Home লাইফ স্টাইল খাবারদাবার

খাবারদাবার

রাতের খাবার দেরীতে খেয়ে যে বড় বিপদের মুখোমুখি হচ্ছেন আপনি!

রাতের খাবার দেরীতে- রাতে দেরী করে ঘুমোতে যাওয়ার অভ্যাস রয়েছে? নানা কারণেই রাতের খাবারের সময়সীমা পিছোতে থাকে? জানেন কি অজান্তেই কত বড় বিপদ ডাকছেন? গবেষণা বলছে, যাঁরা ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত দু’ঘণ্টা আগে নৈশভোজ সারেন তাঁরা ব্রেস্ট ও প্রস্টেট ক্যানসারের ছোবল থেকে নিরাপদেই থাকেন। বলা বাহুল্য, আগেভাগেই রাত নামে গ্রামাঞ্চলে। তাই বাসিন্দাদের রাতের খাবার পর্ব সম্পন্ন হয় প্রায় ন’টার মধ্যেই। তাই গ্রামবাসীর মধ্যে এখনও থাবা বসাতে পারেনি প্রস্টেট ক্যানসার ও ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো মারণ রোগ। এমনিতেই কর্কট রোগ গোটা বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের আবহ তৈরি করে রেখেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত চিকিৎসা সহায়তা দিয়েও কর্কট রোগের ছোবল থেকে রোগীকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না। রোগের শুরুতে ধরা পড়লেও চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন অনেকে। ভাগ্যবানরা লড়াই করে নতুন জীবন ফিরে পান। তবে সেই সব ভাগ্যবানদের সংখ্যাটাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তাই ক্যানসার রুখতে রোগের প্রবনতাকেই রুখে দিতে চাইছেন চিকিৎসকরা। গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী প্রতিদিন প্রস্টেট ক্যানসার ও ব্রেস্ট ক্যানসারের সংখ্যা বাড়ছে হু হু করে। এই ভয়াবহতা রুখতেই নারী ও পুরুষের উপরে একটি সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সেই সমীক্ষা রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে ৮৭২জন পুরুষের মধ্যে ৬২১ জন প্রস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত। একইভাবে ১,৩২১ জন মহিলার মধ্যে ১.২০৫ জন মহিলা ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত। আক্রান্ত পুরুষ-মহিলার দৈনন্দিন খাদ্যাভাসের মূল্যায়ন করে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বেশির ভাগের খাবার সময়ের কোনও সামঞ্জস্য নেই। নৈশভোজের সময় আসতে আসতে প্রায় মধ্যরাত হয়ে যায়। অনেকে কর্পোরেট সেক্টর ও বেসরকারি সংস্থায় কাজ করার জন্য রাতের শিফটে অফিসে থাকেন। তাঁরা সাধারণত রাত করেই খাওয়াদাওয়া সারেন। কিন্তু রাত ন’টার আগে যারা খেয়ে নেন তাঁরাই এক্ষেত্রে নিারপদ জোনে রয়েছেন। বাকিদের উপর থেকে কিন্তু কর্কট রোগের ভ্রুকুটি এখনই যাচ্ছে না। তাই রাতে যতক্ষণই কাজ করুন না কেন ন’টার আগে নৈশাভোজ সারার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ ও লক্ষণ

কোষ্ঠকাঠিন্য বর্তমান সময়ের একটি কমন রোগ। বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সঠিক চিকিৎসার অভাবে এই রোগ অনেক সময় জটিল আকার ধারণ করে। যা দীর্ঘমেয়াদী যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কি

কোষ্ঠ অর্থ হচ্ছে মলাশয়। কোষ্ঠকাঠিন্য অর্থ হচ্ছে মলাশয়ের মল ঠিকমতো পরিষ্কার না হওয়া বা মলে কাঠিন্যহেতু মলত্যাগে কষ্টবোধ হওয়া। যদি যথেষ্ট পরিমাণ আঁশ জাতীয় খাবার খাওয়ার পরও সপ্তাহে তিন বারের কম স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্ত মলত্যাগ হয়, তবে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলে। কোষ্ঠকাঠিন্য বর্তমান সময়ের একটি কমন রোগ। বহু মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। সঠিক চিকিৎসার অভাবে এই রোগ অনেক সময় জটিল আকার ধারণ করে। যা দীর্ঘমেয়াদী যন্ত্রণার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ কী

কোষ্ঠকাঠিন্য নানা কারণে হতে পারে। সুষম খাবার, আঁশজাতীয় খাবার কম খাওয়া, পানি কম পান করা, শর্করা বা আমিষ যুক্ত খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া, ফাস্টফুড, মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া, সময়মত খাবার না খাওয়া, কায়িক পরিশ্রম কম করা, দুশ্চিন্তা করা, বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিস, মস্তিষ্ক রক্তক্ষরণ বা টিউমার, থাইরয়েডের সমস্যা, অন্ত্রনালীতে ক্যান্সার, কাঁপুনিজনিত রোগ, স্নায়ু রজ্জুতে আঘাত, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ ইত্যাদি হওয়া, দীর্ঘদিন বিছানায় শুয়ে থাকা, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, ডায়রিয়া বন্ধের ওষুধ, পেট ব্যথার ওষুধ, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খাওয়া, পেপ্টিক আলসার এর ওষুধ, খিঁচুনির ওষুধ, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যালুমিনিয়াম সমৃদ্ধ ওষুধ সেবন করা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ।

কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ কি

স্বাভাবিকের চেয়ে কম সংখ্যকবার মলত্যাগ করা, ছোট, শুষ্ক, শক্ত পায়খানা হওয়া, মল ত্যাগে অত্যন্ত কষ্ট হওয়া, পায়খানা করতে অধিক সময় লাগা, পায়খানা করতে অধিক চাপের দরকার হওয়া, অধিক সময় ধরে পায়খানা করার পরও পূর্ণতার অনুভূতি না আসা, পেট ফুলে থাকা, আঙুল, সাপোজিটরি কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমের সাহায্যে পায়খানা করা, মলদ্বারের আশপাশে ও তলপেটে ব্যথার অনুভব হওয়া, মলদ্বারে চাপের অনুভূতি হওয়া কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষণ।

কোষ্ঠকাঠিন্যের বিপদ

কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা সময়মতো করা ‍উচিত। দেরি হলে মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। অর্শ বা পাইলস হওয়া, এনাল ফিশার বা মলদ্বারে আলসার হওয়া, রেকটাল প্রোলেপস বা মলদ্বার বাইরে বের হয়ে আসা, পায়খানা ধরে রাখতে না পারা, খাদ্যনালীতে প্যাঁচ লাগা, প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়া, খাদ্যনালীতে আলসার বা ঘা, এমনকি রোগীর পারফোরেশনও (ছিদ্র হওয়া) হতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের চিকিৎসা

সিরাপ লেকটুলোজ (বাজারে এভোলেক, অসমোলেক্স, টুলেক, লেকটু ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়) ২/৩ চামচ করে দিনে ৩ বার খাওয়া। এসব ওষুধ নিয়মিত খাওয়া ভালো নয়, ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে খেতে হবে ট্যবলেট. বিসাকডিল (বাজারে ডুরালেক্স, ডাল্কোলেক্স ইত্যাদি নামে পাওয়া যায়) ৫ মিঃগ্রাঃ রাতে প্রয়োজন অনুপাতে ১/২/৩ টা সেবন করা, তবে তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ সাপেক্ষে এনাল ফিশার বা মলদ্বারে আলসার থাকলে এরিয়েন মলম বা সাপোসিটরি মলদ্বার ও তার আশপাশে দিনে ২/৩ বার ব্যবহার করা। মল শক্ত হয়ে মলাশয়ে আটকে গেলে গ্লিসারিন সাপোসিটরি ১/২ টা মলদ্বারে ব্যবহার করা। ২/৩ দিন পায়খানা না হলে বা মল শক্ত হয়ে গেছে মনে হলে পায়খানা করার আগে মলদ্বারে জেসোকেইন জেলি লাগিয়ে নেওয়া, এতে রক্তপাত ও এনাল ফিশার বা মলদ্বারে আলসার এর সম্ভাবনা কমে যায়।

সহজ ৮টি উপায়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন:

দিনের পর দিন চলে যায় অথচ ঠিকমতো মলত্যাগ করতে না পারার সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। একে বলে কোষ্ঠকাঠিন্য যার সমস্যায় অনেকেরই এখন মাথা খারাপ। ধরুন আপনাকে ষ্টীলের চেয়ারে বসিয়ে যদি নিচ থেকে তাপ দেওয়া হয় তাহলে কেমন লাগবে? কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও ঠিক একই রকম কষ্ট অনুভূত হয়। এরকম শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে বিস্তারিত পড়ুন। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ৮টি উপায় লেবুর জুস: এক কাপ উষ্ণ গরম পানির সাথে একটি লেবুর রস সম্পূর্ণ মিশিয়ে পান করুন। লেবুর সাইট্রিক অ্যাসিড হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। অলিভ অয়েল: অলিভ অয়েল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে অত্যন্ত উপযোগী। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তীব্র হলে পরিষ্কার ও ভেজালমুক্ত এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল পান করে নিন। প্রয়োজনে এর সাথে এক চা চামচ লেবুর রস মিশাতে পারেন। আদা চা: মিন্ট বা আদা শরীরের হজম প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। তাই এসময় মিন্ট বা আদা চা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। খাদ্যআঁশ: যে সকল খাবারে খাদ্যআঁশ বেশি পরিমাণে থাকে সেগুলো খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এগুলো যেমন পুষ্টিকর তেমনি হজমও হয় তাড়াতাড়ি। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়ে যায়। অ্যালোভেরা: আমরা সাধারণত এটাকে ত্বকের যত্নে ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু এর উপকারিতা শুধু ত্বকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ২ টেবিল চামচ অ্যালোভেরার জেল বা এক কাপ অ্যালোভেরার রস আপনাকে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে। বেকিং সোডা: ঘরোয়া চিকিৎসার প্রাণ ধরা হয় বেকিং সোডাকে। প্রায় প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই এটা ব্যবহার করা যায়। এক্ষেত্রেও ব্যতিক্রম নয়। এক কাপের চার ভাগের এক ভাগ কুসুম গরম পানি নিয়ে তার মধ্যে এক চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করে নিন। যতো তাড়াতাড়ি পান করতে পারেন ততো ভালো। ব্যায়াম করা: দিনে অন্তত ১৫ মিনিট ব্যায়াম করলেও শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকে। ফলে খাবার হজম হওয়ার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। পানি: শরীরে স্বাভাবিক কার্যক্রম সচল রাখার জন্য পানির কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেক কমে আসে। ডা. উম্মে সালমা

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার

সারাদিনের কর্মব্যস্ত জীবন৷ অফিস হোক বা বাড়ি, এক মিনিটও ফুরসত নেই৷ তার সঙ্গে হাজারো দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে রক্তের চাপ৷ প্রতিদিনের জীবনের মুখোমুখি তো দাঁডা়তেই হবে আপনাকে, তাও আবার নিজেকে সম্পূর্ণ সুস্থ রেখে৷ আপনাদের জন্য এমন কিছু খাবারের সন্ধান যাতে রয়েছে যা আপনার উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণও করবে৷

সেই তালিকায় রয়েছে মিষ্টি আলু, অ্যাভোকাডো, বিনস, মটরশুটি, কলা৷ এমনকি মেপে কফি খেলেও তা আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে৷ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় এই নিয়ে রীতিমত গবেষণা করেছে৷ সেখানে দেখা গেছে, প্রয়োজনের বেশি সোডিয়াম শরীরের ভিতর না যাওয়াই ভালো৷ এক্ষেত্রে পটাশিয়ামযুক্ত খাবারের পরিমাণ বাড়ালে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেকটাই সহজ হবে৷

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার কিন্তু বড় বিপদের হাতছানি দেয়৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠন'র তথ্য বলছে, যেসব মানুষ স্ট্রোকের কারণে প্রাণ হারান তাদের মধ্যে ৫১ শতাংশ মৃত্যুতেই উচ্চ রক্তচাপ অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়৷ এছাড়া ৪৫ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় হার্টের কোনও সমস্যা মৃত্যুর কারণ৷

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পটাশিয়ামের ভূমিকা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ৷ কারণ পটাশিয়ামযুক্ত খাবার সরাসরি আপনার উচ্চ রক্তচাপকে মুঠোর মধ্যে রাখতে সক্ষম৷ তাই আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যত বেশি পটাশিয়ামযুক্ত খাবার রাখবেন ততই ভালো৷ কিডনিও ঠিকমতো কাজ করবে৷

তবে প্রত্যেক মানুষের শরীরের জন্য কোনওকিছুই মাত্রাতিরিক্ত ভালো নয়৷ তাই আপনাকেও খেয়াল রাখতে হবে কতটা পটাশিয়াম আপনার শরীরের জন্য যথাযথ৷ সাধারণত বলা হয় প্রাপ্তবয়ষ্করা দিনে ৪.৭ গ্রাম পটাশিয়াম অবশ্যই নিন৷

শুধুমাত্র রক্তচাপকেই নিয়ন্ত্রণ নয়, আপনার হার্টও সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে পটাশিয়ামের৷ সঙ্গে হাড়ের ক্ষমতা ও পেশির ক্ষমতাও বাড়াবে পটাশিয়াম৷ এর অভাবে ক্লান্তি, দুর্বলতা, কোষ্ঠকাঠিন্যর মত সমস্যায় ভুগতে হতে পারে৷ তাই সম্ভব হলে ব্রেকফাস্ট মেনুতে কমলালেবুর রস রাখুন৷ রোজকার খাবারের সঙ্গে নিয়ম করে মুখে তুলুন কিসমিস, আম, কমলালেবু, নাসপাতি, রাঙা আলু৷

নিয়মিত ধনে পাতা খেলে,জানেন কী হবে?

নিয়মিত ধনে পাতা খেলে,জানেন কী হবে?
ধনেপাতার ব্যবহার নানা খাবারে ৷ শুধু স্বাদে নয়, ধনে পাতার স্বাস্থ্য গুণও অনেক বেশি।প্রতিদিনের একঘেয়ে রান্নায় একটু খানি ধনে পাতা দিলে রান্নার স্বাদ-গন্ধ দু'টোই  এক নিমেষে বদলে যায় ৷
ধনেপাতার নানা ঔষধি গুণ রয়েছে, ধনেপাতার মধ্যে রয়েছে বিরল ঔষধি নানা উপাদান যা রক্ত শোধন করে। আমাদের শরীরে নিয়মিত খাদ্যভ্যাসের কারণে তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এই বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ থেকে শরীরে বহু কঠিন রোগ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
ধনে পাতার কিছু অপকারিতা রয়েছে, এক বিশেষ ধরণের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে ধনে পাতায়, যা দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বেড়ে গেলে ক্ষতি হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে ধনে পাতা। তাই যদি নিয়মিত ধনে পাতার ব্যবহার হয়ে তাহলে নিম্ন রক্তচাপের সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের রোগী হলেও ধনে পাতার নিয়মিত খাওয়া ক্ষতিকারক। সেক্ষেত্রে ইনহেলার নেওয়ার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে ৷ ধনে পাতা সঠিকমাত্রায় খেলে ত্বক সূর্যরশ্মি থেকে সুরক্ষিত থাকে। তবে একইভাবে বাকি কারণগুলির মতো অতিরিক্ত ধনে পাতা সূর্যরশ্মি থেকে ভিটামিন ডি উৎপাদন ক্ষমতা অনেকটা আটকে দেয়। যা সমস্যা সৃষ্টি করে ৷
ধনে পাতায় বিভিন্ন অ্যাসিডিক উপাদান থাকে যা অনেকক্ষেত্রে মুখে প্রদাহ তৈরি করতে পারে ৷গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ধনে পাতা খাওয়া ভাবী সন্তানের ক্ষতি করতে পারে ৷ এমনকি মাতৃত্বেও অনেক সময়ে বাধা সৃষ্টি করতে পারে ধনে পাতা খাওয়া ।

অভিজাত ক্রেতাদের জন্য আমেরিকা থেকে আনা হল কোরবানির গরু

[caption id="attachment_21833" align="alignleft" width="512"] Texan Cow টেক্সাস থেকে আমদানি করা একটি গরু। ছবি কৃতজ্ঞতা- সুমন খান[/caption]

“এই গরুগুলোকে সরাসরি আমেরিকার টেক্সাস থেকে প্লেনে করে নিয়ে আসা হয়েছে। আমদানির খরচ, প্লেনের টিকেট বাবদ এগুলোর জন্য মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।"

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিনে দিনে উন্নত হচ্ছে, সেই সাথে দেশে বাড়ছে ধনী মানুষের সংখ্যাও। কোরবানির জন্য বিদেশ থেকে গরু আমদানি করে ঈদে বিলাসিতার ছোঁয়া রাখতে চাচ্ছেন এসব অভিজাত ব্যক্তিরা। ঈদ-উল-আযহায় স্বভাবতই স্বাস্থ্যবান গরু কোরবানি দিতে চায় এদেশের মুসলিমরা। এক্ষেত্রে কে কত বড় গরু কোরবানি দিতে পারে সেই প্রতিযোগিতাও চলে। প্রতি বছরই ঈদের চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে গরু আমদানি করা হয়। মিয়ানমার, ভারত ও পাকিস্তানের মতো প্রতিবেশী দেশ থেকে ট্রলার অথবা ট্রাকে করে গরু নিয়ে আসেন আমদানিকারকরা। তবে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্মে গরু আনা হয় আমেরিকা থেকেও। আমেরিকার টেক্সাস থেকে গত দু’বছর ধরে গরু আনছে এই খামার। মোহাম্মাদপুরের বেড়িবাঁধে অবস্থিত এই খামারের মালিক হাজি ইমরান হোসেন এ বছর ঈদের জন্য টেক্সাস থেকে সাতটি গরু আমদানি করেছেন। এ প্রসঙ্গে ঢাকা ট্রিবিউনকে ইমরান বলেন, “এই গরুগুলোকে সরাসরি আমেরিকার টেক্সাস থেকে প্লেনে করে নিয়ে আসা হয়েছে। আমদানির খরচ, প্লেনের টিকেট বাবদ এগুলোর জন্য মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।" গত ১৫ অগাস্ট এই খামার প্রদর্শনকালে দেখা যায়, আমদানি করা এসব গরুর সাথে দেশীয় গরু বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। এসব গরুর শিং ছোট, আকারে অনেক দীর্ঘ এবং শরীর বেশ পেশীবহুল। খামারের ম্যানেজার সুমন বললেন, “সাতটি গরুর সবগুলোই ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাহাদুর নামের সবচেয়ে বড় গরুটি বিক্রি হয়েছে ২৮ লাখ টাকায়। বাহাদুরের ওজন ১৫’শ কেজি আর লম্বায় ১০ ফুট। ১১’শ কেজি ওজনের আরেকটি গরু বিক্রি হয়েছে ২৫ লাখ টাকায়।” তিনি বললেন, “গরুগুলো দেশীয় জাতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। প্রথম যখন এদেরকে খামারে আনা হয়, এদেরকে নিয়ন্ত্রণ করাই বেশ মুশকিল হয়ে পড়ছিল। তবে ধীরে ধীরে এরা নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়।” এসব আমদানিকৃত গরুর খাবারের চাহিদাও দেশীয় গরুর চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিদিন ৩০-৩৫ কেজি খাবার লাগে এদের প্রত্যেকটির জন্য। খামারের মালিক ইমরান জানালেন, “বাংলাদেশে কোরবানিতে এসব দামি গরুর চাহিদা প্রতি বছর বেড়েই চলছে। সেই চাহিদা মেটাতেই আমরা গরুগুলো আমদানি করি।” Sacrificial cattle imported from Texas sells for Tk2.8 croreঃঃ cows worth Tk1.30 crore brought to Bangladesh from the USA As Bangladesh’s economy continues to see a steady growth, the number of wealthy buyers have imported cattle from the US for Eid-ul-Azha this year. Every year, importers bring in cattle to meet the high demands from neighbouring countries – Myanmar, India, and Pakistan – by trawler or truck. According to Livestock Department, last year, a total of 10.4 million animals were slaughtered, which is expected to be 11.5 million this year. One of the importers, Sadeeq Agro Farm, has been importing cattle from US state of Texas for the past two years. The owner of the farm, which is located in the Mohammadpur Beribadh area of Dhaka, Haji Imran Hossain, has imported seven cattle from Texas to meet the demand for sacrificial animals for this year’s upcoming Eid. Speaking to the Dhaka Tribune, Imran said: “The cattle were flown-in directly from Texas, USA in a cargo plane. The import cost, including the airfare is about Tk1.3 crore.” Visiting the Sadeeq Agro Farm on August 15, the Dhaka Tribune notes some key differences between the local cattle and the ones from Texas. The cattle imported from Texas lack horns, but are much taller and have stockier bodies than locally-traded ones. “All seven cattle have already been sold, and the biggest cow, named Bahadur, was sold for Tk2,800,000. Bahadur weighs 1,500kg and is 10 feet tall. Another cow, weighing 1100kg, was sold at Tk2,500,000,'' the farm’s manager, Sumon, said. He added: “Imported cattle are much stronger than the native breed. When these cows were first brought to this farm, they were difficult to control and maintain. But they gradually adjusted with their new surroundings. “The imported cattle need more food compared to local ones, but the type of food remains the same. The Texan cattle usually eats 30-35kgs of feed every day.” Owner Imran said: “'In Bangladesh, demand for these expensive sacrificial cattle is increasing each year, and we import them to meet local demand.”

পেট খালি! দূরে থাকুন এই পাঁচটি খাবারের থেকে

পেট খালি! দূরে থাকুন এই পাঁচটি খাবারের থেকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সকালে উঠে খালি পেটে কী খাবেন আর কী খাবেন না সেটা অল্প বিস্তর সকলেরই জানা। কিন্তু দিনের অন্য যে সব সময় আপনার পেট খালি থাকে, সেই সময় ঠিক কোন কোন খাবার থেকে দূরে থাকবেন সেটা জানেন কী? শুনলে অবাক লাগবে, এমন অনেক খাবার আছে যা শরীরের পক্ষে ভালো হলেও খালি পেটে খেলে ক্ষতির সম্ভাবনাই বেশি। এ ধরণের পাঁচটি খাবারের ব্যাপারে জেনে নেওয়া যাক-  ১. সফট ড্রিঙ্কস : ডাক্তারেরা বলে থাকেন, সফট ড্রিঙ্কস খাওয়া কখনোই ভালো নয়। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে যা হার্টের সমস্যা বা ডায়াবেটিস বাড়ায়। কিন্তু তাও অনেকে খাওয়ার পরে ভর্তি পেটে হজমের সুবিধার জন্য কোল্ড ড্রিঙ্কস খেয়ে থাকেন। খালি পেটে এই সফট ড্রিঙ্কস খেলে পাকস্থলীর উপর বেশি চাপ পড়ে। শরীরে চিনির পরিমাণ এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যায়। তাই কোল্ড ড্রিঙ্কসের প্রতি আসক্তি কমান। খালি পেটে তো একেবারেই নয়। ২. চা ও কফি : চা বা কফি ছাড়া সকাল শুরু, তাও আবার হয় নাকি? দিনের প্রথম এনার্জি তো আসে ওই চা, কফি থেকেই। কিন্তু ডাক্তারেরা বলছেন অন্য কথা। শরীরের প্রাথমিক চার্জার হিসেবে চা, কফি কার্যকরী হলেও পেটের জন্য মোটেও তা উপকারী নয়। খালি পেটে চা বা কফি খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমনকী সারাদিনের খাওয়ার ইচ্ছাটাই চলে যায়। তাই চা, কফি খান, কিন্তু অল্প কিছু খেয়ে। ৩. কমলালেবু : শুধু কমলালেবুই নয়, যে সব খাবারে ভিটামিন সি’র পরিমাণ বেশি থাকে সেই ধরণের খাবার খালি পেটে খেলে শরীরে ভিটামিন সি’র পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে হজমে সমস্যা দেখা যায়। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার মানুষের শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। কিন্তু খালি পেটে একদম খাবেন না। ৪. টম্যাটো : টম্যাটোর পুষ্টিগুণ খুব বেশি। শরীরের পক্ষে খুব উপকারী হলেও খালি পেটে খেলে তা শরীরের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ টম্যাটোতে যে ভিটামিন সি থাকে তা খালি পেটে শরীরের ভেতরে গেলে হজমের সমস্যা দেখা যায়। সেটা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ৫. পেস্ট্রি : লোভনীয় পেস্ট্রির স্বাদ চেখে দেখার আবার সময় হয় নাকি। এই ভেবে অনেকেই সকালে ব্রেকফাস্টে পেস্ট্রি খান। কিন্তু এটা শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। কারণ পেস্ট্রিতে প্রচুর পরিমাণে ইস্ট থাকে। খালি পেটে ইস্ট গেলে গ্যাসের সমস্যা হতে পারে। তাই খালি পেটে পেস্ট্রি থেকে সাবধান। তাহলে দেখলেন তো, শরীরের পক্ষে উপকারী অনেক খাবার খালি পেটে খেলে তা হয়ে যায় ক্ষতিকারক। তাই খাবার আগে ভেবে দেখুন কী খাচ্ছেন। খেতে ভালো লাগলেই সব সময় সেটা শরীরের পক্ষে ভালো নাও হতে পারে। তাই শুধুই পুষ্টিগুণ দেখে নয়, খাবার খান সময় দেখেও। সূত্রঃ  দ্য ওয়াল

ডায়াবেটিস থাকলে বেশি করে করলা

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম, ডায়াবেটিস থাকলে বেশি করে করলা

করলা। নাম শুনলে চোখের সামনে টাটকা তাজা সবুজ সব্জির ছবি ভেসে উঠলেও মুখটা পুরো তেতো হয়ে যায়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, তেতো হলেও করলা খেতে বেশির ভাগ মানুষই পছন্দ করেন। আলুর সঙ্গে সেদ্ধ করে মাখা, করলা ভাজা, আলু-করলার চচ্চড়ি, সবই খাওয়ার পাতে বেশ লাগে। এমনকী, কড়া করে ভেজে দিলে বাচ্চারাও চটপট খেয়ে নেয়। স্বাস্থ্য সচেতন অনেকে আবার সকালে করলার রস পান করেন। মোটের উপর, উচ্ছে-করলার খাদ্যগুণ নিয়ে তো কোনও সন্দেহই নেই। এ বার চিকিৎসকরাও জানাচ্ছেন, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম এবং ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বেশি করে করলা খাওয়া উচিত। এমনিতেই আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বিভিন্ন ওষুধ তৈরিতে করলার ব্যবহার রয়েছে। এ ছাড়া আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়,  ডায়াবেটিসের রোগীরা প্রতিদিন করলা খেলে ইনসুলিন ছাড়াই রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিকঠাক থাকে। তবে শুধু আয়ুর্বেদ শাস্ত্রই নয় বৈজ্ঞানিক ভাবেও এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন চিকিৎসকরা। করলাতে থাকা ক্যারান্টিন নামের একটি উপাদানই মানব শরীরে ইনসুলিনের কাজ করে। আর এই ক্যারান্টিনই রক্তচাপের মাত্রাও ঠিক রাখে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দেহে চর্বি নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য় করে করলা। তবে একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। কোনও কিছুই মাত্রাতিরিক্ত করলে তা বিপজ্জনক হতে পারে। ডায়াবেটিসের ওষুধ যাঁরা খান, তাঁরা মাত্রাতিরিক্ত করলা খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে। হঠাৎ রক্তে শর্করার পরিমাণ বিপজ্জনক ভাবে কমে গিয়ে বিপত্তি ডেকে আনতে পারে। তাই প্রথমে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওযুধ খেয়ে তার সঙ্গে করলা খেলে পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। সূত্রঃ দি-ওয়াল

আপনি কি চিকিৎসাখাতে আপনার খরচ কমাতে চান?

ভাল পুষ্টিকর এবং স্বাস্থ সম্মত খাবার কি আপনাকে নানারকম অসুখবিসুখ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে? শুধু তাই নয়, এর ফলে কি চিকিৎসাখাতে আপনার খরচ অনেক কম হবে? সান ফ্রান্সিসকোতে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রচেষ্টায় একটি নতুন গবেষণা শুরু হবে। এইধরনের অন্যান্য গবেষণায় ইতোমধ্যে চিকিৎসা খরচে শতকরা ৫৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোগীদের 'খাদ্যের সহজ ও স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন’ই এর কারণ। আজকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পর্বে বিষয়ে VOA-এর সংবাদদাতা Arturo Martinez এর প্রতিবেদনটির বাংলা রূপান্তর পড়ে শোনাচ্ছেন জয়তী দাশগুপ্ত। [audio mp3=https://av.voanews.com/clips/VBA/2018/07/22/a7d70a01-4506-41e5-966c-1a4244609b69.mp3][/audio] সূত্রঃ ভোয়া বাংলাদেশ

আনারস খাওয়ার ৭ উপকারিতা

আনারস খাওয়ার ৭ উপকারিতা
মৌসুমী ফলের নানা গুণ। আর সেটা যদি হয় আনারস তাহলে তো কথাই নেই। অসংখ্য গুণে গুনান্বিত এই ফলে খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায় তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। এই গরমে তাই খাদ্য তালিকায় যুক্ত হোক আনারস। জেনে নিই আনারসের ৭টি উপকারিতা-
পুষ্টির অভাব দূর করে: আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে:শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। হাড় গঠনে: আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়: আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর আক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায়: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, আনারস ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ রোগটি আমাদের চোখের রেটিনা নষ্ট করে দেয় এবং আমরা ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাই। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এতে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ। হজমশক্তি বাড়ায়: আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। রক্ত জমাটে বাধা দেয়: দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।
 

ঝিঙে আলু পোস্ত

ঝিঙে আলু পোস্ত

ঝিঙে আলু পোস্ত
ওয়েব ডেস্ক: বাঙালিদের কাছে আর আলাদা করে ঝিঙে আলু পোস্তর পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কী কী লাগবে- আলু-৫ থেকে ৬টা মাঝারি সাইজের(১ ইঞ্চি কিউবে কাটা) ঝিঙে-৪টে পোস্ত-৪ টেবিল চামচ তেল-২ টেবিল চামচ মেথি-১/২ চা চামচ কাঁচা লঙ্কা-২টো(চেরা) নুন-স্বাদ মতো কীভাবে বানাবেন- পোস্ত ১ কাপ জলে ভিজিয়ে মিহি করে বেটে নিন। আলু অল্প নুন দিয়ে ৫ মিনিট ভেজে তুলে রাখুন। কড়াইতে তেল গরম করে মেথি ফোড়ন দিন। ঝিঙে দিয়ে নাড়তে থাকুন। ঝিঙে থেকে জল বেরোতে শুরু করলে ভেজে রাখা আলু দিন। পোস্টবাটা ও ১ কাপ জল দিয়ে নুন দিন। কড়াই চাপা দিয়ে আলু সেদ্ধ হয়ে জল টেনে আসা পর্যন্ত রান্না করুন। হয়ে গেলে ওপরে কাঁচালঙ্কা দিয়ে উল্টেপাল্টে নেড়ে নামিয়ে নিন।

ভিন্ন স্বাদের হরেক রকম পোলাও-বিরিয়ানী

ভিন্ন স্বাদের হরেক রকম পোলাও-বিরিয়ানী

ভিন্ন স্বাদের হরেক রকম পোলাও-বিরিয়ানীবিফ তেহারী: কোরবানির ঈদ মানেই ফ্রিজ ভরা গরুর মাংস। তাহলে তেহারী হবে না কেন? ঈদের দিন খুব কম সময়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলতে পারবেন গরুর তেহারী। প্রয়োজনীয় উপকরণ: চিনি গুঁড়া চাল ৫শ গ্রাম, গরুর মাংস দেড় কেজি, তেল ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, ঘি ১ টেবিল চামচ, টমেটো সস আধা কাপ, টক দই আধা কাপ, চিনি স্বাদমতো, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, জয়ত্রী, গোলমরিচ, জয়ফল, এলাচ, লবঙ্গ, জিরা, এলাচ, দারচিনি সব মিলিয়ে গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ২টি, পোস্তা বাটা ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ৮/৯টি। প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ছোট ছোট আকারে কেটে নিন। এরপর সব মসলা দিয়ে মাংস মেখে ১ ঘণ্টা ঢেকে রেখে দিন। তারপর ভালো করে কষিয়ে মাংস রান্না করতে হবে। অন্য একটি পাত্রে গরম তেলে চাল ভেজে পোলাও রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে আসলে মাংস ঢেলে অল্প আঁচে রান্না করতে হবে। নামানোর আগে ঘি ও কাঁচামরিচ ছিটিয়ে ঢাকনা দিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখতে হবে। ব্যস তৈরি হয়ে গেছে তেহারী। এবার সুন্দর করে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করার পালা। দই পোলাও: ঝাল গরুর মাংস বা খাসির রেজালার সঙ্গে একেবারে যুগলবন্দি এই দই পোলাও। আর তৈরি করা যায় খুব দ্রুত। এবার কোরবানির ঈদে সবার মুখে প্রশংসা পেতে বানিয়ে নিতে পারেন ভিন্ন স্বাদের এই পোলাও। প্রয়োজনীয় উপকরণ: চাল ৫শ গ্রাম, টক দই আধা কাপ, মিষ্টি দই ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, এলাচ, দারচিনি ৩টি, কিসমিস ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ৬ /৭টি, ঘি ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, পানি ১ লিটার। প্রস্তুত প্রণালী: চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। প্যানে ঘি ও সব মসলা দিয়ে চাল ভাজতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে দই দিয়ে নেড়ে পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। গরুর মাংসের ভুনা খিচুড়ি: বেশিরভাগ বাঙালীর প্রিয় খাবার গরুর মাংস ও ভুনা খিচুড়ি। ভিন্নতা আনতে সেটিও বানিয়ে নিতে পারেন ঘরেই। প্রয়োজনীয় উপকরণ: গরুর মাংস ১ কেজি, চিনি গুঁড়া চাল আধা কেজি, মুগডাল ২৫০গ্রাম, পেঁয়াজ কুচি ১কাপ, রসুন কুচি আধা কাপ, আদাবাটা ২ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ৭/৮টি, তেজপাতা ২টি, এলাচ, দারচিনি ৩টি, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, ঘি ১ টেবিল চামচ, তেল আধা কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো। প্রস্তুত প্রণালী: চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর মাংস ছোট টুকরা করে কেটে নিন। মুগ ডাল ভেজে ধুয়ে নিন। সমস্ত মসলা দিয়ে মাংস কষিয়ে রান্না করে ঝোলসহ নামিয়ে রাখুন। অন্য পাতিলে তেল গরম করে এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা, পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, ভেজে চাল ও ডাল দিয়ে ভালো করে ভাজতে হবে। ভাজা হলে পরিমাণমতো, পানি ও মাংস ঢেলে রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে পেঁয়াজ বেরেস্তা, কাঁচামরিচ, ও ঘি দিয়ে ঢেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। ব্যস তৈরি হয়ে যাবে লোভনীয় গরম গরম গরুর মাংসের ভুনা খিচুড়ি। কাশ্মীরি পোলাও: ঈদের দিন দুপুরে খুব একটা মেহমান না এলেও রাতে বাসা ভরে ওঠে মেহমানে। তাই এবার ঈদে মেহমান ও পরিবারের সদস্যদের জন্য ভিন্ন স্বাদের বাহারী কাশ্মীরি পোলাও তৈরি করুন। ঘরে বসেই পাবেন রেস্টুরেন্টের স্বাদ। সঙ্গে খাসির কোরমা থাকলে স্বাদ দ্বিগুণ হয়ে যাবে নিশ্চিত। প্রয়োজনীয় উপকরণ: বাসমতি চাল ২ কাপ, দারচিনি ২টি, জিরা আধা চা চামচ, লবঙ্গ ৩টি, তেজপাতা ১টি, দুধ ২ কাপ, ক্রিম আধা কাপ, চিনি আধা চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, ঘি ২ টেবিল চামচ, কিসমিস, কাজুবাদাম, জাফরান সামান্য, কাঠবাদাম আধাকাপ, বেরেস্তা ১ টেবিল চামচ। প্রস্তত প্রণালী: দুধ, চিনি, লবণ, ক্রিম একসঙ্গে মিশাতে হবে। চাল ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। প্যানে ঘি দিয়ে তাতে জিরা, লবঙ্গ, তেজপাতা, এলাচ, দারচিনি ভেজে চাল দিতে হবে। দুধের মিশ্রণ ও আধা কাপ পানি ২ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। চাল ১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে অর্ধসিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। ঘি ও মসলা দিয়ে পোলাও রান্না করতে হবে। একটি পাতিলে রান্না করা পোলাও দিয়ে তার ওপর দুধ, বেরেস্তা, গরম মসলা গুঁড়া, ঘি ও জাফরান দিয়ে ঢেকে দমে রাখতে হবে। মাটন কাচ্চি বিরিয়ানী: কাচ্চির নাম শুনলেই জিভে পানি চলে আসেনা এমন মানুষ খুব কমই আছে। এই কোরবানির ঈদে ঘরেই তৈরি করতে পারেন রেস্টুরেন্টের মতো সুস্বাদু কাচ্চি বিরিয়ানী। জমজমাট হয়ে উঠবে আপনার খাবার টেবিল। প্রয়োজনীয় উপকরণ: খাসির মাংস ১ কেজি, বাসমতি চাল ৫শ গ্রাম, টক দই আধা কাপ, ঘি ১ কাপ, জাফরান সামান্য, আলু বোখারা ৪টি, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চামচ, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, জয়ফল, জয়ত্রী, লবঙ্গ, শাহী জিরা গুঁড়া সব মিলিয়ে আধা চা চামচ, পোস্তা বাটা ১ টেবিল চামচ, আলু ৪টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধাকাপ, গোলাপজল ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৭/৮টি। প্রস্তুত প্রণালী: মাংস ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে ৩০ মিনিট। এরপর ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। মাংসের সঙ্গে সব মসলা মাখিয়ে ৩ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। অন্য একটি প্যানে পোলাও আধা সেদ্ধ করে রেঁধে নিতে হবে। এরপর রান্না করা মাংস, পোলাওয়ের ওপর দিয়ে দমে রাখতে হবে। এবার ঘি গরম করে ড্রাই ফ্রুটস ভেজে পোলাওয়ের ওপর দিয়ে পরিবেশন করতে হবে। কিমা মুগ পোলাও: প্রতিবছরের মতো এবার কোরবানির ঈদে সাদা পোলাও না রেঁধে নাহয় ট্রাই করুন নতুন ও ভিন্ন স্বাদের কিছু। সেক্ষেত্রে কিমা মুগ পোলাওর কোনো জুরি নেই। ভিন্ন স্বাদের মুখরোচক এই আইটেমটি আপনার পরিবারের সবাইকে সত্যিই অনেক আনন্দ দিবে। কারণ নতুন ও মজাদার কিছু কার না ভালো লাগে? প্রয়োজনীয় উপকরণ: গরুর কিমা ৪শ গ্রাম, মুগ ডাল ২৫০শ গ্রাম, চিনি গুঁড়া চাল আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুন কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, এলাচ, দারচিনি, তেজপাতা ৪টি করে, কাঁচামরিচ ৬/৭টি, গরম মসলা আধা চা চামচ, তেল ১ কাপ, টক দই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো। প্রস্তুত প্রণালী: মুগ ডাল ও চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। একটি প্যানে সব মসলা তেলে ভেজে কিমা রান্না করতে হবে। অন্য একটি পাত্রে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, চাল ও ডাল ভেজে পানি দিয়ে রান্না করতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে এর ভিতর কিমা দিয়ে নেড়ে ঢেকে রাখতে হবে। কিছুক্ষণ পর নামিয়ে পরিবেশন করুন। ঘ্রাণেই সবাই ছুটে আসবে খাবার টেবিলের কাছে।

দই ফুলকপি

দই ফুলকপি
রেসিপি দিয়েছেন- আলিয়া ওহাব ছবি : ইথিকা
যা লাগবে : ফুলকপি ১টি মাঝারি টুকরা করা, পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ, আদা বাটা ১/২ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, আস্ত কাঁচামরিচ ৮ থেকে ১০টি, পুদিনা পাতা বাটা ১ চা চামচ, টক দই ১/২ কাপ ও তেল পরিমাণমতো। যেভাবে করবেন : প্রথমে ফুলকপিগুলো হালকা করে গরম পানিতে ভাঁপিয়ে পানি ফেলে দিন। কড়াইতে তেল গরম করুন। সব বাটা মশলা এবং স্বাদ অনুযায়ী লবণ অল্প পানি দিয়ে মশলা কষিয়ে নিন। কষানো হলে টক দই এবং ফুলকপি দিয়ে অল্প নেড়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে রান্না করুন। পুদিনা পাতা বাটা এবং কাঁচামরিচ দিয়ে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

শাকসবজি খান টাটকা

টাটকা শাকসবজি খেতে যেমন দারুণ, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। শাকসবজি টাটকা রাখার কিছু উপায়- * টমেটো পলিথিন ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রাখবেন না। ব্রাউন পেপারের প্যাকেটে করে রাখুন। একই রকমভাবে মাশরুমও রাখতে পারেন * পালংশাক, লেটুস, সেলেরির মতো সালাদের সবজি পরিষ্কার করে ধুয়ে পোর্সেলিনের কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রাখুন। এটা এক সপ্তাহেরও বেশি টাটকা থাকবে। * কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে দিয়ে মরিচ ফ্রিজে রাখুন। এছাড়া কাঁচা মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে নিয়ে মাঝখান থেকে সামান্য চিরে নিন। তারপর এতে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে নিয়ে সংরক্ষণ করুন। এটা বেশি দিন থাকবে। * লেবু বেশি দিন টাটকা রাখতে চাইলে লবণের বয়ামের মধ্যে রাখুন। * পেঁয়াজ, বেগুন, স্কোয়াশের মতো ফল ফ্রিজের বাইরে রাখুন। ভালো থাকবে বেশি দিন। * আলু বেশিদিন ভালো রাখার জন্য আলুর সঙ্গে ব্যাগে ভরে একটা আপেলও রাখুন। আলু সহজে পচবে না। * লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য ধোয়ার সময় পানির মধ্যে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে নিন। * ফ্রিজে শাকসবজি এবং ফলমূল একসঙ্গে না রাখা ভালো। কারণ একইসঙ্গে শাকসবজি ও ফলমূল রাখলে ফল থেকে ইথাইলিন নামক এক ধরনের গ্যাস তৈরি হয়। ফলে শাকসবজির পুষ্টিমান আস্তে আস্তে কমতে থাকে। সেজন্য শাকসবজি আলাদা আলাদা জায়গায় রাখা উচিত। * পালংশাক, পুঁইশাক, শসা, গাজরসহ কিছু কিছু শাকসবজি দিনেরটা দিনেই খাওয়া ভালো। কারণ এগুলোর পুষ্টিমান ধীরে ধীরে কমতে থাকে। * বাজার থেকে কিনে আনা শাকসবজি হালকাভাবে ধুয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে রাখা ভালো। সাধারণ মানের শাকসবজিগুলো এমনভাবে ধুতে হবে যাতে খাদ্যের পুষ্টিমান পানির সঙ্গে ধুয়ে না যায়। আমরা তাজা শাকসবজির পুষ্টিমান থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বঞ্চিত হই কারণ শাকসবজি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজে রাখলে এর সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে আমরা বেশি পানি দিয়ে ধুয়ে শাকসবজির পুষ্টিমান নষ্ট করে ফেলি। * যে কোনো শাকসবজি দুই দিনের বেশি ফ্রিজে না রাখা উচিত। সেজন্য শাকসবজির পুষ্টিমান সঠিকভাবে পেতে হলে প্রতিদিনের বাজার প্রতিদিন করা উচিত। * শপিংমল কিংবা বাজারে অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে শাকসবজি অধিক পাওয়ারের লাইটের নিচে থাকে। এতে করে শাকসবজিগুলো অত্যধিক তাপমাত্রায় বর্ণহীন হয়ে যায় এবং এগুলোর পুষ্টিমানও কমে যায়। সুতরাং কেনাকাটায় এগুলো পরিহার করা উচিত। * শপিংমল কিংবা বাজারে কেনাকাটার সময় একই ব্যাগে সব ধরনের শাকসবজি প্রায়ই আমরা কিনে থাকি। বাজার করে আসার পর সব ধরনের ফলমূল, শাকসবজি আলাদা আলাদা করে রাখা উচিত। যাতে একটির কারণে আরেকটি নষ্ট না হয়। * পলিথিনের ব্যাগে বাজার না করা ভালো। কাপড় কিংবা পাটের ব্যাগে বাজার করা উচিত। * মারুফা আকতার অাঁখি
 

ঈদে ইচ্ছেমত গরুর মাংস খেয়েও সুস্থ থাকার ৫টি অসাধারণ কৌশল

ঈদে ইচ্ছেমত গরুর মাংস খেয়েও সুস্থ থাকার ৫টি অসাধারণ কৌশল

Submitted by Deya
(প্রিয়.কম)- কোরবানির ঈদ এলে আমরা ধরেই নেই আমরা ইচ্ছেমত গরু-খাসির মাংস খাবো এবং স্বাস্থ্যের বারোটা বেজে যাবে। আপনি কী জানেন, গরুর মাংস খেয়েও দিব্যি সুস্থ থাকা যায়? সুস্থ থাকার জন্য আপনাকে অনুসরণ করতে হবে ছোট্ট কিছু কৌশল।

১) চর্বি ফেলে দিয়ে মাংস খান

কসাই এর কাছে থেকে মাংস আসার পর দেখা যায় মাংসে প্রচুর চর্বি থাকে। ওজন বাড়া এবং বিভিন্ন রোগ বেড়ে যাবার জন্য কিন্তু এই চর্বিই দায়ী। এসব কারণে মাংস থেকে কেটে ফেলে দিন যতটা সম্ভব। অনেকেই চর্বিযুক্ত মাংস পছন্দ করেন কিন্তু স্বাস্থ্যের প্রতি মায়া থাকলে এই চর্বিটুকু বাদ দেওয়াই আপনার জন্য ভালো।

২) অতিরিক্ত তেল-চর্বি দিয়ে রান্না করবেন না

মাংস রান্নার সময়ে অতিরিক্ত চর্বি তো বা দেবেনই, সাথে অতিরিক্ত তেল-চর্বি না দিয়েই রান্না করার চেষ্টা করুন। চর্বি ফেলে দেবার পরেও মাংসের ভেতরে যতটা চর্বি থাকে তা রান্নার জন্য যথেষ্ট। এতে আরও চর্বি বা তেল যোগ করলে রান্না হয়তো মজা হবে কিন্তু স্বাস্থ্যের হবে ক্ষতি।

৩) বেশি করে সবজি খান মাংসের সাথে

কোরবানি এলেই যে সবজি খাওয়া বাদ দিতে হবে তা কিন্তু নয়। বরং সুষম খাদ্যভ্যাস বজায় রাখার জন্য অনেকটা করে সবজি খাবেন প্রতিটি বার মাংস খাওয়ার সময়ে। খেতে পারেন সালাদ অথবা সবজির তরকারি। মাংসের সাথেও সবজি দিয়েই রান্না করতে পারেন।

৪) কিমা থেকে ঝরিয়ে ফেলুন চর্বি

মাংসের টুকরো থেকে চর্বি কেটে সরিয়ে ফেলা যতো সহজ, কিমা থেকে চর্বি কমানো তত সহজ না বলে মনে করেন অনেকে। আসলে কিন্তু তা নয়। বেশ কয়েকটি উপায়ে কিমা থেকে চর্বি সরিয়ে ফেলতে পারেন। কড়াইতে কিমা একটু ভেজে নিন, এতে চর্বিটা গলে বের হয়ে আসবে। এই চর্বিটুকু কড়াই কাত করে ফেলে দিন। এছাড়াও ঝাঁঝরি চামচে করে মাংস তুলে নিতে পারেন এতে চর্বিটা আলাদা হয়ে যাবে। মাংসটুকু তুলে পেপার টাওয়েল দিয়ে শুষে নিতে পারেন চর্বিটুকু। এছাড়াও গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। একটি ঝাঁঝরি বোলে নিন মাংসের কিমাটুকু। এরপর প্রায় ফুটন্ত গরম পানি ঢালতে থাকুন এর ওপরে। পানির সাথে চর্বিটুকু গলে চলে যাবে। পানি ঢেলে দেবার পর পাঁচ মিনিট ধরে পানিটা ঝরিয়ে নিন।

৫) অতিরিক্ত খাবেন না

দৈনিক কিছু পরিমাণ প্রোটিন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্যই জরুরী। কিন্তু অতিরিক্তও খাওয়া যাবে না। অনেকে মনে করেন কোরবানির সময়টাতেই বেশি করে খেয়ে নেবেন। কিন্তু তা না করাই ভালো। দৈনিক ৯০ গ্রামের বেশি মাংস না খাওয়ার চেষ্টা করুন। তথ্য সুত্র: Meat in your diet, NHS Choices 3 Tips to Eating Beef and Staying Healthy, Reader’s Digest Ways to Remove Fat From Cooked Ground Beef, sfgate.com ফটো ক্রেডিট: curryrecipeinurdu.blogspot.com

বেগুনে বেশি গুণ

বেগুনে বেশি গুণ

সিদ্ধার্থ মজুমদার
বেগুনকমবেশি বারো মাসই বাজারে থাকে বেগুন। তবে বেগুন যখন বেগুনি হয়ে ইফতারে শামিল হয়, তখন তার কদর যেমন বাড়ে, দামও তেমন বাড়ে। তবে শুধু বেগুনি কেন? ভর্তা, ভাজি, ঝোলেও বেগুন জনপ্রিয়। শুধু স্বাদের কারণে নয়, বেগুন শরীরের পুষ্টি পূরণের প্রয়োজনীয় সবজি হিসেবে বিবেচিত। ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘একদিকে বেগুন খেতে ভালো, অন্যদিকে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজে পূর্ণ। আছে খানিকটা কার্বোহাইড্রেট আর প্রচুর জলীয় অংশ। তাই যারা ওজন কমাতে চায়, তাদের জন্যও বেগুন খুব ভালো সবজি। তবে যাদের গেঁটে বাত আছে, কিংবা অ্যাজমা ও অ্যালার্জি থাকে, তাদের বেলায় বেগুনে খানিকটা বিধিনিষেধ আছে।’ বেগুনে বেশি গুণ কীভাবে হলো, সেটা জেনে নেওয়া যাক।  বেগুনে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদানগুলো দাঁত, হাড়ের জন্য খুব উপকারী। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম দাঁতের গঠনকে দৃঢ় করে ও মাড়িকে শক্তিশালী করে। হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।  বেগুন ভিটামিন এ সমৃদ্ধ। বেগুনে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের জন্য খুব উপকারী। এটি চোখের যাবতীয় রোগের বিরুদ্ধে লড়ে এবং দৃষ্টিশক্তির প্রখরতা বাড়ায়।  যারা নিয়মিত বেগুন খায়, তাদের ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের তুলনায় কম। বেগুনে আছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্রের ক্যানসারকে প্রতিরোধ করার এক অসাধারণ ক্ষমতা আছে বেগুনের।  বেগুনে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘ই’ এবং ‘কে’। এটি শরীরের ভেতর রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। ফলে রক্ত চলাচল কার্যক্রমকে সচল রাখে।  ডায়রিয়া হলে শরীরে জিংকের ঘাটতি দেখা দেয়। জিংকের ঘাটতি দূর করার সবচেয়ে ভালো সবজিগুলোর একটি বেগুন। তবে ডায়রিয়া চলাকালীন বেগুন নয়। ডায়রিয়া ভালো হয়ে গেলে বেগুন খেয়ে পূরণ করতে পারেন জিংকের ঘাটতি।  বেগুনে থাকে আয়রন। এই আয়রন শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়াতে সহায়তা করে। তাই রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীরা খেতে পারে বেগুন। পুষ্টি পূরণ হবে, রক্ত স্বল্পতাও দূর হবে।  মুখ ও ঠোঁটের কোণে কিংবা জিবে ঘা হয় অনেকের। এটি সাধারণত রিবোফ্ল্যাবিনের অভাবে হয়ে থাকে। বেগুনে থাকে প্রচুর রিবোফ্ল্যাবিন। নিয়মিত বেগুন খেলে এ সমস্যা এড়ানো যায়।  জ্বর হওয়ার পর মুখের বিস্বাদও দূর করে বেগুন। তাই জ্বরের পর বেগুনের তরকারি খেলে মুখের স্বাদ ফিরে পাওয়া যেতে পারে।  বেগুনে আছে প্রচুর পরিমাণ ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ। এটি খাবার হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করতে বেগুনের আছে বিশেষ ভূমিকা। যাদের রক্তে খারাপ ধরনের কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি, তাদের জন্য বেগুন ভালো সবজি। বেগুন ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।

MOST POPULAR

HOT NEWS

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.