এক বছরের জন্য ভাঙলো ফোবানার মিলনমেলা

এক বছর পর আবার দেখা হবে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে নিউইর্য়কে শেষ হয়েছে উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের মিলনমেলা ফোবানা। আগামী বছর প্রবাসী বাংলাদেশীদের এ সমেমলন নিউজার্সিতে হবে বলে স্থির হয়েছে। নিউইয়র্কে আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির আয়োজনে এই ফোবানা সমেমলন ছাড়াও নিউ ইয়র্কেই বাংলাদেশ সমেমলন ও ডালাসে আরেকটি ফোবানা সমেমলন অনুষ্ঠিত হয়েছে একই সময়ে। বাংলাদেশ সমেমলনের আয়োজকরা শনিবার ঘোষণা দিয়েছেন আগামী বছর তাদের সমেমলন হবে টেক্সাসের হিউস্টনে। গত বৃহসপতিবার থেকে নিউইয়র্ক সিটির হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় চারদিনব্যাপী ফোবানা সমেমলন। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীরা সমবেত হয়েছিলেন ম্যানহাটনের হিলটন হোটেলে। সমেমলনের সদস্য সচিব হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, “ফোবানা সমেমলন শেষ হয়েছে। এ সমেমলনের মাধ্যমে প্রাবাসী বাংলাদেশীদের জন্য দেশ ও দেশের মাটিকে নিয়ে জানার সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার এটা একটা অপূর্ব সুযোগ আমাদের কাছে।’’ বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তির ব্যবহার, আর্সেনিক সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেমিনার ছিল সমেমলনের অন্যতম আকর্ষণ। সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশী ও স্থানীয় শিলীদের পরিবেশনায় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবে এবছর সমেমলনের সেমিনারগুলোতে উপস্থিতি অন্যবারের চেয়ে কম ছিল বলে আয়োজকরাই জানিয়েছেন। এবার সমেমলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ। সমেমলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক রাহাত খান, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবির, নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দীন, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী প্রমূখ। একই সময় নিউইয়র্ক সিটিতেই আয়োজিত ’বাংলাদেশ সমেমলন’ ছিল মূলত দুদিনের একটি সাংস্কৃতিক উৎসব। শুক্রবার এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সদস্য পিটার কিং এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের একজন উদ্ধর্তন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।