যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ‘নাজুক’ মানবাধিকার

20140301-085733.jpg

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ‘নাজুক’ মানবাধিকার

ঢাকা: অনলাইনে মত প্রকাশে বাধা, যথেচ্ছ গ্রেপ্তার, অনুন্নত কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকারহীনতাসহ আরো কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকারের নাজুক পরিস্থিতি তুলে ধরেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় মানবাধিকার সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ২০১৩ সালের মানবাধিকার বিষয়ক এসব তথ্য তুলে ধরেন।

এছাড়াও বিচারবহির্ভূত হত্যা, গুম, বিচার বিভাগের দুর্বলতা, বিচারিক দীর্ঘসূত্রিতার বিষয় প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সংবিধানে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাংলাদেশে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ বন্ধ হয়নি।

দেশি-বিদেশি সংবাদপত্র ও মানবাধিকার সংগঠনের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ চলছে কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন ও হত্যার বিষয়টিও প্রতিবেদনে গুরুত্ব পায়।

নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ, শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ের বিষয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্রসহ সাংবাদিক নির্যাতন, সাগর-রুনী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত না হওয়া, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ ও বন্ধ করে দেয়াকে মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’ এর উদাহরণ তুলে ধরে বাংলাদেশে এনজিও এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কাজ করার প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবছর বার্ষিক মানবাধিকার উপস্থাপন করে থাকে।

বাংলামেইল২৪