হুন্ডি পদ্ধতিতে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এবং পুঁজি পাচারকারীদের সেকেন্ড হোম ও বেগমপাড়া

হুন্ডি পদ্ধতিতে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স এবং পুঁজি পাচারকারীদের সেকেন্ড হোম ও বেগমপাড়া

ড. মইনুল ইসলাম
প্রফেসর, অর্থনীতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রাক্তন সভাপতি, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি

বাংলাদেশীদের আন্তর্জাতিক অভিবাসন ও দেশের অর্থনীতিতে এর অভিঘাত আমার গবেষণার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র। একইসাথে, বাংলাদেশের দুর্নীতির অর্থনীতি এবং ব্যাংকিং খাতের ‘খেলাপি ঋণের কালচার’ও আমার অনেকগুলো গবেষণা প্রকাশনার বিষয়বস্তু। আজকের কলামে আমি এমন কিছু বিষয়ে আলোচনার অবতারণা করবো দেশের অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় যেগুলোর অভিঘাত অত্যন্ত ক্ষতিকর পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। দেশের ৮৫ লাখ থেকে এক কোটি দশ লাখ মানুষ বিদেশে অভিবাসী কিংবা অনিবাসী বাংলাদেশী হিসেবে বসবাস করছেন বলে ধারণা করা হয়, যার মধ্যে ২০২৫ লাখ অবৈধ বলে সন্দেহ রয়েছে বিধায় তাঁদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় থাকাই স্বাভাবিক। বক্ষ্যমাণ কলামে আমি সংখ্যাটাকে এক কোটি বলে অভিহিত করবো আলোচনার সুবিধার্থে। বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান শক্তির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এই এক কোটি বাংলাদেশী অভিবাসী এবং অনিবাসী বাংলাদেশী কর্তৃক বৈধ চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে পাঠানো ১৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স প্রবাহকে। সোজা সরল দৃষ্টিতে বাংলাদেশের মত একটি অতিঘনজনবসতিপূর্ণ দেশের জন্যে আন্তর্জাতিক অভিবাসনকে আল্লাহর রহমত বলা যেতে পারে। কারণ, প্রতি বছর বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রায় পনর থেকে সতর লাখ কর্মপ্রত্যাশী মানুষ প্রবেশ করলেও দেশের অর্থনীতি সাত/আট লাখের বেশী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আজো অপারগ রয়ে গেছে। প্রতি বছর বৈধঅবৈধ পথে ছয়/সাত লাখ মানুষ বিদেশে চলে যাওয়ার সুযোগ না পেলে বাংলাদেশের সমাজ, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে কী প্রচণ্ড বিপর্যয়কর অবস্থার সৃষ্টি হতো তা চিন্তা করতেই ভয় লাগে! তাই,আন্তর্জাতিক অভিবাসনকে তাত্ত্বিকভাবে ‘মেধা পাচার’ হিসেবে দেখার যুক্তি থাকলেও বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির চ্যালেঞ্জের দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের মত তুলনামূলকভাবে জনাকীর্ণ দেশের জন্যে এটাকে ‘সেফটি ভাল্ব’ হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখাটাই বেশি যৌক্তিক মনে হবে অনেকের কাছে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়ে এই অভিবাসীরা বিশ্বের নানা দেশে ছড়িয়ে পড়লেও তাঁদের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সরকারের যে খুব বেশি কৃতিত্ব নেয়ার অবকাশ আছে, তা কিন্তু বলা যাচ্ছে না। বরং, আমার গবেষণাগুলোতে যে বিষয়টা বারবার ফুটে উঠেছে তাহলো, পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়াকে ঘিরে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লোভাতুর ‘আদম ব্যাপারী চক্রের’ দোর্দণ্ড প্রতাপ অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরকে শোষণ ও লুণ্ঠনের অসহায় শিকারে পরিণত করে চলেছিল কয়েক দশক ধরে। এজন্যে অনায়াসে বলা চলে, অন্য সব দেশের অভিবাসীদের তুলনায় এখনো বাংলাদেশের অভিবাসীরাই সবচেয়ে বেশি খরচ করে বিদেশে পাড়ি দিচ্ছেন। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম এবং মেক্সিকোর অভিবাসীদেরকে বাংলাদেশিদের তুলনায় একতৃতীয়াংশও খরচ করতে হয়না।বর্তমান সরকারের আমলে সরকারি উদ্যোগে কোন কোন দেশে জনশক্তি প্রেরণের কিছু প্রয়াস দেখা গেলেও তা এখনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য বয়ে আনতে পারেনি। সাম্প্রতিককালে সরকারি উদ্যোগে মাত্র ৪০,০০০ টাকারও কম খরচে কয়েক হাজার মানুষ মালয়েশিয়া যেতে পেরেছেন। ম্যানপাওয়ার এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে আগে মালয়েশিয়া যেতে এর প্রায় পাঁচগুণ বেশি টাকা লাগতো। বোধগম্য কারণেই ব্যক্তিখাতের জনশক্তি রফতানিকারকরা সরকারের এই শুভ উদ্যোগটিকে বানচাল করতে উঠেপড়ে লেগেছে এবং সরকারের সাথে এই ইস্যুতে তাদের ঝগড়া ও টানাপোড়েন কয়েকটি দেশে জনশক্তি রফতানি প্রক্রিয়াকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে। উপরন্তু, বাংলাদেশ সরকারের সাথে সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় কাতার,সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশী জনশক্তি রফতানি ইদানিং প্রায় বন্ধ হয়ে রয়েছে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, উল্লিখিত দেশগুলোর অভিবাসীদের তুলনায় বাংলাদেশী অভিবাসীদের ৯৫ শতাংশই শিক্ষা এবং দক্ষতার দিক থেকে সবার চাইতে পেছনে অবস্থান করছেন। তাই, সবচেয়ে কম মজুরীর ‘থ্রি ডি জব’ গুলোই(ডার্টি, ড্যানজেরাস এন্ড ডিমান্ডিং জবস) তাঁদের ভাগে জুটছে বেশি। কিন্তু, পরিবারের মাবাবা, স্ত্রীপুত্রকন্যা, ভাইবোনদের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালনের জন্যে বাংলাদেশের অভিবাসীরা তাঁদের এই নিম্ন আয়ের ৫০৭৫ শতাংশই নিয়মিতভাবে রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে প্রেরণ করে চলেছেন। বিশ্বের রেমিট্যান্সেরগন্তব্য দেশগুলোর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন ষষ্ঠ ভারত, মেক্সিকো, ফিলিপাইন, তুরস্ক এবং ইন্দোনেশিয়া বাংলাদেশের চাইতে এগিয়ে রয়েছে এ ব্যাপারে। পাকিস্তানের প্রায় এক কোটি অভিবাসী বিদেশে থাকলেও তাদের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাংলাদেশের তুলনায় ক্ষুদ্রতর। আমার গবেষণায় যে বিষয়টি রেমিট্যান্সপ্রেরণের বিষয়ে সন্দেহাতীতভাবে উঠে এসেছে তাহলো, বাংলাদেশী অভিবাসীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ ‘হুন্ডি’ পদ্ধতিতেই দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে চলেছেন,যার ফলে বিশ্বের দেশে দেশে যেখানেই বাংলাদেশী অভিবাসীদের ঘনত্ব পরিলক্ষিত হয়ে থাকে সেখানেই হুন্ডি চক্রগুলোর হাতে অভিবাসীদের সঞ্চয়ের বিপুল একটা অংশ পাচার হয়ে যাচ্ছে। অভিবাসীদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার এই অংশটা একটা ‘প্যারালাল বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে’ পণ্য হিসেবে ক্রয়বিক্রয় হয়ে চলেছে। প্রধানত মার্কিন ডলারেই এই বাজারে ক্রয়বিক্রয় চলে বিধায় এটাকে ‘হুন্ডি ডলারের বাজার’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। যোগান এবং চাহিদার শক্তিশালী কাঠামো গড়ে ওঠায় ‘হুন্ডি ডলারের’ এই বাজার দেশেবিদেশে ক্রমপ্রসারমান। বিশেষত, গত তিন দশকে বাংলাদেশে বৈধ বৈদেশিক মুদ্রা বাজারের সমান্তরালে এই ‘কার্ব মার্কেট’ প্রসারিত হয়ে দেশের বড়সড় নগরীর সীমা পেরিয়ে দেশের আনাচেকানাচে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন আর তেমন রাখঢাকের প্রয়োজন পড়ছেনা কার্ব মার্কেটে ডলার কেনাবেচায়, এমনকি ব্যাংকারদের মধ্যস্থতায় অতি সহজেই নগদ ডলারের ব্যবসা চলছে খোলামেলাভাবে। পত্রপত্রিকায় ডলারের যে দাম প্রকাশিত হয়, তার চাইতে একদেড় টাকা বেশি দামে দেদার ডলার ক্রয় করা যায় কোন ঝামেলা ছাড়াই। কিন্তু, এই হুন্ডি ডলার বাজারের কতগুলো অপব্যবহার দেশের অর্থনীতির জন্যে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে পুঁজি পাচারকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে। আজ এগুলোর দিকেই পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইছি আমি।

গত অর্থবছরে ১৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স দেশে প্রেরিত হয়েছে বলে সরকারিভাবে তথ্যউপাত্ত প্রকাশ করা হলেও হুন্ডি পদ্ধতিতে সারা বিশ্বের ডলার বাজারে বাংলাদেশি অভিবাসী ও অনিবাসী বাংলাদেশিরা কত পরিমাণ ডলার যোগান দিয়েছেন তার কোন প্রাক্কলিত তথ্যউপাত্ত সরকারিভাবে কিংবা কোন বিশ্বাসযোগ্য গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া খুবই দুরূহ, প্রায় অসম্ভব বললে অত্যুক্তি হবেনা। এ ব্যাপারে যে অংকগুলো মাঝে মাঝে বিভিন্ন জন উদ্ধৃত করে থাকেন সেগুলোর পেছনে ভাল গবেষণার অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছেনা বিধায় ওগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা বোধগম্য কারণেই প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য বিষয়টার গতিপ্রকৃতির কারণে। তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হুন্ডি ডলার বাজারে পাচার হওয়া বাংলাদেশী অভিবাসীদের সঞ্চয়ের এই বিশাল প্রবাহটার প্রধান ফায়দাভোগীতে পরিণত হয়েছে চোরাচালানীরা এবং দেশ থেকে বিদেশে পুঁজি পাচারকারী ব্যবসায়ী, গার্মেন্টস মালিকশিল্পপতি, দুর্নীতিবাজ আমলা ও পুঁজিলুটেরা রাজনীতিবিদরা। ব্যাংক ঋণ খেলাপীদের ওপর ২০১০ সালে প্রকাশিত আমার গবেষণা গ্রন্থA Profile of Bank Loan Default In The Private Sector In Bangladesh এ উপস্থাপিত বাংলাদেশের ১২৫ টি ঋণখেলাপী প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিচালিত জরিপের সংগৃহীত তথ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে ঐসব প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকরা তাঁদের ব্যাংক ঋণের একটা বড়সড় অংশ বিদেশে পাচার করে দিয়েছেন। বিশেষত, ঐ বইয়ে প্রকাশিত ৩১জন ‘স্টার ঋণ খেলাপীর’ কেস স্টাডিতে পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে যে তাঁদের বেশিরভাগই ১৯৭২২০০৭ পর্যায়ে ব্যাংক ঋণ বাগিয়েছেন তাঁদের রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক কানেকশান কিংবা দুর্নীতির বখরা ভাগাভাগির ‘সিস্টেমের’ ফায়দাভোগী হয়ে। এ প্রবণতা গত সাত বছরে আরো মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এখন বাংলাদেশের ধনাঢ্যউচ্চবিত্তউচ্চ মধ্যবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্ত ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সামরিকবেসামরিক আমলা ও পেশাজীবীদের ধ্যানজ্ঞান হয়ে গেছে যে তাঁদের পরিবারপরিজনসন্তানদের জন্যে বাংলাদেশ আর বাসযোগ্য জায়গা বিবেচিত হওয়ার যোগ্য নয় এবং তাঁদেরকে যথাসম্ভব শীঘ্রই বিদেশে পাড়ি জমাতেই হবে। বলা বাহুল্য,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই তাঁদের বিবেচনায় স্বপ্নের স্বর্গরাজ্য। কিন্তু ঐ দেশে অভিবাসী হওয়াতো খুবই দুরূহ। তাই কানাডা,অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, ইতালি এবং সম্ভব হলে অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে পাড়ি জমানোর প্রাণপণ প্রয়াস এখনকার সচ্ছল পরিবারগুলোর অহর্নিশি সাধনায় পরিণত হয়েছে। এটাই এখনকার বাংলাদেশী উচ্চবিত্তমধ্যবিত্তের জীবনে প্রধান মিশনে রূপান্তরিত হয়েছে বলা চলে। অর্থনীতির ছাত্র হিসেবে আমার কাছে বিষয়টার আপত্তিজনক দিক হলো, দেশের ব্যবসায়ীশিল্পপতিদের বৃহদাংশই ব্যাংকঋণ পাচারকেই তাঁদের এই মিশনের মূল ‘মিকানিজম’ হিসেবে ব্যবহার করছেন, যার ফলে দেশের মহামূল্যবান বিনিয়োগযোগ্য পুঁজি থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতি বঞ্চিত হয়ে চলেছে। দুঃখজনক হলো যে, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ব্যাংকিং সেক্টরের কর্তা ব্যক্তিরা এ বিষয়টাকে কার্পেটের তলায় লুকোতেই তাঁদের সর্বশক্তি ব্যয় করে চলেছেন। প্রকল্প ঋণের ক্ষেত্রে ব্যংকারদের সহযোগিতায় ‘ইনফ্ল্যাটেড প্রজেক্ট কস্ট’ এবং ‘ওভার ইনভয়েসিং’ পদ্ধতিতে কোটি কোটি ডলার যে ব্যবসায়ীশিল্পপতিদের বিদেশের ব্যাংক একাউন্টে পাচার হয়ে থাকে এটা পুরানো খবর। কিন্তু, বিপুল পরিসরের ‘হুন্ডি ডলারের বাজার’ এখন এহেন পুঁজি পাচারকে একেবারেই সহজ করে দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, রাজনীতিবিদ এবং আমলাদের ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি ও পুঁজিলুণ্ঠনের তাণ্ডব থেকে উদ্ভূত অনর্জিত কালো টাকাকে বিদেশে পুঁজি পাচারের( Capital Flight ) মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি থেকে চিরতরে পলায়নের ব্যবস্থাকে মারাত্মক বেগবান করে চলেছে এই হুন্ডি পদ্ধতি। ভারতে চলে যাওয়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনরাও হুন্ডি ডলারের বেশ বড়সড় খদ্দের।

গত ২৮ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসে বাংলাদেশী টিভি চ্যানেলে দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন সদস্যকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) বিরুদ্ধে বিষোদগার করতে দেখলাম। তাঁকে বলতেই হচ্ছে, বাগাড়ম্বর এবং কুতর্ক করে দুদকের প্রতি জনগণের হারানো আস্থা ফেরানো যাবেনা। তার চাইতে কানাডার টরোন্টোর ‘বেগম পাড়ায়’ কোন্‌ কোন্‌ রাজনীতিবিদ, সামরিক অফিসার এবং সিভিল আমলার বেগমরা পরিবারপরিজন নিয়ে বহাল তবিয়তে বসবাস করছেন, কিংবা ঋণখেলাপী ব্যবসায়ীশিল্পপতিরা কে কোন্‌ দেশে পুঁজি পাচার করে শিল্পকারখানাব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন এবং মালয়েশিয়ায় ‘সেকেন্ড হোম’ কিনেছেন তার খবর নিতে একটা শক্তিশালী তদন্ত শুরু করুন। এর মাধ্যমেই দুর্নীতির গোড়ায় পৌঁছানো যাবে।