্ছা বক্ত্যব্যে আয়েবার সাধারন সম্পাদক প্যারিসের বাংলাদেশী কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব কাজী এনায়েত উল্লাহ এসব কথা বলেন।তিনি আয়েবার ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন বাঙালি সংস্কৃতী,ইতিহাস ঐতিহ্য কে ইউরোপ ব্যাপী পরিচিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে আয়েবা।তিনি তার বক্ত্যব্যে গ্রীসে খামার মালিক কতৃক বাংলাদেশীদের উপর পরিচালিত নির্যাতনের কথা তুলে ধরে আয়েবার অগ্রনী ভুমিকার কথা বলেন।ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশী প্রবাসীদের অধিকার তথা বাংলাদেশ সরকার থেকে প্রবাসীদের সু্যোগ সুবিধা আদায় করার বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনার সম্ভাবনাময় ছক তুলে ধরে প্যারিসের সকল বাংলাদেশীদের কে আয়েবার সদস্য হওয়ার আহবান জানান।আয়েবার ভিশন এবং মিশন উল্লেখ করে তিনি বলেন সর্বোপরি প্রবাসে কমিউনিটি ডেভেলাপমেন্ট এবং বাংলাদেশে কান্ট্রি ডেভেলাপমেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে আয়েবা। সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্তিত ছিলেন আয়েবার সহ সভাপতি ফখরুল আকম সেলিম,সহ সাধারন সম্পাদক শহীদুল আলম মানিক,ব্যাবসা ও অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক হেনু মিয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম নাসিম,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মনির আহমদ,সম্মানিত সদস্য কামাল মিয়া,মাইনুর রহমান। সভায় আয়েবার সহ সভাপতি ফখরুল আকম সেলিম প্যারিসের সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের শুভেচ্ছা প্রদান করে বলেন আমরা অত্যন্ত আশাবাদী আয়েবার মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অধিকার প্রতিষ্টিত হবে।তিনি প্যারিসের সকল বাংলাদেশীদের কে আয়েবার সকল কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করার আহবান জানান ও আয়েবার পক্ষ থেকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্টানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন সিলেট বিভাগ সমাজ কল্যান সমিতির অন্যতম উপদেষ্টা সোনাম উদ্দীন খালিক,বাংলাদেশ ইয়ুথ ক্লাবের সাধারন সম্পাদক টি এম রেজা,কমিউনিটি নেতা ওয়াহিদ বার তাহের,সালেহ আহমদ চৌধুরী,সহ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতীক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। ইফতার মাহফিল থেকে দেশ জাতির কল্যানে মোনাজাত অনুষ্টিত হয়।

বেলজিয়াম বিএনপির ইফতার মাহফিল

বেলজিয়াম বিএনপির ইফতার মাহফিল আলম হোসেন বেলজিয়াম: বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল বেলজিয়াম শাখার উদ্দোগে এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয় ২৭ রমজান রোজ সোম বার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এসময় দেশ জাতীর কল্যান কামনা করে ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী কে সুস্ত অবস্তায় ফিরে পাওয়ার জন্য দোয়া করা হয় । ইফতার মাহফিলে উপস্তিত ছিলেন বেলজিয়াম বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনীতি সামাজিক ব্যাক্তি বেলজিয়াম বিএনপির সভাপতি সানোয়ার আলী ছিদ্দিক জাতীয়পার্টির সভাপতি সুফিয়ান চৌধুরী বেলজিয়াম বিএনপির সহসভাপতি মনোয়ার হোসেন মুন্না সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন যুগ্নসাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল আমীন সেলিম সহসাধারন সম্পাদক সামছুল ইসলাম অথর্সম্পাদক রায়হান মিয়া সমাজসেবা সম্পাদক লুৎফুর রহমান মিলন ছিদ্দিক মিয়া দিপু মিয়া সানুর আলী দপ্তর সম্পাদক আলম হোসেন আব্দুল হক হারুন মিয়া স্বপন মিয়া মার্টিন ফিরুজ আলী সাইদুর রহমান সুমন মিয়া

ব্রিটেনের বাংলাদেশী ক্যাটারিং সেক্টরে ঈদের দিনে স্টাফদের ছুটি নেই

ব্রিটেনের বাংলাদেশী ক্যাটারিং সেক্টরে ঈদের দিনে স্টাফদের ছুটি নেই সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ ব্রিটেনের প্রায় ৮০ ভাগ বাংলাদেশী, ভারতীয়, পাকিস্তানী রেস্টুরেন্ট সেক্টরে কাজ করেন। ব্রিটিশ ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন সূত্রে জানা গেছে এই সেক্টরে প্রায় ৮০ হাজারের মতো বাংলাদেশী কর্মরত।আর ভিএটি ও অন্যান্য সূত্রে জানা গেলো প্রায় ১ লক্ষ ২৬ হাজারের মতো বাংলাদেশী-ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট রয়েছে। ব্রিটেনের যে কয়টা সেক্টর রয়েছে, তার মধ্যে বলা যায় সব চাইতে নির্বিঘ্ন এবং নিরাপদ এক সফল ব্যবসায়ের সেক্টর এই ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রি। এখাত থেকে বছরে লক্ষ লক্ষ ভিএটি সরকার পেয়ে থাকে। বিগত লেবার সরকারের সময় থেকে বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দার দখলের সময় প্রায় সকল ক্ষেত্র নানা আর্থিক ঝুঁকির মধ্যে পড়লেও ক্যাটারিং সেক্টর ( তাও শুধু বাংলাদেশী-ইন্ডিয়ান ) মন্দার কবল থেকে নিজেদেরকে দূরত্বে রাখতে সক্ষম হয়। যেখানে সরকারি ও বেসরকারি সেক্টরের সকল ক্ষেত্রেই চাকুরী কাট-ছাট ও বাজেট সংকোচন করে চলতে হয়েছে, ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি ও ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরের অনেক নামকরা প্রতিষ্ঠানকে প্রায়ই বিগত কয়েক বছরে বলা নেই কয়া নেই হঠাৎ করে এডমিনিস্ট্রেশনে চলে যাওয়া যেখানে নিত্য-নৈমিত্তিক খবর ছিলো, যার রেশ এখনো ব্রিটিশ অর্থনীতিতে রয়ে গেছে, সেখানে বাংলাদেশী ক্যাটারিং ইন্ডাস্ট্রি বেশ নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে কোন প্রকারের দেউলিয়া ও দেনার দায় ছাড়া সামান্য কাট-ছাট করে সফলতার সাথে এগিয়ে চলছে। বাংলাদেশের ক্যাটারিং সেক্টরের সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা খোদ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে হোম সেক্রেটারি থেরেসা মে, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড সহ সকলেই সমানভাবে পঞ্চমুখ। আর বাংলাদেশী শেফ ও ওয়েটারদের সেবার মান ও দক্ষতার কথাতো হর হামেশা ব্রিটিশ মিডিয়ায় ফলাও করে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশী রেস্টুরেন্টের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ নানা তারকা সম্বলিত খেতাবের কথাতো লেগেই আছে। রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ঈর্ষনীয় সাফল্য করে খ্যাতি অর্জন করে ব্রিটিশ মেইন ষ্ট্রীম মিডিয়া ও মেইন ষ্ট্রীম রাজনীতিতে ঝড় তুলেছেন আমাদের রেড ফোর্টের আমিন আলী, লি-রাজের এনাম আলী এমবিই, ব্রিটানিয়া স্পাইসের সাবেক কন্সাল জেনারেল ওয়ালী তছর উদ্দিন এমবিই, শাহগীর বখত ফারুক, বজলুর রশীদ, পাশা খন্দকার, ভোজনের মাহতাব মিয়া, বিসিসির মুকিম চৌধুরী সহ হালের তরুণ ব্রিটিশ বাংলাদেশীদের সাফল্য এক্ষেত্রে আরো অগ্রগামী। তরুণদের ক্যাটারিং সেক্টরের নানা ও নিত্য নতুন ফিউশন এক্ষেত্রে অগ্রজদের ছাড়িয়ে গিয়েছে, যেমন ম্যাঙ্গো, তামারিন,ক্যাফে স্পাইস,মোম্বাই এক্সলেম্পরারী ইত্যাদি। সেই কবে কখন ব্রিটেনে প্রথম কারী সাম্রাজ্য গড়ে উঠার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিলো, তা রীতিমতো গবেষণার দাবী রাখে। হালের ব্রিটেনের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন লন্ডন ও নিউক্যাসল)এ নিয়ে গবেষণা শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে। যদি তাই হয় আমাদের ক্যাটারিং সেক্টরের আধুনিকায়ন ও নিত্য-নতুন ফিউশন ক্রিয়েট করার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা। **ব্রিটেনে সব কটা সেক্টরের কর্মচারী, কর্মকর্তা, অফিস, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ফার্মেসী, জরুরী বিভাগ, ব্যবসা, ফ্যাশন, সুপার মার্কেট প্রভৃতি সেক্টরের সকলেই বছরে আইনানুগ ভাবে নানান হলিডে যেমন উপভোগ করে থাকেন, একই সাথে সামারের ছয় সপ্তাহ হলিডে ও ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার হলিডে, ব্যাংক হলিডে – এই ছুটিগুলো একজন শ্রমিক, একজন কর্পোরেট, একজন ডাক্তার, একজন ইঞ্জিনিয়ার, একজন মন্ত্রী, একজন ক্লিনার, একজন কেয়ার টেকার, একজন নিরাপত্তা কর্মী, একজন পুলিশ সকলেই সমানভাবে এবং অল্টারনেটিভ এরাঞ্জম্যান্টের মাধ্যমে(প্রয়োজনের সময়)ভোগ করে থাকেন।এতে একজন শ্রমিক ও কর্মকর্তার জন্য সমান আইন সমানভাবে প্রযোজ্য, তার জন্য তার ট্রেড ইউনিয়ন সমানভাবে দায়িত্বশীল।এটা তার নাগরিক এবং আইনগত অধিকার। রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান এই অধিকার রক্ষা ও সমুন্নত রাখতে বদ্ধ পরিকর, এ অধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারেননা।** ব্যতিক্রম শুধুমাত্র বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট ও এ সেক্টরের কর্মরত কর্মচারীদের। বাংলাদেশী এই ৮০ হাজার এবং কোন কোন তথ্য মতে এই সংখ্যা আরো দ্বিগুণ হবে(অরেজিষ্ট্রিকৃত মিলিয়ে)শ্রমিক- ওয়েটার,কুক,শেফ,ম্যানেজার,এসিসট্যান্ট ম্যানেজার,অর্থাৎ এই সেক্টরে জড়িত কেউই বছরের এই নির্ধারিত জাতীয় হলিডের ছুটি ভোগ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। শুধু তাই নয়, এই সেক্টরের কেউই আমাদের জাতীয় হলিডে দুই ঈদের মতো উৎসবেও ছুটি ভোগ করতে পারেন না। কেউ চাইলেও ছুটি নিতে পারেননা। কেননা রেস্টুরেন্ট সেক্টর খোলা থাকে, আমাদের ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন কিংবা এর ফেডারেশন ও এর মালিকবৃন্দ যৌথ উদ্যোগ নিয়ে এব্যাপারে নিজেদের জাতীয় ধর্মীয় এই উৎসবে রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখার কোন উদ্যোগ নিয়েছেন বলে শুনা যায়নি। বেশ কিছুদিন আগে, ইংল্যান্ডের নর্থের কতিপয় বাঙালি নিজেদের উদ্যোগে শুধু মাত্র নিজেদের শহরের ভিতরে সব কটা রেস্টুরেন্ট বন্ধ রেখে ঈদ উৎসব পালন করার ব্যবস্থা কিঞ্চিত ভাবে নেয়া হয়েছিলো। এতে আশানুরূপ সাড়াও পড়েছিলো। কিন্তু যিনি বা যারা উদ্যোগ নিয়েছিলেন, দেখা গেলো সেই উদ্যোগের সাথে জড়িত একজনের রেস্টুরেন্ট ছাড়াও টেকওয়ে ব্যবসা থাকায় সকলের অগোচরে ঈদের দিন নিজের টেকওয়ে খোলা রেখে দেদারছে ব্যবসা করে বসেন, যা নিয়ে নিজেদের মধ্যে ভাঙ্গন ও ফাটল দেখা দেয়। যার ফলে ঐ শহরের ঐ উদ্যোগ আর এগোয়নি। এর পরের বছর শুধুমাত্র লাঞ্চ আওয়ারে ঈদের নামাজের সুবিধার্থে সবাই মিলে রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখার উদ্যোগ নিলেও দু একজনের কারণে তাও আর সম্ভব হয়নি। লোকাল কাউন্সিলে যোগাযোগ করা হলে বলেন, ব্যবসায়ীরা স্বাধীন। তারা যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। কাউন্সিল তাতে পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তারা যদি ঈদের দিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখেন, কাউন্সিল তাতে স্বাগত জানাবে ও কাস্টমারদের কাছে সেই তথ্য সরবরাহ করবেন, মুসলিম ধর্মীয় ঈদ সেলিব্রেশনের সুবিধার্থে এই সেক্টর(বাংলাদেশী) ঈদের দিন বন্ধ থাকবে। বাঙালি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস বারার স্কুল ও ইংল্যান্ডের নর্থ-ইষ্টের স্কুল গুলো পর্যন্ত হেড টিচাররা আন-অফিসিয়ালি ছেলে-মেয়েদের ঈদের ছুটি ভোগের অধিকার দিয়ে থাকেন, এটা এখন প্রায় ফর্মালি হয়ে যাচ্ছে। অথচ আমাদের রেস্টুরেন্ট সেক্টরের কর্মরত ভাই-বোনেরা কখনো এই ফেয়ার ছুটি থেকে বঞ্চিত। এমন নয় যে ঈদের দিন কাজ করলে ওভার টাইম স্কেলে বেতন দেয়ার বিধান চালু রয়েছে, তাও নয়। তারপরেও কেন যে তারা বঞ্চিত ? নিছক মুনাফা আর ব্যবসায়িক স্বার্থ ছাড়া আর কিছুই নয়। এক্ষেত্রে ক্যাটারার্স এসোসিয়েশন ও অন্যান্য সংস্থা মিলে একটা সমন্বিত উদ্যোগ নিতে পারে। সবাইমিলে যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে টেলিভিশন বা নিউজ পেপারের মাধ্যমে জানিয়ে দেন, ঈদ উৎসব পালনের জন্য রেস্টুরেন্ট, টেকওয়ে ঈদের দিন বন্ধ থাকবে- তাহলে ব্যবসায়ীদের এমন কোন ক্ষতি হবেনা। সারা বছরইতো ব্যবসা খোলা থাকে, ক্রিসমাসের দিন, নিউ ইয়ারের দিন, যেখানে সমস্ত ব্রিটেন ঘুমিয়ে থাকে, সেই সব দিনেও আমাদের রেস্টুরেন্ট খোলা থাকে, তাহলে দুই ঈদের দিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখলে তেমন কোন ব্যবসায়িক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেননা প্রবীণ লন্ডনী ক্যামডেনের বাসিন্দা ইদ্রিস আলী। বার্মিংহামের মুরুব্বী সোনাই মিয়া, রচডেলের কণা, ব্রাডফোর্ডের শাহেদ, লন্ডনের রোকন, মিসবাহ, নিউক্যাসলের শিমূল, রায়হান সকলেই একই মত পোষণ করেন। অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কোন কোন রেস্টুরেন্টে আমাদের দেশের কোন কোন ইল্যিগ্যাল ইমিগ্র্যান্টদের নামমাত্র বেতনে দিনের পর কাজ করানো হচ্ছে, এবং সেই সুবাধে তারা অমানবিক জীবন যাপন করছেন। কিন্তু তারা না পারছেন যথাযথ আইনের আশ্রয় নিতে, না পারছেন মালিককে মুখ ফুটে কথা বলতে।তবে এ সংখ্যা এখন অনেক কমে এসেছে, সাম্প্রতিক ব্রিটিশ বর্ডার এজেন্সির ধরপাকড়ের ফলে। বর্ডার এজেন্সি এখন একটাই শ্লোগান হয় পালাও, না হয় ধরা পড়ো, নিজের দেশে চলে যাও। ব্রিটেন এখন ইল্যিগ্যাল ইমিগ্র্যান্টদের জন্য জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে। সাবেক কন্সাল জেনারেল, ক্যাটারার্সদের অন্যতম নেতা এবং বিসিসির ওয়ালী তছর উদ্দিন বেশ আগে জানিয়েছিলেন অবশ্য ঈদের সময় রেস্টুরেন্ট কিভাবে বন্ধ রেখে সবাই মিলে ঈদ উৎসব পালন করা যায়, সেই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চিন্তা-ভাবনা চলছে। তবে এখনো কোন সিদ্ধান্তে পৌছা যায়নি। বর্তমান সময়ে কমেন্টের জন্য যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। নর্থ-ইষ্টের অনেক ক্যাটারার অবশ্য ঈদের দিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ রেখে সবাই মিলে ঈদ উৎসব পালনের পক্ষে। কিন্তু কেউ ই নিজের এলাকাতে এই উদ্যোগ শুরু করার উৎসাহ পাননা, নিজেদের অনৈক্যের কারণে। একজন আক্ষেপ করে বলেছেন, আজকে আমি যদি করি, এবং আমরা সবাই মিলে যদি এই সিদ্ধান্তে পৌছি, যে ঈদের দিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখা হবে। কিন্তু দেখা যাবে আমাদের এখানে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরেও কেউ কেউ লোভের বশে টেকওয়ে, রেস্টুরেন্ট ঠিকই খুলে ব্যবসা করছেন। আসলে নিজেদের মধ্যে অনৈক্য আর সন্দেহ থেকে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যাচ্ছেনা। ব্রিটেনে বেড়ে উঠা আজকের তরুণেরা তাদের এই রাইট হলিডে ভোগ করার জন্য উদগ্রীব। তাদের কেউ কেউ ভাবছেন, বিভিন্ন এজেন্সির সাহায্য নেয়ার, নাহলে ক্যাটারার সেক্টরের কর্তাব্যক্তিদের টনক নড়বেনা। লোকাল সোশ্যাল সার্ভিস, ফুড এন্ড হাইজিন অথরিটি, কাউন্সিল মিলে হয়তো শেষ পর্যন্ত এই হাজার হাজার শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় যখন এগিয়ে আসবে, তখন নিজেদের ক্ষতি করে হলেও কর্মচারীদের ছুটির ব্যবস্থা করতে বাধ্য হবেন। কেননা ব্যবসা এবং কর্পোরেশন ও ইউনিয়নের আইনের প্রয়োগ হলে রেস্টুরেন্ট সেক্টর বাধ্য হবেন বছরের এই সময়ে অতিরিক্ত কর্মচারী(অল্টারনেটিভ) নিয়োগ দিয়ে ঐ সময় স্টাফদের হলিডে দিবেন, জব সেন্টার ও ডিডব্লিউপি এবং ইউনিয়ন যখন ইনভলভ হয়ে যাবে তখনতো ঈদের দিনের লাভ সব গুড়ে বালি হয়ে যাবে। আমাদের রেস্টুরেন্ট সেক্টরের মালিক, কর্ণধারদের যত তাড়াতাড়ি সুবোধদয় হয়, ততোই মঙ্গল- বললেন সামসু, শাহিনুর, কোহিনুর, তাওয়াককুল সহ উপস্থিত আরো অনেকে, যারা দীর্ঘদিন ধরে এই পেশায় কাজ করে চলছেন।

চট্টগ্রামের মন্ত্রী-এমপিরা পেলেন ৪শ পিস করে শাড়ি ও থ্রি পিস ।।...

চট্টগ্রামের মন্ত্রী-এমপিরা পেলেন ৪শ পিস করে শাড়ি ও থ্রি পিস ।। প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার শুকলাল দাশ ॥ ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে মহাজোটের চট্টগ্রামের মন্ত্রী-এমপিরা ৪’শ পিস করে শাড়ি ও থ্রি পিস পেয়েছেন। নিজ এলাকার সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের মাঝে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ হিসেবে মন্ত্রী-এমপিরা ইতোমধ্যে এই শাড়ি ও থ্রি পিস বিতরণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উপহারের সাথে প্রত্যেক মন্ত্রী-এমপিরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে-ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, থ্রি পিস ও শার্ট বিতরণ করেছেন। চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন এমপির সাথে এই ব্যাপারে কথা হলে তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে দেয়া প্রতিটি শাড়ি ও থ্রি পিসের মান খুবই ভালো। প্রতিটি শাড়ির দাম দেড়-দুই হাজার টাকা হবে। চট্টগ্রামে মহাজোট সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের পাশাপাশি সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপিদেরকেও সমান সংখ্যক শাড়ি ও থ্রি পিস দেয়া হয়েছে। একজন এমপিকে ৩শ’ পিস শাড়ি ও ১শ’ থ্রি পিস দেয়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন এমপির সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে যা পেয়েছেন তার পাশপাশি নিজেরা কিনে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এবং ওয়ার্ডে তালিকা করে গরিব লোকজনের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, থ্রি পিস ও শার্ট বিতরণ করেছেন। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি গতকাল দৈনিক আজাদীকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ৩শ’ পিস শাড়ি ও ১শ’ থ্রি পিস পেয়েছি। এর পরিমাণ কম হলেও আমরা প্রত্যেকে নিজেদের উদ্যোগে এলাকায় আরো বিপুল পরিমাণ শাড়ি-লুঙ্গি, পাঞ্জাবি দিয়েছি। আমার ১৬ ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা মিলে ১টি তালিকা তৈরী করে গরীব জনগণের মাঝে শাড়ি-লুঙ্গি, পাঞ্জাবি বিতরণ করছি। এদিকে পটিয়া আসনের এমপি সামশুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিল থেকে পাওয়া ৩শ’ পিস শাড়ি ও ১শ’ পিস থ্রি পিসের পাশাপাশি নিজের তহবিল থেকে পটিয়ার প্রতিটি ইউনিয়নে তালিকা করে গরিব জনগণের মাঝে শাড়ি, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করেছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রত্যেক বছর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের গরিব জনগণের মাঝে ঈদ উপলক্ষে বস্ত্র, সেমাই-চিনি বিতরণ করেন বলে গতকাল স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা জানিয়েছেন। কোতোয়ালী আসনের সাংসদ নুরুল ইসলাম বিএসসি তাঁর নির্বাচনী এলাকার গরিব জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিলের ৩শ’ পিস শাড়ি ও ১শ’ থ্রি পিসের পাশাপাশি নিজের উদ্যোগে আরো ৩ থেকে ৪ হাজার শাড়ি, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি বিতরণ করেছেন। প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও কাউন্সিলরদের মাধ্যমে এই শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান সাংসদ নুরুল ইসলাম বিএসসি’র এপিএস নিয়াজ মোর্শেদ নিরু। সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি হাসিনা মান্নান গতকাল আজাদীকে জানান, প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে এলাকার জনগণের মাঝে দেয়ার জন্য ৩শ’ পিস শাড়ি এবং ১শ’ থ্রি পিস দিয়েছেন। এগুলোর সাথে আমরা নিজেরাও কিনে এলাকার গরিব জনগণের মাঝে বিতরণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক এমপিকে দিয়েছেন। আমরা এগুলো বিতরণ করে দিয়েছি। জানা গেছে, যে সব আসনে আওয়ামী লীগসহ মহাজোটের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে সরাসরি এবং যে আসন গুলোতে বিএনপি-জামাতের এমপি নির্বাচিত হয়েছেন সেখানে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের যে সব এমপিদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণ তহবিলের শাড়ি-থ্রি পিস দেয়া হয়েছে।

ঘর সাজবে উৎসব আমেজে

ঘর সাজবে উৎসব আমেজে তারিখ: ০৬-০৮-২০১৩ যেমনটা সাজবে বসার ঘর: বসার ঘর হলো অতিথি আপ্যায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আপনার পছন্দ এবং রুচিবোধ প্রাধান্য দিয়ে দেশীয়, ভিক্টোরিয়ান, মডার্ন— এ তিন ধরনের স্টাইলে সাজাতে পারেন লিভিংরুম বা বসার ঘর। যদি কাঠের কারুকার্যময় আসবাব আপনার পছন্দের তালিকায় থাকে, তবে নিঃসন্দেহে সেটা ভিক্টোরিয়ান স্টাইল। তাই আরেকটু গর্জিয়াস করতে চাইলে ফার্নিচারের পাশাপাশি ঘরের পর্দায়ও নিয়ে আসুন ভিক্টোরিয়ান স্টাইল। বিভিন্ন ড্রেপিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করে নিন জানালার পেলমেট, সঙ্গে ম্যাচিং ঝালর অথবা লেস। দুই লেয়ারে তৈরি করুন পর্দা। পেলমেটের সঙ্গে মিল রেখে ভারী পর্দা নির্বাচন করুন আর সঙ্গে ম্যাচিং অথবা কন্ট্রাসটিং নেট অথবা মসলিনের শেয়ার দেবে ভিন্ন মাত্রা। সেন্টার টেবিলে একটি বড় ক্রিস্টালের পাত্রে পানি দিয়ে রেখে দিন তাজা ফুলের পাপড়ি, সঙ্গে ফ্লোটিং ক্যান্ডেল। ঝুলন্ত লাইটের ব্যবস্থা থাকলে সেগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন ডেকোরেটিভ লাইট ঝুলিয়ে দিন। সেন্টার টেবিলের নিচের অংশজুড়ে বিছিয়ে দিন সিনথেটিক কার্পেট। কেউ যদি ইকেবানা শৌখিন হন, তাহলে বিদেশী ফুল, গোলাপ, লিলি, জারবেরা দিয়ে তৈরি করুন নান্দনিক সাজ। পরিপাটি-প্রশান্তির শোয়ার ঘর: বেডরুম মেকওভারের সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ঘরের আসবাব একটু এদিক-ওদিক সরিয়ে নতুনভাবে সাজিয়ে ফেলা। নতুন পোশাক কেনার পাশাপাশি নতুন বিছানা চাদর, পর্দা, কুশন কভার ইত্যাদি পরিবর্তনে আপনার শোয়ার ঘরটি হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়। যেহেতু ঈদ, তাই প্রতিটি ঘরকে সাজাতে পারেন আপনার পছন্দের রঙটিকে বেছে নিয়ে থিমবেইজ আয়োজনে। শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরটি হওয়া চাই একটু গর্জিয়াস, সঙ্গে ম্যাচিং পর্দা ও নানা রঙের কুশন দেবে বাড়তি সৌন্দর্য। তবে লক্ষ রাখবেন, একঘেয়েমি দূর করতে কন্ট্রাস্ট রঙ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। নতুন শতরঞ্জি কিংবা রাগ ফ্লোরে বিছিয়ে দিন। বিছানার পাশের সাইড টেবিলে রেখে দিন কিছু তাজা ফুল। যার ম-ম গন্ধে অতিথির মনকে ভরিয়ে তুলবে। সম্ভব হলে দেয়ালের রঙ পরিবর্তন করুন। একটু ভিন্ন মাত্রা দিতে বেডের মাথার কাছে দেয়ালে লাগিয়ে দিন ওয়ালপেপার। তবে লক্ষ রাখবেন, যে ফ্যাব্রিকসই বেছে নেন না কেন, তা যেন ঘরের রঙ এবং আসবাবের সঙ্গে মানানসই হয়। খাটের সঙ্গে জুড়ে থাকা বেডসাইড টেবিলের ল্যাম্প দুটিতে আনুন নতুনত্ব। বেডরুমের জন্য পর্দা নির্বাচন করুন ঘরের পজিশন অনুযায়ী। রাস্তার কাছাকাছি হলে একটু ভারী ফ্যাব্রিকের পর্দা বেছে নিন, যাতে বাইরের আলো ও শব্দ ভালোভাবে চাপা পড়ে। যদি বেডরুমে বাইরের আলো তেমন না আসে, তাহলে ট্রান্সপারেন্ট নেট, মসলিন বা জর্জেটের পর্দা বেছে নিন, যাতে কিছুটা আলো ঢুকতে পারে। পুরো ঘরের ফার্নিচার নির্বাচন করুন সিম্পল ও জ্যামিতিক ফর্মের। মডার্ন কনসেপ্টের জন্য বেশি গর্জিয়াস পর্দা নয় বরং সিম্পল ডিজাইনের পর্দা বেছে নিন। শোপিস অথবা সেন্টার পিস যা-ই বলুন না কেন, লক্ষ রাখুন সেটা যেন মানিয়ে যায় পুরো ঘরের সঙ্গে। মডার্ন ফার্নিচারের ক্ষেত্রে সোফার কভারে ফ্লোরাল ডিজাইনের ফ্যাব্রিকস এড়িয়ে চলুন। দেশীয় আমেজ আনতে বাঁশ, বেত, রড-আয়রনের ফার্নিচারের সঙ্গে খাদি কাপড়ের পর্দা ও কুশন কভার ব্যবহার করুন। ব্লক, বাটিক টাইডাই অথবা কাতান পাড় লাগিয়ে তৈরি করে নিন আপনার পছন্দসই পর্দা। ঘরের এক কর্নারে মাটির চাড়িতে পানি দিয়ে রেখে দিন কিছু ফুল এবং ফুলের পাপড়ি সঙ্গে মোমবাতি। ঈদের সাজে খাবার ঘর : খাবার ঘরটি হচ্ছে অতিথিদের মন জয় করার জায়গা। তাই ঘরটিতে শুধু সুন্দর করে খাবার পরিবেশনই নয়, আশপাশের আয়োজনও হওয়া চাই খাবারের মতো আকর্ষণীয়। খাবার ঘরের পর্দা হালকা সবুজ রঙের হলে ভালো, এতে ফ্রেশ একটা ভাব থাকে। টেবিলে নতুন টেবিলক্লথ বিছিয়ে দিন। যদি কাপড়ের টেবিলক্লথ হয়, তাহলে এর ওপর পাতলা ট্রান্সপারেন্ট পলিথিন ব্যবহার করুন খাবার পরিবেশনের আগে। কাচের গ্লাস টপ টেবিল হলে বিছিয়ে দিন টেবিল রানার, টেবিল ম্যাট এবং ম্যাচিং ন্যাপকিন। টেবিলের মাঝখানে রেখে দিন আকর্ষণীয় ফলের ঝুড়ি, তাতে তাজা কিছু ফল।

আবারো বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি অ্যাপল

আবারো বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি অ্যাপল তারিখ: ০৬-০৮-২০১৩ বিশ্লেষকদের জরিপে গত বৃহস্পতিবার মার্কিন তেল ও গ্যাস কোম্পানি ইক্সোনমোবিলকে সরিয়ে আবারো বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে অ্যাপল। খবর ডিজিটাল ট্রেন্ডসের। অ্যাপলের নতুন আইফোন ও আইপ্যাড বাজারে আসার গুজবে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য আগের বারের তুলনায় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান বিশ্লেষকরা। এর আগেও কোম্পানিটি সম্পদের দিক দিয়ে বিশ্বের মধ্যে এক নম্বরে ছিল। কিন্তু আয় ও শেয়ারপ্রতি মূল্য ক্রমাগতভাবে কমতে থাকায় কোম্পানিটি এ স্থান হারায়। বর্তমানে নতুন সংস্করণের আইফোন ও আইপ্যাডের বাজারে আসার খবরে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য বেড়ে যায় এবং এরই ফলে অ্যাপল আবারো এক নম্বরে চলে আসে। বিশ্লেষকদের ধারণা মতে, কোম্পানিটির মূল্য আগামী পাঁচ বছরে শেয়ারপ্রতি ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ বার্ষিক হারে বাড়বে। সাধারণত প্রতিটি কোম্পানি তাদের মোট আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনার জন্য বরাদ্দ রাখে। এ বরাদ্দকৃত অর্থ সাধারণত মোট আয়ের ১০ শতাংশ হয়ে থাকে। মোট আয়ের ১০ শতাংশ এ ধরনের খরচের জন্য বরাদ্দ রেখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি মূল্য ৬১৯ ডলারে দাঁড়ায় বলে জানান বিশ্লেষকরা। কিন্তু কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এ ধরনের ঐচ্ছিক খরচের জন্য ২৫ শতাংশ বরাদ্দ রেখে তাদের শেয়ারপ্রতি মূল্য দাঁড়ায় ৬১৯ ডলারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আগামী সময়েও কোম্পানিটির এ অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে বলে মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা। http://www.nbcnews.com/id/44090899/ns/business-us_business/t/why-apple-now-no-company-world/

লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ – যোগাযোগমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ লক্ষ্য অর্জনে বারবার ব্যর্থ যোগাযোগমন্ত্রী ইসমাইল আলী | তারিখ: ০৬-০৮-২০১৩ বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর অন্যতম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ। গত আট বছরে এ প্রকল্পের মাত্র ৩৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটির নির্দিষ্ট অংশের কাজ শেষ করতে বর্তমান যোগাযোগমন্ত্রী তিন দফা লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেও তা অর্জনে সফল হতে পারেননি। এরই মধ্যে প্রকল্পটির মেয়াদ আরো এক বছর বাড়িয়ে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে শেষ করার নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের ৫ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষণা দেন, চলতি বছরে এপ্রিলের মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের ৭৩ কিলোমিটার দৃশ্যমান করা হবে। অথচ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ১২ কিলোমিটারের কাজ সম্পন্ন হয়। এ পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে প্রায় ২৫ কিলোমিটার। এর আগে গত বছর ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির ৩২ কিলোমিটারের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য স্থির করেন যোগাযোগমন্ত্রী। কিন্তু তাও যথাসময়ে অর্জন সম্ভব হয়নি। তারও আগে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর পরই যোগাযোগমন্ত্রী ২০১২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটির ৩৭ কিলোমিটার চার লেনে উন্নীতকরণের লক্ষ্য ঠিক করলেও নির্দিষ্ট সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি। এ প্রসঙ্গে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বণিক বার্তাকে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমিতে বেশকিছু মসজিদ, কবরস্থান, মন্দির ও বিদ্যালয় ছিল। সেগুলো স্থানান্তরে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে বহুবার বৈঠক করতে হয়। এতে অনেক সময় ব্যয় হয়। ফলে লক্ষ্য অনুযায়ী কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। তবে এখন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটির বড় একটি অংশ দৃশ্যমান হবে। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এর কাজ শেষ হবে। সময়মতো কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় প্রতি বছরই ঈদের সময় মহাসড়কটি হয়ে ওঠে জনভোগান্তির অন্যতম কারণ। মাত্রাতিরিক্ত যান চলাচল, সড়ক দুর্ঘটনা আর যানজটের কারণে চার ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ৮-১০ ঘণ্টা। এদিকে বর্ধিত সময়ের মধ্যেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে প্রকল্পটি পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল। বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাকারিয়া এ প্রসঙ্গে জানান, প্রকল্পটির ৬৫ শতাংশ কাজ এখনো বাকি। এর মধ্যে সেতুগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ কাজই বাকি। সর্বশেষ নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী দেড় বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এ কাজের বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভব। এছাড়া নির্বাচনের বছরে কাজের গতি স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়। এ অবস্থায় কবে নাগাদ প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। জানা গেছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেন প্রকল্পের ধীরগতির কারণ উদঘাটন ও নিবিড় পরিবীক্ষণে গত বছরের নভেম্বরে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিয়োগ করে পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের (সওজ) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী ফারুক আহমেদ ও বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাকারিয়াকে নিয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল ছয় মাস পরিবীক্ষণ শেষে গত মাসে আইএমইডিতে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পটি যথাসময়ে শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও লোকবল নিয়োগ করা হয়নি। এর ৭০ শতাংশ কাজ বাস্তবায়নে নিয়োজিত চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড এক্ষেত্রে বেশি পিছিয়ে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেছে মাত্র ২২ শতাংশ। বাকি ৩০ শতাংশ বাস্তবায়নে নিয়োজিত দেশীয় দুটি কোম্পানি মোটামুটি দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠান দুটি এ পর্যন্ত প্রায় ৪৬ শতাংশ কাজ শেষ করেছে। পাশাপাশি প্রকল্পটিতে এ পর্যন্ত ১১ জন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পরিচালক পদে ঘন ঘন এ পরিবর্তন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতির অন্যতম কারণ। যদিও প্রতিবেদনটির সঙ্গে একমত নন বর্তমান প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় বহুবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। মাটি ও পাথরের অভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন পিছিয়ে যায় দুই দফা। পরে বিটুমিন না পাওয়ায় বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া আরো ধীর হয়ে পড়ে। তবে সব সমস্যা সমাধান করে এখন প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বাস্তবায়নকারী সংস্থা, প্রকল্প পরিচালক ও ঠিকাদারের মধ্যে সমন্বয়হীনতাও কাজে ধীরগতির অন্যতম কারণ। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত না মেনে সওজের ইচ্ছামতো কাজ করাকেও এ জন্য দায়ী করা হয়। এর সঙ্গে রয়েছে কাজের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়া। এ প্রসঙ্গে ড. জাকারিয়া বলেন, লক্ষ্য ঠিক রাখতে তিন বছরে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার কথা থাকলেও এ পর্যন্ত ১ হাজার কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছর আরো ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে শেষ ছয় মাসে দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে; যা প্রায় অসম্ভব। অর্থাৎ এ প্রকল্প সম্পন্ন হওয়া আরো পিছিয়ে যাবে। বাস্তবায়নচিত্র হতাশাজনক হলেও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি আর নকশা পরিবর্তন দেখিয়ে গত মার্চে প্রকল্প ব্যয় ৮০৮ কোটি টাকা বাড়ানো হয়। যদিও এর পুরোটাই ধরা হয়েছে অদৃশ্য খাতে। এ নিয়ে তিন দফা বাড়ানো হলো প্রকল্প ব্যয়। নথিপত্র ঘেঁটে দেখা গেছে, প্রকল্পটির বিটুমিনে ১৬৪ কোটি ৭৬ লাখ ও মাটির কাজে ৫৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। বাকি অর্থ ব্যয় সমন্বয় ও বিবিধ খাতের নামে থোক বরাদ্দ হিসেবে রাখা হয়েছে। এ দুই খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে যথাক্রমে ৪০৭ কোটি ২৬ লাখ ও ৩৮ কোটি টাকা টাকা।

দর্শকসেরা ঔপন্যাসিকের তালিকায় তাহমিমা

গ্রান্টার দর্শকসেরা ঔপন্যাসিকের তালিকায় তাহমিমা ‘এ গোল্ডেন এজ’ খ্যাত বাঙালি খ্যাতিমান লেখক তাহমিমা আনাম যুক্তরাজ্যের সাহিত্য সাময়িকী গ্রান্টার দশকসেরা ২০ তরুণ ঔপন্যাসিকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এর আগে বাঙালি বংশোদ্ভূত আরেক ব্রিটিশ লেখিকা মনিকা আলীকে ২০০৩ সালে গ্রান্টার তালিকায় বেছে নেওয়া হয়। গত ১৫ এপ্রিল সোমবার লন্ডনের ব্রিটিশ কাউন্সিলে এ তালিকাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করা হয়। প্রতি একদশক পর সাময়িকীটি এ তালিকা প্রকাশ করে। তবে এবারের তালিকায় অধিকাংশ জুড়েই রয়েছেন নারী। এর মধ্যে উঠে এসেছেন-নাওমি অ্যাল্ডারম্যান, নেড বিউম্যান, জেনি ফ্যাগান, অ্যাডাম ফোল্ডস, শিয়াউলু গুয়ো, সারাহ হল, স্টিভেন হল, জোয়ানা ক্যাভেনা, বেঞ্জামিন মার্কোভিৎস, নাদিফা মোহাম্মদসহ আরো অনেকে। ‘এ গোল্ডেন এজ’ ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় যা তাহমিমা আনামের প্রথম উপন্যাস। এটি ‘সেরা প্রথম বই’ হিসেবে কমনওয়েলথ রাইটার্স পুরস্কার পায়। এছাড়া উপন্যাসটি গার্ডিয়ান ফার্স্ট বুক অ্যাওয়ার্ড ও কস্টা ফার্স্ট নভেল প্রাইজের জন্য সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান পেয়েছিল। তাঁর পরবর্তী উপন্যাস দ্য গুড মুসলিম ২০১১ সালের ম্যান এশিয়ান লিটারারি প্রাইজের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিল। ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামের কন্যা তাহমিমা আনাম হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে সামাজিক নৃতত্ত্বের ওপর পিএইচডি করেছেন। এছাড়া লন্ডনের রয়্যাল হলোওয়ে থেকে সৃজনশীল লেখার ওপর এমএ করেছেন। তাঁর লেখা গ্রান্টা, নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান ও ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এ ছাপা হয়েছে।

MOST POPULAR

HOT NEWS

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.