লেবুর অসাধারণ ব্যবহার

লেবুর অসাধারণ ব্যবহার
মুখ খুবই তেলতেলে? তেলতেলে ত্বকে খুব সহজেই ময়লা আটকে যায়। এতে করে ত্বক কালচে দেখায় ও ব্রণের উপদ্রব বাড়ে। এই সমস্যার সমাধান করবে লেবু। প্রতিদিন রাতে লেবুর রস একটি তুলোর বলের সাহায্যে ত্বকে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অতিরিক্ত তেলের সমস্যা দূর হয়ে যাবে। ক্যালসিয়ামের অভাব হলে নখ খুব ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং খুব সহজেই নখ ভেঙে যায়। এই সমস্যার সমাধানও করবে লেবু। অলিভ অয়েল ও লেবুর রস মিশিয়ে নখে ম্যাসেজ করে নিন। এতে করে নখ মজবুত হবে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকেও মুক্তি পাবেন। আপেল, আলু ইত্যাদি ধরণের ফল ও সবজি কেটে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যেই বাদামী রঙের হয়ে যায় যা দেখতে বিশ্রী লাগে। এক কাজ করুন এই ফল বা সবজি কেটে নিয়ে লেবুর রস মাখিয়ে রাখুন। দেখবেন আর বাদামী হয়ে যাবে না। ঠোঁটের রঙ অনেক কালচে হয়ে এসেছে এবং ঠোঁটের চামড়াও পুরু হয়ে আছে? খুব ছোট্ট একটি কাজ করুন। তাজা লেবুর রস চিপে নিয়ে আঙুলের ডগা দিয়ে ঠোঁটে ম্যাসেজ করতে থাকুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হয়ে গোলাপি আভা ফুটে উঠবে।
 

শাকসবজি খান টাটকা

শাকসবজি খান টাটকা
টাটকা শাকসবজি খেতে যেমন দারুণ, তেমনি স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। শাকসবজি টাটকা রাখার কিছু উপায়- * টমেটো পলিথিন ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রাখবেন না। ব্রাউন পেপারের প্যাকেটে করে রাখুন। একই রকমভাবে মাশরুমও রাখতে পারেন। * পালংশাক, লেটুস, সেলেরির মতো সালাদের সবজি পরিষ্কার করে ধুয়ে পোর্সেলিনের কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রাখুন। এটা এক সপ্তাহেরও বেশি টাটকা থাকবে। * কাঁচামরিচের বোঁটা ফেলে দিয়ে মরিচ ফ্রিজে রাখুন। এছাড়া কাঁচা মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে নিয়ে মাঝখান থেকে সামান্য চিরে নিন। তারপর এতে সামান্য লবণ ও হলুদ মাখিয়ে রোদে শুকিয়ে নিয়ে সংরক্ষণ করুন। এটা বেশি দিন থাকবে। * লেবু বেশি দিন টাটকা রাখতে চাইলে লবণের বয়ামের মধ্যে রাখুন। * পেঁয়াজ, বেগুন, স্কোয়াশের মতো ফল ফ্রিজের বাইরে রাখুন। ভালো থাকবে বেশি দিন। * আলু বেশিদিন ভালো রাখার জন্য আলুর সঙ্গে ব্যাগে ভরে একটা আপেলও রাখুন। আলু সহজে পচবে না। * লেটুস পাতার তাজা ভাব বজায় রাখার জন্য ধোয়ার সময় পানির মধ্যে অল্প লেবুর রস মিশিয়ে নিন। * ফ্রিজে শাকসবজি এবং ফলমূল একসঙ্গে না রাখা ভালো। কারণ একইসঙ্গে শাকসবজি ও ফলমূল রাখলে ফল থেকে ইথাইলিন নামক এক ধরনের গ্যাস তৈরি হয়। ফলে শাকসবজির পুষ্টিমান আস্তে আস্তে কমতে থাকে। সেজন্য শাকসবজি আলাদা আলাদা জায়গায় রাখা উচিত। * পালংশাক, পুঁইশাক, শসা, গাজরসহ কিছু কিছু শাকসবজি দিনেরটা দিনেই খাওয়া ভালো। কারণ এগুলোর পুষ্টিমান ধীরে ধীরে কমতে থাকে। * বাজার থেকে কিনে আনা শাকসবজি হালকাভাবে ধুয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিজে রাখা ভালো। সাধারণ মানের শাকসবজিগুলো এমনভাবে ধুতে হবে যাতে খাদ্যের পুষ্টিমান পানির সঙ্গে ধুয়ে না যায়। আমরা তাজা শাকসবজির পুষ্টিমান থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বঞ্চিত হই কারণ শাকসবজি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রিজে রাখলে এর সব পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে আমরা বেশি পানি দিয়ে ধুয়ে শাকসবজির পুষ্টিমান নষ্ট করে ফেলি। * যে কোনো শাকসবজি দুই দিনের বেশি ফ্রিজে না রাখা উচিত। সেজন্য শাকসবজির পুষ্টিমান সঠিকভাবে পেতে হলে প্রতিদিনের বাজার প্রতিদিন করা উচিত। * শপিংমল কিংবা বাজারে অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ ধরে শাকসবজি অধিক পাওয়ারের লাইটের নিচে থাকে। এতে করে শাকসবজিগুলো অত্যধিক তাপমাত্রায় বর্ণহীন হয়ে যায় এবং এগুলোর পুষ্টিমানও কমে যায়। সুতরাং কেনাকাটায় এগুলো পরিহার করা উচিত। * শপিংমল কিংবা বাজারে কেনাকাটার সময় একই ব্যাগে সব ধরনের শাকসবজি প্রায়ই আমরা কিনে থাকি। বাজার করে আসার পর সব ধরনের ফলমূল, শাকসবজি আলাদা আলাদা করে রাখা উচিত। যাতে একটির কারণে আরেকটি নষ্ট না হয়। * পলিথিনের ব্যাগে বাজার না করা ভালো। কাপড় কিংবা পাটের ব্যাগে বাজার করা উচিত। * মারুফা আকতার অাঁখি
সূত্রঃ আলোকিত বাংলাদেশ

ডিম-কিমার চপ

উপকরণ: ডিম ৪টা, গরু বা খাসির কিমা ১ কাপ, বেসন আধা কাপ, পিঁয়াজ কুচি ৩ টেবিল চামচ, মরিচ কুচি ৭/৮টা, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, জিরা বাটা ১ চা চামচ, হলুদ আধা চা চামচ, লবণ পরিমাণ মতো, ধনেপাতা ২ টেবিল চামচ,  তেল ভাজার জন্য, মরিচ গুঁড়া সামান্য

প্রস্তুত প্রণালী: প্রথমে ডিম ভালো করে সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে লম্বাভাবে অর্ধেক করে কেটে রাখুন।এরপর সব মসলা ও অল্প তেল দিয়ে কিমা রান্না করে নিন। এবার কাটা ডিমের ওপর রান্না করা কিমা হাত দিয়ে চেপে চেপে ডিমের মতো করে বানিয়ে রাখুন। বেসনে সামান্য লবণ ও মরিচ দিয়ে পানিসহ গুলে এর ভেতর ডিম ডুবিয়ে ডুবো তেলে বাদামি রঙ করে ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে কেটে সস ও সালাদসহ গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার ডিম কিমার চপ।

নারীদের প্রয়োজন যে জিনিস!

নারীদের প্রয়োজন যে জিনিস!
মেয়েরা অনেক ভুল ধারণায় ভোগে। প্রেমের সম্পর্ক তো বটেই, বন্ধুত্বও একসময় হয়ে ওঠে তিক্ত, অনেক সময় ভেঙ্গেও যায়। তাই অনাকাঙ্খিত ‘ব্রেক আপ’ এড়াতে নারীদের বেশ কয়েকটি জিনিস জানা থাকা প্রয়োজন।ফোনে কল করার অর্থ এই নয়- আপনি প্রেমের প্রস্তাব পেতে যাচ্ছেন হঠাৎ করেই আপনার কাছে এলো একটি অপরিচিত কল। কিংবা পরিচিতও হতে পারে। তবে, অপ্রত্যাশিত আপনার কাছে। ভাবতে পারেন হয়তো ছেলেটি তার মেয়েবন্ধুর শূন্য পদে আপনাকে রাখতে চায়। আপনার এ ধারণা ভুলও হতে পারে। হতে পারে সে আপনার সঙ্গে শুধু কথা বলতেই আগ্রহী। সুতরাং এ রকম ক্ষেত্রে বিষয়টি ভালো করে ভাবুন। মেকআপ ছাড়াই আপনি সুন্দর আপনার সাজ-সজ্জা সবই ঠিক আছে। কিন্তু আপনার পুরু মেকআপ হয়তো বন্ধুর ভালো নাও লাগতে পারে। সুতরাং নিজেকে সাধারণ ও স্বাভাবিক মেকাপে রাখুন। এ আপনার অকৃত্রিমতা ফুটে উঠবে। শিশুসুলভ আচরণ ছাড়ুন হয়তো আপনার ছেলেবন্ধুর সঙ্গে কোথাও গেলেন। সেখানে দেখা হলো আপনার অন্য মেয়েবন্ধুদের সঙ্গে। আর এতে আপনি মুখ চেপে রহস্যজনক হাসি হাসলেন কিংবা লাফাতে শুরু করলেন। এ ধরনের আচরণকে আপনার সঙ্গী শিশুসুলভ বলে ভাবতে পারে, যা তার পছন্দ নাও হতে পারে। ক্লাস রুমের আচরণ বাইরে করবেন না আপনার ছেলেবন্ধুটি হয়তো আপনার সাহচর্য চায়। আপনারা একসঙ্গেই রয়েছেন। অথচ এই সময়ে আপনি বন্ধুর কাছ থেকে নোট নিচ্ছেন কিংবা ফিসফিসানি করছেন। আপনার অন্য বন্ধুরা তখন টেবিলে অন্যদের সঙ্গে গল্প করছে। এরকম পরিস্থিতিতে আপনার ছেলেবন্ধুটি ভাবতে পারে আপনি এখনও ক্লাসরুমেই আছেন। সুতরাং এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না। অবশ্য আপনি না চাইলে ভিন্ন কথা। প্রশংসাযোগ্য হলে ছেলেবন্ধুকে প্রশংসা করুন বন্ধুত্বের সম্পর্ক আছে এমন কোন ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে থাকলে নিজের ব্যাপারে একটু বেশিই ইতস্তত করে ছেলেটি। মনে করে, মেয়েরা তাদের চুল, ত্বক, ওজন আর কাপড়ের ব্যাপারে মনোযোগী বেশি। তার এই ইতস্তত ভাব দূর করতে আপনি তাকে বলতে পারেন তার চুলের কাটিং কেমন হয়েছে কিংবা কেমন লাগছে তাকে নতুন টি-শার্টে। তবে এর মধ্যেও আপনার পছন্দ অনুযায়ী পরামর্শ দিতে ভুলবেন না। গুরুতর বিষয়ে আন্তরিক থাকুন হ্যাঁ, ছেলেরা ভালো করেই জানে, আপনার মধ্যে একটু পাগলাটে ভাব আছে। কিন্তু ভাববেন না, এতে আপনি গুরুতর অপরাধ থেকে পার পেয়ে যাবেন। তাই, আপনি যেমনই হোন না কেন, গুরুতর বিষয়ে আন্তরিক থাকুন। কেবল নিজের কথা অন্যকে শোনাবেন না এটা সবারই জানা যে কোনো ছেলেবন্ধুই- যে অন্তত ছিটকে পড়তে চায় না- কখনও বলতে চায় না যে তার মেয়েবন্ধুটি মোটা হয়ে যাচ্ছে। তাই আপনার ছেলেবন্ধুর সঙ্গে আলাপে শরীরের ওজনের প্রসঙ্গটি এড়িয়ে চলুন। কেননা এতে বিব্রত হতে পারে সে। এড়িয়ে চলুন আঁটসাঁট পোশাক আপনার পছন্দ হতে পারে, কিন্তু আপনার আঁটসাঁট পোশাক আপনার ছেলেবন্ধুর পছন্দ নাও হতে পারে। কারণ অধিকাংশের কাছেই এটি মার্জিত নয়। তা ছাড়া এমন পোশাকে বেপরোয়া আর নিরাপত্তাহীন মনে হবে আপনাকে। তাই এটা করতে গিয়ে আপনাকে সত্যিই বেপরোয়া মনে হচ্ছে কি-না, তা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। অধিকাংশ ছেলেই উপযুক্ত মেয়েটিকেই চায় মেয়েরাই যে কেবল উপযুক্ত ছেলেটিকে বেছে নিতে চায়, তা নয়, ছেলেরাও চায় তার মেয়ে সঙ্গীটি উপযুক্ত হোক। সুতরাং ভালোবাসার খেলায় সব ধরনের কাঁচুমাচু ভাব ত্যাগ করুন, সিরিয়াস হোন। যদি পছন্দ করেন, বলে ফেলুন অনেকে ভালো লাগা- না লাগার বিষয়ে রহস্যময়তা পছন্দ করেন। এটা ঠিক নয়। যদি আপনার কাউকে ভালো লাগে তবে এমন ভান করবেন না যে আপনি তাকে অবহেলা করেন। যদি সে আপনার ব্যাপারে আগ্রহ দেখায় এবং আপনারও অবস্থা থাকে একই রকম- তবে প্রকাশ করুন তা। যাচাই করার অধিকার আপনার নিশ্চয়ই আছে। তবে কাউকে কোনো কারণ ছাড়াই দীর্ঘ সময় অপেক্ষমান রাখবেন না।
#লাইফ ষ্টাইল, #খাবার দাবার, #স্বাস্থ্য, #স্বাস্থ্য ও ফিটনেস, #ফ্যাশন

পোশাকের রঙে মনের রহস্য

পোশাকের রঙে মনের রহস্য

rupcare_meaning of colors1 রঙের গুরুত্ব আমাদের জীবনে ব্যপক! বিভিন্ন সময় ও মুড অনুযায়ী আমরা নিজেদের সাথে সাথে চারপাশকেও রাঙাই নানান রঙে। মানুষের জীবনে রং যে বেশ ভালোমতোই প্রভাব ফেলে বিজ্ঞানীরাও সে ব্যাপারে একমত। বেশকিছু গবেষণা শেষে তারা বলছেন, শোয়ার ঘরের দেয়ালের রং যদি হয় রক্ত-বেগুনি, তাহলে সন্তোষজনক যৌনজীবন যাপন করা যায়। আসুন জেনে নিই, আমাদের জীবনে কোন রং কী প্রভাব ফেলে। নীল: খাবার ঘরের রং নীল হলে শরীরের ওজন কমে। এমন রংয়ের ঘরে বসে, চাইলেও কেউ বেশি ক্যালোরি গ্রহণ করতে পারবে না। এজন্য গবেষণায় দেখা গেছে যারা নীল রং পছন্দ করেন, তাদের ওজন তুলনামূলক কম থাকে। গোলাপি: মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে। বিরক্তি ও রাগ কমাতে এই রংয়ের ভূমিকা অনন্য। যাদের পোশাকের মধ্যে গোলাপির প্রধান্য থাকে, তারা অন্যদের কাছে তুলনামূলক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে থাকেন।rupcare_meaning of colors3 লাল: লাল রঙের সাহায্যে একজন নারী পুরুষের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারেন। লালের প্রকোপ বেশি এমন পোশাক পরা নারীকে পুরুষরা বেশি পছন্দ করবে। হলুদ: মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, কারণ হলুদ রং মস্তিষ্ককে জাগ্রত করে। সবুজ: মস্তিষ্ক শান্ত রাখতে সবুজের বিকল্প নেই। এজন্যই টিভি স্টুডিওগুলোতে ‘গ্রিনরুম’ নামে একটি ঘর থাকে। অনুষ্ঠানের আগে শিল্পীরা সেখানে বসে মস্তিষ্ককে সুস্থির করে নেন। মস্তিষ্কের প্রশান্তির জন্য সবুজের বিকল্প নেই। সাদা: সাদা শুদ্ধতা ও বিশ্বাসের প্রতীক। প্রভাবের ক্ষেত্রেও তাই। সাদা পোশাক পরা মানুষকে আমরা ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখি। তাই তো নার্স ও চিকিৎসকরা সাদা পোশাক পরেন! কালো: এটি অস্থিরকাতর প্রতীক। গবেষণায় দেখা গেছে, কালো পোশাক পরা লোক বেশি মারমুখী হয়। বেশিরভাগ নারী এই রঙের পোশাক পরা পুরুষের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ বোধ করেন। সূত্রঃ রুপকেয়ার rupcare_meaning of colors2

যেসব কাজ করতে মানা

যেসব কাজ করতে মানা

যেসব কাজ করতে মানা
জীবনযাত্রা ডেস্ক • আসন্ন শীতে ত্বকের নিজস্ব লাবণ্য এবং স্নিগ্ধতা ধরে রাখতে চাই সঠিক যত্ন। তবে অনেক সময় ত্বকের অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহারে কিংবা ভুল উপায়ে যত্ন করলে ত্বকে নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। তাই ত্বকের যত্নে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ♦ ত্বকের জন্য স্কার্ভিং ব্যবহার করা ভাল। এর ফলে ত্বকের ময়লা, মৃত কোষ পরিষ্কার হয়। তবে অনেক সময় অতিরিক্ত স্কার্ভিং ব্যবহারের ফলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকে লালচে দাগ এবং জ্বালাপোড়া করে। অনেক সময় ত্বকে ব্রনের সমস্যাও দেখা দেয়। ♦ অনেকে ভেজা চুল শুকানোর তাড়াহুড়ায় চিরুনি এবং ওয়েট হেয়ার মেশিন হেয়ার ড্রাই ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু ভেজা চুল কখনই আঁচড়ানো ঠিক না। কারন তখন চুলের আগা নরম থাকায় চুল পরার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত হেয়ার ড্রাই ব্যবহারের ফলে চুল ভেঙ্গে পরে যায়। তাই চুল শুকাতে হলে চুলে কিছুক্ষণ তোয়ালে পেছিয়ে রেখে ছেড়ে দিলেই হবে। ♦ ত্বকে বিভিন্ন রকম পণ্য ব্যবহারের সময় সতর্ক হতে হবে। তাই ত্বকের জন্য পণ্য কেনার সময় এর মেয়াদ ভালো করে দেখে নিন। মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য ব্যবহারের ফলে ত্বকে এলার্জি সংক্রমণ হতে পারে। ♦ চুলে কন্ডিশনার ব্যবহার করার সময় সতর্ক হতে হবে। কারন অতিরিক্ত কন্ডিশনার ব্যবহারের ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। এছাড়াও মনে রাখবেন কন্ডিশনার শুধুমাত্র চুলের উপরভাগের জন্য। চুলের গোড়ায় যেন কন্ডিশনার না পৌছে। সূত্রঃ পরিবর্তন ডট কম

আনন্দ উপভোগ করুনঃ সংসার সুখের হয় যে ৫ গুণে

সংসার সুখের হয় যে ৫ গুণে
ঢাকা: সংসার মানেই স্বামী-স্ত্রী, সন্তান, পরিবার পরিজনের যৌথ জীবন। এই যৌথ জীবনে খুঁটিনাটি অনেক বিষয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ও অমিল দেখা দেয়। আর এই অমিলের কারণে অনেক সময় ভেঙে যায় সুখের সংসার। তবে পাঁচটি বিষয়ে সচেতন থাকলে হয়তো এড়ানো যেতে পারে এই সমস্যা। তাহলে ঝটপট জেনে নেয়া যাক-
সুখস্মৃতির সন্ধান
সংসার জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অনেক স্মৃতি থাকে। সেসব স্মৃতির কিছু যেন আনন্দের তেমনি আবার কিছু স্মৃতি বিষাদের। তবে বিষাদের স্মৃতি যত দ্রুত ভুলে যাওয়া যায় ততই ভালো। বরং জীবনের সুখস্মৃতিগুলো বারবার রোমন্থন করুন। হাস্যরসাত্মক স্মৃতি খুঁজে বেড়ান। ভালোলাগা কোনো হারানো স্মৃতি খুঁজে পেলে দেখবেন ঠিকই ভালো লাগবে। প্রসারিত করতে হবে দাম্পত্য জীবন।
কৃতজ্ঞতা বোধ
কৃতজ্ঞতাবোধ এমন একটি গুণ যা প্রতিটি মানুষেরই থাকতে হয়। তবে সংসার জীবনে এটি অত্যন্ত জরুরি। সংসারে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই দুজনের প্রতি কৃতজ্ঞ হতে হবে। সব সময় মনে রাখতে হবে, আপনার এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ একতরফা ছিল না। আপনার জীবনসঙ্গী  যদি কোনো কারণে মনে কষ্ট পায়, তাহলে যথাসম্ভব চেষ্টা করুন সেই কষ্ট দূর করতে। জীবন সঙ্গী যখন আপনাকে বুঝবে তখন আপনি তাকে একটু হলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন এবং তার প্রসংশা করুন, ধন্যবাদ দিন।
আবেগী জীবন
অনেকেই প্রতিনিয়ত ছুটে চলার নামই জীবন বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। অনেকে কেবল মাত্র অর্থ, যশ, খ্যাতি প্রভৃতির পেছনে ছুটে নিজেকে এবং আপনজনকে বঞ্চিত করেন সান্নিধ্য থেকে। যা একদমই ঠিক নয়। বরং জীবনটা ছুটে চলার পাশাপাশি উপভোগেরও। অর্থ, যশ, খ্যাতি সবার জীবনেই প্রয়োজন আছে। তবে এর জন্য প্রিয়জনকে আপনার সান্নিধ্য বঞ্চিত করবেন না।
জাগতিক প্রয়োজনেই মানুষকে বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হতে হয়। তবে কাজের ফাঁকে কিছুটা হলেও সময় বাঁচিয়ে রাখুন পরিবারের জন্য। একটু অবসর পেলে স্ত্রী/স্বামী, সন্তানকে ফোন করতে পারেন। আর ছুটির দিনগুলো পুরোটাই বরাদ্ধ রাখুন পরিবারের মানুষগুলোর জন্য।
সম্পর্কের সেতুবন্ধন
মনে রাখতে হবে, কারো জীবনই নিখুত নয়। জীবনসঙ্গীকে নিয়ে হয়তো অনেক প্রত্যাশা অপূর্ণ থাকবে এবং  জীবনে কিছু বিষয়ে মতের অমিল থাকবে। আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়তো সবকিছু পাবেন না। তারপরও আপোশ করবেন, তাহলে আপনি নতুন জীবন খুঁজে পাবেন।
বিয়ে হচ্ছে একটা পবিত্র সম্পর্ক। এই পবিত্র সম্পর্ক বজায় রাখতে নিজেদের সচেষ্ট হতে হবে।  পরস্পরের ভালোলাগা-মন্দলাগা বুঝতে হবে। দুজনের বোঝাপড়া ভালো হলে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক হবে স্বর্গময়।
আনন্দ উপভোগ করুন
বিবাহিত জীবন মানে বিলাসবহুল জীবন নয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে জীবনটা ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলতে হবে। জীবনটা ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলতে দুজনকে ভূমিকা রাখতে হবে। এক্ষেত্রে একে অপরকে না বুঝলে জীবন সুন্দরভাবে সাজানো সম্ভব না। নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হলে  জীবন সুন্দর করে গড়ে তোলা সম্ভব।
বোঝাপড়া ঠিক করতে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই সবকিছুতে আনন্দ উপভোগ করতে হবে। একসঙ্গে কাজের মধ্যেও আনন্দ  ‍খুঁজে নিতে পারেন। দুজনে মিলে সপ্তাহে একদিন রান্না করুন কিংবা ঘর গোছানোর কাজ করতে পারেন। ছুটির দিনে বাইরে ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখলেও আপনাদের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। জিনাত জান কবীর, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪

আপনি কেন মিথ্যা বলেন!!!

মানুষ কেন মিথ্যা বলে?
মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় মিথ্যা কথা বলে। জীবনে মিথ্যা বলেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। নিজের স্বার্তে মানুষ যেমন মিথ্যা কথা বলে, তেমনি অন্যকে খুশি করতেও অনেকে মিথ্যা বলেন থাকেন। আবার মানুষের জীবনে এমন অনেক সময় আসে যখন মিথ্যা না বলে উপায় থাকে না। অর্থাৎ মানুষ নিরুপায় হয়েও মিথ্যা কথা বলে।
মানুষ কেন মিথ্যা বলে তার সাতটি কারণ-
১. পরীক্ষা করার জন্য
কাউকে পরীক্ষা করার জন্য অনেক সময় অনেকে নিজের অতীত বানিয়ে বলে। যেমন- সে তার অতীত সম্পর্ক নিয়ে রসালো গল্প তৈরি করে আপনার সামনে পরিবেশন করবে আর দেখবে এ ব্যাপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কেমন।
এতে করে সে জানার চেষ্টা করে ভবিষ্যতে তার সামনে কী বলা যাবে আর কী বলা থেকে দূরে থাকতে হবে।
২. প্রভাবিত করতে
অনেক সময় অন্যকে প্রভাবিত করতে নারী-পুরুষ উভয়েই মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে থাকে। নিজের প্রতি প্রভাবিত করার জন্য অনেকে নিপূণভাবে মিথ্যে বলে। মিথ্যাবাদী চেষ্টা করে অন্যের চিন্তা ও ভাবনার স্টিয়ারিংটা নিজের হাতে নিতে। এতে সফল হতে উপযুক্ত সময় ও উপায় বুঝে সে ছলনার আশ্রয় নেয়।
৩. অতীত লুকাতে
কেউ অনেক সময় অতীতে খারাপ কিছু করে থাকলে তা লুকানোর জন্য মিথ্যার আশ্রয় নেয়। অবশ্য এটা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন: সে তার অতীত সর্ম্পক নিয়ে নিজেই লজ্জিত কিংবা ভীত।
৪. বন্ধুকে উদ্বেগ থেকে দূরে রাখতে
বন্ধু বা ভালোবাসার মানুষকে অনেক সময় উদ্বেগ থেকে দূরে রাখতে মানুষ মিথ্যে বলে। সঙ্গী,বন্ধু বা সহকর্মী কোনো ব্যাপারে উদ্বিগ্ন থাকলে তার মানসিক শান্তির জন্য অনেক সময় অনেকে নানা কথা বাড়িয়ে বলে।
৫. নিজেকে রক্ষা করতে
মানুষ সবচেয়ে বেশি মিথ্যা কথা বলে বিভিন্ন অপরাধ ঢাকার জন্য। সব মানুষই কমবেশি অপরাধ করে। আর এই অপরাধের দায় থেকে নিজেকে রক্ষা করতে অনেকে মিথ্যা কথা বলে।
৬. পরিতৃপ্তির জন্য
অনেক সময় আত্ম পরিতৃপ্তির জন্যও অনেকে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। তবে বিষয়টি পুরোপুরি মানসিক। যেমন সে তার সাফল্য বা অর্জন সম্পর্কে বলার সময় একটু রঙ ঢেলে দিয়ে বাড়িয়ে বলবে। এটা অবশ্য ভাবা হয় কেউ নিজেকে সামনে আলোচিতভাবে তুলে ধরতে বলছে তবে নিজের অনিরাপত্তা থেকেও বলে থাকতে পারে।
৭. দুঃখ ঢাকতে
অনেক মানুষের মনেই অনেক ধরনের দুঃখ লুকিয়ে থাকে, যা কেউ অন্যকে বলতে চায় না। সেই সময় কেউ ওই কষ্টের কথা জিজ্ঞেস করলে অনেকে মিথ্যে কথা বলে থাকে। এছাড়া এমন অনেক পরিস্থিতি আসে যখন সত্যি কথা বল্লে প্রিয় মানুষটি কষ্ট পাবে। তেমন সময়েও মানুষ মিথ্যে বলে।

ঘর সাজবে উৎসব আমেজে

ঘর সাজবে উৎসব আমেজে তারিখ: ০৬-০৮-২০১৩ যেমনটা সাজবে বসার ঘর: বসার ঘর হলো অতিথি আপ্যায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আপনার পছন্দ এবং রুচিবোধ প্রাধান্য দিয়ে দেশীয়, ভিক্টোরিয়ান, মডার্ন— এ তিন ধরনের স্টাইলে সাজাতে পারেন লিভিংরুম বা বসার ঘর। যদি কাঠের কারুকার্যময় আসবাব আপনার পছন্দের তালিকায় থাকে, তবে নিঃসন্দেহে সেটা ভিক্টোরিয়ান স্টাইল। তাই আরেকটু গর্জিয়াস করতে চাইলে ফার্নিচারের পাশাপাশি ঘরের পর্দায়ও নিয়ে আসুন ভিক্টোরিয়ান স্টাইল। বিভিন্ন ড্রেপিংয়ের মাধ্যমে তৈরি করে নিন জানালার পেলমেট, সঙ্গে ম্যাচিং ঝালর অথবা লেস। দুই লেয়ারে তৈরি করুন পর্দা। পেলমেটের সঙ্গে মিল রেখে ভারী পর্দা নির্বাচন করুন আর সঙ্গে ম্যাচিং অথবা কন্ট্রাসটিং নেট অথবা মসলিনের শেয়ার দেবে ভিন্ন মাত্রা। সেন্টার টেবিলে একটি বড় ক্রিস্টালের পাত্রে পানি দিয়ে রেখে দিন তাজা ফুলের পাপড়ি, সঙ্গে ফ্লোটিং ক্যান্ডেল। ঝুলন্ত লাইটের ব্যবস্থা থাকলে সেগুলোকে পরিবর্তন করে নতুন ডেকোরেটিভ লাইট ঝুলিয়ে দিন। সেন্টার টেবিলের নিচের অংশজুড়ে বিছিয়ে দিন সিনথেটিক কার্পেট। কেউ যদি ইকেবানা শৌখিন হন, তাহলে বিদেশী ফুল, গোলাপ, লিলি, জারবেরা দিয়ে তৈরি করুন নান্দনিক সাজ। পরিপাটি-প্রশান্তির শোয়ার ঘর: বেডরুম মেকওভারের সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ঘরের আসবাব একটু এদিক-ওদিক সরিয়ে নতুনভাবে সাজিয়ে ফেলা। নতুন পোশাক কেনার পাশাপাশি নতুন বিছানা চাদর, পর্দা, কুশন কভার ইত্যাদি পরিবর্তনে আপনার শোয়ার ঘরটি হয়ে উঠবে আকর্ষণীয়। যেহেতু ঈদ, তাই প্রতিটি ঘরকে সাজাতে পারেন আপনার পছন্দের রঙটিকে বেছে নিয়ে থিমবেইজ আয়োজনে। শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরটি হওয়া চাই একটু গর্জিয়াস, সঙ্গে ম্যাচিং পর্দা ও নানা রঙের কুশন দেবে বাড়তি সৌন্দর্য। তবে লক্ষ রাখবেন, একঘেয়েমি দূর করতে কন্ট্রাস্ট রঙ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। নতুন শতরঞ্জি কিংবা রাগ ফ্লোরে বিছিয়ে দিন। বিছানার পাশের সাইড টেবিলে রেখে দিন কিছু তাজা ফুল। যার ম-ম গন্ধে অতিথির মনকে ভরিয়ে তুলবে। সম্ভব হলে দেয়ালের রঙ পরিবর্তন করুন। একটু ভিন্ন মাত্রা দিতে বেডের মাথার কাছে দেয়ালে লাগিয়ে দিন ওয়ালপেপার। তবে লক্ষ রাখবেন, যে ফ্যাব্রিকসই বেছে নেন না কেন, তা যেন ঘরের রঙ এবং আসবাবের সঙ্গে মানানসই হয়। খাটের সঙ্গে জুড়ে থাকা বেডসাইড টেবিলের ল্যাম্প দুটিতে আনুন নতুনত্ব। বেডরুমের জন্য পর্দা নির্বাচন করুন ঘরের পজিশন অনুযায়ী। রাস্তার কাছাকাছি হলে একটু ভারী ফ্যাব্রিকের পর্দা বেছে নিন, যাতে বাইরের আলো ও শব্দ ভালোভাবে চাপা পড়ে। যদি বেডরুমে বাইরের আলো তেমন না আসে, তাহলে ট্রান্সপারেন্ট নেট, মসলিন বা জর্জেটের পর্দা বেছে নিন, যাতে কিছুটা আলো ঢুকতে পারে। পুরো ঘরের ফার্নিচার নির্বাচন করুন সিম্পল ও জ্যামিতিক ফর্মের। মডার্ন কনসেপ্টের জন্য বেশি গর্জিয়াস পর্দা নয় বরং সিম্পল ডিজাইনের পর্দা বেছে নিন। শোপিস অথবা সেন্টার পিস যা-ই বলুন না কেন, লক্ষ রাখুন সেটা যেন মানিয়ে যায় পুরো ঘরের সঙ্গে। মডার্ন ফার্নিচারের ক্ষেত্রে সোফার কভারে ফ্লোরাল ডিজাইনের ফ্যাব্রিকস এড়িয়ে চলুন। দেশীয় আমেজ আনতে বাঁশ, বেত, রড-আয়রনের ফার্নিচারের সঙ্গে খাদি কাপড়ের পর্দা ও কুশন কভার ব্যবহার করুন। ব্লক, বাটিক টাইডাই অথবা কাতান পাড় লাগিয়ে তৈরি করে নিন আপনার পছন্দসই পর্দা। ঘরের এক কর্নারে মাটির চাড়িতে পানি দিয়ে রেখে দিন কিছু ফুল এবং ফুলের পাপড়ি সঙ্গে মোমবাতি। ঈদের সাজে খাবার ঘর : খাবার ঘরটি হচ্ছে অতিথিদের মন জয় করার জায়গা। তাই ঘরটিতে শুধু সুন্দর করে খাবার পরিবেশনই নয়, আশপাশের আয়োজনও হওয়া চাই খাবারের মতো আকর্ষণীয়। খাবার ঘরের পর্দা হালকা সবুজ রঙের হলে ভালো, এতে ফ্রেশ একটা ভাব থাকে। টেবিলে নতুন টেবিলক্লথ বিছিয়ে দিন। যদি কাপড়ের টেবিলক্লথ হয়, তাহলে এর ওপর পাতলা ট্রান্সপারেন্ট পলিথিন ব্যবহার করুন খাবার পরিবেশনের আগে। কাচের গ্লাস টপ টেবিল হলে বিছিয়ে দিন টেবিল রানার, টেবিল ম্যাট এবং ম্যাচিং ন্যাপকিন। টেবিলের মাঝখানে রেখে দিন আকর্ষণীয় ফলের ঝুড়ি, তাতে তাজা কিছু ফল।

কর্মস্থলে সেক্স করেন ১৭ শতাংশ আমেরিকান

কর্মস্থলে সেক্স করেন ১৭ শতাংশ আমেরিকান [caption id="" align="alignleft" width="600" caption="Sex Servey"]Sex Servey[/caption]

এনা, নিউইয়র্ক থেকে ॥ অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ১৭ শতাংশ আমেরিকান কর্মস্থলে সঙ্গমে লিপ্ত হচ্ছে। ৩ শতাংশ সঙ্গমে লিপ্ত হয় চার্চ অথবা অন্য কোন উপাসনালয়ে। ৬৯ শতাংশ ব্যক্তি সেক্স করে নিজ নিজ গাড়ির পেছনের সিটে। সেনসিস কনডম নামক একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পরিচালিত জরিপে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। জরিপ রিপোর্টটি মার্কিন মিডিয়াতেও ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছে।

জরিপে আরও জানা গেছে, বিমান চলার সময়েও ৩ শতাংশ আমেরিকান সেক্স করেন। ৪ শতাংশ সেক্স করছেন বাস ও অথবা ট্রেনে। স্কুলে সেক্স করেন ৮ শতাংশ। ২৮ শতাংশ আমেরিকান অত্যন্ত উত্তেজক সেক্স করেন বিভিন্ন পার্কে। জরিপে আরও প্রকাশিত হয়েছে যে, ৮৯ শতাংশ আমেরিকান এখন কনডমের চেয়ে অন্য পদ্ধতিতে অভ্যস্ত। কনডম ব্যবহারে তৃপ্তি আসে না বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীরা মনে করছেন। ৩৮ ভাগ মানুষ মনে করেন কনডম ব্যবহারে সেক্সে আবেদন হ্রাস পায়।

jahan hassan ekush tube bangla desh জাহান হাসান, লস এঞ্জেলেস. বাংলাদেশ. বাংলা, আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, একুশ

MOST POPULAR

HOT NEWS

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.