যমুনায় রেলসেতু নির্মাণসহ ১২ প্রস্তাব অনুমোদন

অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় যমুনা নদীর উপর বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুর সমান্তরাল ডুয়েলগেজ ডাবল ট্র্যাক বিশিষ্ট রেলসেতু নির্মাণসহ ১২টি প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল মুহিতের সভাপতিত্বে গতকাল এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে যমুনা নদীতে রেলসেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, রেলসেতু নির্মাণে নদী শাসনে কোনো ব্যয় হবে না। যমুনা সেতুর জন্য যে নদী শাসন করা হয়েছে সেটার দৈর্ঘ্য হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ কিলোমিটার। সে কারণে যমুনা সেতুর খুব কাছাকাছি অবস্থানে এ রেলসেতুটি নির্মাণ করা হবে।

বৈঠকে পিপিপি’র আওতায় মোট ৯টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। এগুলো হচ্ছে যমুনা নদীর উপর ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ ঘাটে এমজি (বিজিএমএলএ স্ট্যান্ডার্ড) রেলসেতু নির্মাণ; খানপুরে একটি অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল (আইসিটি) নির্মাণ ও পরিচালনা; ধীরাশ্রম রেলওয়ে স্টেশনের কাছে একটি নতুন ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপো (আইসিডি) নির্মাণ; ঢাকা, চট্টগ্রাম, পাবনা, নীলফামারী ও খুলনায় রেলওয়ে হাসপাতাল উন্নীতকরণ; নতুন মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং ইনস্টিটিউট স্থাপনের অনুমোদন দেয়া হয়।

এছাড়া, কাপ্তাইয়ে অবস্থিত পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তিনটি (কর্ণফুলী টিম্বার এক্সট্রাকশন ইউনিট, প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সেলস অর্গানাইজেশন ও লাম্বার প্রসেসিং কমপ্লেক্স) রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণ তালিকা থেকে প্রত্যাহার, বিনিয়োগ উন্নয়নকল্পে বেসরকারিকরণ কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং ইউরিয়া সার আমদানির লক্ষ্যে ‘কাতার কেমিক্যাল অ্যান্ড পেট্রো-কেমিক্যাল মার্কেটিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি’র সঙ্গে সাক্ষরিত এক বছর মেয়াদী চুক্তি অনুমোদন দেয়া হয়।