১ বছরে ১৫০০ কেজি সোনা আটক, প্রতিবেশী দেশে পাচার করাই লক্ষ্য

১ বছরে ১৫০০ কেজি সোনা আটক, প্রতিবেশী দেশে পাচার করাই লক্ষ্য

image

গত এক বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে অবৈধভাবে আনা প্রায় ৭০০ কোটি টাকা মূল্যের ১৫শ’ কেজি সোনা আটক করা হয়েছে। গত বছর জুলাই মাসে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১২৪ কেজি ওজনের সোনার বার উদ্ধারের পর এ বছর মার্চ-এপ্রিলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ১০০ কেজিরও বেশি ওজনের আরও দুটি বড় চালান ধরা পড়ে।

শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দর থেকে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ১০০ কেজি করে সোনা আটক করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অভিযোগ- প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে পাচারের উদ্দেশ্যেই এসব সোনা আমদানি করা হয়। তাদের ধারণা,  বাংলাদেশে অবৈধ পথে যে সোনা আসে তা মূলত বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে  প্রতিবেশী দেশে পাচার হয়ে যায়।  

ব্যবসায়ীদের এমন অভিযোগের সমর্থন পাওয়া গেছে বেনাপোলের স্থানীয় সাংবাদিক মহসীন মিলনের তথ্যে। তিনি জানান, সম্প্রতি বেনাপোলে, পুটখালিতে এবং সীমান্তের অন্য কয়েকটি পয়েন্ট দিয়ে ভারতে পাচারের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণ ধরা পড়েছে। তাছাড়া, পাসপোর্টধারী ভারতীয় নাগরিকও বেনাপোল সীমান্ত অতিক্রমের সময় স্বর্ণের বারসহ ধরা পড়েছে।

মহসীন মিলন আরো জানান, যারা ধরা পড়ছে তারা এতটা কমিশনের বিনিময়ে পাচার কাজে লিপ্ত হয়। তাদের আটক করে জেলে পাঠাবার দুই এক সপ্তাহের মধ্যেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় এবং ফের একই কাজে লেগে যায়। মূল অপরাধীরা থেকে যায় নেপথ্যেই।

কাস্টমস গোয়েন্দা বিভাগের দাবি, কঠোর নজরদারির কারণে অবৈধ পথে আসা সোনা ধরা পড়ছে। সর্বশেষ ঘটনায় সোনা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত বিমানকর্মীরদের সম্পৃক্ততা পেয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত সোনা চোরাচালানির শতাধিক মামলা দুদকে ঝুলছে। এসব মামলার কোনো সুরাহা হচ্ছে না। এমনকি মামলাগুলোর কোনো তদন্তও হচ্ছে না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারাও বিষয়টির কোনো তোয়াক্কা করছেন না।#

রেডিও তেহরান