Home Authors Posts by Ekush News Desk

Ekush News Desk

5105 POSTS 0 COMMENTS

পাকিস্তানে বোরকা পরা সুপারহিরো ‘অ্যাভেঞ্জার’

নারী শিক্ষা ও বোরকা পরাকে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে পাকিস্তানে উর্দু ভাষায় নির্মিত হয়েছে কার্টুন সিরিজ বোরকা পরা সুপারহিরো ‘অ্যাভেঞ্জার’। পাকিস্তানের নারী শিক্ষার জন্য তালেবানদের বিরুদ্ধে লড়তে করবে এই সুপারহিরো। আগামী মাস থেকেই কার্টুনটি পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে যেখানে তালেবানরা প্রায়ই মেয়েদের স্কুলে যাওয়া ও নারীশিক্ষা বন্ধে প্রচারণা ও তৎপরতা চালায় সেখানে বেশি করে প্রচার করার পরিকল্পনা করেছে সেদেশটির সরকার। ওই অঞ্চলে তালেবানরা এরইমধ্যে মেয়েদের বেশ কয়েকটি স্কুল ধ্বংস করে দিয়েছে। কার্টুনটি স্থানীয় চ্যানেলে প্রচারিত হবে। কার্টুনে নতুন এই সুপারহিরোর কালো বোরকার ফাঁকে কেবল তার চোখ ও হাতের আঙ্গুল দেখা যাবে। কোনো আগ্নেয়াস্ত্র নয় বরং বই ও কলমকে অস্ত্র বানিয়ে শত্রুদের ঘায়েল করতে দেখা যাবে বোরকা অ্যাভেঞ্জারকে। কার্টুনটি তৈরি করেছেন পাকিস্তানের পপস্টার অ্যারন হারুন রশিদ। তিনি ‘অ্যাডভেঞ্চার অব বোরকা অভেঞ্জার’ নামে একটি আইফোন গেমও বাজারে আনবেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে, কার্টুন নির্মাতার বিরুদ্ধে সমালোচনাও কম হচ্ছে না। সুপারহিরো বোরকা পরায় অনেকেই এটিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন এবং মন্তব্য করছেন, বোরকা নারী স্বাধীনতার পরিপন্থী। তালেবানরা আফগানিস্তানে ক্ষমতা দখলের পর দেশটির লাখ লাখ নারীকে ঘরে-বাইরে বোরকা পরতে বাধ্য করেছিল।

শৈশবের পর আবার এক মঞ্চে তারা

শৈশবের পর আবার এক মঞ্চে তারা বিটিভির জনপ্রিয় শিশুদের অনুষ্ঠান নতুন কুঁড়ির শিল্পী ছিলেন তিনজনই। দীর্ঘদিন ধরে তিনজনই কাজ করছেন মিডিয়ায়। কিন্তু সেই নতুন কুঁড়ির পর তাদের আর একমঞ্চে দেখা যায়নি কখনো। এত বছর পর আবার তাদের দেখা যাবে একই মঞ্চে। তারা শাওন, তারিন ও ঈশিতা। তারিন, মেহের আফরোজ শাওন ও ঈশিতা, এই প্রথম একটি টিভি অনুষ্ঠানে দেখা যাবে তাদের। পলাশ মাহবুবের পরিচালনায় ‘ঈদ আড্ডা’ নামে অনুষ্ঠানে তারা আড্ডা দিয়েছেন, স্মৃতিচারণা করেছেন এবং তারিন ও শাওন গানও গেয়েছেন। অনুষ্ঠানটি বৈশাখী টেলিভিশনে প্রচার হবে ঈদের তৃতীয় দিন রাত ৮টা ৫০ মিনিটে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন ফারহানা নিশো।

রানার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়নিঃ রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি

রানার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়নি রিমন রহমান : ঝুঁকি জানা সত্ত্বেও জোর করে কর্মস্থলে প্রবেশ করানো হয়। পরে ভবনধসে নিহত হয় ১ হাজার ১৩১ শ্রমিক। এ ঘটনার পর রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়নি। একই সঙ্গে ২৫টি লাশের আলামত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আহত শ্রমিকদের সঠিক তালিকা প্রকাশ ও তাদের সহায়তার চিত্র স্পষ্ট করতে হবে। রানা প্লাজার ধস নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এর করা তদন্ত প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়েছে। ২৪ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ওই প্রতিবেদনে রানা প্লাজা ধসের জন্য ভবন মালিক রানাকে দায়ী করা হয়। এই জন্য তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়। এছাড়া দেশে কর্মরত বিদেশি গার্মেন্টস মালিকদের জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসাকে পরামর্শ দেয়া হয়। আহত শ্রমিক ও শিশুদের সরকারি ও বিজিএমইএ উদ্যোগ স্পষ্ট করতে পরামর্শ দেয়া হয়। ওদিকে রানা প্লাজা ধসের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে ১ আগস্ট। রানা প্লাজা নিয়ে অধিকারের সুপারিশ পর্যালোচনা করে ওই আলোকে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বস্ত্র, স্বরাষ্ট্র, শ্রমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, অধিকারের সুপারিশ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে ২৪ পাতার প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন সম্পর্কে অধিকারের পরিচালক এএসএম নাসির উদ্দিন এলান বলেন, ‘রানা প্লাজা ধসে আহত শ্রমিকদের সহায়তা দেয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাছাড়া রানা প্লাজা মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়নি, অথচ তার কারণেই সহস্রাধিক মানুষ নিহত হয়। দেশে কাজ করা বিদেশি গার্মেন্টস মালিকদের ওপর তদারকি বৃদ্ধি করতে হবে। অধিকারের দৃষ্টিতে যেভাবে ধ্বংসযজ্ঞ: রানা প্লাজা ধসের ঘটনাকে পৃথিবীর ইতিহাসে নির্মাণ ত্রুটির কারণে বৃহত্ দুর্ঘটনা আখ্যা দিয়ে বলা হয়, সকাল আনুমানিক ৮টা ৫৮ মিনিটের সময় ধসে পড়ে। ভবন ধসের আগের দিন অর্থাত্ ২৩ এপ্রিল ২০১৩ সকালে রানা প্লাজার তৃতীয়তলার (‘নিউ ওয়েভ বটম লিমিটেড’) পিলারগুলোর মধ্যে কাটিং সেকশনের সামনের (ভবনটির মাঝখানে) তিনটি পিলার খাড়াভাবে দুই ইঞ্চি গভীর হয়ে ফেটে যায়। ভবন ফাটলের খবর পেয়ে সাভারের স্থানীয় সাংবাদিকরা রানা প্লাজায় যান। তবে ভবন মালিক সোহেল রানার নির্দেশে দারোয়ানরা সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। এ ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রকৌশলী আবদুর রাজ্জাক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ বলে ভবন মালিক যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে জানিয়ে দেন এবং অবিলম্ব্বে ভবনটির নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং রাজউকের প্রকৌশলী এনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য বলেন। পরের দিন ২৪ এপ্রিল ২০১৩ সকালে শ্রমিকরা ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে কাজে যোগদান করতে অস্বীকৃতি জানান। শ্রমিকদের অস্বীকৃতির বিষয়টি জানতে পেরে সোহেল রানা এবং কারখানাগুলোর মালিকের লোকেরা ভবনের বাইরে এসে শ্রমিকদের জোর করে কাজে যোগদান করান। সকাল আনুমানিক ৮.৫৮টায় ভবনটি ধসে পড়ে। ভবনে আটক সোহেল রানা নিজস্ব লোকজনের সহায়তায় বের হয়ে সাভার এলাকার আওয়ামী লীগের নেতা এবং বর্তমান সংসদ সদস্য তালুকদার মোহাম্মদ তৌহিদ জং মুরাদের সহায়তায় পালিয়ে যান। নিহত ও আহত পরিস্থিতি: ‘রানা প্লাজা’ ধসে এক হাজার ১৩১ জন মারা গেছেন এবং প্রায় দুই হাজার ৪৩৮ জন আহত হয়েছেন। সরকারের হিসাব মতে, ধসে পড়ার পর থেকে ১৪ মে পর্যন্ত তিন হাজার ৫৫৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে এক হাজার ১১৫ জন মৃত এবং দুই হাজার ৪৩৮ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর ১৯ জুন পর্যন্ত ১৬ জন হাসপাতালে মারা গেছেন। আইনগত ব্যবস্থা: ভবন ধসের পর সাভার মডেল থানার এক পুলিশ সদস্য, একজন ডিবি পুলিশ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), এবং ভবন ধসে নিহত এক শ্রমিকের স্ত্রী বাদী হয়ে ভবন মালিক সোহেল রানা এবং পাঁচটি গার্মেন্টসের মালিকসহ বেশকিছু ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে পাঁচটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ সদস্যরা অভিযুক্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠান। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার হেলাল আহমেদ ভবন মালিক সোহেল রানাকে আসামি করে ইমারত নির্মাণ আইনে মামলা করেন। এসআই ওয়ালী আশরাফ বাদী হয়ে ভবন মালিক সোহেল রানা, তার পিতা মো. আবদুল খালেক, ‘ফ্যান্টম অ্যাপারেলসের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম, ‘ফ্যান্টম টেক’ লিমিটেডের স্প্যানিস ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডেভিড মেয়ের রিকো, ইথার টেক লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান, ‘নিউ ওয়েভ বটম লিমিটেড এবং ‘নিউ ওয়েভ স্টাইল লিমিটেডের চেয়ারম্যান বজলুস সামাদ আদনানসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা হয়েছে। ২৫ লাশের আলামত: রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সরকারি হিসাব মতে, এক হাজার ১৩১টি লাশের মধ্যে ৮৪০টি পরিবারগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ২৯১ জনের লাশ অজ্ঞাত পরিচয়ে জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়। এছাড়া ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং পরীক্ষাগারে আলামত হিসেবে লাশের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে ৩১৬টি লাশের। অতিরিক্ত ২৫টি লাশের আলামত কিভাবে তাদের কাছে এসেছে সে ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কোনো উত্তর দেননি। তাই ২৫টি লাশের আলামতের ব্যাপারে প্রশ্ন করেছে অধিকার। অধিকারের সুপারিশ: রানা প্লাজা ভবনের বেআইনি অনুমোদন দেয়ার সঙ্গে জড়িত সাভার পৌরসভার কর্তৃপক্ষসহ জড়িত রাজনৈতিক ব্যক্তি বর্গকে বিচারের আওতায় আনার পরামর্শ ছাড়াও শ্রমিকদের জোর করে কারখানায় প্রবেশ করানোর সঙ্গে জড়িত সোহেল রানা ও ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গকে দায়ী করে হত্যা মামলা করার বিষয়ে সুপারিশ করা হয়। এছাড়া ভবন মালিক সোহেল রানা, আবদুল খালেক, রাজউক কর্তৃপক্ষ, সাভার পৌরসভার চেয়ারম্যান, প্রকৌশলী, ভবনের অনুমতি প্রদানে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার করতে হবে। রাজউক চেয়ারম্যানকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি করার সঙ্গে রাজউকের যদি জনবল কম থাকে তাহলে তাদের ভবন নির্মাণের তদারকি থেকে বিরত থাকতে হবে। বিদেশি ব্যবসায়ীদের দায়বদ্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি আহ্বান জানায় অধিকার। আহতদের সঠিক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। আহতদের চিকিত্সা সরকার ও বিজিএমইএ কি করছে তা জনগণকে জানাতে হবে ও আহতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এই ঘটনার পর অনেক শ্রমিক এবং নিহত শ্রমিকদের শিশু মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ভবনধসে শ্রমিকদের মানসিক সমস্যার কারণে তাদের মনোচিকিত্সকদের দিয়ে চিকিত্সা করাতে হবে। রানা প্লাজায় নিহত পরিবারগুলোকে শুধু ১ লাখ টাকা দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা যাবে না। নিহতদের ১৮ বছরের কম বয়সীদের দায়িত্ব বিজিএমইএ ও সরকারকে নিতে হবে ও পরিবারের অন্য সদস্য যারা নিহতদের উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন তাদের সুরক্ষা দিতে হবে।

গ্রামীণফোনের ১০ হাজার কোটি টাকার হদিস নেই

ঈদের পর কমিশন প্রতিবেদন : অর্থমন্ত্রী গ্রামীণফোনের ১০ হাজার কোটি টাকার হদিস নেই বর্তমান প্রতিবেদক : গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের কল্যাণে গ্রামীণফোন থেকে পাওয়া প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার হদিস নেই বলে জানিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘এই মুহূর্তে এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। ইউনূস সাহেব গ্রামীণফোনের সঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন না।’ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সোমবার সাক্ষাত্ শেষে মোজাম্মেল হক এমন কথা বলেন। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন। গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন প্রতিবেদন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এর জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। ঈদের আগে এটি পাওয়া যাবে না। সাক্ষাত্ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গ্রামীণ ব্যাংক চেয়ারম্যান বলেন, ‘বড় অঙ্কের এ টাকা গ্রামীণফোন দিয়েছে গ্রামীণ টেলিকমকে। গ্রামীণ টেলিকম টাকা নিয়ে কী করেছে সেটা আমাদের জানা নেই। এটা তো আর গ্রামীণ ব্যাংকের আওতায় নয়। কমিশনের আসল কাজ হচ্ছে এই টাকাটা কোথায় গেল খুঁজে বের করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের কল্যাণে গ্রামীণফোন থেকে যে অর্থ পাওয়ার কথা, আজ পর্যন্ত এর একটি পয়সাও গ্রামীণ ব্যাংকে আসেনি। প্রথম ছয় বছর গ্রামীণফোনের আয়ের ৩৫ শতাংশ এবং ছয় বছর পর থেকে ৬৫ শতাংশ পাওয়ার কথা। তবে এ অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকে আসেনি।’ গ্রামীণ ব্যাংক একটি সরকারি ব্যাংক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা যদি বেসরকারি ব্যাংক হয়ে থাকে, তাহলে এর চেয়ারম্যান ও দুজন পরিচালক সরকার কীভাবে নিয়োগ দেয়? গ্রামীণ ব্যাংক স্থাপন করেছে সংসদ। স্ট্যাটিটিউটরি পাবলিক অথরিটি- যেখানে সরকার একজন চেয়ারম্যান ও দুজন পরিচালক নিয়োগ দেয়। আর যদি কোনো ব্যাংক সরকারি হয়, সেখানে কোনো বেসরকারি মালিকানা থাকে না। বেসরকারি পার্টিসিপেশন হতে পারে। আর শেয়ারহোল্ডার যেটা বলা হচ্ছে সেটা কি বিনিয়োগের শেয়ার হোল্ডার? বিনিয়োগের শেয়ার এক বিষয়, আর মালিকানা আরেক বিষয়। সরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক সরকারই। তবে সরকার ইচ্ছা করলে এটাকে বেসরকারি করতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইউনূস সাহেব উদ্যোগ নিয়েছিলেন গরিব মানুষের জন্য একটি ব্যাংকের। সরকার এখানে গরিব মানুষের সঙ্গে অংশীদার হয়েছে। ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সরকার ইউনূস সাহেবকে ব্যাংকটি চালাতে দিয়েছেন, তিনি ৩০ বছর চালিয়েছেন। এখন এটি একটি ইনস্টিটিউশনে দাঁড়িয়ে গেছে। গ্রামীণ ব্যাংক এখন ভালো চলছে।’ একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ - লাইক করুন

২৫০ বাংলাদেশীকে নাগরিকত্ব দেয়ার প্রলোভন, ২৫ লাখ পাউন্ডের দুর্নীতি, জেল

২৫০ বাংলাদেশীকে নাগরিকত্ব দেয়ার প্রলোভন, ২৫ লাখ পাউন্ডের দুর্নীতি, জেল সোমবার, ০৫ আগস্ট ২০১৩ ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ২৫০ বাংলাদেশীকে নাগরিকত্ব দেয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে একটি চক্র। ওই চক্রকে প্রায় ২০ বছরের জেল দিয়েছেন বৃটিশ একটি আদালত। এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই বাংলাদেশীদের নাগরিকত্ব দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিজনের কাছ থেকে এই গ্রুপের সদস্যরা ১০০০০ পাউন্ড করে নিয়েছে। এর বিনিময়ে তারা যুক্তরাজ্যে ৫ বছর অবস্থান করে কাজ করছেন এ মর্মে কাগজপত্র বের করে দেয়ার কথা। কথামতো প্রতি জন ১০০০০ পাউন্ড হিসেবে মোট ২৫ লাখ পাউন্ড বিনিময় করেন। কিন্তু প্রতারক চক্র এর বিনিময়ে বের করে দেয় কতগুলো ভুয়া কাগজ। এ গ্রুপের এক সদস্য চাকরি করেন যুক্তরাজ্যের প্রথম সারির ব্যাংক বারক্লে ব্যাংকে। সেখানে তিনি বাংলাদেশীদের নামে প্রতারণামূলক একাউন্ট খুলতে সক্ষম হন। সব ব্যবস্থা পাকা করে বাংলাদেশীদের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। নাগরিকত্ব পেয়ে তারা বাংলাদেশ থেকে তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যান। নাগরিকত্ব পাওয়ায় তারা সরকারের দেয়া নানা সুবিধার দাবিদার হয়ে ওঠেন। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার দাবিদার হন। অভিবাসন বিষয়ক কর্মকর্তারা বিশ্বাস করেন এই প্রতারণামূলক নাগরিকত্ব লাভ করেছেন ২৫০ জনের মতো বাংলাদেশী। কিন্তু তাদের মধ্য থেকে মাত্র ১০ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এখন এই ১০ বাংলাদেশীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হবে। শনিবার বৃটেনের ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্টের বিচারক ব্লেক প্রতারক চক্রের ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০ বছরের জেল দিয়েছেন। এ গ্রুপের মূল হোতা আতাউর রহমান তালুকদার। তিনি কোন দেশের নাগরিক তা বলা হয়নি। তবে তিনি অভিবাসন বিষয়ক আইন লঙ্ঘন করে নিজস্ব সুবিধা আদায় করেছেন বলে আদালত উল্লেখ করেছেন। তার সম্পর্কে বিচারক ব্লেক বলেছেন, তিনি এ প্রতারণার মূল হোতা। তার সঙ্গে জড়িত অন্যরা হলো হারুন মিয়া, হাবিবুর রহমান, লুৎফর রহমান ও ওয়াহিদুর রহমান। এ ঘটনা উদঘাটন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গোয়েন্দা সার্জেন্ট জেফ টেলর। তিনি বলেছেন, নাগরিকত্ব দেয়ার মাধ্যমে ওই বাংলাদেশীদের স্বর্ণের খনিতে কাজ করার লোভনীয় প্রস্তাব দেয়। নাগরিকত্ব দেয়া হলে তারা বৃটিশ হিসেবে পরিচয় দিতে পারবেন। সরকারের দেয়া যে কোন সুবিধা তারা দাবি করতে পারবেন। এমনটা ভেবে ওই বাংলাদেশীরা প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়েন। বৃটেনে জন্মগ্রহণকারী আতাউর রহমান তালুকদার ২৫০ বাংলাদেশী অভিবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ডকুমেন্ট সংগ্রহ করেন। তাকে এ অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় ২০১১ সালে। এ প্রতারণার মাধ্যমে তিনি যে ২৫ লাখ পাউন্ড সংগ্রহ করেছেন তা বিপুল পরিমাণ অর্থ। সার্জেন্ট টেলর বলেন, একজন ড্রাগ ডিলারের চেয়ে তিনি বেশি অর্থ কামিয়েছেন। তিনি এ কাজ করতে গিয়ে ২৩ বছর বয়সী হারুন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হারুণ চাকরি করতেন বারক্লে ব্যাংকে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় ওয়াহিদুর রহমান (৪৬)। তিনি ছিলেন একটি কম্পিউটার বিষয়ক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী।

শুভ জন্মদিন মিঃ প্রেসিডেন্ট

michelle-obama-birthdayওবামার জন্মদিনে প্রেমপূর্ণ বার্তা মিশেলের August 4, 1961 (age 52 years) মানবজমিন ডেস্ক: গতকাল ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার জন্মদিন। ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা তার স্বামীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি প্রেমপূর্ণ বার্তা পাঠিয়েছেন। ওবামার চুল পাকতে শুরু করেছে। এটা নিয়েও রসিকতা করেছেন তিনি। আর এজন্য মিশেল বেছে নিয়েছিলেন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট টুইটারকে। ওবামার উদ্দেশে লেখা ওই বার্তায় মিশেল লিখেছেন, শুভ জন্মদিন বারাক! তোমার চুল হালকা পেকেছে। কিন্তু আমি তোমাকে আগের যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি ভালবাসি। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এদিকে মিষ্টিমধুর এ বার্তার সঙ্গে তারিখবিহীন সাদা-কালো একটি ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। নতুন দম্পতি সোফায় বসে আরাম করছেন, এমন একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে টুইটারের ওই অ্যাকাউন্টে। বারাক ওবামা তার ৫২তম জন্মদিনটি নিরিবিলিতে উদযাপনে ক্যাম্প ডেভিডে অবস্থান করছেন। আর রোববার ছুটির দিন হওয়ায় কাজের চাপও ছিল তুলনামূলক কম। আজ ওয়াশিংটনের ফেরার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের।

যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ করবেন জয়

যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ করবেন জয় যুক্তরাষ্ট্রে ঈদ করবেন প্রধানমন্ত্রী পূত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। গতরাতে তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ফিরে গেছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানিয়েছে। রাত ১২টায় জয় তার স্ত্রী ক্রিস্টিন ওভারমায়ার ও মেয়ে সোফিয়া ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে আমেরিকার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। গত ২৬শে জুলাই দেশে আসেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ঈদের পর তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে। শনিবার জয় তার অফিসিয়াল ফেসবুকে তথ্য প্রকাশ করেন যে উইলিয়াম গোমেজ নামের এক ব্যক্তি টুইটারে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। পাঠকের মতামত **পাঠকের মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত মতামত। পাঠকের মন্তব্যের জন্য সম্পাদক দায়ী নন। শফিক ২০১৩-০৮-০৫ আসলে আমরা পাঠকগণ যত মন্তব্যই করি না কেন এটা আমাদের মনে রাখতে হবে যে,শীতের পাখিরা শীতকালেই আমাদের দেশে আসে এবং গ্রীষ্মেকাল শুরু হতেই আপন ঠিকানায় চলে যায়। বুলবুল আহমেদ ২০১৩-০৮-০৫ ঈদের মধো সবাই নারীর টানে গ্রামে বা দেশে যায়। আর জয় দেশ ছেড়ে বিদেশ যায়। কেমন তার দেশ ও মার প্রতি ভালবাসা? DIGITAL ২০১৩-০৮-০৫ বাংলাদেশের রাজনীতিতে বসন্তের কোকিল। এস,কে ২০১৩-০৮-০৫ আসলে জয় এদেশকে কেমন ভালোবাসে তা নিয়ে প্রশ্ন হতেই পারে। আর কটা দিন থেকে দেশের মানুষের সাথে ঈদ করে মায়ের হাতে রান্না খেয়ে তারপর না হয় আমেরিকা যেতে পারতো। আসলে এদেশে জয় কখনো রাজনীতি করতে স্থায়ীভাবে আসবে বলে মনে হয়না। রাজনীতিতে পাকাপোক্ত নেতা হতে হলে তাকে এদেশের মানুষের মাঝে হাজির হতে হবে। জনতার কাতারে আসতে হবে। সুদুর আমেরিকা বসে এদেশে উকিঝুকি দিয়ে রাজনীতি করলে কোন লাভ হবেনা। বরং জনগন তাতে চরমভাবে প্রত্যাক্ষান করবে। এস হোসেন ২০১৩-০৮-০৫ জয় সাহেব আপনি যদি রাজনীতিতে আসেন তাহলে আসবেন ঠিক বীড়ের বেসে যেমটি আপনার নানা শেখ মজিবুর রহমান করেছে। আপনার মধ্যে রাখবেন ওনার অভ্যাস যাতে জনগণ আপনার প্রতি আকৃষ্ট হয়। হিংসা বিদ্ধেষ রাখবেন না আপনার মাঝে। তাহলে সকলে আপনাকে ভালবাসবে। আপনি চাইবেন ইরানের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট যেভাবে দেশ চালিয়েছে ঠিক ঐভাবে দেশ চালান, এটাই আমার কামনা থাকবে। নাফি ২০১৩-০৮-০৫ কেন আমেরিকার ঈদ কি আমাদের বাংলাদেশের ঈদের আনন্দের চেয়েও বেশী? তা না হলে মা এর হাতের রান্না করা পোলাও ছেড়ে দিয়ে বার্গার খেয়ে ঈদ করতে যাওয়া কেন? নাকি এই প্রস্থানের পেছনে অন্য কোন রহস্য রয়েছে? সূত্রঃ মানব জমিন http://www.mzamin.com/details.php?nid=NjU2ODU=&ty=MA==&s=MzY=&c=MQ==

ঈদে মেহেদি রাঙা রঙিন হাত

মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত একটি দৃশ্য আজকাল ঈদের আগের দিন বেশ চোখে পড়ে। শহরের বিভিন্ন রূপচর্চাকেন্দ্র থেকে দল বেঁধে মেয়েরা হাতে মেহেদি লাগিয়ে বের হচ্ছে। ঈদের আগের দিন মেহেদি লাগানোর এই চল বহু আগে থেকেই চলছে। শুধু যে রূপচর্চাকেন্দ্রগুলোতেই মেহেদি লাগানো হয়, তা নয়। ঈদের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে মেয়েরা হাতে মেহেদি লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ছোট কি বড়-সবার মধ্যেই ঈদের আমেজ এনে দেয় মেহেদি। বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই মেহেদি কি একই রকমভাবে লাগানো হবে এবার, নাকি কোনো নতুন ট্রেন্ড এসেছে কিউবেলার রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা আরমান বলেন, এবার যেহেতু লম্বা কামিজের সঙ্গে লম্বা হাতার চল। ফলে কনুই পর্যন্ত মেহেদি না পরাই ভালো। কালো মেহেদি হাতের তালুতে না দিয়ে ওপরে দিতে পারেন। কালো মেহেদির ক্ষেত্রে জ্যামিতিক নকশা চলছে।জ্যামিতিক ছাড়াও একটু চেক ধাঁচের, কোনাকুনি নকশাও চলবে। তবে লাল মেহেদি যেকোনো নকশা করেই দিতে পারেন। মেহেদি বাই শঙ্খ-এর স্বত্বাধিকারী সায়মা ফেয়রুজ বলেন, ঈদের মেহেদি কখনোই বিয়ের কনের মেহেদির মতো করে দেওয়া ঠিক নয়। দুটিতে ভিন্নতা থাকাই তো ভালো। হাতের ওপরে খুব ঘন করে না দিয়ে হালকা করে দিতে পারেন। আর তালুতে ইচ্ছা করলে ঘন নকশা করে মেহেদি দেওয়া যেতে পারে।মেহেদির নকশায়ও ফিউশন এসেছে। ফুলেল নকশা যেমন চলছে, তেমনি ক্যালিগ্রাফি ধাঁচের নকশাও পছন্দ করছেন কেউ কেউ। এমনটাই জানা গেল সায়মা ফেয়রুজের কাছে। বাজারে নানা ধরনের মেহেদি পাওয়া যায়। দ্রুত রং পাকা হওয়ার জন্যও বিশেষ মেহেদি আছে। এসব মেহেদিতে রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া থাকে। যাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাঁরা মেহেদি ব্যবহারের আগে হাতের কোনাই একটু দিয়ে পরীক্ষা করে নেবেন। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে মেহেদি এড়িয়ে চলা ভালো।তবে ট্রেন্ড ধরেই মেহেদি দিতে হবে, তা নয়। চিরায়ত নকশা-হাতের তালুতে ছোট গোল ও আঙুলের অর্ধেক পর্যন্ত মেহেদি দিতে পারেন। কম বয়সী মেয়েরা মেহেদি দিলেও নখে উজ্জ্বল রঙের নেইলপলিশ পরলে হাত আকর্ষণীয় দেখাবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের বিভিন্ন মেহেদি পাওয়া যায়। এসব মেহেদির দাম পড়ে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত। আর একেক রূপচর্চাকেন্দ্রে একেক দামে মেহেদি পরানো হয়। সেটি নকশা ও হাতে কতটুকু দিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে। আর মেহেদি পাতা পাওয়া যায় প্রায় সব কাঁচা বাজারেই। বাজার থেকে মেহেদি পাতা কিনে এনে বেঁটেও মেহেদি পরতে পারেন। জেনে নিন টুকিটাকি ১. হাতে লোম থাকলে মেহেদি পরার আগে ওয়াক্সিং করিয়ে নিতে হবে। ২. মেহেদি লাগানোর আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। ময়েশ্চারাইজার বা লোশন জাতীয় কিছু লাগাবেন না। ৩. রোদে পড়া দাগ ত্বকে থাকলে ফেয়ার পলিশ করে নিতে হবে। ৪. মেহেদি শুকিয়ে যাওয়ার পর হালকা করে ঝরিয়ে নিন। ন্যূনতম ১২ ঘণ্টা হাতটিকে পানিমুক্ত রাখুন। অতিরিক্ত সাবান, শ্যাম্পু লাগলেও রঙের উজ্জ্বলতা কমে যেতে পারে। তাই কিছুদিন হাত দুটিকে সাবধানে রাখুন। ৫. বাটা মেহেদির সঙ্গে খয়ের দিলে রঙ আরো গাঢ় হয়। টিউব মেহেদির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিলে রঙ সুন্দর হয়। ৬. মেহেদি ওঠানোর পর হাতে তেল ঘষে নিতে পারেন। এতে দীর্ঘস্থায়ী হবে রঙ। ৭. পাশাপাশি রঙ গাঢ় করতে মেহেদি তোলার পর লেবুর রস দিন বা অল্প আঁচে আগুনের ওপর ধরুন।

ঈদের গয়নাঃ লম্বা মালা

MALA - ekush.infoউদাসীন কবির কাব্যমালায় থাকেন তিনি। নারী সাজায় তাকে আপন ভালোবাসায়। তিনি আমাদের কণ্ঠের কাজ করেন ভেতর থেকে। আর বাইরে তাকে জড়িয়ে থাকে মালার আদর। তার অন্তরঙ্গে থাকে কণ্ঠের কারুকাজ। আর বাহিরটা জুড়ে নিজেকে প্রকাশ করার ভঙ্গি। বিশেষ করে নারীর সৌন্দর্যে তার ভূমিকা কম নয়। আলংকারিক সৌন্দর্য প্রকাশে নারীর কাছে তার যেমন আছে ভাবগাম্ভির্য তেমনি আছে নিজেকে তুলে ধরার চেষ্টা। সম্ভবত সেই দৃষ্টিকোণ থেকেই অনাদি কালের সেই পাতার অলংকারে যেমন সে ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী, এই আধুনিক যুগে পশ্চিমা আর পূর্বের মিশেলে এখনো তার দাপট সমানতালে। মূলত যেকোনো মালাই তার গলে শোভা পায়। আর ভাবনার সেই দুয়ার থেকেই আমাদের কাছে তার গুরুত্ব বেড়ে গেছে আরো খানিকটা। একটা সময় ছিল যখন আঁটসাঁট গয়নাতে তার অভিরুচি প্রকাশ পেতো। যার ফলে কামিজে বড় পরিসরে ব্যাসার্ধ রাখার যেমন প্রবণতা ছিল তেমনটি ছিল ব্লাউজেও। সেই যুগের অবসান হয়েছে, আধুনিকার গলে এখন শোভা পাচ্ছে লম্বা ঝুলের মালা। একটা সময় ছিল যখন লম্বা মালার জন্য পাথরের বিকল্প কিছুই ছিল না। এখন অবশ্য আদরের সেই ঢংয়ে পুঁতির মালার পাশাপাশি পুরোনো কয়েন, তামার পাত, কড়ি কিংবা ঝিনুকও প্রাধান্য পায়। আবার পাথরের ভাঁজে ভাঁজে ঢুকে যায় রুপার নানা উপকরণ। কখনো তা বার্ন করে খানিকটা পুরোনো আদল দেয়া হয়। মালার উচ্চতা ভেদে এসব উপকরণের পাশাপাশি কাঠ বা মাটিও ব্যবহৃত হয় বৈচিত্র্য আনতে। পাহাড়ি অঞ্চলের মালাগুলোতে আবার দেখা যায় বড় বড় রঙিন পাথরের ব্যবহার। সঙ্গে থাকে হাতির দাঁত কিংবা কৃত্রিম শিং থেকে তৈরি নানা মোটিভ। দেশে যেমন এ ধরনের মালার প্রচলন বেড়েছে তেমনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তার কদর বাড়ছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে স্টাইল স্টেটমেন্টে অনেক আগেই স্থান করে নিয়েছে এই মালাটি। তাই সেসব দেশে নানা আকৃতির পাথরের পাশাপাশি ফলস সিরামিকেও এ মালার জনপ্রিয়তা রয়েছে। ২০ থেকে ৩২ ইঞ্চি লম্বার মধ্যে এ মালাগুলো গলার ব্যাপ্তিতে জড়িয়ে থাকে। কখনো কখনো তা দুই-তিন ধাপে প্যাঁচানো যেতে পারে। যার ফলে গলার একটি বড় অংশজুড়ে এই মালাটির অস্তিত্ব থাকে। Mala-2-ekush.infoশার্ট কিংবা টপসের সঙ্গে মানানসই এ মালাটি দুর্দান্ত মনে হয় ফতুয়ার সঙ্গেও। কখনো এসব মালায় অসম আকৃতির পাথর যেমন থাকে কখনো তা শুকনো ফুল আর পাথরের ফুলের কম্বিনেশনেও হয়। পাশাপাশি কানের দুল, পায়ের পায়েল, খাড়–, ব্রেস্টলেট-ও কম নয় ফ্যাশন স্টেটমেন্টে। ডিজাইনারদের কাছেও এ ধরনের গয়নার কদর কম নয়। তাই স্টাইল শপগুলোতে এ মালাগুলোর চাহিদা বাড়ছে ক্রমান্বয়ে। বুটিক হাউসগুলোতে এ ধরনের মালা পাওয়া যায় অপেক্ষাকৃত বেশি। অঞ্জন’স, প্রাইড, নগরদোলাসহ জনপ্রিয় সব বুটিক হাউসেই এই মালা যেমন আছে তেমনি ভিন্ন কিছু ডিজাইন পাওয়া যাবে আড়ং ও মায়াসীরে। আর দামের দিক থেকেও গলার এই আদরের জন্যও খুব বেশি বাড়তি পয়সা গুনতে হয় না। বরং স্টাইল স্টেটমেন্ট তৈরি করতে খুব সহজেই একটি মাধ্যম বিবেচিত হতে পারে গলার লম্বা মালা।৬০ দশকের লম্বা পুঁতির মালা নবরূপে ফিরে এসেছে ফ্যাশনের ট্রেন্ড হিসেবে। পুঁতির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে রুপা, অক্সিডাইজসহ নানা ধরনের ধাতব পদার্থ। ২৫ থেকে ৩০ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের এসব মালা ফতুয়া, স্কার্ট-টপস ও ওয়েস্টার্ন পোশাকের সঙ্গেই বেশি মানায়। আজকাল তরুণীদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়েছে এই লম্বা মালা। একসময় কেবল শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে মানিয়ে লম্বা মালা পরা হতো। তবে সময়ের পালাবদলে তরুণীরা শাড়ি, সালোয়ার-কামিজের পাশাপাশি ফতুয়া বা টপসের সঙ্গেও পরছে লম্বা মালা। লম্বা মালা হচ্ছে এমন এক অলংকার, যা কখনো পুরোনো হয় না। তা ছাড়া লম্বা মালা মানে না বয়সের হেরফের। যেকোনো বয়সের নারী তাঁর পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে লম্বা মালা পরতে পারেন। Mala 3 -ekush.infoমালা তৈরির উপাদান হাড়গোড়, মাটি, সুতা, কাঠ, পুঁতি, নানা ধাতুর চাকতি মালা তৈরির উপাদান এগুলোই। দাম কম, দেখতে বড় আর নজরকাড়া। পোশাকের সঙ্গে রং মেলানোর বালাই নেই, যেকোনো পোশাকের সঙ্গেই পরা যায় মালা। কিশোরী আর তরুণীদের কাছে এর কদর পেতে তাই দেরি হয়নি। তবে মালা তৈরির উপাদানগুলোর মধ্যে এসেছে খানিকটা পরিবর্তন। এখন লম্বা মালা তৈরির উপাদানগুলোর মধ্যে রয়েছে মাটি, ঝিনুক, কাঠ, কাপড়, পুঁতি। আবার হাতির দাঁত বা হাড়ের লম্বা মালা একটু ব্যতিক্রমী ফ্যাশনের অনুষঙ্গ। আর আভিজাত্য এবং ক্লাসিক উভয়ের মেলবন্ধন ঘটে মুক্তার মালায়। ধাতব পদার্থের মধ্যে তামা আর পিতলের সঙ্গে পুঁতির মালাও বেশ চলছে । কোন মালা কিসে মানানসই প্যান্ট ও শার্টের সঙ্গে ২২-৩০ ইঞ্চি লম্বা মালা ভালো মানায়। টপসে বা শার্টে কলার থাকলে মালাটা একধাপ পরাই ভালো। আর কলার ছাড়া হলে কয়েক লহরে পরলে বেশি মানাবে । শাড়ির সঙ্গে বড় মালা খুব মানানসই। তবে তাঁতের শাড়ির সঙ্গে লম্বা মালাটা ক্লাসিক ফ্যাশনের উদাহরণ। পোশাক যেমনই হোক লম্বা বা বড় মালার সঙ্গে একটু হালকা রঙের বড় গলার পোশাক পরাই ভালো। এতে করে মালাটা পোশাকের ওপর ফুটে ওঠে। যাঁদের উচ্চতা কম, তাঁদের ক্ষেত্রে বড় মালা খুব একটা মানাবে না। কোথায় পাবেন বিভিন্ন বুটিক বা ফ্যাশন হাউসে পাওয়া যাবে হাতে তৈরি বাহারি এবং হাল ফ্যাশনের লম্বা মালা। আবার বিভিন্ন গয়নার দোকানেও মিলবে নানা ধরনের ধাতব ও পাথরের তৈরি বড় মালা। অঞ্জনস, কে ক্র্যাফট, কুমুদিনি, রঙ, বাংলার মেলাসহ জনপ্রিয় সব বুটিক হাউজেই এই মালা পাওয়া যাবে আর ভিন্ন ধরনের ডিজাইন চাইলে আড়ং কিংবা মায়াসিরে ঘুরে আসতে পারেন। দাম পড়বে ২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। মালার সঙ্গে মেলানো কানের দুলও থাকে। বুটিক হাউজ ছাড়াও জেনেটিক প্লাজা (দ্বিতীয় তলায়), আনাম র্যাং০গস প্লাজা, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি (দ্বিতীয় তলায়), মৌচাক, আজিজ সুপার মার্কেটের আইডিয়াস, বসুন্ধরা সিটির মম, মোহাম্মদপুরের আইডিয়া ক্র্যাফটে পাবেন নানা রং ও নকশার বিভিন্ন দামের মালা। সাজসজ্জাটা যেমন বিভিন্ন আকৃতি ও উপাদানের মালা বাজারে পাওয়া যায়। ফতুয়ার সঙ্গে পরার জন্য পিতল, কাঠ, কড়ি, সুতার মালা বেশি মানানসই। শাড়ির সাথে পড়ার জন্য গলায় অক্সিডাইজ ও পিতলের মালা বেশি জনপ্রিয়। গলায় কম ঝুলের মালা পরলে মালাটা ভারী আর মোটা হলেই ভালো। আর বড় মালার ক্ষেত্রে মালাটা ছেড়ে কিংবা পেঁচিয়ে কয়েক লহরে পরা যেতে পারে। গলায় ভারী কোনো মালা পরলে কানে ছোট দুল পরুন। সঙ্গে পায়েল তো রয়েছেই। পায়ে পরার জন্য খাড়ুও এখন বেশ জনপ্রিয়। অ্যান্টিক সোনালি রঙের চলই এখন বেশি। এ ধরনের লম্বা মালা পরলে মেকআপের তেমন প্রয়োজন নেই, মালাটাই যেন নজর কাড়ে। ফলে মুখের সাজ হালকা হলেই ভালো। তবে আইশ্যাডোর ক্ষেত্রে গাঢ় নীল, সবুজ, গোলাপি ইত্যাদি রঙের আইশ্যাডো দেওয়া যেতে পারে চোখে। হলুদ, লাল, কালো, সবুজ এসব রঙের নেইলপলিশও ব্যবহার করা যায়। গলায় বড় মালার সাথে হাতের গড়ন বুঝে পরা যেতে পারে ভারী ও মোটা বালা। হাতের বালা, ব্যাঙ্গল, চুড়ি কিংবা ব্রেসলেট যা-ই পরা হোক না কেন, এখন ফ্যাশনে তা বেশ মোটা আকারের হচ্ছে। হাতে মোটা একটি ব্যাঙ্গল আর ঠোঁটে থাকবে হালকা রঙের লিপগ্লস।

দল ভাঙার আতঙ্কে বিএনপিঃ ক্ষমতাসীনরা বিএনপিতে বিভক্তি সৃষ্টির ‘ষড়যন্ত্র’ করছে

bnp Flag - ekush.infoদল ভাঙার আতঙ্কে বিএনপি সোমবার, ৫ আগস্ট ২০১৩ বিএনপির প্যারালাল একটি সংগঠন তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে সরকার : ফখরুল বিএনপি ভাঙায় যতো ষড়যন্ত্রের প্রয়োজন তা করছে বিএনএফ : এম কে আনোয়ার খোন্দকার কাওছার হোসেন : সরকারের মেয়াদ শেষে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতোই ঘনিয়ে আসছে ততোই দল ভাঙার আতঙ্কে ভুগছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক কিছু তৎপরতায়ও বিএনপিতে ভাঙনের আলামত লক্ষণীয়। আর এ ক্ষেত্রে অভিযোগের আঙুল সরকারের দিকে। ক্ষমতাসীনরা বিএনপিতে বিভক্তি সৃষ্টির ‘ষড়যন্ত্র’ করছে এমনই আশঙ্কা দলটির নেতাদের। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, দলে ভাঙন ধরানোর জন্য সরকার একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করছে। পাশাপাশি কাজে লাগাচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে। সে প্রক্রিয়ায় জড়িয়ে গেছেন বিএনপিরই এক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা। বিএনপি বিরোধী আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের জড়িত থাকার বিষয়টিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা। এ কারণে বিএনএফকে ঘিরে দল ভাঙার আশঙ্কার বিষয়টিকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। বিএনপি নেতারা বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে বিএনপির শক্ত অবস্থান ও চলমান আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সরকার বিএনপির বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র করছে। ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই বিএনপিকে বর্তমান দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে বাধ্য করতে দল ভাঙার চক্রান্ত সরকারের অন্যতম কৌশল। বিএনপিকে দুর্বল করতেই দল ভাঙার খেলায় মেতেছে সরকার। বিএনপির সিনিয়র নেতারা মনে করেন, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফোরাম বা বিএনএফ গঠন করা হয়েছে। সরকারই নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে এই ভুঁইফোড় সংগঠনটিকে নিবন্ধন দেয়ার জন্য বাছাই করেছে। বিএনপির ১৯ দফা ও লোগোকে হুবহু নকল করে ‘ধানের শীষ’ এর পরিবর্তে ‘গমের শীষ’ প্রতীক নির্ধারণ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বিএনএফও তাদের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেছে। যাতে জনগণকে বিভ্রান্তিতে ফেলা যায়। দল ভেঙে যেতে পারে এ আতঙ্ক থেকেই নতুন এ রাজনৈতিক দলটির নিবন্ধন ঠেকাতে, প্রতীক হিসেবে ‘গমের শীষ’ বরাদ্দ না দিতে, নির্বাচন কমিশনে কয়েক দফা দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছে বিএনপি নেতাদের। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ঈদের পর আরপিও অনুযায়ী বিএনপি জাতীয় কাউন্সিল করতে না পারলে এবং নতুন দল হিসেবে বিএনএফ নিবন্ধন পেলে এ ষড়যন্ত্র আরো জোরদার হবে এমনটাই মনে করছেন দলটির নেতারা। নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন কার্যকলাপের মধ্যে ষড়যন্ত্র দেখলেও বিএনএফের বিষয়টিকে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে বিএনপি। সে কারণেই এ ‘ষড়যন্ত্র’ থেকে সরে না এলে ইসির বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাওয়ার হুমকিও ইতোমধ্যেই দিয়ে রেখেছে দলটি। বিএনপি নেতারা মনে করেন, দল থেকে বহিষ্কৃত সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, বিএনপির সরকারের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও এলডিপির সাবেক মহাসচিব অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম, জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া সাবেক বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ বিএনএফ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত। নেপথ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব বহিষ্কৃত আশরাফ হোসেন। তাকে সহযোগিতা করছেন সাবেক অন্তত ৭০ জন এমপি। তবে এ প্রচারণা আশরাফ হোসেন অস্বীকার করছেন। অস্বীকার করলেও আশরাফ হোসেনকে এ সংগঠনের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে বক্তা হিসেবে উপস্থিত দেখা গেছে। অধ্যাপিকা জাহানারা বেগমের নেতৃত্বে নতুন এ দলটি ইসিতে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে ২০১২ সালের অক্টোবরে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন করে ইসিতে। এর মধ্যে বিএনএফ ও সাংস্কৃতিক জোট নামে দুটি দলকে নিবন্ধনের জন্য বাছাই করে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ওরফে ডালিম সিদ্দিকী তাদের দলের প্রতীক হিসেবে ‘গমের শীষ’ দাবি করছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে বিএনপিকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, যাচাই-বাছাই না করে কাউকে নিবন্ধন বা প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে না। যা বিএনপিকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে। তবে শুরু থেকেই বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে পারেনি বিএনপি। এ কারণে বিএনএফের নিবন্ধন ঠেকাতে বেশ কয়েকবার নির্বাচন কমিশনে আপত্তি জানিয়েছে তারা। বিএনপি নেতারা বলছেন, বিএনএফ একটি ভুঁইফোড় সংগঠন। তাই তারা নিবন্ধন পেতে পারে না। ইসিতে আপত্তি জানাতে যাওয়া দলটির নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার। এছাড়া যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমদও কয়েক দফা সংবাদ সম্মেলন করে তাদের দলীয় অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। এর বাইরে নির্বাচন কমিশন বরাবর লিখিত আপত্তিও জানিয়েছে দলটি। বিএনপি মনে করছে, আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সামনে আসতে চাচ্ছে বিএনএফ। সংস্কারবাদী অভিযোগে যেসব নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার কারা হয়েছে কিংবা কমিটিতে রাখা হয়নি; কিন্ত এলাকায় জনপ্রিয়Ñ এমন নেতাদের টার্গেট করেছে বিএনএফ। তাদের সঙ্গে যোগাযোগও রক্ষা করছেন এ সংগঠনটির ঊর্ধ্বতন নেতারা। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিতরাও বিএনএফের টার্গেট। বঞ্চিতদের মনোনয়ন দিয়ে নিজেদের দলে টেনে বিএনপির ভাঙন আরো জোরালো করতে চায় বিএনএফ। আর নির্বাচনী ব্যালটে ধানের শীষের পাশে গমের শীষ থাকলে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হবে, আর তাতে ধানের শীষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সে কারণে বিএনএফ বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের বিপরীতে গমের শীষ প্রতীক নিয়ে নিবন্ধিত হয়ে নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে। আর ধানের শীষ ও গমের শীষ দেখতে প্রায় একই ধরনের। এ কারণে গ্রামের স্বল্প শিক্ষিত, অশিক্ষিত ভোটাররা, বিশেষ করে নারী ভোটাররা ভুল করতে পারেন। তারা গমের শীষকে ধানের শীষ মনে করে ভোট দিতে পারেন। যাতে দল হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিএনপি। এতে বিএনপির নির্বাচনী ফলাফলে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। বিএনপির দাবি, ইতিপূর্বে একটি দল ‘জাহাজ’ প্রতীক চেয়ে ইসিতে আবেদন করে। কিন্তু জাহাজ দেখতে অনেকটা নৌকার মতো। যা নিয়ে আপত্তি তোলে বর্তমান সরকারি দল আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের আপত্তির কারণে সেই দলকে ‘জাহাজ’ প্রতীক বরাদ্দ দেয়নি নির্বাচন কমিশন। বিএনপিকে ভাঙার ষড়যন্ত্র চলছেÑ এই অভিযোগ করে দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার খেলায় মেতে উঠেছে। আদালতকে দিয়ে জামাতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে বিএনপির প্যারালাল একটি দল তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। নির্বাচন কমিশনকে সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, অতীতে যেমন মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দীনের আজ্ঞাবহ হিসেবে নির্বাচন কমিশন কাজ করেছে বর্তমানেও সেই ধারাবাহিকতায় গমের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে ধূম্রজাল সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার বলেন, বিএনপি ভাঙার যতো ধরনের ষড়যন্ত্রের প্রয়োজন তা করছে বিএনএফ। বিএনএফ তাদের পোস্টারে বিএনপির লোগো, জিয়াউর রহমানের ছবি ও তার ১৯ দফা ব্যবহার করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করছে। সে কারণেই আমরা আপত্তি জানিয়েছি। তিনি বলেন, এই বিএনএফ সেই বিএনএফ (জিয়া প্রতিষ্ঠিত) নয়। বিএনপিকে ভাঙার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। ১/১১ এর সময়ও ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপিকে ভাঙার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল, এবারো তারা সফল হবে না। তিনি আরো বলেন, আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। কিন্তু তারাও ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে কাজ করছে বলে মনে হয়। তিনি নির্বাচন কমিশনকে বিএনএফকে নিবন্ধন এবং প্রতীক হিসেবে গমের শীষ বরাদ্দ না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্যথায় কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করা হবে। তিনি আরো বলেন, ইসিতে রাজনৈতিক দলের জন্য ১৪০টি প্রতীক আছে। সেখানে গমের শীষ প্রতীক নেই। তাহলে কিভাবে তারা বিএনএফকে গমের শীষ প্রতীক দেয়ার চিন্তা করছে। আর এটা কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এটি একটি ভুঁইফোড় সংগঠন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেন, বিএনপিতে ভাঙন ধরাতে বিএনএফকে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিএনএফের প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, কোনো ষড়যন্ত্রই তাদের নিবন্ধন ঠেকাতে পারবে না। তিনি দাবি করেন, বিএনএফ হলো জিয়াউর রহমানের গড়া দল, যা পরবর্তীতে বিএনপিতে রূপ নেয়। কিন্তু বিএনপিতে এখন জিয়াউর রহমানের আদর্শ নেই। দলটি এখন দুর্নীতিবাজ আর সুবিধাভোগীদের দখলে। জনগণের সামনে জিয়ার আদর্শ তুলে ধরতেই বিএনএফ আবার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। তিনি জানান, বিএনপির অনেক সাবেক সংসদ সদস্য শিগগিরই বিএনএফে সম্পৃক্ত হবেন। আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে তার দল।

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব বার্বাডোজে অনন্য

Sakib - Ekush.infoসোমবার, ৫ আগস্ট ২০১৩ বার্বাডোজে অনন্য সাকিব সাকিব কেবল বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার নয়, বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের স্বপ্নদ্রষ্টাও। ক্যারিবীয়ান প্রিমিয়ার লিগে (কেপিএল) তার দল টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে। জয়টা কিন্তু সাকিব আল হাসানের জন্যই। ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগোর বিপক্ষে মাত্র ছয় রানে ছয় উইকেট নিয়ে নিজের দল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসকে বিশাল জয় পাইয়ে দিলেন বাংলাদেশী অলরাউন্ডার। এখানেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের পারফমেন্স শেষ নয়, টানা দুই ম্যাচে ম্যাচ সেরা হওয়ার কৃতিত্বও দেখালেন বাংলাদেশী এই স্পিনার। বার্বাডোজের ক্যানিংটন ওভালে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো। কিন্তু উইকেটে নামতেই ডোয়াইন ব্রাভোদের পথচলাকে দুঃস্বপ্নময় করে তোলেন সাকিব আল হাসান। সাকিব চার ওভারের জাদুকরি স্পেলে এক মেডেন নিয়ে ছয় ওভারে ছয় উইকেট তুলে নেন। তাতে বার্বাডোস ১২.৫ ওভারে মাত্র ৫২ রানে গুটিয়ে যায়। দলটির পক্ষে সর্বোচ্চ ১৩ রান করেন ডেভি জেকবস। এছাড়া রস টেইলর ১১ রান করেন। এই দুজন ছাড়া দলটির আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। কেপিএলে সাকিবের রেকর্ড ছয় রান খরচ করে ছয় উইকেট। সাকিব ছাড়াও জেসন হোল্ডার ও শ্যানন গ্যাব্রিয়েল দুটি করে উইকেট শিকার করেন। স্বাগতিকদের টার্গেট ৫৩ রান। কম রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমেও স্বাগতিক বার্বাডোজের শুরুটাও সুখকর হয়নি। উইকেট হারানোর মিছিলে কাইরন পোলার্ডের দল ৫.৫ ওভারে ৩৯ রানে ছয় উইকেট হারায় বার্বাডোজ। তবে তাতে সমস্যা হয়নি বার্বাডোজের। শেষপর্যন্ত বেশি সময় লাগেনি। পোলার্ডের বিধ্বংসী ব্যাট চার উইকেটের জয় পাইয়ে দেয় দলটিকে। আট ওভারে লক্ষ্যে পৌঁছায় বার্বাডোজ। টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে সাকিব ছয় বল খেলে এক রান করে ফিদেল এডওয়ার্ডের শিকার হন। সাকিব মাত্র একটি রান করলেও ম্যাচ সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন। কেপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচেও এক রান করেই। আগস্টের ৮ তারিখ টুর্নামেন্টের চতুর্থ লড়াইয়ে সেন্ট লুসিয়ার মুখোমুখি হবে সাকিবের দল। ইন্টারনেট।

আপিল খারিজ: জামায়াত নির্বাচনে অযোগ্য

জামায়তে ইসলাম - একুশডটইনফোসোমবার, ৫ আগস্ট ২০১৩ আপিল খারিজ: জামায়াত নির্বাচনে অযোগ্য জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে জামায়াতের করা আপিল খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। সোমবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী আপিলটি খারিজ করে দেন। আপিলটি খারিজ হয়ে যাওয়ায় নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রইল। তবে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা আপিল খারিজ হলেও হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে এখনও আপিলের সুযোগ রয়েছে জামায়াতের। রায়ের বিরুদ্ধে আপিলেও হাইকোর্টের রায় বহাল থাকলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য হবে বলে বিবেচিত হবে জামায়াতে ইসলামী। কারণ নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন ছাড়া কোনো দল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না। সোমবার আদালতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। নির্বাচন কমিশনে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল চেয়ে করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার দলটির নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। এরপর হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে আপিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের সভাপতি মাওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন ওই রিট আবেদন করার পর ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল জারি করেছিলেন।

MUTTON REZALA RECIPE

INDIAN RESTAURANT RECIPES : MUTTON REZALA RECIPE Mutton Rezala is usually served with Naan. Learn how to make/prepare Mutton Razala by following this easy recipe. Ingredients: • 1kg Mutton • 500gm Curd • 100gm Garlic Paste • 50gm Onion Paste • 50gm Ginger paste • 5-6 Red Chilis • 2 tsp White Pepper Powder • 1 drop Kewra Essence • 2 Bay Leaves (Tej Patta) • 3-4 Cinnamon Sticks (Dalchini) • 4 tbsp Oil • Salt to taste How to make Mutton Rezala: • Wash mutton thoroughly. Smear it with salt and white pepper powder all over. • Now, marinate the mutton in the mixture of curd and ginger paste. • Keep it in the refrigerator for at least 30 minutes. • Heat the oil in a heavy bottomed pan at low flame. Add bay leaves, cinnamon, red chilies, onion and garlic paste to the oil. • Sauté the ingredients and then add the marinated mutton to them. Raise the flame to high. • Stir the mutton until its water comes out. Turn the flame to low. • Cover the pan with a lid and allow it to cook for 7-8 minutes or until the mutton gets soft. • Add kewra essence, when the mutton is properly cooked. • Mutton Rezala is ready to serve. একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ - প্রবাসীনির রান্না লাইক করুন ♥ ♥ নীচে আপনার মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ

Biye Barir RoastRecipe: click on this link http://www.youtube.com/watch?v=2zuuPwy0eJE

Mutton Spicy Curry – Indian Restaurant Style

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ - লাইক করুন ♥ ♥ Spicy Mutton Curry Recipe - একুশডটইনফো

Mutton Spicy Curry - Indian Restaurant Style
Ingredients: Servings:6 300 g mutton, cleaned, chopped and fat removed 4 -5 tablespoons oil 2 medium onions, sliced 2 medium tomatoes, chopped 1/4 cup coriander leaves 1/4 teaspoon turmeric powder 1 tablespoon chili powder 1 tablespoon coriander powder 1/4 teaspoon garam masala 4 -5 green chilies, whole 1 teaspoon fresh ground black pepper 3 inches cinnamon sticks 2 cardamom 3 cloves 3 garlic, mashed 1/2 inch ginger, mashed 1 bay leaf 1 teaspoon salt 2 tablespoons yoghurt 2 tablespoons lime juice 1 large potato, deskinned & cubed 1/2 teaspoon mustard seeds 1/4 teaspoon cumin seed 1 cup water 1 hard-boiled egg (optional) Directions: 1 In a pressure cooker heat the oil on a medium flame. 2 Add the mustard and cumin seeds and heat till mustard seeds start splattering. 3 Add the onions and sauté till golden brown. 4 Add turmeric powder and sauté for another minute. 5 Add mashed ginger, garlic and green chillies and sauté for about 1 minute. 6 Add the bay leaf, cinnamon stick, cardamom and cloves and sauté for about 2 minutes. 7 Add the chopped tomatoes and sauté till the tomato smell disappears and mash the tomato with your stirring spoon. 8 Now add the potatoes and stir for 1 minute. 9 Add the chilli powder, coriander powder, pepper powder, garam masala and sauté for about 1 minute. 10 Add the potatoes and stir well for about 1 minute coating the potatoes with the mixture. 11 Add the cleaned mutton pieces and stir till mutton turns slightly pale on the outside - approximately 3 minutes. 12 Now add the yoghurt, lime juice and salt and stir well mixing all the ingredients in the cooker. Let it cook for about 2 minutes. 13 Now add the water and coriander leaves and stir well. 14 Close the lid of the pressure cooker and let it cook for about 3 whistles and then off the gas. 15 Let the pressure escape from the cooker and then open it. 16 Check if the mutton is cooked thoroughly. If not switch on the gas and let it cook on medium flame till the mutton is cooked. 17 You may add additional water if you want more gravy or if you need more water for the mutton to cook. 18 Check for the salt content and add salt if required. 19 You may chose to add one boiled add cut into two halves at the end to the curry for those who love boiled egg. 20 Garnish with coriander leaves and serve warm. source: Food Network একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ - প্রবাসীনির রান্না লাইক করুন ♥ ♥ নীচে আপনার মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ

শাহরুখ-দীপিকার চেন্নাই এক্সপ্রেস এবারের ঈদোত্সবে

শাহরুখ-দীপিকার চেন্নাই এক্সপ্রেস রেজাউল করিম খোকন বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান দর্শকদের সামনে আসছেন 'চেন্নাই এক্সপ্রেস'-এর একজন যাত্রী হয়ে। তার সঙ্গে সহযাত্রী হয়েছেন বলিউডের তরুণ প্রজন্মের ব্যস্ত জনপ্রিয় সুন্দরী অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল এবং আলোচনার শেষ নেই। ব্যাপক প্রচারণার সুবাদে মুক্তির আগেই ছবিটি সুপার-ডুপার হিট পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। অ্যাকশন-কমেডি-রোমান্সের অপূর্ব সমন্বয় এবং শাহরুখ-দীপিকা পর্দা জুটির চমত্কার রসায়ন 'চেন্নাই এক্সপ্রেস'-কে সমৃদ্ধ করেছে সন্দেহ নেই। এর আগেও রুপালি পর্দায় ঝড় তুলেছিলেন শাহরুখ-দীপিকা। দীপিকার ক্যারিয়ার শুভ সূচনা হয়েছিল শাহরুখ খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয়ের মাধ্যমেই। অনেকদিন পর আবার তারা দু'জন আসছেন একসঙ্গে। শাহরুখ-দীপিকা জুটির 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' জার্নি কেমন হবে—তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। এসব নিয়ে লিখেছেন রেজাউল করিম খোকন গত বেশ ক'বছর ধরে ঈদোত্সবগুলোতে সিনেমার পর্দায় সালমান খানের দাপটময় উপস্থিতি দর্শকদের ক্রমাগতভাবে আলোড়িত করে আসছে। ঈদোত্সব মানেই সালমান খানের ছবি—তেমন একটি ধারণার সৃষ্টি হয়েছে জনমনে। কিন্তু এবার সেই ধারায় ছেদ পড়ছে। এবারের ঈদে আসছে বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিটি। যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহলের শেষ নেই। সবাই অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন 'চেন্নাই এক্সপ্রেস'-এর জন্য। এ ছবিতে আবার অনেকদিন পর দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন কিং খান শাহরুখ। তারা দু'জন এর আগে একসঙ্গে 'ওম শান্তি ওম' ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। ফারাহ খান পরিচালিত ওই ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউডে অভিনেত্রী হিসেবে দীপিকার অভিষেক হয়েছিল। এরপর তারা দু'জন পর্দা জুটি হিসেবে আর কোনো সিনেমায় অভিনয় করেননি গত পাঁচ বছরে। মাঝখানে 'বিল্লু বারবার' ছবিতে একটি আইটেম সঙ-এ দীপিকা শাহরুখ খানের সঙ্গে পারফর্ম করেছিলেন। 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিটি প্রযোজক শাহরুখ পত্নী গৌরি খান। তার সঙ্গে আরও আছেন রনি স্ক্রুওয়ালা ও সিদ্ধার্থ রয় কাপুর (বিদ্যার বালানের স্বামী)। 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিটি পরিচালন করেছেন রোহিত শেঠি। এই তরুণবয়সী চিত্রনির্মাতা 'গোলমাল' সিক্যুয়েলের ছবি 'সিংহম', 'বোল বচ্চন'-এর মতো ব্লকবাস্টার বলিউডি সিনেমার পরিচালক হিসেবে ইতোমধ্যে নিজস্ব একটি আলাদা ব্র্যান্ড সৃষ্টি করেছেন। এখন দর্শক রোহিত শেঠির সিনেমা বলতে ধারণা করে নিতে পারেন তাতে অ্যাকশন-কমেডি-রোমান্স-ড্রামা-নাচ-গান সবকিছুই রয়েছে, যা ছোট-বড় সব বয়সী দর্শকের মনে ভরিয়ে দিতে যথেষ্ট। রোহিত শেঠির 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' তেমনি অ্যাকশন কমেডি রোমান্স ঘরানার একটি ছবি। এ ধরনের সিনেমায় বলিউড কিং শাহরুখের প্রথম অভিনয়। এখানে তাকে অনেকটা ম্যাচো ইমেজে অ্যাকশন রোলে দেখা যাবে। শাহরুখ সচরাচর রোমান্টিক কমেডি ধাঁচের সিনেমাগুলোতে অভিনয়ের সুবাদে খ্যাতি ও জনপ্রিয়তার শীর্ষ চূড়ায় পৌঁছেছেন, 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' এরচেয়ে অনেকটা ভিন্ন ট্র্যাকের সিনেমা। ননস্টপ অ্যাকশন থ্রিল সাসপেন্স ও কমেডির সঙ্গে রোমান্সের মিষ্টি আবেশ ছবিটিকে দর্শকপ্রিয় করে তুলবে সন্দেহ নেই। এ ছবির প্রধান তারকা এবং প্রযোজক হিসেবে শাহরুখ নিজেও তেমনটি প্রত্যাশা করছেন। 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিতে শাহরুখ খান আসছেন চল্লিশে পা রাখা এক টগবগে তারুণ্য দীপ্ত মানুষ রাহুলের চরিত্রে। স্মার্ট সুদর্শন, বুদ্ধিমান চৌকষ এই যুবক বুড়ো দাদুর স্নেহের ছায়ায় বড় হয়েছে। দাদুর দেখাশোনা করতে করতে বিয়ের ফুরসত হয়নি রাহুলের। এদিকে বিয়ের বয়সও পেরিয়ে গেছে। প্রিয় দাদুর মৃত্যুর পর তার অন্তিম ইচ্ছাপূরণের জন্য তার চিতাভস্ম তামিলনাড়ুর প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত তীর্থস্থান রামেশ্বরমে নিবেদনের লক্ষ্যে চেন্নাই এক্সপ্রেস ট্রেনে তামিলনাড়ুর পথে যাত্রা শুরু করে। হঠাত্ করেই চেন্নাই এক্সপ্রেস ট্রেনে রাহুলের সহযোত্রী হয় এক অনিন্দ্যসুন্দরী তামিল তরুণীরূপী দীপিকা পাড়ুকোন। ওই তরুণীর নাম মিনা। পরস্পর বিরোধ ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে শুরুতে রাহুল ও মিনার মধ্যে তর্ক-বিতর্ক-সমালোচনার ঝড় বইলেও এক সময়ে তারা দু'জন পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হয়। একসময় রাহুল জানতে পারে মিনা তামিলনাড়ুর এক প্রভাবশালী মাফিয়া ডনের কন্যা। মিনার মা নেই। বিরাট এক যৌথ পরিবারের আদুরে মেয়ে সে। এরপর একে একে ঘটতে থাকে চমকপ্রদ সব নাটকীয় ঘটনা। বিজাতীয় ভাষা ও সংস্কৃতি এবং অপরিচিত পরিবেশে রাহুল-মিনার রোমান্টিক অ্যাডেভেঞ্চার নিয়ে 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবির গল্প আবর্তিত হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রূদ্ধশ্বাসে দর্শক ছবিটি উপভোগ করবেন। রোমান্টিক হিরোর চিরন্তন ইমেজের বাইরে অনেকটা ম্যাচো টাইপের রোলে শাহরুখের আবির্ভাব দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হবে। অনেকদিন পর দীপিকাকে পর্দা জুটি হিসেবে পেয়ে শাহরুখও বেশ খুশি। আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করেছেন তার সঙ্গে। দু'জনের মধ্যেকার কেমিস্ট্রিও বেশ জমে উঠেছে। 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিটি দেখতে বসে দর্শক এটা বেশ উপলদ্ধি করবেন। দীপিকাও শাহরুখকে নায়ক হিসেবে পেয়ে উচ্ছ্বসিত। 'গত কয়েক বছরে বলিউডে থেকে যা শিখেছি ও জেনেছি তা কাজে লাগাতে চেয়েছি 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' ছবিতে, শাহরুখ খানও আমার কাজ দেখে আনন্দিত, আমি অনেকটা ডেভেলপ করেছি নিজেকে গত ক'বছরে—এটা উপলব্ধি করেছেন তিনি', দীপিকা বলেন। 'চেন্নাই এক্সপ্রেস' অতীতের ঈদের ছবির সব সাফল্যের রেকর্ড ভাঙবে—শাহরুখ খানও তেমনটি প্রত্যাশা করছেন।

MOST POPULAR

HOT NEWS

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.