নজরুল : বাঙালীর জাতীয় কবি

image

নজরুল : বাঙালীর জাতীয় কবি |
সঞ্জয় সরকার

“কৃষাণের জীবনের শরীক যে জন—
কর্মে ও কথায় সত্য আত্মীয়তা করেছে অর্জন,
যে আছে মাটির কাছাকাছি।
যে কবির বাণী লাগি কান দেতে আছি।”

কবিতাটিতে স্পষ্ট, অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষিত ছিল রবীন্দ্রনাথের অন্তর্লোক, একজন কবির আগমন প্রত্যাশায়; যিনি কর্মে ও কথায় সত্য, যাঁর অবস্থান মানুষের জীবনের মাঝে এবং যিঁনি শ্রমজীবী মানুষের আত্মার আত্মীয়। রবীন্দ্রনাথের এমন প্রত্যাশা পূরণ হয়েছিল কিনা সে প্রসঙ্গে যাবার আগে রবীন্দ্রনাথ নিজে কতটা মাটি ও মানুষের কাছাকাছি যেতে পেরেছিলেন, সে তথ্যানুসন্ধান করা যেতে পারে।

অনেকেরই অজানা নেই, রবীন্দ্রনাথ কিছুদিন কলকাতায় অবস্থান করার পর আবার যখন শিলাইদহে ফিরে যেতেন, তখন শিলাইদেহের কৃষককুল তথা শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে বুকে বুক মিলিয়ে আলিঙ্গন করতেন। এই তথ্যটিকে যাদের কাছে নেহায়েতই আটপৌরে আর নিতান্তই স্বাভাবিক ব্যাপার মনে হচ্ছে— আজকের এই গণতান্ত্রিক ও সমঅধিকারের যুগে আমরা যারা তথাকথিত ‘শিক্ষিত’ ও ‘ভদ্দরলোক’ তাদের ক’জন অবলীলায় রবীন্দ্রনাথের মতো কাজটি করতে পারছি? কৃষক শ্রমিককে আলিঙ্গন তো দূরের করা— তাদের ছায়া মাড়ালেও তো ভদ্দরলোকের জাত যায়! আর তখন তো জমিদারী ব্যবস্থার যুগ। ফলে রবীন্দ্রনাথের অমন উদার, মানবিক আচরণ মোটেও সাধারণ কোনো কাজ ছিল না— এ কথা বিবেচনা শক্তিসম্পন্ন মানুষ মাত্রেরই উপলদ্ধি করার কথা।

রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রত্যাশিত কবির দেখা পেয়েছিলেন কিনা কিংবা সেই কবির বাণী শুনতে পেয়েছিলেন কিনা তার উত্তর আছে রবীন্দ্রনাথেই।

নজরুল কারাবরণ করে সবগ্র দেশবাসীর যে শ্রদ্ধা অর্জন করেন, রবীন্দ্রনাথ তাঁর ‘বসন্ত’ গীতিনাট্যটি নজরুলকে উৎসর্গ করে সেই শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। নজরুল তখন আলীপুর সেন্ট্রাল জেলে বন্দী। রবীন্দ্রনাথ সেই সময় ১৯২৩ খ্রীষ্টাদের ২২ ফেব্রুয়ারী ‘বসন্ত’ নজরুলকে উৎসর্গ করেন। তিনি উৎসর্গ পত্রে লিখলেন—

“উৎসর্গ

শ্রীমান কবি নজরুল ইসলাম— স্নেহভাজনেষু
১০ ফাল্গুন ১৩২৯”

‘বসন্ত’ নজরুলকে আলীপুর জেলে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রবীন্দ্রনাথ পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়ের শরণাপন্ন হন। তাঁকে জোড়াসাঁকোয় ডেকে পাঠান। রবীন্দ্রনাথ সেখানে ভক্ত পরিবৃত হয়ে বসে ছিলেন। পবিত্র বাবুকে তিনি বললেন ‘‘জাতির জীবনে বসন্ত এনেছে নজরুল। তাই আমার সদ্য প্রকাশিত ‘বসন্ত’ গীতিনাট্যখানি ওকেই উৎসর্গ করেছি। সেখানে নিজের হাতে তাকে দিতে পারলে আমি খুশী হতাম; কিন্তু আমি যখন নিজে গিয়ে দিয়ে আসতে পারছি না, ভেবে দেখলাম, তোমার হাত দিয়ে পাঠানোই সবচেয়ে ভাল, আমার হয়ে তুমি বইখান ওকে দিও।” রবীন্দনাথের উপস্থিত ভক্তরা অনেকেই খুশী হতে পারেননি এই উৎসর্গে। এটি ঠাকুর পরিবারের বা ব্রাহ্মসমাজের বাইরের কাউকে রবীন্দ্রনাথের প্রথম উৎসর্গ। রবীন্দ্রনাথ তা বুঝতে পেরেছিলেন এবং উপস্থিত ভক্তকুলের উদ্দেশে বলেছিলেন— “নজরুলকে আমি ‘বসন্ত’ গীতিনাট্য উৎসর্গ করেছি এবং উৎসর্গ পত্রে তাকে ‘কবি’ অভিহিত করেছি। জানি তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ এটা অনুমোদন করতে পারনি। আমার বিশ্বাস তোমরা নজরুলের কবিতা না পড়েই এই মনোভাব পোষণ করেছে। আর পড়ে থাকলেও তার মধ্যে রূপও রসের সন্ধান করনি, অবজ্ঞা ভরে চোখ বুলিয়েছ মাত্র।’’

‘‘উপস্থিত একজন মন্তব্য করেন— ‘যাই বলুন ও অসির ঝনঝনা জাতির মনে আবেগ ভাটা পড়ার সংগে সংগে নজরুলী কাব্যের জনপ্রিয়তাও মিলিয়ে যাবে।’ রবীন্দ্রনাথের উত্তর— ‘জনপ্রিয়তা কাব্য বিচারের স্থায়ী নিরিখ নয়, কিন্তু যুগের মনকে যা প্রতিফলিত করে তা শুধু কাব্য নয় মহাকাব্য।’

সুতরাং রবীন্দ্রনাথের প্রত্যাশিত ও প্রতীক্ষিত কবি যে নজরুল-ই এ কথা নির্দ্বিধায় ও নিঃসংকোচে বলা যায়। কবিগুরুর এই প্রাণঢালা আশীর্বাদ নজরুলের প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল— সে স্বাদ পাঠককে পৌঁছে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারছি না। রবীন্দ্রনাথ ‘বসন্ত’ নাটকের একটি কপিতে নিজের নাম দস্তখত করে পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দিয়ে বলেছিলেন, “তাকে বলো আমি নিজের হাতে তাকে দিতে পারলাম না বলে সে যেন দুঃখ না করে। আমি তাকে সমগ্র অন্তর দিয়ে অকুণ্ঠ আশীবাদ জানাই। আর বলো কবিতা লেখা সে যেন কোনো কারণেই বন্ধ না করে। সৈনিক অনেক মিলবে কিন্তু যুদ্ধে প্রেরণা জাগাবার কবিওতো চাই।” আর নজরুল বইখানা তুলে কপালে ঠেকিয়ে বুকে চেপে ধরেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের ঐ উৎসর্গ নজরুলের জেল জীবনের ব্যথা অনেকখানি উপশম করতে পেরেছিল। নজরুল এ সম্পর্কে লিখেছেন— ‘এ সময়ে রবীন্দ্রনাথ তার বসন্ত নাটক আমাকে উৎসর্গ করেন। তার এই আশীর্বাদমালা পেয়ে আমি জেলের সর্বজ্বালা, যন্ত্রণা, ক্লেশ ভুলে যাই।’ নজরুল আরও লিখলেন—

‘‘হে সুন্দর, বহ্নি দগ্ধ
মোর বুকে তাই
দিয়েছিলে ‘বসন্তের’
পুষ্পিত মালিকা’’

আর সজনে ডাঁটার দল (সজনী কান্ত দাস) নজরুলকে ব্যঙ্গ করে রচনা করলেন—

‘‘বসন্ত দিল রবি
তাইতো হয়েছে কবি।’’

হাসব না কাঁদব বুঝতে পারিনে। এ প্রসঙ্গে বাংলা প্রবচন মনে পড়ে যাচ্ছে— ‘রতনে রতন চেনে’ এবং ‘শুয়োরে চেনে কচু’। রবীন্দ্রনাথ অপার সম্ভাবনাময় তরুণ কবি নজরুলকে চিনতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি। দুমূর্খদের প্রবল প্রকট, নির্দয় পরিহাসের পরও রবীন্দ্রনাথ নজরুলের প্রতি আস্থা ছিলেন অবিচল। রবীন্দ্রনাথের আশীর্ব্বচন যে অকুন্ত ছিল তার প্রমাণ মেলে ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দ, ১৫ এপ্রিল ২রা বৈশাখ ১৯৩৩ বঙ্গাব্দ ‘লাঙল’-এর প্রথম খণ্ড ১৫ শ’ সংখ্যায়। রবীন্দ্রনাথ লিখলেন—

‘জাগো জাগো বলরাম
ধরো তব মরুভাঙ্গা হাল
বল দাও ফল দাও
স্তব্ধ কর ব্যর্থ কোলাহল।’

আজ নজরুলের ১১৬তম জন্মবার্ষিকীতে এ কথা নিঃসংশয়ে, নিঃসংকোচে, নির্দ্বিধায় বলা যায়— নজরুল রবীন্দ্রনাথের প্রত্যাশা পূরণে সমর্থ হয়েছিলেন; কুটিল কুচক্রী, প্রতিক্রিয়াশীলদের চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র অপ্রচার— রবিঠাকুরের ভাষায় ‘ব্যর্থ কোলাহল’ চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়েই। নজরুল বাঙালীর প্রাণ শক্তি পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন, বাঙালীর সাহিত্যভাণ্ডার ফুলে ফলে ভরে দিয়েছিলেন, সুশোভিত করেছিলেন বাংলা সাহিত্যের ঊষর প্রান্তর কবিতা ও গানে গানে। কালের অতলে প্রায় বিস্মৃত সজনীকান্ত দাসেরা। নজরুল দেদীপ্যমান বাঙালীর মনে ও মননে।

‘কবি’ প্রতিষ্ঠা পেতে নজরুলকে ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ লঙ্ঘন করতে হয়েছিল। ভালবাসা-শ্রদ্ধা আর অবজ্ঞা-বিদ্বেষ দুই-ই তাঁর কপালে জুটেছিল সমানতালে। নজরুলে আবির্ভাব ‘কল্লোলীয়’ যুগে। সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণুদে, অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত, অমিয় চক্রবর্তীর মতো বিজ্ঞ ও নবতর কাব্যধারার জ্ঞানসমৃদ্ধ একঝাঁক পণ্ডিত কবিকুলকে অতিক্রম করতে হয়েছিল নজরুলকে। কবি, অ-কবি, কবিতা, অ-কবিতা নিয়ে বাংলা সাহিত্য নানা আলোচনা আছে। নজরুলকে তার কবিতা নিয়ে হতে হয়েছে সমলোচনার সবচেয়ে নির্দয় ও নির্মম শিকার। তদুপরি তরুণ বয়সে নজরুল এলবার্ট হলে ১৯২৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর যে অভূতপূর্ব সংবর্ধনা পেয়েছেন— তা আর কোনো বাঙালী কবির ভাগ্যে জোটেনি। বাংলার বিদগ্ধ গুণীজন প্রায় সবাই সেদিন নজরুলের সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। সেদিন তরুণকবি নজরুলকে বাংলার ‘জাতীয় কবি’র মর্যাদায় অভিষিক্ত করা হয়। সারা পৃথিবীতে নজরুলই সেই বিরল সম্মানের অধিকারী যিঁনি দু-বার জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েছেন। নজরুলের এই সম্মান যথাযোগ্য।

খ্যাতনামা সুরশিল্পী দিলীপ কুমার রায় প্রথমে এই সংবর্ধনার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। তার যুক্তি কৌতূহলোদ্দীপক। ‘নজরুল বয়সে তরুণ তার কাব্য প্রতিভা বিকাশোন্মুখ। এমতাবস্থায় জাতির পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া যুক্তিসঙ্গত নয়। এখন সংবর্ধনা দিয়ে আপনারা তার মাথাটা বিগড়াইয়া দিবে না।’

সুভাষ বসু জানালেন, নজরুলের সংবর্ধনা মহৎ কাজের মধ্যে পরে। তাঁর বিচারে নজরুল কেবল মুসলমানের নয়, সমগ্র জাতির গৌরব। মূল সংবর্ধনা সভায় হাজির হয়েছিলেন এই জাতীয়নেতা। তীক্ষ্ণধী পুরুষের মতোই বললেন— ‘কবি নজরুল যে স্বপ্ন দেখেছেন তা শুধু নিজের নয়। সমগ্র বাঙালী জাতি।’ সভাপতি আচার্য প্রফুল্ল রায়ের নেতৃত্বে সেদিন নজরুল সংবর্ধনার রূপ জাতীয় ঐক্যের পূর্ণতার রূপের দিকে ক্রমশ এগিয়ে গিয়েছিল। তিনি বললেন— ‘আজ আমি এই ভাবিয়া বিপুল আনন্দ অনুভব করিতেছি যে, নজরুল শুধু মুসলমানের কবি নন, তিনি বাংলার কবি, বাঙালীর কবি। মাইকেল মধুসূদন খ্রীষ্টান ছিলেন, কিন্তু বাঙালী জাতি তাঁহাকে শুধু বাঙালী রূপেই পাইয়াছিল আজ নজরুল ইসলামকেও জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সকলেই শ্রদ্ধা করিতেছেন।’ আচার্য রায় এ কথাও বলতে পারতেন— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকেও বাঙালী কেবল বাঙালীরূপেই পাইয়াছে, যদিও তিনি ব্রাহ্ম ছিলেন। প্রফুল্লরায় আরও বলেন, ‘নজরুল ইসলাম মৌলিক কবি। তাহার প্রতিভা রবীন্দ্রনাথের আওতায় পুষ্ট হয় নয়। এ কথা স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও স্বীকার করিয়াছেন।’

সুভাষ বসু কথায়ও একই সুর প্রতিধ্বনিত হয়— “আমি ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে সর্বদা ঘুরে বেড়াই; বিভিন্ন প্রাদেশিক ভাষায় জাতীয় সংগীত শোনার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। কিন্তু নজরুলের ‘দুর্গমগিরি কান্তার মরু’র মতো প্রাণ মাতানো গান কোথাও শুনেছি বলে মনে হয় না।” এই সংবর্ধনা সভায় ওস্তাদের মারটা দেন প্রবীণ রায়বাহাদুর জলধর সেন মহাশয়— ‘আজকের এই দিনে আমরা কবি নজরুল ইসলামকে সংবর্ধনা করিবার জন্য যেভাবে হিন্দু-মুসলমানে মিলিত হইয়াছি— জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে, প্রত্যেক মহৎ আয়োজনে যদি সেই ভাবে আমরা মিলিতে পারি— যদি আমরা ভুলিতে পারি আমরা হিন্দু বা মুসলমান; শুধুই যদি মনে জাগে আমরা বাঙালী, আমরা বাংলা মায়ের সন্তান; তবে আমাদের নজরুল সংবর্ধনা সার্থক হইবে।’ বস্তুত নজরুলের সাহিত্য সাধনার একটি বড় প্রয়াস হিন্দু-মুসলমানের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।

বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে ডি লিট ডিগ্রি প্রদান করে। এই উপলক্ষ্যে প্রদত্ত সম্মাননা পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে তৎকালীন উপাচার্য ড. আব্দুল মনিত চৌধুরী।

“দেশ কালের জ্বরা-শোক-অবক্ষয়-অন্ধকারকে নীলকণ্ঠের মতো ধারণ করে প্রজ্জ্বলন্ত আকাঙ্ক্ষার, আনন্দের, সংগ্রামের আলোকিত চেতনাকে যাঁরা বিশ্বলোকে পৌঁছে দিতে সক্ষম তারাই মহৎ। তেমনি এক মহৎ প্রতিভা আপনি কাজী নজরুল ইসলাম। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসন ও শোষণ নিয়ন্ত্রিত বাংলার অসম্পূর্ণ পুনর্জাগরণে আহুত সকল বাঙালী মধ্যবিত্ত শ্রেণী যখন নষ্ট স্বপ্নে মুহ্যমান, তাদের চেতনাস্রোতে যখন অন্ধকার বৃত্তে আবর্তিত, বাংলা সাহিত্যে তখন আপনার আবির্ভাব প্রমিথিউসের মত।” … “আপনার জীবন সম্পৃক্ত ঐতিহ্যবোধ ধর্মকথার সীমাবদ্ধতা থেকে ঐতিহ্যকে মুক্তি দিয়েছে। আপনি বাঙালী ঐতিহ্যের পুনর্নির্মাতা, নবভাষ্যকার।”

আমরা কি বাঙালীর এই প্রমিথিউসের চেতনা যথার্থরূপে কিংবা ন্যূনতমভাবেও ধারণ করতে পেরেছি? পারলে আমাদের আজ এই ক্ষয়িষ্ণু হাল কেন?

লেখক : শিক্ষক ও প্রাবন্ধিক

তথ্যঋণ : নজরুল ইনস্টিটিউট পত্রিকা, সলিমুল্লাহ খান, রফিকুল ইসলাম।