একটি জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৪ হাজার সিম!

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রে ১৪ হাজার সিম!
 

একটিমাত্র জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক ব্যক্তি নিবন্ধন করেছেন ১৪ হাজার ১১৭টি সিম। আরেকটি জাতীয় পরিচয়পত্রে রয়েছে ১১ হাজার ৮৬৬টি সিম।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সকল মোবাইল ফোন অপারেটরদের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শুরুর সময় সাংবাদিকদের কাছে এসব ভূয়া নিবন্ধনের তথ্য তুলে ধরেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম

তারানা হালিম বলেন, জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এয়ারটেল, জিপি, সিটিসেল, রবি, টেলিটক, বাংলালিংকের নিবন্ধনের চিত্র খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। ৬ অপারেটরের সিম নিবন্ধনে মাত্র ৬ হাজার ১৭৯টি পরিচয়পত্র ব্যবহারের তথ্য। আর এর মধ্যে একটি পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৪ হাজার ১১৭টি সিম নিবন্ধন পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এখানেই শেষ নয়, আরও অনেক আছে। তিনি বলেন, আরেকটি এনআইডি’র বিপরীতে ১১ হাজার ৭২৮টি সিম নিবন্ধন হয়েছে। এগুলো সবই অবৈধ। এ ধরনের সিম থেকে বড় ধরনের অপরাধ হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি জানান, অপারেটররা সার্ভিস সেন্টারে ১ নভেম্বর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি চালু করা হবে। চূড়ান্তভাবে কার্যক্রম শুরু হবে ১৬ ডিসেম্বর। সচেতন গ্রাহকরা নিজে থেকে সেখানে গিয়ে সিমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবেন।

এক প্রশ্নের জবাবে তারানা হালিম বলেন, যাদের বয়স ১৮’র নিচে তাদের সিম নেওয়ারই অনুমতি নেই। তবে যদি নিতেও হয়, তাদের অভিভাবক, মা-বাবা দায়িত্ব নেবেন। তাদের পরিচয়পত্রের বিপরীতে সিম নিতে হবে এবং ওই সিম দিয়ে কোনো অপরাধ হলে, সে দায়ও পরিচয়পত্রের মালিকেরই।

বিডি-প্রতিদিন/২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫