শান্তিতে নোবেল পেলেন মালাল‍া ও কৈলাশ

Malala-Yousafzai1এ বছর শান্তিতে নোবেল পেলেন মালালা ইউসুফজাই ও কৈলাশ সত্যার্থী। শিশু অধিকারের বিষয়ে কাজের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

নরওয়ের অসলোয় শান্তিতে নোবেল জয়ীর নাম ঘোষণা করে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।

নোবেল কমিটি এক ঘোষণা জানায়, শান্তিতে যৌথভাবে নোবেল বিজয়ীদের একজন হিন্দু ও ভারতের নাগরিক এবং অন্যজন মুসলিম ও পাকিস্তানের নাগরিক। তবে তারা উভয়েই শিশুদের শিক্ষার অধিকার আদায়ে লড়াই করেছেন।

২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল প‍ায় ‘অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রহিবিশন অব কেমিক্যাল উইপন্স (ওপিসিডব্লিউ)’। সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংসে তদারকির জন্য আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র পর্যবেক্ষক এ প্রতিষ্ঠানটিকে নোবেল দেওয়া হয়।

১৮৯৫ সালে আলফ্রেড নোবেলের উইলমতে, এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। ১৯০১ সালে প্রথম নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থসহায়তায় ১৯৬৮ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল দেওয়া শুরু হয়।

পদার্থ, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য ও অর্থনীতিতে পুরস্কার সুইডেন থেকে দেওয়া হলেও শান্তিতে নোবেল দেয় নরওয়ে।

কৈলাশ সত্যার্থী সম্পর্কে ৫টি অজানা তথ্য

ঢাকা: শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন পাকিস্তানের শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের শিশু অধিকার কর্মী কৈলাশ সত্যার্থী।

কৈলাশ সত্যার্থীর জন্ম ১৯৫৪ সালের ১১ জানুয়ারি। তিনি ৮০ হাজারেরও বেশি শিশুর অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন, তাদের দাসত্বের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। পড়াশোনা করেছেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে।

কৈলাশ সত্যার্থী সম্পর্কে অজানা ৫টি বিষয় পাঠকের সামনে তুলে ধরা হলো-

১. মাদার তেরেসার পর তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি হেসেবে ভারতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন। তবে ভারতে জন্ম নেয়া ব্যক্তি হিসেবে তিনি প্রথম। দুস্থ ও অসুস্থদের জন্য জীবন উৎসর্গ করা মাদার তেরেসা জন্মেছিলেন আলবেনিয়ায়।

২. শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি বউ-বাচ্চা নিয়ে দিল্লিতে বাস করেন।

৩. ছোটবেলা থেকেই শিশুদের অধিকার নিয়ে তার মধ্যে সচেতনতা ছিল। ছয় বছর বয়সে তিনি একদিন জানতে পারেন, তার স্কুলের পাশে তার বয়সী একটি শিশু জুতা পরিষ্কারের কাজ করে। এরপর তিনি বুঝতে পারেন তার বয়সী অনেক শিশুই স্কুলে যেতে পারে না। তখনই তিনি ভেবে নেন, বড় হয়ে শিশুদের অধিকার রক্ষায় তিনি কাজ করবেন।

৪. সারা বিশ্বের শিশু অধিকার কর্মীদের মধ্যে তিনি খুবই পরিচিত একজন মানুষ। এখনও তিনি শিশুদের দাসত্ব থেকে মুক্তির আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর আদর্শে বিশ্বাসী।

৫. তিনি ‘সাউথ এশিয়ান কোয়ালিশন অন চাইল্ড সার্ভিচুড’ (এসএএসিএস) প্রতিষ্ঠার অন্যতম অগ্রগামী কর্মী।