‘মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিচার করতে বিশ্বনেতারা ব্যর্থ’

 মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিচার করতে বিশ্বনেতারা ব্যর্থ’

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর আগে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বসহ নিরাপত্তা এবং রাখাইনে নিরাপদে চলাচলের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির তাগিদ দিয়েছে জাতিসংঘ। এদিকে, মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে বিচারের মুখোমুখি করতে বিশ্ব নেতারা ব্যর্থ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। অন্যদিকে, জাতিগত নিধনের অভিযোগে মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন আসিয়ানের ১৩০ জন আইনপ্রণেতা। গত বছর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর সহিংসতা শুরুর পর বাংলাদেশে আসতে থাকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ সরকার এবং জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি হলেও প্রত্যাবাসন শুরুর আগে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছে জাতিসংঘ। রাখাইনে ফেরার মতো উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি বলে মনে করেন মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি। মিয়ানমারে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক নুত অস্তবি বলেন, ‘মিয়ানমারে ফেরার আগে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নাগরিকত্ব দেয়ার পাশাপাশি তারা যেন স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে সে ব্যবস্থাও করতে হবে। সবচে বড় কথা হলো তাদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ফিরিয়ে দেয়া।’ শুক্রবার(২৪ আগস্ট) এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানায়, গত বছর সুপরিকল্পিতভাবে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চালানো হয়। তাদের বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগসহ খুন, ধর্ষণ ও অমানবিক নির্যাতন তথা রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো জাতিগত নিধনের তথ্য প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। তবে বিশ্ব নেতাদের ব্যর্থতায় মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে একে লজ্জাজনক হিসেবে আখ্যা দেয় সংস্থাটি। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর নির্যাতনের জন্য মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার পাঁচ দেশের ১৩০ জনেরও বেশি আইন প্রণেতা। শুক্রবার আসিয়ান পার্লামেন্টেরিয়ান্স ফর হিউম্যান রাইটসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সংবিধিতে স্বাক্ষর না করায় সরাসরি তাদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

ট্রাম্পের সঙ্গে গৃহকর্মীর শারীরিক সম্পর্ক, জানালেন ট্রাম্প টাওয়ারের ফটকরক্ষী

নারী কেলেঙ্কারি যেন পিছুই ছাড়ছে না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। একের পর এক ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি অভিযোগ আসছে। তবে এবার ট্রাম্পের সঙ্গে এক গৃহকর্মীর শারীরিক সম্পর্কের কথা ফাঁস করলেন ট্রাম্প টাওয়ার ভবনের এক ফটকরক্ষী। ডিনো সুজাদিন নামের ওই ফটকরক্ষীর আন্তর্জাতিক পত্রিকা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে ওই গৃহকর্মীর শারীরিক সম্পর্কের ফলে একটি শিশুও ভূমিষ্ঠ হয়েছিল। এই ঘটনা প্রকাশের স্বত্ব তার কাছ থেকে আমেরিকান মিডিয়া ইনকরপোরেশন (এএমআই) কিনে নিয়েছিল। এ কারণে তিনি এটি প্রকাশ করেননি। তবে আমেরিকান মিডিয়া ইনকরপোরেশন চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করায় এখন তিনি এটি প্রকাশ করতে পারবেন। ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বরে সুজাদিনের সঙ্গে এএমআইয়ের চুক্তি হয়। এতে বলা হয়, সুজাদিনের গল্পের সম্পূর্ণ প্রকাশস্বত্ব এএমআইয়ের। তবে এতে ওই গল্পটির কোনো উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে শুধু বলা হয়েছে, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ সন্তান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করবে সূত্র’। এতে আরো বলা হয়েছে, ‘এএমআই যদি গল্পটি প্রকাশ না করে তাহলে সূত্র কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে না’। চুক্তিতে দেখা গেছে, গল্পটি প্রকাশের পর সুজাদিন ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পাবেন। তবে চুক্তিপত্রের তৃতীয় পাতায় একটি সংশোধনী দেখা গেছে। এতে বলা হয়েছে, সংশোধন হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে সুজাদিন ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পাবে।

শুধুমাত্র ঈদের ছুটিতেই ঝরলো ৫৪ প্রাণ

[caption id="attachment_21929" align="alignleft" width="615"] শুধুমাত্র ঈদের ছুটিতেই ঝরলো ৫৪ প্রাণ[/caption] কোনো কিছুতেই থামানো যাচ্ছেনা সড়কে মৃত্যু মিছিল। শুধুমাত্র ঈদের ছুটির পাঁচ দিনেই ঝরলো ৫৪ প্রাণ। যার মধ্যে আজ নাটোরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় লেগুনার শিশু ও নারীসহ নিহত হয়েছেন ১৪ জন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন। এক পথচারীকে সাইড দিতে গিয়েই এ দুর্ঘটনা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে দুর্ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে, পাবনা থেকে যাত্রী নিয়ে বগুড়া যাচ্ছিলো চ্যালেঞ্জার পরিবহনের একটি বাস। নাটোর-পাবনা মহাসড়কের লালপুর উপজেলার কদম চিলান এলাকায়, পাবনাগামী লেগুনার সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লেগুনা ও বাস সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিশু ও ৫ নারীসহ লেগুনার ১০ যাত্রী নিহত হন। দুর্ঘটনায় বাসের আট যাত্রীসহ আহত হন ১৫ জন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধারকাজ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নেয়া হলে আরো চারজনের মৃত্যু হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় ২ জনকে গুরুতর অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়। দুর্ঘটনা তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। আগামী চার কার্য দিবসের মধ্যে তাদেরকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন। https://youtu.be/-TlhOAmJ9uQ  

ফেসবুকে নেই প্রধানমন্ত্রী, শেখ রেহানা, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল

ফেসবুকে নেই প্রধানমন্ত্রী, শেখ রেহানা, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলঃ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক ও টুইটার অত্যন্ত জনপ্রিয়। অনেক দেশের প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ মানুষেরা ফেসবুক-টুইটারে তাদের মতামত প্রকাশ করেন। যেমন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথাই ধরা যাক। মন্ত্রীপরিষদে কাউকে বাতিল করলে উনি সবার প্রথমে তা টুইটারে জানান। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের ফেসবুক টুইটার নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন তাঁরা ফেসবুকে একটিভ। তবে ঘটনা সত্য নয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুক বা টুইটারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অথবা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ রেহানা বা প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা হোসেন পুতুলের কোন ব্যক্তিগত অথবা দলীয় আইডি নেই। তাদের নামে বিভিন্ন ভুয়া আইডি খুলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করে সকলকে সতর্ক করলো আওয়ামীলীগ। গত ১৮ আগস্ট দলটির দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ, (www.facebook.com/sajeeb.a.wazed) ও একটি ভেরিফাইড টুইটার আইডি (www.twitter.com/sajeebwazed) এছাড়াও আরো একজনের সোশ্যাল মিডিয়ায় আইডি রয়েছে। তিনি হলেন, বঙ্গবন্ধুর আরেক দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক। তার একটি ফেসবুক আইডি রয়েছে। (www.facebook.com/radwan.siddiq) চালু আছে। ফেসবুকের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে এরই মধ্যে সায়মা হোসেনের নামে একটি আইডি ভেরিফাই করার চেষ্টা করা হয়েছে, যা এখন ব্লক করে রেখেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা হোসেনের নামে যেসব আইডি বা পেজ আছে তাদের কোনো অনুমোদন নেই। ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধু পরিবারের কোনো সদস্য যদি কোনো আইডি বা পেজ খোলেন, তাহলে তা গণমাধ্যমে জানানো হবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

লস এঞ্জেলেসে ২য় শেখ কামাল মেমোরিয়াল ইউএসএ ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট...

Sheikh Kamal USA Western Regional Cricket Tournament (SKUWRCT) 2018

[caption id="attachment_21889" align="alignleft" width="480"]২০১৭ সালের প্রথম শেখ কামাল মেমোরিয়াল ইউএসএ ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের আয়োজকদের একাংশ। ২০১৭ সালের প্রথম শেখ কামাল মেমোরিয়াল ইউএসএ ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টের আয়োজকদের একাংশ।[/caption]

লস এঞ্জেলেসে ২য় শেখ কামাল মেমোরিয়াল ইউএসএ ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট আগামী লেবার ডে উইকেন্ডে:

শেখ কামাল ইউএসএস ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ২ য় সংস্করণ (SKUWRCT) ২০১৮ আগামী লেবার ডে উইকএন্ডে শুরু হচ্ছে। তিন দিনের টুর্নামেন্টটি পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ৩রা সেপ্টেম্বর লস এঞ্জেলেসের উডলী ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে।

চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য শুধুমাত্র একটি লিগ থেকে একটি দল অংশগ্রহণ করবে। ছয় দল ইতিমধ্যে SKUWRCT চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

সবকটি দল পাঁচটি ম্যাচ খেলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে খেলা শুরু হবে।

শীর্ষ দুটি দল সোমবার ৩রা সেপ্টেম্বর ফাইনাল খেলবে। দুপুর ২টায় ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সকল ক্রিকেটপ্রেমীদের এই আকষর্ণীয় খেলায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আয়োজকবৃন্দ।

[caption id="attachment_21892" align="alignleft" width="480"] নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে প্রথম শেখ কামাল ইউএসএস ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়নশীপ ট্রফির রেপ্লিকা তুলে দেন ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলম। সাথে প্রবাসী নেতৃবৃন্দ।[/caption]

এই শেখ কামাল ইউএসএস ওয়েস্টার্ন রিজিওনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চেয়ারম্যান হচ্ছেন বিশিষ্ট ক্রিকেটার নাজিম সিরাজী ও মূল পৃষ্ঠপোষকতায় আছেন ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলম।

[caption id="attachment_21897" align="alignleft" width="480"] টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলম। বামে টুর্নামেন্টের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ক্রিকেটার নাজিম সিরাজী।[/caption] [caption id="attachment_21920" align="alignleft" width="540"] ২য় শেখ কামাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সভায় স্থানীয় অর্গানাইজারদের সাথে ক্রিকেট কমিটির নেতৃবৃন্দ।[/caption]

Sheikh Kamal USA Western Regional Cricket Tournament (SKUWRCT) 2018 - Schedule:- by Tournament Committee on Thursday, August 23, 2018

TOURNAMENT SCHEDULE

Date GAME GROUND Time

9/1/2018 NCCA – SCCA WRIGHT 10.00 AM

9/1/2018 BACA – COLORADO SEVERN 10.00 AM

9/1/2018 UTAH – ARIZONA WONG 10.00 AM

9/1/2018 SCCA – COLORADO SEVERN 2.00 PM

9/1/2018 ARIZONA – NCCA WRIGHT 2.00 PM

9/1/2018 UTAH – BACA WONG 2.00 PM

9/2/2018 UTAH – SCCA WONG 10.00 AM

9/2/2018 ARIZONA – BACA SEVERN 10.00 AM

9/2/2018 COLORADO – NCCA WRIGHT 10.00 AM

9/2/2018 SCCA – BACA WRIGHT 2.00 PM

9/2/2018 NCCA – UTAH WONG 2.00 PM

9/2/2018 COLORADO – ARIZONA SEVERN 2.00 PM

9/3/2018 SCCA – ARIZONA WRIGHT 10.00 AM

9/3/2018 COLORADO – UTAH SEVERN 10.00 AM

9/3/2018 BACA – NCCA WONG 10.00 AM

9/3/2018 FINALS WRIGHT 2.00 PM

https://www.facebook.com/alivhi/videos/1937182232991918/

ঈদে সাড়ে ২৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য জমেছিল ঢাকায়

ঈদে সাড়ে ২৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য জমেছিল ঢাকায়ঃঃ

ফয়সাল আতিক ও তাবারুল হক রাজধানীতে এবার কোরবানির ঈদের দিন দুই সিটি করপোরেশন মিলিয়ে সাড়ে ২৩ হাজার মোট্রক টনের বেশি বর্জ্য জমেছিল জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলেছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার বেশিরভাগটাই সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ঈদের পরদিন বৃহস্পতিবার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নিয়ে আলাদা সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়ে এই তথ্য তুলে ধরেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন এবং উত্তরের প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তফা। মেয়র খোকন গতবছরের মত এবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তার এলাকার কোরবানির পশু বর্জ্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কার করে ফেলা হবে। নগর ভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, “এরই মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ অপসারিত হয়েছে।... ১৫ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারিত হয়েছে। বাকিটাও অপসারণের কাজ চলছে।” আর উত্তরের প্যানেল মেয়র মো. জামাল মোস্তফা ঢাকা উত্তরের নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা সাড়ে ৮ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করেছি।” অনেকে বৃহস্পতিবারও পশু কোরবানি দিচ্ছেন জানিয়ে মেয়র খোকন বলেন, “আজকে এবং আগামীকাল আরও কিছু বর্জ্য উৎপন্ন হবে। সেটা অপসারণ করে কম বেশি ২০ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করব। এই শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে আমাদের প্রিয় নগরবাসীর কাছে তুলে দেব।” ঢাকা সম্পূর্ণ বর্জ্যমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা মাঠে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র। দক্ষিণের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ হারুন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৫ হাজার টনের মতো বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। আমাদের ধারণা, আরও তিন হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করার প্রয়োজন হতে পারে।” এ সিটি করপোরেশনে গতবছর ১৯ হাজার দুইশ মেট্রিক টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছিল জানিয়ে হারুন বলেন, “গতবছর বৃষ্টি ছিল, এবার পরিবেশ ছিল শুষ্ক। এবার দেড়-দুই হাজার মেট্রিক টন কম হবে বলে আমরা ধারণা করছি “ উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-২ এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মাসুদুর সরকার বলেন, “বৃহস্পতিবার যেসব এলাকায় কোরবানি হচ্ছে, সেসব এলাকায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা পলিথিন ও ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করছেন। কোরবানির পর সঙ্গে সঙ্গেই ট্রাকে করে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।” রাজধানীর মহাখালীর বিভিন্ন এলাকায় এখনও সড়কে কোরবানি পশুর রক্ত আর শুকনো বর্জ্য থাকার অভিযোগের কথা জানালে মহাখালীতে স্থাপিত উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান বলেন, “কিছু কিছু ওয়ার্ডে আজকেও কোরবানি হয়েছে। রক্ত, বর্জ্য জমে থাকার অভিযোগ আমরাও শুনেছি। সড়কে ময়লা জমে থাকলে সাথে সাথেই কর্মীরা ময়লা সরিয়ে ফেলছেন।” পরিবেশ ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতি এড়াতে গত কয়েক বছরের মত এবারও রাজধানীতে পশু জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের নির্দিষ্ট কিছু স্থান ঠিক করে দিয়েছিল সরকার। ঢাকা দক্ষিণে এরকম ৬২৫টি এবং উত্তরে ৫৪৯টি স্থান ঠিক করে সেখানে কোরবানির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।  উত্তরের প্যানেল মেয়র জামাল মোস্তফা বলেন, “বিগত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানিতে জনগণের সাড়া ছিল উৎসাহব্যঞ্জক। নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।” তবে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও তাতে ‘আশাব্যঞ্জক’ সাড়া পাননি বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন দক্ষিণের মেয়র। ঈদুল আযহার দ্বিতীয় দিনে নগরীর উত্তরা, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, মালিবাগ, বাড্ডা, মহাখালী, সেগুনবাগিচা, সায়েন্স ল্যাব ও কারওয়ান বাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঈদুল আজহার রাতে যেসব গলিতে বর্জ্য জমে ছিল, তা সরিয়ে নিয়েছেন কর্মীরা। নগরীর বেশকিছু এলাকায় এদিন যারা পশু কোরবানি দিয়েছেন তারা নিজ উদ্যোগেই পশুর বর্জ্য নিকটবর্তী ডাস্টবিনে নিয়ে ফেলছেন; জীবাণুনাশক দিয়ে কোরবানির স্থানটিও পরিষ্কার করে ফেলছেন দ্রুত। কুড়িলের কাজিবাড়ী এলাকার বাসিন্দা গোলাম মুস্তফা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আত্মীয় স্বজনরা সবাই এসেছে কাল (বুধবার) রাতে। তাই দ্বিতীয় দিনে কোরবানি দিয়েছি। কোরবানির পর পশুর বর্জ্য আমরা নিজেরাই ডাস্টবিনে ফেলে এসেছি। রক্ত, বর্জ্য যা আছে, সব ডেটল দিয়ে ধুয়ে দিয়েছি।” রামপুরা বাজার এলাকার বাসিন্দা হারুনুর রশীদ বলেন, “কোথাও কোনো বর্জ্য জমিয়ে রাখছি না আমরা। কোথাও বর্জ্য দেখলেই আমরা সিটি করপোরেশনের হটলাইনে কল দিচ্ছি। তারা দ্রুত এসে ময়লা নিয়ে যাচ্ছে। অন্যবারের তুলনায় এবার সিটি করপোরেশন ভালো কাজ করছে।” কোথাও বর্জ্য জমে থাকলে সেই তথ্য জানাতে এবার হটলাইন চালু করেছে নগর কর্তৃপক্ষ। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হটলাইন নম্বর হল ০৯৬১১০০০৯৯৯। আর ঢাকা উত্তরের অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমের নম্বর ০২৯৮৩০৯৩৬। অধিকাংশ নগরবাসী কোরবানির নির্দিষ্ট স্থানে না গিয়ে বাড়ির আঙ্গিনা, পাড়া-মহল্লায় পশু কোরবানি দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করলেও তারা নিজ উদ্যোগে ময়লা সিটি করপোরেশনের কন্টেইনার, ডাস্টবিনে ফেলায় তাদের ধন্যবাদ জানান মেয়র খোকন। আর বর্জ্য অপসারণে ‘শতভাগ কৃতিত্ব’ ঢাকা উত্তরের নাগরিকদের দিয়ে প্যানেল মেয়র জামাল মোস্তফা বলেন, “এবার জনগণ দারুণভাবে এগিয়ে এসেছেন, যে কারণে নির্ধারিত সময়ের আগে আমরা বর্জ্য অপসারণ করতে পেরেছি।” সিটি করপোরশনের নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এবার কাজ করছে বেসরকারি প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডারের (পিডব্লিউসিএসপি) কর্মীরা। সংগঠনটি সভাপতি নাহিদ আকতার লাকি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমাদের সাড়ে চার হাজার কর্মী বাসা-বাড়ি থেকে ময়লা নিয়ে সিটি করপোরেশনের ছোট ছোট ভ্যানে তুলে দিচ্ছে। এখন আর কোনো বাড়িতে কোনো ধরনের কোরবানির বর্জ্য নেই। নতুন করে যেগুলো জমবে সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কর্মীরা সরিয়ে নেবে।”

যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট বাংলাদেশের জনগণকে ঈদ উল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন

যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট বাংলাদেশের জনগণকে ঈদ উল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশে সাড়ে তিন বছর দায়িত্ব পালন শেষে ফিরে যাওয়ার আগে বুধবার ঈদের সকালে মার্কিন দূতাবাসের ফেইসবুক পেইজে এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “ঘুরে ফিরে বারে বারে/ ঈদ আসে ঈদ চলে যায়; ঈদ হাসতে শেখায়/ ভালোবাসতে শেখায়। সবাইকে ঈদ মোবারক।”

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “সবাই ভালো থাকবেন। ঈদ মোবারক!”

মার্শা বার্নিকাট এই ভিডিওতে হাজির হয়েছেন বাঙালি নারীর মত শাড়ি পড়ে। তিনি কথাও বলেছেন বাংলায়।

ঈদের আগের দিন মঙ্গলবারও এক বার্তায় বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বলেন, “সবার ঈদ ভালো কাটুক, সুন্দর কাটুক। সবাইকে আগাম ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।”

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের দায়িত্ব নেন বার্নিকাট। তার উত্তরসূরি হিসেবে সম্প্রতি আর্ল রবার্ট মিলারকে মনোনীত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের অনুমোদন পেলে শিগগিরই বার্নিকাটের জায়গায় দেখা যাবে বতসোয়ানায় মার্কিন মিশনের দায়িত্বে থাকা মিলারকে।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=10156456403066897&id=826936896

জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী মাইকেল ডি কোহেন হাটে নয়, একেবারে আদালতে গিয়ে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন। আদালতে তিনি স্বীকার করলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনী প্রচার চলার সময় দুই নারীকে ট্রাম্পের নির্দেশে অর্থ দিয়েছিলেন তিনি। ট্রাম্পের সঙ্গে এসব নারীর সম্পর্ক নিয়ে যাতে তাঁরা মুখ না খোলেন, সে জন্যই দেওয়া হয় ওই অর্থ। মার্কিন দৈনিক ‘নিউইয়র্ক টাইমস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোহেন আদালতের সামনে নির্বাচনী আর্থিক আইন ভঙ্গ করার কথা স্বীকার করেন। ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে তিনি স্বীকার করেন, তিনি ওই দুই নারীকে অর্থ দিয়েছেন ‘কেন্দ্রের প্রার্থীর নির্দেশেই’। এর অর্থ হলো, তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশেই অর্থ দিয়েছিলেন। কোহেন বলেন, ‘আমি ম্যানহাটনেই ওই টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলাম। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনী ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা।’ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার নৈতিকতা ও সরকারি সংস্কারবিষয়ক পরামর্শক নরম্যান এইসেন টুইট করেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে এযাবৎকালের মধ্যে ট্রাম্প সবচেয়ে বেকায়দায় পড়েছেন। না, আসলে শুধু প্রেসিডেন্টের সময়ে নয়, বলা যায়, সমগ্র জীবনের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয়েছে তাঁর।’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থা নিছক বাড়িয়ে বলেননি এইসেন। কারণ, কোহেনের স্বীকারোক্তির খানিক আগে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারের সাবেক চেয়ারম্যান পল ম্যানফোর্টকে ব্যাংক ও কর ফাঁকির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। দুই আদালতে এভাবে ট্রাম্পের দুই আঘাত এল। কোহেন কেন অর্থ দিয়েছিলেন?  এর আগে পর্নো ছবির অভিনেত্রী স্টর্মি ড্যানিয়েল বলেছিলেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে কোহেন তাঁকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন। শর্ত ছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর যৌন সংসর্গের বিষয়ে তিনি মুখ খুলবেন না। এই নির্বাচনের দুই মাস আগে কোহেন ‘প্লেবয়’ সাময়িকীর মডেলে ক্যারেন ম্যাকডুগালকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। এর উদ্দেশ্যেও ছিল ওই মুখ বন্ধ করা। ম্যাকডুগাল স্বীকার করেছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। এই দুই দফা ধাক্কার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। শুধু দুই নারীর মুখ বন্ধ করাই নয়, কোহেন কর ফাঁকি, একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে মিথ্যা তথ্য দেওয়া, অবৈধ অনুদানসহ আট ধরনের অভিযোগ স্বীকার করেন। ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের সাবেক চেয়ারম্যান পল ম্যানাফোর্ট দোষী সাব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের সাবেক চেয়ারম্যান পল ম্যানাফোর্ট কর ফাঁকি, ব্যাংক জালিয়াতি, বিদেশি ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়াসহ আটটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ভার্জিনিয়ার একটি আদালত গতকাল মঙ্গলবার এ রায় দেন বলে বিবিসি অনলাইনের খবরে জানানো হয়। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে অন্য ১০টি অভিযোগের প্রমাণ না হওয়ায় তা খারিজ করে দেন। গতকাল চতুর্থ দিনের মতো শুনানি গ্রহণ করেন আদালত। আদালত ম্যানাফোর্টকে দোষী সাব্যস্ত করলেও দণ্ডাদেশ দেননি। খালাস করা অভিযোগগুলোর বিষয়ে নতুন করে বিচার চান কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিতে আদালত আইনজীবীদের ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। এই ঘটনাকে গত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ তদন্তে গঠিত দলের প্রথম বিচারিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও এসব অভিযোগের কোনোটির সঙ্গেই নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগের সম্পৃক্ততা নেই। এ রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ম্যানাফোর্টকে দণ্ড দেওয়ার বিষয়টি হচ্ছে ‘উইচ হান্টের’ অংশ। গতকাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় এক সভায় র‍্যালিতে অংশ নেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যা হলো, তা খুবই দুঃখজনক।’ এর সঙ্গে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই। ৬৯ বছর বয়সী ম্যানাফোর্ট ছিলেন ট্রাম্পের কাছের মানুষদের একজন। পরে দুজনের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ম্যানাফোর্টের আইনজীবী কেভিন ডাউনিং বলেন, তাঁর মক্কেল এ রায়ে হতাশ। এ রায়ের বিরুদ্ধে আইনের সীমায় থেকে যা যা করণীয়, সব করা হবে। আদালত যখন এ রায় দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে তখন ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী মাইকেল কোহেনও নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই নির্বাচনী প্রচারণায় অর্থায়নের আইন ভেঙেছেন বলে জানিয়েছেন কোহেন। ট্রাম্পের সঙ্গে থাকা সম্পর্ক গোপন রাখতে পর্নো তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে অর্থ প্রদানসংক্রান্ত অভিযোগ বিষয়ে এই স্বীকারোক্তি দেন কোহেন।

ঈদের প্রাক্কালে নওশাবার জামিন মঞ্জুর

[caption id="attachment_21848" align="alignleft" width="320"] গ্রেপ্তারের ১৬ দিনের মাথায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় অভিনেত্রী ও মডেল কাজী নওশাবা আহমেদ জামিন পেয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হয় নওশাবাকে। ছবি: প্রথম আলো[/caption] গ্রেপ্তারের ১৬ দিনের মাথায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের মামলায় অভিনেত্রী ও মডেল কাজী নওশাবা আহমেদকে জামিন দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন। আদালত সূত্র থেকে জানা গেছে, নওশাবার আইনজীবী আজ আদালতে আবারও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত কাজী নওশাবা আহমেদকে পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেন। এর আগে গতকাল সোমবার অবশ্য আদালত তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করেন। অসুস্থ নওশাবাকে গতকাল আদালতে হাজির করে পুলিশ। সরেজমিনে দেখা যায়, নওশাবা হাঁটতে পারছেন না। বসেছিলেন হুইল চেয়ারে। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে দুজন মহিলা পুলিশ তাঁকে কোলে করে গাড়িতে তোলেন। এর আগে রিমান্ড শেষে গত ১৩ আগস্ট আদালতে আনা হলে অসুস্থ হয়ে পড়েন নওশাবা। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আদালতকে পুলিশ প্রতিবেদন দিয়ে বলে, নওশাবা অসুস্থ। তিনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। তবে চিকিৎসকের সনদে দেখা যায়, নওশাবার মেরুদণ্ডজনিত সমস্যা আছে। নওশাবাকে গ্রেপ্তার করে গত ৫ আগস্ট আদালতে হাজির করে পুলিশ। সেদিন আদালত তাঁর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে আরও দুদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। মামলাটি তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। নওশাবাকে রিমান্ড নেওয়ার আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছেন যে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় ‘দুই ছাত্রের মৃত্যু এবং একজনের চোখ তুলে ফেলা’র কথা নিজের ফেসবুকে ছড়ান। এ ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত আছে, তাঁদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি। পুলিশ আদালতকে জানিয়েছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোই নওশাবার উদ্দেশ্য ছিল। ৪ আগস্ট দুপুরের দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ধানমন্ডি কার্যালয়ের কর্মীদের সংঘর্ষে জিগাতলা এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। বিকেল পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চলা সংঘর্ষে হেলমেট পরা একদল যুবককে দেখা গেছে। সংঘর্ষে শিক্ষার্থীদের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে অভিনেত্রী নওশাবা বিকেল চারটার দিকে ফেসবুক লাইভে আসেন। ১ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের লাইভ ভিডিওর শুরুতেই তিনি বলেন, ‘আমি কাজী নওশাবা আহমেদ বলছি। আপনাদের জানাতে চাই, একটু আগে জিগাতলায় আমাদের ছোট ভাইদের একজনের চোখ তুলে ফেলা হয়েছে, দুজনকে মেরে ফেলা হয়েছে।’ নিরাপদ সড়কের দাবিতে চলমান আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোই নওশাবার উদ্দেশ্য ছিল বলে জানিয়েছে র‍্যাব। র‍্যাবের ভাষ্য, নওশাবা স্বীকারোক্তিতে জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে আসার আগে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি জিগাতলা নিয়ে কথা বলার সময় উত্তরায় ছিলেন। রুদ্র নামের এক ছেলে তাঁকে লাইভ করতে বলেন। তাই তিনি উত্তরা থেকে লাইভ করেছেন। ফেসবুকে গুজব ছাড়ানোর অভিযোগে শনিবার রাতে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে নওশাবাকে আটক করে র‌্যাব। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুজব ছাড়ানোর কথা স্বীকার করেন তিনি। পরে র‌্যাব বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে এ মামলা করে নওশাবাকে থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত আইনের ব্যবহার করছে সরকার’

[caption id="attachment_21805" align="alignleft" width="350"] সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। ফাইল ছবি[/caption]

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত আইনের ব্যবহার করছে সরকারঃ

কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সরকার বিতর্কিত তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি।

রোববার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘তথ্য-প্রযুক্তি আইনটি একটি বিতর্কিত আইন। এই আইনকে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং জনগণের ওপর প্রয়োগ করছে।’ তিনি বলেন, মুসলমানরা পরিবারের সকল সদস্যের সঙ্গে ঈদুল আজহা উদযাপন করেন। অথচ ন্যায্য আন্দোলন করতে গিয়ে বহু ছাত্রছাত্রী গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে। অনেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এটা খুবই অমানবিক। তাই এসব শিক্ষার্থীদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেন, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা দেয়া হয়েছে। ভারতে আদালতে এক রিট আবেদনের মাধ্যমে এই ধরণের ধারা বাতিল করা হয়েছে। আমাদের আদালতেও এই ধারা বাতিল চেয়ে একটি রিট মামলা চলছে। অথচ তা সত্ত্বেও আইনটি অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে। অথচ আইনটি করার সময় আমাদের, আপনাদের (সাংবাদিকরা) আপত্তি ছিল। তখন বলেছিলাম, এই আইনের অপপ্রয়োগ হবে। এখন বাস্তবে ঠিক তাই হচ্ছে। অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক ছিল বলে আমরা মনে করি। সরকারও এর যৌক্তিকতা স্বীকার করেছে। যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল তারা কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়ভিত্তিক অঙ্গ সংগঠনের সদস্য ছিল না। তবু জামায়াত-বিএনপিকে জড়িয়ে এই আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সরকার নানা কৌশল অবলম্বন করেছে। নামে-বেনামে অনেক মামলা মোকদ্দমা দায়ের করেছে, আন্দোলনকারীদের গণগ্রেফতারের মূল লক্ষ্যে পরিণত করেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি, হেলমেটধারী সন্ত্রাসীরা ছাত্রছাত্রী ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেফতার করা হলেও আন্দোলনকারীদের ওপর সহিংসতা চালানোর দায়ে কারও বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরং অনলাইন জগতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্তিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কোষাধ্যক্ষ নাসরিন আক্তার, সিনিয়র সহসম্পাদক কাজী জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা ও ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান প্রমুখ।    

ধীরগতির ইন্টারনেট নিয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি

গ্রাহকরা তাদের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) প্রতিশ্রুত ব্যান্ডউইথ ও মানসম্পন্ন সেবা না পেলে গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আজ তাদের ফেসবুক পেজে এসংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, গ্রাহকরা প্রতিশ্রুত ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত হলে অনলাইনে তাদের অভিযোগ করতে পারবেন। এছাড়াও ১০০ নম্বরে কল করেও অভিযোগের কথা জানানো যাবে। বিটিআরসি বলেছে, এ সংক্রান্ত অভিযোগ তারা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন। ইন্টারনেট সেবার মান উন্নয়নে বিটিআরসি তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তৃতীয় পক্ষের বিভিন্ন সফটওয়্যার যেমন- Okla, Open signal, Speed test meter ইত্যাদি দিয়ে ইন্টারনেটের গতি পরিমাপ করা যায়। প্রতিশ্রুত গতি না পাওয়া গেলে প্রমাণসহ অভিযোগ জানাতে হবে।

বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়

বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয়: ইউএনবি, ঢাকা বিশ্বে বসবাসের সবচেয়ে অযোগ্য শহরের তালিকায় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক একমাত্র শহর যা ঢাকার নিচে স্থান পেয়েছে। অন্যদিকে ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা সবচেয়ে বাসযোগ্য শহর হিসেবে উঠে এসেছে। গত বছর এই স্থানে ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। বসবাসযোগ্যতার দিক দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শহরের একটি তালিকা তৈরি করেছে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা, অপরাধের মাত্রা, শিক্ষার সুযোগ ও স্বাস্থ্যসেবার মানের মতো বেশ কিছু সূচক বিবেচনায় নিয়ে সারা বিশ্বের ১৪০টি শহরের ভালো-মন্দ দিক বিবেচনায় নিয়ে তালিকাটি করা হয়েছে। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জরিপে এবারই প্রথম ইউরোপের কোনো শহর বাসযোগ্যতার দিক থেকে শীর্ষ স্থান পেলো। বাসযোগ্যতার দিক থেকে ভিয়েনার পরই রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন (২), জাপানের ওসাকা (৩), কানাডার ক্যালগেরি (৪), অস্ট্রেলিয়ার সিডনি (৫), কানাডার ভ্যাঙ্কুভার (৬), জাপানের টোকিও (৭), কানাডার টরন্টো (৮), ডেনমার্কের কোপেনহেগেন (৯) ও অস্ট্রেলিয়ার এডিলেড (১০)। তালিকার তলার দিক থেকে বিবেচনা করলে সিরিয়ার দামেস্কের ওপর রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা (২), নাইজেরিয়ার লাগোস (৩), পাকিস্তানের করাচি (৪) ও পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরেসবাই (৫)।

শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষকের

শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষকেরঃ কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে ও আন্দোলনের পরে গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষক। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘আমাদের সন্তানতুল্য এই শিক্ষার্থীদের প্রতি আইনের সঠিক প্রয়োগ চাই এবং অন্ততপক্ষে ঈদের আগে জামিনে তাদের মুক্তি চাই। এসব শিক্ষার্থীর বাবা-মা আত্মীয়-স্বজনের হাহাকার আমরা প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমে জানছি ও পড়ছি। এগুলো আমাদের তীব্রভাবে ব্যথিত করছে। তাই আমরা অবিলম্বে আমাদের ছাত্রদের ওপর এই অমানবিক নিপীড়নের সমাপ্তির জন্য সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আহ্বান জানাচ্ছি।’ বৃহস্পতিবার (১৬ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনকে ‘রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন’ বলে আখ্যায়িত করে তারা বলেন, ‘গত ২৯ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলনকে উপলক্ষ করে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাত্র নেতাদের ওপর নির্মম আক্রমণ চালানোর মধ্যে দিয়ে এই নিপীড়নের সূত্রপাত হয়। শুধু আক্রমণ নয়, এই আক্রমণে আহত ছাত্রদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হয়। এদেরকে গোপনে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। সরকারি হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যেতে হয়েছে। এমনকি রাষ্ট্রীয় রোষানলের হাত থেকে বাঁচার জন্য কিছু প্রাইভেট হাসপাতাল পর্যন্ত এদের চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। শিক্ষার্থীদের ওপর এধরনের রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন বাংলাদেশের ইতিহাসে অভূতপূর্ব।’ কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ভিসির বাড়িতে ভাঙচুর, আইসিটি আইন লঙ্ঘনের মামলায় গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে— তাতে তারা জড়িত কীনা সে বিষয়টি অস্পষ্ট বলে মন্তব্য করেন বিবৃতিদাতা শিক্ষকরা। বিবৃতিতে আরও বলা হয়,‘বিভিন্ন পর্যায়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ১১ জন ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে সাতজন এখনও কারাগারে। বাকিরা একরকম পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ হলো— কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন সময় ভিসির বাড়ি ভাঙচুর, আইসিটি আইন লঙ্ঘন ইত্যাদি। কিন্তু এসব অপরাধের সঙ্গে গ্রেফতার এই ছাত্ররা কীভাবে সম্পৃক্ত, সেটি একেবারেই অস্পষ্ট রয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, যে প্রক্রিয়ায় তাদের কাউকে কাউকে গ্রেফতার এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো আইনজীবী এবং মানবাধিকার কর্মীদের মতে— সুস্পষ্ট মানবধিকার লঙ্ঘন। গ্রেফতার ছাত্রদের মধ্যে আহতরা এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি এবং কেউ কেউ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনাও অনেক কম।’ কোটা সংস্কার আন্দোলনে গ্রেফতার শিক্ষার্থীদের মতো নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় গ্রেফতার ছাত্রদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশ করা হয়নি, মন্তব্য করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারা বলেন, ‘‘সংবাদপত্র থেকে বুধবার (১৫ আগস্ট) আমরা জানতে পেরেছি, ‘আন্দোলনে উসকানি’র অভিযোগে ৫১টি মামলায় ৯৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা সংবাদপত্রের চিত্রে দেখেছি— গ্রেফতার ছাত্রছাত্রীদের কোমড়ে দড়ি বেঁধে দাগী আসামিদের মতো আদালতে নিয়ে আসা হচ্ছে। এসব অত্যন্ত গর্হিত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং একটি ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করার প্রয়াস। এই ছাত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো— এরা লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল দিয়ে রাস্তার গাড়ি ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর আক্রমণ করে। কিন্তু গ্রেফতার ছাত্ররা কীভাবে এই গুরুতর অপরাধগুলোর সঙ্গে জড়িত, তার প্রমাণ এখনও নিরাপত্তা বাহিনী গণমাধ্যমকে সরবরাহ করেনি। অথচ অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি— নিরাপত্তা বাহিনীকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অপরাধী এবং অপরাধের প্রমাণ গণমাধ্যমে সম্প্রচার করতে। কিন্তু কোটা সংস্কার আন্দোলনে গ্রেফতার ছাত্রদের মতো নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সময় গ্রেফতার ছাত্রদের বিরুদ্ধেও ওই ধরনের কোনও প্রমাণ সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশিত হয়নি।’’ নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের পরিচয় প্রকাশ হলেও তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে না বলে দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষকরা। তারা বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় কিছু সংবাদকর্মী, বিশেষ করে ফটো সাংবাদিকরাও নির্মমভাবে আক্রমণের শিকার হন। এই আক্রমণকারীদের ছবি, পরিচয় জাতীয় দৈনিকগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হলেও এখনও কাউকেই আইনি প্রক্রিয়ায় আনা হয়নি। শুধু তাই নয়, কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক— এই দুই আন্দোলনেই আমরা দেখছি যে, যেসব ছাত্ররা পুলিশ এবং দুর্বৃত্তদের হাতে অত্যাচারিত,আহত নিগৃহীত হয়েছে, তাদেরকেই সম্পূর্ণ বেআইনি প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার ও নাজেহাল করা হয়েছে এবং হচ্ছে। পক্ষান্তরে, যারা এই ভয়ঙ্কর নিপীড়ন সংঘটিত করেছে, তাদের বিস্তারিত পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরেও এখনও একজনের বিরুদ্ধেও কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ ধরনের নির্লজ্জ পক্ষপাতমূলক আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং গর্হিত অপরাধ। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে এবং শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের ওপর ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত এই হামলা ও নিপীড়নে আমরা ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী শিক্ষকরা হলেন—জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদী, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক খান, হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, মনোবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আশিক মোহাম্মদ শিমুল, মো. সেলিম হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সায়মা আলম, আর রাজী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক সাদাফ নূর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুল সুমন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক গৌতম রায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গোলাম হোসেন হাবীব (জি এইচ হাবীব), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসরীন খোন্দকার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক স্বাধীন সেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো.মাইদুল ইসলাম, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুবর্ণা মজুমদার, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মাহবুবুল হক ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাহমিনা খানম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সেলিম রেজা নিউটন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মির্জা তাসলিমা সুলতানা,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আইনুন নাহার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুদীপ্ত শর্মা,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ-আল মামুন,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক খাদিজা মিতু, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বখতিয়ার আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক কাজী মারুফ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক নাসির আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আব্দুল মান্নান ও বুয়েটের ইলেক্ট্রিকাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রোনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক হাসিবুর রহমান।

নাগরিকদের বিভিন্ন অধিকারের দাবীতে আন্দোলনে অংশ নেয়া কোন অপরাধ হতে পারে...

”--নাগরিকদের বিভিন্ন অধিকারের দাবীতেআন্দোলনে অংশ নেয়া কোন অপরাধ হতে পারে না।

--আন্দোলনে সমর্থন জানানো কিংবা আরেকজনকে সমর্থনের আহবান জানানোর অধিকার প্রতিটি নাগরিকের, সমর্থনকে 'উস্কানি' বলে অপরাধীকরণের প্রচেষ্টা সমস্যাজনক।

- সরকারের বিরোধিতা করা যে কোন নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার, সরকার বিরোধিতা মানে রাষ্ট্র বিরোধিতা নয়।

--জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের সমর্থনে খাদ্য কিংবা অর্থ সহায়তা দেয়া কোন ফৌজদারি অপরাধ নয়।

--জনগণের কোন একটি অংশের আন্দোলনে কোন বৈধ রাজনৈতিক দলের কর্মী/সমর্থকদের অংশ নেয়া, সে আন্দোলন সফল করতে চাওয়া কোন অপরাধ নয়।

-আন্দোলনে অংশ নেয়া ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের সমর্থক কিনা, তার পরিবারের কেউ রাজনীতি করে কিনা ইত্যাদি তথ্য কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ হিসেবে গণ্য হতে পারে না।

--কারো বিরুদ্ধে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হবে, তথ্য প্রমাণ সহ আদালতে বিচার হবে, পক্ষে বিপক্ষে শুনানির পর যদি অপরাধ প্রমাণিত হয় তাহলে আইন অনুযায়ী তার কারাদন্ড হবে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের তথ্য প্রমাণ ছাড়া ধরে নিয়ে গিয়ে রিমান্ডের মাধ্যমে কথিত স্বীকারোক্তি আদায় কোন সভ্য দেশের আইনি প্রকৃয়া হতে পারে না।

এগুলো খুব সাধারণ গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু বাংলাদেশে আজ এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে যে এইসব খুব সাধারণ ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকারগুলোও নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করার লড়াই সংগ্রাম করতে হবে।”

অতএব নাগরিকদের ওপর এই দমনপীড়ন নির্যাতন ও মিথ্যাচার বন্ধ করুন। আন্দোলনে যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে আটক সকলকে অবিলম্বে মুক্তি দিন।

Kallol Mustafa-র সাথে সম্পূর্ণ একমত: - আনু মুহাম্মদের ফেসবুকের স্ট্যাটাস থেকেঃ ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় কিছু সংবাদকর্মী, বিশেষ করে ফটো সাংবাদিকরাও নির্মমভাবে আক্রমণের শিকার হন। এই আক্রমণকারীদের ছবি, পরিচয় জাতীয় দৈনিকগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হলেও এখনও কাউকেই আইনি প্রক্রিয়ায় আনা হয়নি। শুধু তাই নয়, কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক— এই দুই আন্দোলনেই আমরা দেখছি যে, যেসব ছাত্ররা পুলিশ এবং দুর্বৃত্তদের হাতে অত্যাচারিত,আহত নিগৃহীত হয়েছে, তাদেরকেই সম্পূর্ণ বেআইনি প্রক্রিয়ায় গ্রেফতার ও নাজেহাল করা হয়েছে এবং হচ্ছে। পক্ষান্তরে, যারা এই ভয়ঙ্কর নিপীড়ন সংঘটিত করেছে, তাদের বিস্তারিত পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পরেও এখনও একজনের বিরুদ্ধেও কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ ধরনের নির্লজ্জ পক্ষপাতমূলক আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং গর্হিত অপরাধ। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে এবং শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের ওপর ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত এই হামলা ও নিপীড়নে আমরা ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।’

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন অসম্ভব

পাঠক প্রতিক্রিয়া নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়ন অসম্ভব অনামিকা মণ্ডলঃ নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত বৃহস্পতিবার কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০ আগস্টের মধ্যে রাজধানীতে অটো সিগন্যাল ও রিমোট কনট্রোলড অটোমেটিক বৈদ্যুতিক সিগন্যালিং পদ্ধতি চালু করতে হবে। বিআরটিএ ও ঢাকা মহানগর পুলিশকে এ নির্দেশনা দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এ সময়সীমার মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি—সেই বিষয়ে প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে পাঠকের মতামত চাওয়া হয়। শতাধিক পাঠক তাঁদের সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন। প্রত্যেকেই নানা ধরনের প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি এটাও বলেছেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে জনগণের সচেতনতার বিকল্প নেই। ট্রাফিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে সবাইকে। জাকির হোসেইন লিখেছেন, ‘বিআরটিএ, ট্রাফিক পুলিশ, সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ তৎপর হলে আস্তে আস্তে ফল পাওয়া যাবে। আর কেউ যদি গাফিলতি করে, তা হলে সরকার তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করুক। কাজে অবহেলাকারী দু-এক জন চাকরি খোয়ালেই বাকিরা সতর্ক হবে বলে আমি মনে করি।’ আর এ রাসেল লিখেছেন, ‘ভিন্ন ভিন্ন বাসের জন্য ভিন্ন ভিন্ন বাস স্টপ নির্ধারণ করতে হবে। প্রত্যেক পয়েন্টে ক্যামেরা বসাতে হবে। টোল পরিশোধের জন্য সব যানবাহনে বার কোড ব্যবস্থা চালু করতে হবে, যাতে চলন্ত অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বারকোড স্ক্যান হয়ে টোল পরিশোধ হয়ে যায়। তবে সবার আগে জনগণকে সভ্য হতে হবে।’ প্রতি সিগন্যালে ক্যামেরা চান মোহাম্মদ হান্নানও। তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি সিগন্যালে সিসিটিভি ক্যামেরা রাখা যেতে পারে। যারা অমান্য করবে, ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর যারা সিগন্যাল মানবে না, সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে তাঁদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পাঁচ বছরের জন্য বাতিল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।’ মিজানুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, আলিনাসহ অনেকেই সিসিটিভি ক্যামেরার পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, ট্রাফিক ব্যবস্থা তত্ত্বাবধানের জন্য এটি খুব প্রয়োজন। মো. জুবায়ের আহমেদ মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসন থেকে ১০০ কর্মকর্তা বাছাই করতে হবে। এরপর তাঁদের নিয়ে একটি দল গঠন করতে হবে, যা মাঠপর্যায়ে কাজ করবে। তিনি লিখেছেন, নিরাপদ সড়ক তখনই নিশ্চিত করা যাবে। এইচ. এম. ইমরানের মতে, যে কোনো ট্রাফিক সিগনাল অমান্যকারীদের তাৎক্ষণিক জরিমানা করতে হবে। ব্যস্ত মোড়গুলোতে পদচারী সেতু রাখতে হবে। থাকতে হবে ইউ টার্নের আলাদা ব্যবস্থা। মুক্তাদির রহমানের অভিযোগ, বর্তমানে রাজধানী ঢাকার সবখানেই বাস থামে। তাই কোনটি বাস দাঁড়ানোর জন্য নির্ধারিত, আর কোনটি নয়—তা বোঝা কঠিন। তাঁর প্রস্তাব, সবখানের জেব্রা ক্রসিংগুলো রং করে দিতে হবে। জেব্রা ক্রসিং ছাড়া কেউ রাস্তা পারাপার করতে যাতে না পারে, সে জন্য প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। জেব্রা ক্রসিংয়ের ওপর গাড়ি রাখা যাবে না। ফারুক চৌধুরী লিখেছেন, লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতি, দালালদের দৌরাত্ম্য দূর করে বিআরটিএ-কে আরও কঠোর হতে হবে। সবার ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে পুলিশকে। সড়ক পর্যবেক্ষণের জন্য মহাসড়কগুলোতে রাডার মনিটরিং ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনা ২০ আগস্টের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না বলে মনে করেন এটিএম রুবায়েত আলী। তাঁর মতে, কাজগুলো করতে অনেকটা সময় লাগবে। রাফিয়া আক্তারও মনে করেন ২০ আগস্টের মধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সুত্রঃ প্রথম আলো

MOST POPULAR

HOT NEWS

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.