ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্য পরিচর্চায় বাদাম

ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্য পরিচর্চায় বাদাম
ভিটামিন ই এবং আমিষ সমৃদ্ধ বাদাম চুল, ত্বক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ কার্যকরী। ভারতীয় পুষ্টিবিদ সুমন আগারওয়াল বাদামের বিভিন্ন উপকারী দিক নিয়ে কথা বলেন। চুল সুরক্ষায় বাদাম ভিটামিন ডি এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ বাদাম বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী ও ক্রীম তৈরিতে ব্যবহার হয়। ম্যাগনেসিয়াম মূলত চুল পড়া রোধে সহায়ক। সপ্তাহে অনন্ত একবার বাদাম তেল ব্যবহারের ফলে মাথার ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ফিরে আসে এবং চুলকে আরও সিল্কি ও মজবুত করে। ত্বক সুরক্ষায় বাদাম বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই। এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন ই মৃত কোষ প্রতিরোধে এবং সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক সুরক্ষায় সহায়তা করে। এছাড়া প্রোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ আলমন্ড মিল্ক ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে কোমল করে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদাম বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং মিনারেল। যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়া মস্তিষ্কের কোষের বৃদ্ধি ঘটাতে সহায়তা করে ভিটামিন বি। ওজন কমাতে বাদাম বাদাম শরীরের ক্ষতিকর চর্বি দূর করে কেলোস্টোরাল নিয়ন্ত্রিণে সহায়তা করে। বাদাম শরীরের প্রোটিন এবং আঁশযুক্ত খাদ্যের চাহিদা পূরন করে। বাদাম কাঁচা এব সেদ্ধ উভয়ভাবেই খাওয়া যায়।
উৎসঃ   ঢাকাটাইমস

শীতের সুরক্ষায় সজীব সাজের নানা টিপস

শীতের সুরক্ষায় সজীব সাজের নানা টিপস
সাদিয়া চৌধুরী
আসছে শীত। আর শীতে শুরু হয় উৎসবের ধুম। আজ কারও গায়ে হলুদ, কাল বিয়ে, পরশু জন্মদিন এই করতে করতেই কেটে যায় শীতকালটা। তবে উপলক্ষ যা-ই হোক, উৎসবের জন্য চাই উৎসবমুখর সাজ।
শীতে রুক্ষ প্রকৃতিতে ত্বকও রুক্ষ হয়ে ওঠে। অনেকেরই ত্বক ফাটা, খসখসে হয়ে যাওয়ার প্রবণতাও দেখা যায়। আর প্রকৃতিতে এ সময় যেহেতু ধুলোবালুর রাজত্ব বেশি থাকে, তাই সাজগোজের আগে অবশ্যই ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ-হাত খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
রূপবিশেষজ্ঞ এলিগেন্স হেয়ার অ্যান্ড বিউটি পারলারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নীপা মাহবুব বলেন, মুখ হাত ধুয়ে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি যদি মৃদু স্ক্রাবার দিয়ে খুব ধীরে ধীরে ঘড়ির কাঁটার দিকে ও বিপরীতে ত্বক ম্যাসাজ করলে এতে মরা কোষগুলো উঠে যাবে।
এরপর ত্বককে পুষ্টি দেওয়ার পালা। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন ত্বকে। ১০ মিনিট বিরতি দিন।
শুষ্ক পাউডার ব্যবহার না করে শীতে ফাউন্ডেশন হিসেবে অয়েল বেজড ফাউন্ডেশন বা ক্রিমি ফাউন্ডেশন বেছে নিন। এতে ত্বক সতেজ লাগবে।
ক্রিমি ফাউন্ডেশনের ওপর আলতো করে ফেস পাউডার লাগিয়ে নিতে পারেন। যদি আপনার ত্বক বেশি শুষ্ক হয়, এটা না দেওয়াই ভালো বলে জানান নীপা মাহবুব। অথবা গ্লিটার পাউডারও লাগাতে পারেন।
উৎসবের সাজটা গাঢ় করতে ব্লাশঅন ছাড়াও দিতে পারেন গ্লিটারি। তবে যদি ফেস পাউডার গ্লিটারি হয়, তাহলে সাধারণ ব্লাশঅনটাই লাগাতে হবে।
শীতে যেহেতু ঘামের ভয় নেই, তাই ইচ্ছেমতো মেকআপ করারও ভয় পাবার দরকার নেই। দিনের বেলায় হালকা হলেও রাতে অবশ্যই গাঢ় মেকআপ করতে পারেন খুব সহজেই।
চোখের সাজ করতে পারেন স্মোকি করে। আইশ্যাডো পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে দিলেও কালো আর সোনালির ছোঁয়া রাখতে পারেন চোখে।
চোখ সাজাতে কাজল যাদের পছন্দ, তাদের নিশ্চয়ই গরমের সময়ে মন খারাপ থাকে। শীতে কিন্তু কাজল ছড়িয়ে পড়ার ভয় নেই। তাই এ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন। নীল, সবুজ, ময়ূর, কালো যেকোনো রং টানতে পারেন চোখের কোণে। আইলাইনার কাজল যা-ই দিন না কেন, মাশকারাটাও দিতে ভুল করবেন না। চোখের পাপড়িগুলো সাজিয়ে তুলতে মাশকারা ব্যবহার করুন। তবে পানি রোধ হলেই ভালো।
শীতের সময় ত্বকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রুক্ষ হয় ঠোঁট। তাই ঠোঁটের নিয়মিত যতœ নিন। নিয়মিত লিপবাম লাগান। শীতের লিপবামটা যেন সানস্ক্রিন যুক্ত হয় সে দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।
ঠোঁট সাজাতে শীতে শুষ্ক লিপস্টিক বাদ দিয়ে লিপগ্লস বেছে নিন। ঠোঁটের রঙের অথবা হালকা গোলাপি একটি লিপগ্লস সব সময় ব্যাগেই রেখে দিতে পারেন।
বেয়াড়া চুলগুলোকে শীতে ইচ্ছেমতো উড়তে দিতে পারেন। বছরের এ সময়টায় নিশ্চিন্তে চুল খোলা রেখে ঘুরে বেড়াতে পারেন। রূপবিশেষজ্ঞ নীপা মাহবুব বলেন, চুল রং করা বা রিবন্ডিং যে রকমই হোক, চুলে রোদ প্রতিরোধক কন্ডিশনার ও জেল না লাগিয়ে বের হবেন না। কারণ, শীতের মিষ্টি রোদ চুলের ক্ষতির কারণও হতে পারে।
পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে চুল বাঁধতেও পারেন। শাড়ির সঙ্গে খোঁপা করা যায়। আর তাতে শীতের কোনো রঙিন ফুল গুঁজে দিতে ভুল করবেন না। সাজ পরিপূর্ণ। এবার মেতে উঠুন শীত উৎসবে। সূত্রঃ শীর্ষ কাগজ স্বাস্থ্য ও ফিটনেস , লাইফ ষ্টাইল

শীতের সবজিতে ত্বকচর্চা

শীতের সবজিতে ত্বকচর্চা
শীতকালে হাতের কাছে নানা রকম সবজি পাওয়া যায়। এসব সবজিতে রয়েছে ত্বকের উপকারী নান উপাদান। চাইলে এসব সবজি দিয়েই রূপচর্চা করতে পারেন। পরামর্শ দিয়েছেন অ্যারোমা থেরাপিস্ট- জুলিয়া আজাদ শীতের সবজির মধ্যে সবচেয়ে যে সবজিটি আমাদের মন কাড়ে তা হলো টমেটো। লাল টুকটুকে পাকা টমেটো দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি পুষ্টিগুণেও অপরিসীম। ত্বকের পুষ্টি জোগাতে, রোদেপোড়া কালোভাব দূর করতে মুখে কিংবা ঘাড়ে-গলায় লাগাতে পারেন টমেটো। লাগানোর ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। শীতকালে ত্বকে ক্রিমের বদলে টমেটো মাখলে অনেক উপকার পাবেন। টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট আছে। ফাইবারের পাশাপাশি টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন। প্রতিদিন সবাইকে কোনো না কোনো কাজে বের হতে হয়। তাই গাড়ির ধোঁয়া, ধুলাবালি এবং সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মিও সহ্য করতে হয় আমাদের। বেশির ভাগ সময় এসব কিছু থেকে ত্বককে রক্ষা করা আমাদের অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না। অথচ চাইলে খুব সহজেই এ সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারেন আপনার হাতের কাছে থাকা পাকা টমেটোর সাহায্যে। আর এতে খুব বেশি সময়ও লাগবে না। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অথবা সকালে ঘুম থেকে উঠে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় ব্যয় করলেই আপনার ত্বকের অনেক সমস্যা খুব সহজে সমাধান হবে আপনারই হাতে। শীতের ত্বক চর্চায় আর একটি উপকারি সবজি হলো বাঁধাকপি। এটি ক্লেনজার হিসেবে খুব ভালো কাজ করে। বাঁধাকপির রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে নিয়ে আপনার ত্বক পরিষ্কার করুন। এক টুকরা কটন এই রসে ডুবিয়ে ভিজিয়ে নিন। তারপর আলতো করে সার্কেল-এন্টি সার্কেল মুভমেন্টে এই রস দিয়ে আপনার মুখ, গলা, ঘাড় পরিষ্কার করে নর্মাল পানির ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখুন কত ভালো পরিষ্কার হলো আপনার ত্বক। এটি টোনার হিসেবেও ভীষণ ভালো কাজ দেয়। সে ক্ষেত্রে এর রস ফ্রিজে রেখে ঠা-া করে নিয়ে টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। রূপচর্চার অরেকটি সবজি হলো গাজর। দাগ-ছোপহীন উজ্জ্বল ত্বক পেতে আপনি গাজর যেমনি খেতে পারেন, তেমনি গাজর বেটে এক চিমটে হলুদ গুঁড়ার সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিতে পারেন। মুখ পরিষ্কার করে এই প্যাক লাগিয়ে অন্য কাজ করতে পারেন কিংবা  বিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ভালো লাগবে। ভালো কাজ পেতে হলে সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। মুলা দিয়েও ত্বক চর্চা করা যায়। আপনার ডাল স্কিনকে খুব ভালো ঝকঝকে করতে মুলার রস ব্যবহার করুন। বিশেষ করে যদি আপনার সানটেন্টের সমস্যা থাকে তো মুলার রস ব্যবহারে তা খুব তাড়াতাড়ি ঠিক হয়ে যাবে। যদি মুলার গন্ধ আপনার সহ্য না হয় তবে তার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি ত্বকে মেসতা সমস্যা থাকে তবে মুলার রস নিয়মিত এই দাগের জায়গায় লাগান। মেসতা হয়তো পুরোপুরি চলে যাবে না, তবে হালকা হতে সময়ও লাগবে না। পাকা পেঁপে খুব ভালো ময়শ্চরাইজার। আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা যেমনি দেবে, তেমনি ত্বককে সুস্থ রাখতেও পাকা পেঁপে কাজ করে। পাকা পেঁপে দিয়ে যেমনি রূপচর্চা কারা যায়, তেমনি কাঁচা পেঁপে দিয়েও ত্বকের যতœ নেয়া যায়। কাঁচা পেঁপের আরেকটি গুণ হলোÑ কাঁচা পেঁপে সানটেন্ট হালকা করতে সাহায্য করে। পেঁপের খোসা ছাড়িয়ে বিচি ফেলে ছোট ছোট টুকরা দিয়ে পিষে নিন, এভাবে একটা বক্স ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এটা একদিন করে রাখলে মোটামুটি দুই সাপ্তাহ পর্যন্ত ভালো থাকবে। আপনার ত্বকে এই পেস্ট লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। আপনার সানটেন্ট সারতে সময় লাগবে না। হাত-পায়ের কালোভাবও দূর করে দিতে পারে এই পেঁপে বাটা। তবে রূপচর্চা যেভাবেই করুন, তা নিয়মিত করতে হবে। তাহলেই এর উপকারিতা পাওয়া যাবে।
সূত্রঃ আলোকিত বাংলাদেশ #লাইফ ষ্টাইল, #খাবার দাবার, #স্বাস্থ্য, #স্বাস্থ্য ও ফিটনেস, স্বাস্থ্য ও ফিটনেস, স্বাস্থ্য, খাবার দাবার, লাইফ ষ্টাইল

চুলের ৪টি সমস্যায় সহজ ঘরোয়া সমাধান

চুলের ৪টি সমস্যায় সহজ ঘরোয়া সমাধান
শীতকালে শুধু ত্বকের যত্ন নিলে রূপচর্চা পরিপূর্ণতা পায় না। একই সাথে চুলেরও যত্ন নিতে হয়। কারণ এসময় ত্বকের পাশাপাশি আমাদের চুলের উপরও প্রভাব পড়ে। শীতকালে বাতাসে বেশি ধুলোবালি থাকে। এই ধুলোবালি সহজেই আমাদের চুলে আটকে যায়। সেজন্য শীতকালে চুলের যত্ন বিশেষভাবে প্রয়োজন। চুলের যত্ন আপনি ঘরে বসেই সেরে ফেলতে পারেন। এর জন্য দরকার রান্নাঘরের কিছু টুকিটাকি জিনিষের। চুল পড়া রোধে নারকেলের দুধচুল পড়া রোধ করতে নারকেলের দুধ অনেক কার্যকরী উপাদান। নারকেলের দুধে ভিটামিন সি, ই, বি১, বি৩, বি৫ এবং বি৬ এবং আয়রন, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস থাকে যা চুল পড়া রোধ করে। পদ্ধতিঃ প্রথমে একটি নারকেল কুরিয়ে নিন। তারপর কোরানো নারকেল চিপে তা থেকে নারকেলের দুধ বের করে নিন। এরপর নারকেলের দুধ মাথার পুরো ত্বকে লাগিয়ে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ১- ২ ঘণ্টা পরে ভালো করে চুল ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক এবং নি®প্রাণ চুলের যত্নে বেকিং সোডা বেকিং সোডার ব্যবহার শুষ্ক ও নি®প্রাণ চুলকে উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। বেকিং সোডা কন্ডিশনারের কাজ করে। পদ্ধতিঃ একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে তাতে ১ কাপ হালকা গরম পানি মিশিয়ে নিন। গোসলের সময় শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধোয়ার পর চুলে কন্ডিশনার যেভাবে লাগান ঠিক সেভাবে মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে নিন। ৩-৪ মিনিট পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের আগা ফাটা রোধে পেঁপে পাকা পেঁপেতে বিদ্যমান ‘প্যাপেইন’ নামক এনজাইম চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়। এতে করে চুলের আগা ফাটা সমস্যা দূর হয়। পদ্ধতিঃ পেঁপের খোসা ও বীচি ফেলে দিয়ে কেটে ছোট ছোট কিউব করে নিন। এর একে ব্লেন্ডার অথবা ফুড প্রসেসরে দিয়ে পিষে ফেলুন। এরপর এতে টক দই খুব ভালো ভাবে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। তারপর পেস্টটি চুলে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রাখুন। ৪৫ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ভালোভাবে চুল ধুয়ে নিন। খুশকি দূর করতে লেবুর খোসা লেবুর খোসায় রয়েছে আলফা ও বিটা ক্যারোটিন ও লুটেইন। এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমূহ মাথার ত্বক থেকে খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। পদ্ধতিঃ ৩/৪ টি লেবুর খোসা ছাড়িয়ে নিন। খোসাগুলো ৪-৫ কাপ পানিতে ২০-২৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে চুল ধোয়ায় ব্যবহার করুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার মিশ্রণটি দিয়ে চুল ধুয়ে দেখুন। ফল পাবেন। সূত্রঃ ফেয়ার নিউজ সার্ভিস স্বাস্থ্য ও ফিটনেস, লাইফষ্টাইল , খাবারদাবার,স্বাস্থ্য, #স্বাস্থ্য

শীতে ত্বকের যত্ন

শীতে ত্বকের যত্ন
শীতে ত্বকের যত্ন নিয়ে অনেকেরই নানা প্রশ্ন রয়েছে। কোন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন? কোনটি বেশি কার্যকর? আবার প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রেও রয়েছে কৌশল। কম দামেও হতে পারে শীতের প্রসাধনীর ব্যবস্থা। এসব অজানা তথ্যের উত্তর জানিয়েছেন দেশের এই প্রখ্যাত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ৪    হ্যালো! অধ্যাপক ডা. এম ইউ কবীর চৌধুরী বলছেন? =    জ্বি, বলছি... ৪    আমি সকালের খবর থেকে বলছি, আপনার সঙ্গে শীতের প্রসাধনী নিয়ে একটু কথা বলতে চাই। =    আচ্ছা, বলুন, কী জানতে চান? ৪    অধিকাংশ লোকেরই ধারণা, শীতে ত্বকের যত্নে নামিদামি প্রসাধনী খুবই দরকার। এ ধারণা কতটুকু সত্যি? =    আসলে সাধারণের এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায় অনেক ধরনের প্রসাধনী রয়েছে। সবারই কাজ একটা, তা হল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা। এই কাজটির পাশাপাশি কিছু কিছু প্রসাধনী ত্বকের বাড়তি যত্ন নিয়ে থাকে। যেমন কোনো কোনো প্রসাধনীতে থাকে সানস্ক্রিন, কোনোটায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো ত্বকের বাড়তি যত্ন নেয়। কিন্তু আর্দ্রতা রক্ষায় তেমন কোনো ভূমিকা রাখে না। তবে প্রায় সব প্রসাধনীরই মূল ভিত্তি বা বেস হচ্ছে অয়েল ইনগ্রেডিয়েন্ট বা তেলজাতীয় উপাদান। কাজেই সেগুলোও ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায় কিছুটা হলেও কাজ করে থাকে। আবার যেকোনো ক্রিম বা লোশন ব্যবহারে ত্বকের ওপর একটি আবরণের সৃষ্টি হয়, যা ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে সামান্য সানস্ক্রিনেরও কাজটি করে থাকে। কিন্তু শীতের কথা আলাদা। এখানে লক্ষ্য হচ্ছে, ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা। ত্বকের এই আর্দ্রতা রক্ষায় দামি প্রসাধনীর চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম দামি প্রসাধনীই অধিক কার্যকর। ৪    অপেক্ষাকৃত কম দামি প্রসাধনীর মধ্যে শীতে ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায় কোনটি বেশি কার্যকর বলে আপনি মনে করেন? =    চিকিত্সাবিজ্ঞানের মতে, ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায় সবচেয়ে কার্যকর উপাদান হচ্ছে গ্লিসারিন ও ভেসিলিন (যা পেট্রোলিয়াম জেলি নামেও পরিচিত)। ৪    এগুলো ব্যবহারের কোনো নিয়ম আছে কি? =    শীতে আর্দ্রতারোধক যেকোনো প্রসাধনী থেকে অধিক সুফল লাভের জন্য ব্যবহারগত কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হয়। কৌশলটি হল এগুলো ব্যবহার করতে হয় গোসলের পর কিংবা হাত-মুখ ধোয়ার পরপরই ত্বক সামান্য ভেজা থাকা অবস্থায়। এতে ভেজা ত্বকের আর্দ্রতা অনেকক্ষণ বজায় থাকে। ৪    কারও কারও ভেসিলিন মাখলে মুখে চাকার মতো র্যাশ ওঠে। তাদের ক্ষেত্রে করণীয় কী? =    এক্ষেত্রে সুগন্ধিবিহীন ভেসিলিন/গ্লিসারিন ব্যবহারে উপকার পাওয়া যেতে পারে। অথবা ডাভ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। ৪    শীতে শরীরের যেসব অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তা হল ঠোঁট। এই ঠোঁটের যত্নে কী করা যায়? =    শীতে ঠোঁট সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় থাকে। এ কারণে ঠোঁটের প্রতি একটু বেশি যত্নশীল হতে হয়। ঠোঁটের জন্য সবচেয়ে কার্যকর আর্দ্রতারোধক প্রসাধনী হল গ্লিসারিন কিংবা ভেসিলিন। প্রতিবার খাবার গ্রহণের পর, গোসলের পর কিংবা মুখ ধোয়ার পরপরই ঠোঁটে গ্লিসারিন কিংবা ভেসিলিন মেখে নিতে হবে। ৪    ব্রণের সমস্যার কারণে অনেকের ক্ষেত্রে শীতের প্রসাধনী ব্যবহারে সমস্যা দেখা দেয় অর্থাত্ ব্রণ বেড়ে যায়। এদের জন্য আপনার পরামর্শ কী? =    যাদের ব্রণ রয়েছে কিংবা যাদের মুখমণ্ডল এমনিতেই তৈলাক্ত, শীতে তাদের জন্য উপযুক্ত প্রসাধনীটি হতে হবে অপেক্ষাকৃত কম তৈলাক্ত উপাদানসমৃদ্ধ। এ ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-ই ক্রিম এবং ময়েশ্চারাইজার। ৪    সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। =    আপনাকেও ধন্যবাদ।অধ্যাপক ডা. এম ইউ কবীর চৌধুরী চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ সাক্ষাত্কার গ্রহণ : ডা. সজল আশফাক স্বাস্থ্য ও ফিটনেস, লাইফষ্টাইল , খাবারদাবার,

তের সাজের টিপস

20131127-182340.jpg বাংলাদেশে শীতে মৌসুমে সাধারণত অনুষ্ঠান-উৎসব বেশি হয়। আবহাওয়া অনেকটাই আরামদায়ক হওয়াতে বিয়ে-শাদিরও ধুম পড়ে। উপলক্ষ যাই হোক, উৎসবের জন্য চাই উৎসবমুখর সাজ। ওমেন্স ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার কণা আলম দিয়েছেন শীতের রুক্ষ আবহাওয়ায় সজীব সাজের নানা টিপস। শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক রুক্ষ হয়ে ওঠে। অনেকেরই ত্বক ফাটা বা খসখসে হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়। প্রকৃতিতে এ সময় ধুলাবালির রাজত্ব। তাই সাজগোজের আগে অবশ্যই ফেইসওয়াশ দিয়ে হাতমুখ খুব ভালোভাবে ধুয়ে নিন। সম্ভব হলে মৃদু স্ক্র্যাবার দিয়ে খুব ধীর ধীরে ঘড়ির কাঁটার দিকে ও বিপরীতে ত্বক ম্যাসাজ করুন। এতে মরা কোষগুলো উঠে যাবে। আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করুন। ১০ মিনিট বিরতি দিন। শুষ্ক পাউডার ব্যবহার না করে শীতে ফাউন্ডেশন হিসেবে অয়েল বেইজড ফাউন্ডেশন বা ক্রিমি ফাউন্ডেশন বেছে নিন। এতে ত্বক সতেজ লাগবে। ক্রিমি ফাউন্ডেশনের উপর আলতো করে ফেইস-পাউডার লাগিয়ে নিতে পারেন। তবে ত্বক বেশি শুষ্ক হলে এটা না দেওয়াই ভালো। এর পরিবর্তে গ্লিটার পাউডারও লাগাতে পারেন। উৎসবের সাজ গাঢ় করতে ব্লাশঅন ছাড়াও আলাদা করে দিতে পারেন গ্লিটার। তবে যদি ফেইস-পাউডারেই গ্লিটার থাকে তাহলে সাধারণ ব্লাশঅনটাই লাগাবেন। শীতে ঘামের ভয় নেই। তাই ইচ্ছেমতো মেকআপ করতে পারেন। দিনের বেলায় হালকা হলেও রাতে অবশ্যই গাঢ় মেকআপ করতে ভুলবেন না। স্মোকি করে চোখের সাজ করতে পারেন। আইশ্যাডো পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দিলেও কালো আর সোনালির ছোঁয়া রাখতে পারেন চোখে। চোখ সাজাতে কাজল যাদের পছন্দ, তাদের নিশ্চয়ই গরমের সময় কাজল সামলাতে বেগ পেতে হয়। শীতের সময় কাজল ছড়িয়ে পড়ার ভয় নেই। তাই এ সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেন। নীল, সবুজ, ময়ূর, কালো যে কোনো রং টানতে পারেন চোখের কোণে। আইলাইনার কাজল যাই দিন না কেনো, মাশকারাটাও দিতে ভুলবেন না। চোখের পাপড়িগুলো সাজিয়ে তুলতে মাশকারা ব্যবহার করুন। তবে পানিরোধক মাশকারা হলেই ভালো। শীতের সময় ত্বকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রুক্ষ হয় ঠোঁট। তাই ঠোঁটের নিয়মিত যত্ন নিন। সবসময় লিপবাম লাগান। শীতের লিপবামটা যেন সানস্ক্রিনযুক্ত হয়। ঠোঁট সাজাতে শীতে শুষ্ক লিপস্টিক বাদ দিয়ে লিপগ্লস বেছে নিন। ঠোঁটের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে অথবা হালকা গোলাপি একটি লিপগ্লস সবসময় ব্যাগেই রেখে দিতে পারেন। বেয়াড়া চুলগুলো শীতে ইচ্ছেমতো উড়তে দিতে পারেন। বছরের এ সময়ে নিশ্চিন্তে চুল খোলা রেখে ঘুরে বেড়ান। রং করা বা রিবন্ডিং যে রকমই হোক, চুলে রোদ প্রতিরোধক কন্ডিশনার ও জেল না লাগিয়ে বের হবেন না। কারণ শীতের মিষ্টি রোদও চুলের ক্ষতির কারণ হতে পারে। পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে চুল বাঁধতে পারেন। সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে করতে পারেন পনিটেইল। শাড়ির সঙ্গে খোঁপা করা যায়। আর তাতে শীতের কোনো রঙিন ফুল গুঁজে দিতে ভুলবেন না। সাজ পরিপূর্ণ। এবার মেতে উঠুন শীত উৎসবে। উৎসঃ বিডি নিউজ

এই সময়ে ত্বকের যত্ন

এই সময়ে ত্বকের যত্ন

শীত এসে গেছে প্রায়। শীতে ত্বকের পরিচর্যা একটু বেশিই করতে হয়। কারণ এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় ত্বক রুক্ষ হয় বেশি। আর তাই এখন থেকেই শুরু করুন ত্বকের পরিচর্যা। কীভাবে করবেন? সেই পরামর্শ দিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি। লিখেছেন— লাবণ্য লিপি শারমিন বলেন, ত্বকের ধরন বুঝে পরিচর্যা করতে হবে। তাই প্রথমেই বুঝে নিন আপনার ত্বকের ধরনটা কী। অর্থাত্ আপনার ত্বক তৈলাক্ত, শুষ্ক না মিশ্র প্রকৃতির। প্রত্যেক প্রকার ত্বকের যত্ন আলাদা। এবার চলুন জেনে নিই কোন ত্বকের পরিচর্যা কীভাবে করবেন— তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন তৈলাক্ত ত্বকের প্রধান সমস্যা ত্বকটা তেল চিটচিটে হয়ে থাকে। এছাড়া তৈলাক্ত ত্বক ব্রণপ্রবণও। তবে তৈলাক্ত ত্বকের সুবিধাও আছে। ত্বকের তেলভাবটা কন্ট্রোল করতে পারলে জেল্লাটা ফুটে ওঠে। এ ধরনের ত্বকে ক্লিনজিংয়ের পাশাপাশি টোনিং এবং ময়েশ্চারাইজিংও জরুরি। এক্ষেত্রে প্রোডাক্টগুলো অবশ্যই অয়েল ফ্রি হতে হবে। এছাড়া সপ্তাহে দুদিন অন্তত স্ক্রাবার দিয়ে ত্বক স্ক্রাব করুন। তবে ত্বকে ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করবেন না। আর যদি ঘরোয়া জিনিস দিয়ে পরিচর্যা করতে চান তাহলে ফল হচ্ছে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য আদর্শ। পাকা টমেটোর রস তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুব ভালো ময়েশ্চারাইজার। নিয়মিত লাগালে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে। কারণ এটা ত্বকের প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। ত্বক টোনড করতে মধু লাগান। এছাড়া থেঁতো আপেল, আনারস ও পাকা পেঁপের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। চন্দনের প্যাকও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। গোলাপ জলের সঙ্গে চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে লাগান। শুষ্ক ত্বকের যত্ন শুষ্ক ত্বক খুব সহজে আর্দ্রতা হারায় বলে এর জেল্লাভাবটা চলে যায়। ফলে ত্বকটা খুব ম্যারম্যারে ও নিষ্প্রাণ হয়ে যায়। এই ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখাটাই প্রথম চেষ্টা। শুষ্ক ত্বকের জন্য রোজ ক্লেনজার উপকারী। আর ঘরের জিনিস দিয়ে ক্লিনজিং করতে অলিভ অয়েলের সঙ্গে ডিমের কুসুম ও কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। অরেঞ্জ জুসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়েও ত্বক পরিষ্কার করা যায়। এ ধরনের ত্বকে ডিমের কুসুমের সঙ্গে আধা চা চামচ অলিভ অয়েল, আধা চা চামচ মধু, আধা চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে প্যাক হিসেবে সপ্তাহে এক দিন ব্যবহার করুন। মিশ্র ত্বকের পরিচর্যা এ ধরনের ত্বকের পরিচর্যা একটু কঠিন। কারণ এ ধরনের ত্বকের কোথাও তৈলাক্ত, কোথাও শুষ্ক। ভালো হয় হালকা কোনো ক্লিনজার নিয়ে প্রতিদিন নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করলে। ত্বক পরিষ্কার করার পর ত্বকের যে অংশগুলো শুষ্ক সেখানে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। ত্বক পরিষ্কার করতে সাবানের বদলে মৌসুমি ফলের রস ও ক্বাথ ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হবে। বিভিন্ন রকম সবজিও ব্যবহার করতে পারেন এ ধরনের ত্বক পরিচর্যায়। যেমন মিষ্টি কুমড়া সিদ্ধ চটকে তার সঙ্গে মধু, চিনি ও কাচা দুধ মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করুন। এতে ত্বকের ময়লা কাটবে এবং ত্বকের মরা কোষও চলে যাবে। #লাইফ ষ্টাইল, #খাবার দাবার, #স্বাস্থ্য, #স্বাস্থ্য ও ফিটনেস, #ফ্যাশন

খোঁচা খোঁচা দাড়ির গুণ!!

খোঁচা খোঁচা দাড়ির গুণ

খোঁচা খোঁচা দাড়ির গুণ
জীবনযাত্রা ডেস্ক • নারী বরাবরই শক্ত মানসিকতার পুরুষ ভালবাসে বলেই আমাদের জানা। আর পুরুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একগাল দাড়ি। যদিও সময়ের বিবর্তনে স্টাইল স্টেটমেন্টে ছেলেদের ক্লিন শেভই প্রধান্য পেয়েছে। এবার পুরুষের তথাকথিত ক্লিন শেভ প্রবণতাকে উড়িয়ে দিল অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তারা বলছেন, দাঁড়িসম্পন্ন পুরুষদের তুলনামূলক বেশি আত্মনির্ভরশীল বলে মনে করেন অধিকাংশ নারী। পাশাপাশি নিজেরাও তেমন পুরুষের সান্নিধ্যেই বেশি নিরাপদ বোধ করেন। সমীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা জানান, দাঁড়ি একজন পুরুষকে নারীর কাছে শ্রদ্ধার পাত্র করে তোলে। পাশাপাশি সেই পুরুষের মধ্যে সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী ভাব আনতেও সাহায্য করে দাঁড়ি যা মেয়েরা খুবই পছন্দ করে। তবে দাঁড়ি মানেই যে মেয়েরা ফিদা হয়ে যাবে এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই। অন্তত দশদিন অন্তর অন্তর দাঁড়ি ছাটতে হবে আপনাকে। অর্থাৎ দশদিনের খোঁচা খোঁচা দাড়ি রাখতে হবে। আর বড় দাড়ি রাখলে তা অবশ্যই হতে হবে পরিপাটি। ইভাল্যুয়েশন এন্ড হিউম্যান বিহেভিয়র নামক এক সাময়িকীতে প্রকাশিত এ সমীক্ষা ছেলেদের স্টাইল স্টেটমেন্টে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বয়সের ছাপ রুখতে হলে লক্ষ্য করুন

বয়সের ছাপ রুখতে হলে লক্ষ্য করুন
|ফারজানা তিথী| rupcare_antiaging0 চোখের তলায় ভাঁজ, বলিরেখা, খোলা রোমকূপ, নির্জীব ত্বক এসবই বয়সের ছাপের লক্ষণ। বয়স বাড়লে ত্বকে তার প্রভাব পড়বেই। তবে নিয়মিত পরিচর্যায় ত্বক সতেজ ও সুন্দর রাখা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে ত্বকের যত্ন না নিলে বেশি বয়সের অনেক আগেই ত্বকে বয়সের ছাপ দেখা যায়। তাই অবহেলা না করে শুরু থেকেই ত্বকের যত্ন নেয়া উচিত। প্রথমেই কী কী কারণে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে পারে এবং কীভাবে তা থেকে ত্বককে রক্ষা করবেন, সে ব্যাপারে ধারণা রাখুন। রোদ থেকে বাঁচুন rupcare_antiaging1ত্বকের সবচেয়ে ক্ষতি করে রোদ। সারাদিন বাইরে রোদের মধ্যে থাকলে, ইউভি রশ্মি থেকে সেল ড্যামেজ হয়। এজিংয়ের অন্যতম কারণ এই সেল ড্যামেজ। এর ফলে ত্বকের বিভিন্ন স্তর, বিশেষ করে সাপোর্টিভ লেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোদে বের হওয়ার অন্তত ২০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লাগাবেন। সমুদ্রের ধারে, বরফের জায়গায় সূর্যরশ্মি থেকে বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সাঁতার কাটার সময় বা সমুদ্রের ধারে বেড়াতে গেলে বা পাহাড়ে ঠাণ্ডা জায়গায় গেলে সঙ্গে অবশ্যই সানস্ক্রিন নেবেন। ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখুন rupcare_antiaging2 স্বাভাবিক ও শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য ময়েশ্চার খুব জরুরি। বেশিক্ষণ এয়ারকন্ডিশনে থাকলে আরো বেশি করে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা দরকার। অতিরিক্ত গরমে বা ঠাণ্ডায় ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়, ত্বক ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, বলিরেখা দেখা যায়। সাধারণত সাবান, পানি দিয়েই আমরা ত্বক পরিষ্কার করে থাকি। সাবান ব্যবহারের ফলে ত্বকের স্বাভাবিক অ্যাসিড ব্যালেন্স নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ফলে ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব দেখা যায়। শুষ্ক ত্বকের জন্য সাবানের বদলে ক্লিনজিং জেল ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের ওপর জমে থাকা ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করে দেয়। দিনে দুবার ত্বক পরিষ্কার করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করা খুবই জরুরি। ত্বকের পুষ্টি বা নারিশিং নিশ্চিত করুন rupcare_antiaging4ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখার জন্য নারিশিং জরুরি। শুষ্ক ত্বক ভালো রাখার জন্য নাইট কেয়ার রুটিন মেনে চলুন। আপনার নারিশিং ক্রিমের উপকরণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন, এনজাইম ইত্যাদি রয়েছে কি না দেখে নিন। নজর দিন ত্বকের সব জায়গাতেই rupcare_antiaging5স্ক্রিন কেয়ার রুটিনে ত্বকের বিশেষ অংশগুলোর দিকে নজর দিতে ভুলবেন না। ঘাড়, চোখ ও হাতের অংশে সহজে বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে। ফোলা চোখের সমস্যা কমাতে বরফ ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা দুধ চোখের পাতার ওপর ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। যেহেতু শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় হাতে অনেক আগেই বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করে, তাই বাসন ধোয়া, কাপড় কাচার সময় রবার গ্লাভস পরতে পারেন। গোসল বা বাড়ির কাজ করার পর হাতে ভালোভাবে ক্রিম ম্যাসাজ করে নিন। দুই টেবিল চামচ চিনি, কয়েক ফোঁটা তেল, লেবুর রস হাতে নিয়ে ভালো করে ঘষে নিন।

ত্বক ফরসায় ‘ম্যানেজ’ ব্যবসা

ফরসা হতেই হবে। কুচকুচে কালো কিংবা শ্যামলা হলে চলবে না, ফরসাই হতে হবে। তাছাড়া বাবা-মা কিংবা পাত্র-সবারই চিন্তা থাকে ফরসা কোনো মেয়ের। আর এ ধারণার ওপর নির্ভর করে এখন ত্বক ফরসা করা ক্রিম বা লোশনের বাজার রমরমা। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে মেয়েদের মাঝে এ ক্রিম ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। কিন্তু সত্যিই কি এ ক্রিমে ত্বক ফরসা হয়? মানুষের এ অসহায়ত্ব পুঁজি করে রাতারাতি ত্বক ফরসা করার প্রলোভন দেখিয়ে হরেক নামের প্রসাধন সামগ্রী বাজারে ছেড়ে তাদের বিপদে ঠেলে দিচ্ছে কিছু প্রতারক চক্র। নামি-দামি তারকা দিয়ে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাজার ধরতে মরিয়া তারা। অল্প সময়ে ‘ভেলকি’ দেখাতেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারকরা। এছাড়া ত্বক ফরসা করা ক্রিমের বিজ্ঞাপনগুলো এমন, সেখানে বলাই থাকে ভালো চাকরির জন্য চাই ‘সাদা ত্বক’। আর তাই ব্যবহার করা উচিত এ ক্রিম। অথবা আপনার যে যোগ্যতাই থাক না কেন, যদি ত্বক ফরসা করতে পারেন, তবে আত্মবিশ্বাস সে কোনো বিষয়ই নয়। আর তাই সাক্ষাৎকার দেয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই কালো মেয়েরা ব্যবহার করুন ত্বক ফরসা করা ক্রিম। এছাড়া যদি বিয়ের প্রশ্ন আসে, তবে তো কথাই নেই। ছেলেদের একদিকে যেমন পছন্দ ফরসা মেয়ে, তেমনি বাবা-মাও চিন্তায় পড়েন, কীভাবে কন্যাকে আরো ফরসা করে তোলা যায়। তখন উপদেশ আসে, ত্বক ফরসাকারী ক্রিম ব্যবহারের। অবশ্য সব দিক বিবেচনা করে বলা যায়, বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলো মানুষের ধ্যান-ধারণা এবং মানসিকতাকে পুঁজি করে চালাচ্ছে এ ব্যবসা। মুদি দোকানেও মেলে এসব পণ্য। আর কসমেটিকস দোকানের বাইরে বিউটি পার্লারগুলো বিশেষ টার্গেট। বিএসটিআই, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ঢিলেঢালা অভিযানের সুযোগে পার পেয়ে যান এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা। অভিযোগ রয়েছে, অনেককে ‘ম্যানেজ’ করেই চলে রকমারি এ ব্যবসা। এমনকি দেশি-বিদেশি নামি-দামি পণ্যের নকল পণ্য তৈরি ও বাজারজাতের সঙ্গেও একই চক্র জড়িত বলে একাধিক সূত্র দাবি করেছে। এসব ক্রিম ব্যবহারে অল্প সময়ে ত্বকের পরিবর্তন ঘটলেও কিডনি, হাত-পা অবশ হওয়া, গর্ভবতী মায়ের সন্তানের মস্তিষ্ক গঠন বাধাগ্রস্ত হওয়া, প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্ম, মুখমণ্ডলের ত্বক পুড়ে যাওয়া এবং চর্মসহ নানা রোগে, এমনকি ক্যান্সারেও আক্রান্ত হচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। বিএসটিআই সূত্র মতে, মেয়াদোত্তীর্ণ ক্রিম কিনে সাদা কৌটায় ভরে বিউটি পারলারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি করা হয় এসব। অনেক সময় ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি, পন্ডস ও নোভা ক্রিম একসঙ্গে মিশিয়ে নতুন নামে বিক্রি করা হয়। নামি-দামি এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোম্পানিগুলোর ক্রিমও নকল হচ্ছে। অধিকাংশ হারবাল প্রসাধনী কোম্পানির নেই কোনো একাডেমিক স্বীকৃতি, নেই কোনো লাইসেন্স। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক জরিপে বলা হয়েছে, শতকরা ৪৫ ভাগ প্রসাধন পণ্যের বিএসটিআইয়ের সনদ নেই, ৭৫ ভাগ পণ্যের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা নেই। নগরীর ভেজাল প্রসাধনী সামগ্রীর পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রিমের মধ্যে নিভিয়া লোশন, ডাভ লোশন, লাক্স লোশন, মাস্ক লোশন, অ্যাকুয়া মেরিল লোশন, ফেডআউট ক্রিম, ওলে ক্রিম, গার্নিয়ার লোশন, জার্জিনস লোশনের নকল পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। আসলের মতো দেখতে কিন্তু নকল বা ভেজাল প্রসাধনী পণ্য তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন কায়দায়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ জানান, ভেজাল প্রসাধন ব্যবহারে ত্বকের সাধারণ লাবণ্য নষ্ট হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে ডারমাটাইসিস হয়। এতে চামড়া লাল হয়ে যায়। পরে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন তৈরি করে। ভেজাল প্রসাধন ব্যবহারে ত্বকে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ঘরে বসে হোয়াইটেনিং ফেসিয়াল

বোনো Bonoপার্লারগুলোতে একটা হোয়াইটেনিং ফেসিয়াল করাতে ১২০০-১৮০০ টাকা ব্যয় করতে হবে প্রতি বারেই, যা অনেকের জন্যই অনেকটাই ব্যয়বহুল। তাই আজ আপনাদের জানাচ্ছি জাফরানের সাহায্যে হোয়াইটেনিং ফেসিয়াল করার পদ্ধতি। ০১ ক্লিনজিং শুরুতেই সমস্ত মুখমন্ডল ভালো কোন ব্র্যান্ডের ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। বাজারের পণ্য ব্যবহার করতে না চাইলে তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা শশা ও শুষ্ক ত্বক হলে কাঁচা দুধ দিয়ে এ কাজটি সেরে নিতে পারেন । ০২ এক্সফ্লোয়েশনঃ ছোট ছোট দানাযুক্ত ফেস ওয়াস বা স্ক্রাবার দিয়ে সমস্ত মুখ ধুয়ে নিন কিংবা প্রাকৃতিক উপাদান চাইলে ১/২ কাপ আতপ চালের গুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ টমেটোর রস ও কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখের ত্বকে হালকা হাতে স্ক্রাব করে নিন। ০৩ স্টিম ফেসিয়ালের ক্ষেত্রে স্টিম বেশ জরুরী। এটি লোমকূপ খুলতে সাহায্য করে এবং ত্বককে গভীর থেকে পরিষ্কার করে। প্রথমে খুব অল্প পরিমাণ বাদাম তেল সারা মুখে মালিশ করে নিন। তারপর বাজারের পাওয়া যায় এমন স্টিমারের সাহায্যে স্টিম নিন অথবা যে কোন গরম পানির পাত্রে পাতলা কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে তার ভাপ নিতে পারেন। ০৪ ব্ল্যাক হেড পরিষ্কারকরণ একটা ব্ল্যাক হেড পরিষ্কারক যন্ত্রের সাহায্যে ব্ল্যাক হেড গুলো পরিষ্কার করে নিন। যেহেতু লোমকূপ খোলা আছে তাই যন্ত্রের হালকা চাপেই উঠে আসবে ব্ল্যাক হেড । ০৫ টোনিং অনেকেই ভেবে থাকে এর হয়ত প্রয়োজন নেই। কিন্তু এ ধারণা ভুল। যেহেতু স্টিমের মাধ্যমে লোমের গোড়া খোলা হয়েছে টোনিং এ তা বন্ধ করা জরুরী; নয়ত খোলা পোর দিয়ে ময়লা ঢুকে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে। বাজারের টোনারে অনীহা থাকলে গোলাপ জল লাগিয়ে নিন। ০৬ মাস্ক এবার হচ্ছে আসল কাজ; হোয়াইটেনিং মাস্কের ব্যবহার। আপনারা অনেকেই হয়ত জানেন জাফরানের উপকারী দিক সমূহ। তাহলে এটাও জেনে থাকবেন যে জাফরানে আছে হোয়াইটেনিং প্রোপার্টি, যা ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। উপকরণঃ - ৫-৬ টা জাফরানের আঁশ - ১/২ কাপ টক দই/দুধ/দুধের সর - ২-৩ টা গোলাপের পাপড়ি, - ১ টেবিল চামচ চন্দন/মুলতানি মাটি/নিমের(স্পর্শকাতর ত্বক হলে) গুঁড়ো , - ১ টেবিল চামচ গোলাপ জল । প্রস্তুত প্রণালীঃ জাফরান গুলো তরল দুধে ২-৩ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন; যতক্ষণ না এর রঙ হলুদাভ হয়। এবার গোলাপের পাপড়িগুলো ভালো করে ধুয়ে নিন। তারপর পাপড়িগুলোর পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার একে একে দুধ-জাফরান, গোলাপ পেস্ট, মুলতানি গোলাপ জলে গুলিয়ে রাখুন। সুন্দর পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে মুখের ত্বকে লাগিয়ে ২০-২৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে কলের ঠান্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ০৭ ময়েশ্চারাইজেশন সব শেষে ভালো একটি ময়েশ্চারাইজার দিয়ে ত্বকের আর্দ্রতায় তালা লাগিয়ে দিন। এবার আয়নায় আপনার চেহারাটি মিলিয়ে নিন, নিজেই অবাক হয়ে যাবেন ত্বকের জেল্লা দেখে। হোয়াইটেনিং ফেসিয়ালের ফলে আপনার ত্বকে আসবে এক অদ্ভুত সুন্দর আভা ও দ্যুতি আর মেক-আপের ভরিক্কি ভাব যাবে কমে। সেই সাথে মেক-আপ বসবে নির্ঝঞ্ঝাটে।

ত্বকের যৌবন ধরে রাখুন ৭টি ধাপে

ত্বকের যৌবন ধরে রাখুন ৭টি ধাপে
কেউ কি চায় বুড়ো হতে? বয়সের কারণে কপালে, চোখের নিচে ও ঠোঁটের পাশে দৃশ্যমান ভাঁজ গুলো যেন রীতিমত মূর্তিমান আতংকের নাম। তবে বয়স ধরে রাখা না গেলেও বয়সের ছাপ কিন্তু ধরে রাখা সম্ভব কিছুটা হলেও। একটু চেষ্টা করলেই আপনি আপনার চেহারার বয়স অন্তত ১০ বছর কমিয়ে রাখতে পারবেন। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক ত্বকে বয়সের ছাপ রোধ করার উপায় গুলো।

তিলের তেল

ত্বকে বয়সের বলিরেখা রোধ করতে এক বোতল তিলের তেল কিনে ফেলুন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে তিলের তেল ম্যাসাজ করুন মুখে। এরপর ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তিলের তেলের ম্যাসাজ মুখে রক্ত চলাচল বাড়াবে এবং ত্বক স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তুলবে। তিলের তেল প্রাকৃতিক ভাবেই ত্বকের মরা চামড়া তুলে ফেলবে এবং ত্বকে যৌবন ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

ময়েশ্চারাইজার

প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর কোনো ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন সারা মুখে। ত্বক তৈলাক্ত হলে অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এভাবে প্রতিদিন রাতে ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে ঘুমালে ত্বক দীর্ঘদিন সজীব ও সতেজ থাকবে।

পানি পান

ত্বকের যৌবন ধরে রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার বিকল্প নেই। শরীরে প্রয়োজন অনুযায়ী সব সময় পর্যাপ্ত পরিমানে পানি খেলে ত্বক সজীব থাকে এবং বয়সের ছাপ কম দেখা যায়।

চিনি ত্যাগ

বেশি বেশি মিষ্টি খাবার ও চিনি খেলে ত্বক তাড়াতাড়ি বুড়িয়ে যায়। অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার গ্রহণ করলে ত্বকে বলিরেখা পরে যায় সময়ের আগেই। তাই ত্বকের সতেজতা ধরে রাখতে চিনি জাতীয় খাবার পরিত্যাগ করুন। বরং ত্বকের স্ক্র্যাবার হিসেবে চিনি ব্যবহার করতে পারেন।

ঘুম

নিয়মিত অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুমালে ত্বকে বয়সের ছাপ দেরীতে পরবে। ঘুমের অভাব হলে ত্বক ক্লান্ত দেখায় এবং বয়সের ছাপ বেশি বোঝা যায়। নিয়মিত নিদ্রাহীনতার ফলে বয়সের আগেই ত্বকে বলিরেখা পরে যায়। তাই সতেজ ও বলিরেখা মুক্ত ত্বকের জন্য ঘুমের বিকল্প নেই।

আই ক্রিম

বয়সের ছাপ সবার আগে পরে চোখের আশেপাশের ত্বকে। চোখের কোনায় কুঁচকে যাওয়া, চোখের নিচে কালি ও ভাঁজ ইত্যাদি সমস্যার কারণে ত্বকের বয়স বেশি দেখায়। তাই প্রতিদিন চোখের মেকআপ ভালো করে তুলে ফেলুন আই মেকআপ রিমুভার দিয়ে। আর প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ভালো ব্রান্ডের আই ক্রিম ব্যবহার করুন। তাহলে চোখের আশে পাশের ত্বকে বয়সের ছাপ দেরীতে পরবে।

ফল

প্রতিদিন খাবার তালিকায় অন্তত একটি করে ফল রাখুন। ফলে প্রচুর ভিটামিন আছে যা আপনার ত্বককে পুষ্টি যোগাবে এবং যৌবন ধরে রাখবে দীর্ঘদিন।
Nusrat Sharmin Liza's picture
Nusrat Sharmin Liza । প্রিয়বাংলা

রূপচর্চা শুধু নারীদের কাজ, পুরুষের আবার রূপচর্চা কিসের!

পুরুষের ত্বক ও পায়ের যত্ন
ঢাকা: অফিসিয়াল কাজ অথবা যেকোনো প্রয়োজনে প্রতিদিনই বাড়ির বাইরে বের যেতে হয় পুরুষদের। আর বাইরে বের হওয়া মনেই সূর্যের রশ্মি, ধূলাবালী ইত্যাদিতে ত্বকের ক্ষতি। কিন্তু অনেক পুরুষই নিজের ত্বক সম্পর্কে তেমন সচেতন বা যত্নবান নন। অনেকের ধারণা রূপচর্চা শুধু নারীদের কাজ, পুরুষের আবার রূপচর্চা কিসের! শুধু ফর্সা হওয়ার জন্য নয়, ত্বককে সতেজ, প্রাণবন্ত ও নানা রকম সমস্যা থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজন এর সঠিক যত্ন। যেটা নারী পুরুষ উভয়ের বেলাই প্রযোজ্য।
ত্বকের বিভিন্ন ধরণ থাকে। ধরণ বুঝেই এর যত্নে নিতে হয়। নারীদের পাশাপাশি বর্তমানে পুরুষরাও পার্লারমুখী হচ্ছেন। আর তাই রাজধানীসহ দেশের নানা জায়গায় গড়ে উঠছে পুরুষদের পার্লার। এখানে আপনি অল্প সময়েই নিয়ে নিতে পারেন ত্বকের যে কোনো সেবা। নিতে পারেন নানা ধরনের ফেসিয়াল ও ম্যাসাজ। এরপরও যদি ঘরে একটু সময় করে নিজেই নিজের যত্ন নিতে চান তাহলেতো মন্দ হয় না। সচেতন সেই সব পুরুষদের আজ রইলো ফুট স্পা ও ত্বকের যত্নের কিছু টিপস। ত্বকের টিপস: তৈলাক্ত ত্বকে সাধারণত ব্রণ ও ব্ল্যাকহেডস বেশি হয়। ফলে বিশেষ যত্নের প্রয়োজন আছে। ভালো ক্লিনজিং জেল কিংবা তৈলাক্ত ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট বিশেষ ধরনের সাবান দিয়ে দিনে দু’বার মুখ ধোয়া উচিত। এতে মুখের ত্বকের ওপর জমে থাকা অতিরিক্ত তেল-ময়লা ধুয়ে যাবে। তৈলাক্ত ত্বকে বেশি আফটার শেভিং লোশন ব্যবহার করবেন না। মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর অভ্যাস থাকে থাকলে অল্প পরিমাণে লাগান, মুখের ত্বক যেন তেলতেলে ভাব হয়ে না থাকে। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে ত্বককে মূলত পরিষ্কার ও তেল-ময়লাহীন রাখতে হয়। মাসে একবার সেলুনে গিয়ে ফেসিয়াল করাতে পারেন। এটি ত্বকের গভীরে জমে থাকা টক্সিন বের করে ত্বককে করে তোলে প্রাণবন্ত। ওজোন ট্রিটমেন্ট তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপযুক্ত। পুরুষের ত্বক পরিচর্চার ব্যাপারে গ্লোরিয়াসের কর্ণধার শান্তনা রহমান বলেন, ‘ত্বকের যত্ন আসলে নারী-পুরুষ উভয়েরই প্রয়োজন। পার্লারে আসার যদি সময় না থাকে তাহলে ঘরে বসেই একটু সময় নিয়ে হাত, পা ও মুখের যত্ন নেয়া যায়। এক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের প্রশাধনী ব্যবহার করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘ছেলেদের বেশিরভাগ সময়ই মোজা-জুতা পরে থাকতে হয়। এসময় পা প্রচুর ঘামে ও মোজা থেকে গন্ধ বের হয়। তাই প্রতিদিন ধোয়া মোজা পরতে হবে এবং ঘুমানোর আগে পা অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে লোশন লাগাতে হবে। আর ঘরে বসেই যদি শেভ করা হয় তাহলে আগে রেজরটি পানিতে ফুটিয়ে নেয়া ভালো। এক রেজর বেশিদিন ব্যবহার করার অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিতে হবে। আরেকটি কথা। অনেকেই বাইরে থেকে এসে আলসামো করে মুখ ধুতে দেরি করে বা মুখ ধুলেও ফেসওয়াস ব্যবহার করে না। এতে ত্বকে ময়লা জমে ব্রণ হয়। তাই বাইরে থেকে এসেই প্রথম কাজ হবে ভালো কোনো কোম্পানির ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নেয়া।’ পায়ের যত্ন: বাড়িতেও বসে পায়ের যত্ন নেয়ার জন্য একটু সময় বের করে ফুট স্পা করতে পারেন। এ জন্য আপনাকে বেছে নিতে হবে শান্তি নিরিবিলি কোনো জায়গা। সেই সঙ্গে হালকা মিউজিক ও কিছু সামগ্রী। মিউজিকের ব্যবহার আপনার ফুট স্পার অভিজ্ঞতায় ভিন্নমাত্রা যোগ করতে পারে। সফট ইন্সট্রুমেন্টাল মিউজিক এ ক্ষেত্রে একেবারে পারফেক্ট। একটি গামলায় উষ্ণ পানি নিয়ে তাতে ল্যাভেন্ডার অথবা রোজ অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল ও লবণ মিশিয়ে নিন। পায়ের জন্য একটি স্ক্রাব তৈরি করে রাখুন। এ জন্য ওটমিল, শুকনো কমলালেবুর খোসা, লেবুর রস, অল্প চিনি, লবণ, সানফ্লাওয়ার তেল মিশিয়ে একটি স্ক্রাব তৈরি করুন। স্পা, ফিলিং পাওয়ার জন্য গোলাপ অথবা অন্য কোনো ফুলের পাঁপড়ি দিয়ে ১৫ মিনিট ওই পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন। সানফ্লাওয়ার তেলের পরিবর্তে তিলেরতেল অথবা অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাবের উপকরণ ভালো করে মিশিয়ে পায়ের ওপর লাগান। ১৫ থেকে ২০ মিনিট হালকা ম্যাসাজ করুন। পায়ের গোড়ালির প্রতি বেশি যত্নশীল হবেন। পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার পর ক্রিম দিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করুন। ভেজা টাওয়েল দিয়ে অতিরিক্ত ক্রিম মুছে নিন।কাজল কেয়া, নিউজরুম এডিটর, বাংলামেইল২৪

ঈদের দিনের রূপ চর্চায় বিউটি পার্লারে রমণীরা

ঈদের দিনের রূপ চর্চায় বিউটি পার্লারে রমণীরা রাবেয়া বেবী beauty-parlor-in-dhaka-ekush.info কেনাকাটার পাট চুকিয়ে রমণীরা এখন ঈদের দিনের রূপচর্চার জন্য বিউটি পার্লার মুখো হচ্ছেন। এক মাস সিয়াম সাধনা আর ঈদের জন্য কেনাকাটা করতে যে ক্লান্তির ছাপ তাদের চেহারায় পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে তারা রূপ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হচ্ছেন। রূপ বিশেষজ্ঞরা তাদের ত্বক, চুল, হাত-পায়ের যত্ন নিতে ব্রাইটনিং, গ্লো, ব্রাইট কালার, ফেয়ার পলিশ, সাইন অ্যান্ড ব্লু, ইন্সট্যান্ড ব্লু প্রভৃতি ফেসিয়াল, পেডিকিউর, মেনিকিউর, হেয়ার ট্রিটমেন্ট, বিভিন্ন রকমের হেয়ার কাট নেয়ার সাজেশন দিচ্ছেন। গতকাল ধানমন্ডি, গুলশান, বনানী, উত্তরাসহ নগরীর বিউটি পার্লারগুলোতে সব বয়সের নারীদের ভিড় দেখা গেছে। কার জন্য কি রোজায় পানির ঘাটতি হয় শরীরে। সৌন্দর্যে প্রথম ধাপ পানি পানের পরামর্শ দেন রূপ বিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন মিউনি। তিনি বলেন, যাদের রঙ একটু চাপা তাদের সিলভার ফেসিয়াল আর উজ্জ্বল রঙের নারীরা গোল্ডেন ফেসিয়াল করলে ঈদের দিনে লাবণ্যময় একটা সৌন্দর্য ফুটে উঠবে। শুষ্ক ত্বকের জন্য সিউইড, সেরো, গার্ভানিক-ফেসিয়াল করার পরামর্শ দেন রূপ বিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান। তৈলাক্ত ত্বকের নারীরা এলোভেরা, অক্সিব্রাইটং, ফেসিয়াল করলে ভাল লাগবে। এতে ত্বকের রঙ যেমন ফুটবে, তেমন লাবণ্যময় ভাবটা থাকবে কয়েকে দিন। মিশ্র ত্বকের মেয়েরা লাবণ্যময় সৌন্দর্যের জন্য ব্রাইটনিং, গ্যালভানিক সব রকমের ফেসিয়াল করলে ভাল ফল পাবেন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসিয়াল করলে ঈদের দিন মেকাপটা সুন্দর বসে যাবে এবং ন্যাচারাল একটা লুক থাকবে। ঠিক কতদিন আগে রূপর্চচার জন্য বিউটি পার্লারে আসতে হবে এমন প্রশ্নের জবাবে রূপ বিশেষজ্ঞ ফারজানা শাকিল বলেন, ১৫ দিন আগে হেয়ারকাট আর ২/১ দিন আগে ফেসিয়াল করবেন। ঈদ উপলক্ষে নতুন কিছু ফেসিয়াল ঈদ উপলক্ষে নগরীর স্বনামধন্য বিউটি পার্লারে বেশ কিছু নতুন ফেসিয়াল চালু করা হয়েছে। তার মধ্যে ব্রাইটনিং, গ্লো, সাইন অ্যান্ড ব্লু, ইন্সট্যান্ট ব্লু প্রভৃতি ফেসিয়াল ছাড়াও আছে আয়ুর্বেদিক ব্লোইং, আয়ুর্বেদিক পিগমেন্ট, স্পা অ্যান্ড শাইনিং, ফেসিয়াল। আরো আছে কিছু প্যাকেজ অফার। খরচ:চুল কাটতে খরচ পড়বে ৩৫০ টাকা থেকে ২৫শ টাকা পর্যন্ত। ফেসিয়াল করতে খরচ হবে ৪৫০ টাকা থেকে ২৫৫০ টাকা পর্যন্ত। আইব্রো ৩৫- ৫০ টাকা। ঈদের আগে দিন মেয়েরা মেহেদী পরতে ভিড় করেন বিউটি পার্লারে। মেহেদী লাগাতে খরচ পড়বে ২শ টাকা থেকে শুরু করে ৬শ টাকা।

ঈদে মেহেদি রাঙা রঙিন হাত

মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত মেহেদি রাঙা রঙিন হাত একটি দৃশ্য আজকাল ঈদের আগের দিন বেশ চোখে পড়ে। শহরের বিভিন্ন রূপচর্চাকেন্দ্র থেকে দল বেঁধে মেয়েরা হাতে মেহেদি লাগিয়ে বের হচ্ছে। ঈদের আগের দিন মেহেদি লাগানোর এই চল বহু আগে থেকেই চলছে। শুধু যে রূপচর্চাকেন্দ্রগুলোতেই মেহেদি লাগানো হয়, তা নয়। ঈদের চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে বাড়িতে মেয়েরা হাতে মেহেদি লাগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ছোট কি বড়-সবার মধ্যেই ঈদের আমেজ এনে দেয় মেহেদি। বছরের পর বছর ধরে চলে আসা এই মেহেদি কি একই রকমভাবে লাগানো হবে এবার, নাকি কোনো নতুন ট্রেন্ড এসেছে কিউবেলার রূপবিশেষজ্ঞ ফারজানা আরমান বলেন, এবার যেহেতু লম্বা কামিজের সঙ্গে লম্বা হাতার চল। ফলে কনুই পর্যন্ত মেহেদি না পরাই ভালো। কালো মেহেদি হাতের তালুতে না দিয়ে ওপরে দিতে পারেন। কালো মেহেদির ক্ষেত্রে জ্যামিতিক নকশা চলছে।জ্যামিতিক ছাড়াও একটু চেক ধাঁচের, কোনাকুনি নকশাও চলবে। তবে লাল মেহেদি যেকোনো নকশা করেই দিতে পারেন। মেহেদি বাই শঙ্খ-এর স্বত্বাধিকারী সায়মা ফেয়রুজ বলেন, ঈদের মেহেদি কখনোই বিয়ের কনের মেহেদির মতো করে দেওয়া ঠিক নয়। দুটিতে ভিন্নতা থাকাই তো ভালো। হাতের ওপরে খুব ঘন করে না দিয়ে হালকা করে দিতে পারেন। আর তালুতে ইচ্ছা করলে ঘন নকশা করে মেহেদি দেওয়া যেতে পারে।মেহেদির নকশায়ও ফিউশন এসেছে। ফুলেল নকশা যেমন চলছে, তেমনি ক্যালিগ্রাফি ধাঁচের নকশাও পছন্দ করছেন কেউ কেউ। এমনটাই জানা গেল সায়মা ফেয়রুজের কাছে। বাজারে নানা ধরনের মেহেদি পাওয়া যায়। দ্রুত রং পাকা হওয়ার জন্যও বিশেষ মেহেদি আছে। এসব মেহেদিতে রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া থাকে। যাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে, তাঁরা মেহেদি ব্যবহারের আগে হাতের কোনাই একটু দিয়ে পরীক্ষা করে নেবেন। কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে মেহেদি এড়িয়ে চলা ভালো।তবে ট্রেন্ড ধরেই মেহেদি দিতে হবে, তা নয়। চিরায়ত নকশা-হাতের তালুতে ছোট গোল ও আঙুলের অর্ধেক পর্যন্ত মেহেদি দিতে পারেন। কম বয়সী মেয়েরা মেহেদি দিলেও নখে উজ্জ্বল রঙের নেইলপলিশ পরলে হাত আকর্ষণীয় দেখাবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের বিভিন্ন মেহেদি পাওয়া যায়। এসব মেহেদির দাম পড়ে ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত। আর একেক রূপচর্চাকেন্দ্রে একেক দামে মেহেদি পরানো হয়। সেটি নকশা ও হাতে কতটুকু দিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে। আর মেহেদি পাতা পাওয়া যায় প্রায় সব কাঁচা বাজারেই। বাজার থেকে মেহেদি পাতা কিনে এনে বেঁটেও মেহেদি পরতে পারেন। জেনে নিন টুকিটাকি ১. হাতে লোম থাকলে মেহেদি পরার আগে ওয়াক্সিং করিয়ে নিতে হবে। ২. মেহেদি লাগানোর আগে হাত ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। ময়েশ্চারাইজার বা লোশন জাতীয় কিছু লাগাবেন না। ৩. রোদে পড়া দাগ ত্বকে থাকলে ফেয়ার পলিশ করে নিতে হবে। ৪. মেহেদি শুকিয়ে যাওয়ার পর হালকা করে ঝরিয়ে নিন। ন্যূনতম ১২ ঘণ্টা হাতটিকে পানিমুক্ত রাখুন। অতিরিক্ত সাবান, শ্যাম্পু লাগলেও রঙের উজ্জ্বলতা কমে যেতে পারে। তাই কিছুদিন হাত দুটিকে সাবধানে রাখুন। ৫. বাটা মেহেদির সঙ্গে খয়ের দিলে রঙ আরো গাঢ় হয়। টিউব মেহেদির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে নিলে রঙ সুন্দর হয়। ৬. মেহেদি ওঠানোর পর হাতে তেল ঘষে নিতে পারেন। এতে দীর্ঘস্থায়ী হবে রঙ। ৭. পাশাপাশি রঙ গাঢ় করতে মেহেদি তোলার পর লেবুর রস দিন বা অল্প আঁচে আগুনের ওপর ধরুন।

MOST POPULAR

HOT NEWS

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.