লস এঞ্জেলেসবাসী সোনালী এক্সচেঞ্জ বন্ধের সঠিক তদন্ত চায়

0
7

লস এঞ্জেলেসে প্রাইভেট ব্যাংকে বিতর্কিত ব্যক্তির নিয়োগ নিয়ে কমিউনিটিতে আলোচনা
Sonali Exchange লস এঞ্জেলেসবাসী সোনালী এক্সচেঞ্জ বন্ধের সঠিক তদন্ত চায়গত ১৯ জানুয়ারী স্থানীয় বাংলাদেশী রেস্টুরেন্টে স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীজনদের সাথে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন
ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি সোহেল রহমান বাদল।

আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং অঙ্গনে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জ কোম্পানী ইনকর্পোরেটেড (SECI) নামে একটি পূর্ণাঙ্গ সাবসিডিয়ারী কোম্পানী স্থাপন করা হয়। ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে উক্ত এক্সচেঞ্জ কোম্পানীর ৯টি শাখা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা সোনালী এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে গত ১৭ বছরে আনুমানিক ২.৩ বিলিয়ন ডলার তথা ১৯ হাজার কোটি টাকার রেমিটেন্স বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। ১৯ লাখ একাউন্টে ৯টি শাখা থেকে রেমিটেন্স পাঠানো হয়েছে। মিশিগান, নিউজার্সী, আটলান্টা, ব্রুকলীন, জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, এস্টোরিয়া, ওজনপার্ক এবং ম্যানহাটানে এগুলো অবস্থিত।
Sohel Rahan Badal Ekush
সোনালী এক্সচেঞ্জের লসএঞ্জেলেস শাখা নানা জটিলতায় প্রায় তিন বছর আগে বন্ধ হয়ে গেছে। এক্সচেঞ্জটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় লস এঞ্জেলেস প্রবাসীরা এখন রিয়া ( হাঙ্গেরী থেকে আগত কোম্পানি), ওয়েষ্ট্রান ইউনিয়ন সহ অন্যান্য মানি ট্রান্সফার কোম্পানি ব্যবহার করছেন। একটি দেশীয় প্রাইভেট ব্যাঙ্কের মানি ট্রান্সফার ইউনিট ক্যালিফোর্ণিয়ার নিয়ম-কানুন মেনে সম্প্রতি লস এঞ্জেলেসে ব্যবসা খোলার অনুমতি পেয়েছে, যার শাখা নিউইয়র্কে কয়েক বছর আগে খোলা হয়েছে।

লস এঞ্জেলেসে সোনালী এক্সচেঞ্জ বন্ধ হয়ে যাবার পেছনে কারা দায়ী তা তদন্ত করার দাবী উঠেছে অনেক আগেই। সরকারী এই এক্সচেঞ্জটি বন্ধ করে দেবার পেছনে কি ফ্যাক্টর – কি অনিয়ম কাজ করছিল তা খুঁজে বের করার আগেই সেই সময়কার লস এঞ্জেলেসে সরকারীভাবে কর্মরত কর্মকর্তা কিভাবে নতুন প্রাইভেট এক্সচেঞ্জ খোলার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখে তা এখন সকল লস এঞ্জেলেসবাসীদের মনে সাধারন প্রশ্ন। এই প্রশ্ন তুলে ধরেন কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট সোহেল রহমান বাদল।

অবিলম্বে তিনি বাংলাদেশ সরকারের হস্তক্ষেপ কামনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্নরসহ প্রাইভেট ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সাথে যোগাযোগ করে বিতর্কিত ব্যক্তির নিয়োগ স্থগিত করার উদ্যোগের কথা জানান। তিনি অর্থমন্ত্রীর সাথে ও সরাসরি নেত্রীর সাথে এই ব্যাপারে যোগাযোগ করবার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন যে, সরকারীভাবে সোনালী এক্সচেঞ্জ বন্ধের কারণের পিছনে যদি বিতর্কিত ব্যক্তির উদাসীনতা বা অনিয়ম কাজ না করে থাকে তাহলে তিনি তাকে লস এঞ্জেলেসে স্বাগত জানাবেন।

ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রাইভেসী রক্ষায় এই মূহর্তে লস এঞ্জেলেসবাসী এই ব্যাপারে স্বচ্ছতার আলো দেখতে চায়।
ভিডিও হাইলাইটসঃ