‘বদি’দের অনাচার এবং তাদের উপরই নির্ভরশীলতা

‘বদি’দের অনাচার এবং তাদের উপরই নির্ভরশীলতা

হায়দার আকবর খান রনো

DIS 1বাংলাদেশে রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা কেবল রাজনীতিতেই জটিল রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায়নি, সামাজিক ক্ষেত্রেও এর বিষময় প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাজনীতিতে চরম স্বেচ্ছাচার ও স্বৈরাচার প্রবণতা যে কতোটা ভয়াবহভাবে প্রকট হয়ে উঠেছে, সে সম্পর্কে কিছু বিবরণ দেয়ার চেষ্টা করেছি ‘আমাদের বুধবার’-এর বিগত কয়েকটি সংখ্যায়। রাজনীতির সাথে সমাজ জীবনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে তাই সামাজিক অবক্ষয় ঘটেছে মারাত্মক আকারে।

এটাই স্বাভাবিক। জনপ্রিয়তা যখন শূন্যে নেমে আসে তখন সরকার গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থাকলে অনেক বেশি করে স্বৈরাচারী, কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠে। সেটা হতে গেলেও তাকে নির্ভর করতে হয় একদিকে পুলিশসহ প্রশাসনের এবং অপরদিকে স্বল্পসংখ্যক দলীয় ক্যাডারদের উপর। এই সুযোগটাই নেয় প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ ও কর্তৃত্ববাদী কর্মকর্তারা এবং দলীয় ক্যাডাররা। তারাই সমাজের ক্ষেত্রে উচ্ছৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করে।

একটা উদাহরণ দেয়া যাক। র‌্যাবের যে সকল কর্মকর্তা দ্বারা ক্রসফায়ারের নামে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়, সেই র‌্যাব অফিসাররা একটা পর্যায়ে তুলনামূলক স্বাধীনতা ভোগ করতে থাকেন। এখন ঊর্ধ্বতন সরকারি রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশের আর প্রয়োজন পরে না। এ রকম তত্ত্ব এবং ঐতিহাসিক বিষয়াবলীর ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেছেন রাষ্ট্র বিজ্ঞানী এবং দার্শনিকগণ। এ রকম ঘটনা প্রথম প্রকাশ হলো নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ভেতরকার তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর। রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা এইভাবে সামাজিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে। রাজনৈতিক স্বৈরাচার সামাজিক অনাচারের জন্ম দেয়।

এই রকম স্বাধীনতা কেবল প্রশাসনের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তারাই নয়, সরকার দলীয় মাস্তান বা ক্যাডাররাও ভোগ করেন। যথেচ্ছ করার স্বাধীনতা। এই কারণে টেন্ডারবাজি অব্যাহত ধারায় চলতেই থাকবে। চলতে থাকবে লুট-পাটতন্ত্র ও দলদারীর কালচার। সরকারের সাধ্য নেই তাকে নিয়ন্ত্রণ করে। কারণ জনসমর্থনহীন এবং কার্যত ‘অনির্বাচিত’ সরকারের পক্ষে এদের উপর নির্ভর করা ছাড়া উপায়ও নেই। যতোই উন্নতির ফিরিস্তি দেয়া হোক না কেন, আসলে টেন্ডারবাজি, চাদাবাজি,বেপরোয়া, লুটপাট ও দখলি কারবার অর্থনীতিতেও নৈরাজ্য ও শ্লথগতি আনতে বাধ্য। রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সামাজিক পরিবেশ – সবটা পরস্পরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

আমরা দেখেছি, বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ জমায়েতকে পন্ড করার জন্য অথবা অন্য কোনোভাবে বিরোধী দলকে দমন করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ছত্রছায়ায় ছাত্রলীগকে ব্যবহার করা হয়। তাদেরকে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করতেও দেখা যায়। কাগজে সে সব ছবি ছাপা হলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নির্বিকার থাকে। সরকার রাজনৈতিক কারণে তার তরুণ ক্যাডারদের অবৈধভাবে অস্ত্র ব্যবহারের সুবিধা দিচ্ছে। এই সুবিধা কি তারা অরাজনৈতিক কারণে, নিজের স্বার্থ উদ্ধার অথবা শ্রেফ মাস্তানি করার কাজে ব্যবহার করবে না? গত মেয়র নির্বাচনে যাদেরকে ভোটকেন্দ্র দখলের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল, তারা কি শুধু ভোট কেন্দ্র দখল করেই নিশ্চুপ থাকবে? তারা আরও দখল করবে, জমি, নদী, সম্পত্তি ও নারী দখলসহ সবই দখল করবে। কম বয়েসী তরুণদের মাস্তান বানানোর বিপদ আছে। তা বুমেরাং হয়ে দেখা দিতে পারে।

এর একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ দেয়া যাক। গত পহেলা বৈশাখের উৎসবের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একটা কেলেংকারির ঘটনা ঘটে গেল। এক ঘন্টা ধরে চলেছিল তান্ডব। রাস্তা দিয়ে যতো তরুণী যাতায়াত করেছিল প্রায় সকলেই লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিল। এমনকি রিকশা থেকে নামিয়েও মেয়েদের অপমাণিত করা হয়েছিল। কাউকে কাউকে বিবস্ত্র করারও চেষ্টা হয়েছিল। গুটি কতেক ছেলে এক উন্মক্ত উল্লাস করেছিল, যাকে কিনা পুলিশ প্রধান ‘কিছু ছেলের দুষ্টুমি’ বলে হালকা করতে চেয়েছিলেন। ওই গুটি কতেক ছেলে নিশ্চয়ই সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠনের মাস্তান বাহিনীর কেউ হবে। না হলে পুলিশ এতো সদয় কেন? এক ঘন্টা ধরে ওই বীভৎস কান্ড চলেছিল। পুলিশ কিছুই বলেনি। প্রক্টরকে জানানো হলে তিনিও কিছু করেননি। ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি লিটন নন্দী আর সহ্য করতে পারেননি। দুর্বৃত্তদের হাত থেকে মেয়েদের রক্ষা করতে নিজেই এগিয়ে গেলেন। ছাত্র ইউনিয়নের অন্যান্য ছেলেরাও দুর্বৃত্তদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হলেন। লিটন নন্দীর হাত ভেঙে দেয়া হয়। একজন দুর্বৃত্তকে ধরে পুলিশের কাছে সোর্পদও করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তৎক্ষণাৎ ছেড়ে দিয়েছিল। এই সকল ঘটনা সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়লেও পুলিশ বলেছিল, একমাত্র লিটন নন্দী বাদে কোন সাক্ষী পাওয়া যায়নি, তাই মামলা করা যাচ্ছে না। দলীয় মাস্তানদের এইভাবে প্রোটেকশন দিলে সামাজিক পরিবেশ যে দূষিত হয়ে পড়বে তা তো স্বাভাবিক। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, বিভিন্ন সংগঠন এবং জনগণের তীব্র ধিক্কারের পরে পুলিশ শেষমেষ এদের ধরিয়ে দেয়ার জন্য ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষনা করেছিল। কিন্তু কার এমন সাধ্য এ কাজটি করে? এ কারণেই এই দুর্মূল্যে’র বাজারেও কেউ ১ লাখ টাকা নিতে আসেনি।

হয়তো সরকার বলবে, এই সব মিথ্যা অভিযোগ। আমাদের ছেলেরা অত্যন্ত ‘সুবোধ বালক’। পহেলা বৈশাখের দিন যারা এই সব করেছে, তারা সবাই মৌলবাদী চক্রের লোক। এই রকম বলার পেছনে কিছু যুক্তি ছিল। মৌলবাদীরা পহেলা বৈশাখের উৎসবকে ইসলাম বিরোধী (?) বলে মনে করে। সেই জন্য তারা রমনা বটমূলে বোমা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করেছিল। সেদিনও সেই একই গোষ্ঠী একই ধরনের কাজ করতে পারে বলে ধারণা করাটা অসঙ্গত হতো না। কিন্তু পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয় আচরণ, পুলিশ প্রধানের মন্তব্য – সব কিছু মিলে এটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে, এই ক্ষেত্রে মৌলবাদী দুষ্কৃতিকারীরা নয় বরং সরকারি লীগের দুষ্কৃতিকারীরাই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। একই দিনে আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের সাথে অশোভন আচরণ করেছিল ছাত্রলীগের কর্মীরা।

মনে পড়ে গেল ১৯৯৬-২০০১ সালের আওয়ামী রাজত্বকালে জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রলীগ নেতা, নাম তার মানিক, শততম ধর্ষণ উৎযাপন করেছিল। সেদিন শাসক দল তাদের আদরের ছেলের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নেয়নি। বিএনপি আমলেও ছাত্রদলের মাস্তান বাহিনীর হাতে নারীরা লাঞ্ছিত হয়েছে, এমন ঘটনা আছে। কিন্তু নারীর নিরাপত্তাহীনতা এখন মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কারণ রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতার সাথে সাথে সামাজিক ভারসাম্যও হারিয়ে গেছে। এমন সমাজের আরও অধঃপতন অবশ্যম্ভাবী।

জনসমর্থনহীন ও কার্যত অনির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে হলে তাকে যেমন ক্রমাগত স্বৈরাচারী চরিত্র ধারণ করতে হবে,তেমনি এলাকায় এলাকায় ‘ছোট ছোট স্বৈরাচারী শাসকের’ জন্ম দিতে হবে। এখন প্রায় প্রতিটি জেলা-উপজেলায় এমন অনেক নেতার অভ্যুদয় ঘটেছে, যারা আঞ্চলিক কর্তৃত্ববাদী শাসকে পরিণত হয়েছেন। ভয়ে মানুষ কথা বলছে না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে গুমরে গুমরে মরছে। কবে যে বহিঃপ্রকাশ ঘটবে তা জানি না। তবে যেদিন তা হবে, সেদিন একটা বিরাট বিস্ফোরণ ঘটে যাবে। তেমনি এক সংসদ সদস্যের নাম প্রায়শ কাগজে আসছে। তিনি টেকনাফ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। সরাসরি তার নাম ধরে অপরাধের ফিরিস্তি তুলে ধরে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এমনকি সম্পাদকীয় পর্যন্ত লেখা হয়েছে। দৃষ্টান্তস্বরূপ প্রথম আলো’র সম্পাদকীয় (১৯ জুন ২০১৫) থেকে কয়েকটা লাইন উদ্ধৃত করা যেতে পারে।

‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে টেকনাফের ৭৯ জন মানব পাচারকারীর এক তালিকা তৈরি করেছে যার এক নম্বরে আছে আবদুর রহমান বদির নাম। সরকারের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিফতরের তৈরি করা ইয়াবা চালানকারীদের তালিকায়ও তার নাম আছে মূল পৃষ্ঠপোষক হিসেবে। আর রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম লেখানো ও জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে সহায়তাকারীদের তালিকায়ও বদির নাম আছে এক নম্বরে’।

এরপরও সংসদ সদস্য বদি শুধু সংসদ হিসাবেই যে আছেন, তাই-ই নয়, নিজ এলাকায় তিনি একজন ছোটখাটো কর্তৃত্ববাদী শাসকও বটে। সম্প্রতি টেকনাফ দিয়ে মানব পাচারের ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তিনি মানব পাচারকারীদের সাথে সাথে অবৈধ পথে সমুদ্র যাত্রা যারা করেছে তাদেরকেও শাস্তি দেবেন বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু বদিরা তো বহাল তবিয়তেই রয়েছেন।

গত মে মাসের প্রথম দিকে প্রথম খবর শোনা গেল যে থাইল্যান্ডের জঙ্গলে গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে, বাঙালি ও রোহিঙ্গাদের গলিত লাশ। তারপর আরও মর্মান্তিক খবর প্রকাশ হতে লাগলো। সাগরে ভাসছে আট হাজার বাংলাদেশের নাগরিক,যাদেরকে কুলে ভিড়তে দিচ্ছে না কোন দেশ – মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া – কেউই নয়। এই খবর বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে একেবারে ধসিয়ে দিয়েছে। বড় বেশি করে প্রেস্টিজে লেগেছিল প্রধানমন্ত্রীরও। কারণ, তিনি বিশ্বকে এবং দেশবাসীকে জানান দিয়েছিলেন যে, তার সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ খুব শিগগিরই মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে চলেছে। উন্নয়নের মহা স্বপ্ন যেন মুহূর্তে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল। সামান্য একটু চাকরির জন্য, একটু আয় উপার্জনের সন্ধানে অন্য কোন পথ না দেখে হাজার হাজার মানুষ ঝুকি নিয়েছিল নৌকায় করে বিপজ্জনক সমুদ্র যাত্রার। প্রধানমন্ত্রী প্রেস্টিজ বাচানোর জন্য বললেন, যারা এই পথে গেছে, তারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে। একই সাথে হুমকি, তাদেরও বিচার হবে। যখন এত বড় মানবিক বিপর্যয় ঘটছে, তখন প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য খুবই বেমানান ও অমানবিক ছিল। প্রথমে তো আট হাজার মানুষকে বাচাতে হবে। দ্রুত নৌ বহর পাঠাতে হবে। টেলিফোনে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে ওই সকল দেশের সরকার প্রধানদের সাথে। রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবার কথা। এমন অবস্থায় সরকারের ঠিলামি ও কাজ কারবার চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দেয়। জনবিচ্ছিন্ন সরকার এমনই আচরণ করে। তখনো বদিদের মতো তালিকাভুক্ত লোকদের উপরই নির্ভর করতে হয়। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ, সামান্য একটু এলাকা দিয়ে এতো মানুষ পাচার হয়ে যাচ্ছে, তা কি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও প্রশাসনের সহায়তা ছাড়া সম্ভব?

নারী নির্যাতন, মানব পাচার, বিচার বহির্ভূত হত্যার সাথে সাথে বেড়ে চলেছে দুর্নীতি ও সামাজিক অনাচার। পদ্মা সেতু কেলংকারি, শেয়ারবাজার কেলেংকারি, হল মার্ক-বিসমিল্লাহ ব্যাংক লুট-পাট, কেলেংকারিসহ যাবতীয় গণবিরোধী অন্যায্য আচরণ – এই সব এখন পুরনো হলেও তার কোনো প্রতিকার হয়নি। প্রায়ই নানা কায়দায় ব্যাংক ডাকাতির খবর আসছে। নারীর নিরাপত্তা বিঘিœত হচ্ছে প্রতি পদে পদে। ঢাকা শহর এখন সাধারণ মানুষের জন্যও নিরাপদ নয়। খুন, রাহাজানির সংখ্যা মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে। সামাজিক অবক্ষয় যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক অনেক বেশি। কারণ, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জন্যে প্রশাসন প্রশ্রয় দিচ্ছে সামাজিক অনাচারকে। আইনের শাসন অনুপস্থিত। আর সব কিছুর মূলে রয়েছে রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা। রাজনৈতিক গণতন্ত্রহীনতা। এর মূল্য দিতে হবে সমাজকে অনেক চড়া দামে এবং ভয়ংকরভাবে।।

প্রকাশক: আমাদের বুধবার, তারিখ: