প্রবাসে ক্রাইম বেড়েছেঃ মৃত্যুর মিছিল

২০১০ সালে শতাধিক বাংলাদেশীর মৃত্যু

প্রবাসে ক্রাইম বেড়েছেঃ মৃত্যুর মিছিল

ঠিকানা রিপোর্টঃ প্রবাসে বাংলাদেশীর সংখ্যা বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিলও। ২০১০ সালে প্রায় শতাধিক বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। যা ছিলো গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশি। গত বছর অধিকাংশ বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন হার্টএ্যাটাকে। তাছাড়া ছিলো বেশ কয়েকটি আলোচিত মৃত্যু। যার মধ্যে ছিলো বেশ কয়েকটি আত্মহত্যার ঘটনা, সড়ক দুর্ঘটনা, খুন এবং সুইমিং পুলে পড়ে শিশুর মৃত্যু। অন্যদিকে আমেরিকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মন্দা থাকার কারণে নিউইয়র্ক সিটিসহ আমেরিকায় হেইট ক্রাইমের সংখ্যাও বেড়েছে এবং গত বছর অনেক বাংলাদেশী হেইট ক্রাইমেরও শিকার হয়েছেন। গত বছর শতাধিক মৃত্যুর মধ্যে হার্ট এ্যাটাকে মারা গিয়েছেন প্রায় ৩০ জনের মত। যারা হার্ট এ্যাটাকে মারা গিয়েছেন তারা হলেন- বাংলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিক মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু, একেএম শাহাদাত হোসেন সেন্টু, নুরন্নাহার চৌধুরী, মাহবুব হাসান শিমুল, আবুল খায়ের, নূরুল হক, জামাল উদ্দিন হেলালী, আহমেদ কবীর শাওন, আবু তাহের, জুনেদ খান, আলহাজ্ব বসির আহমেদ, ইকবাল হোসেন, হাফিজুর রহমান, মমিনুর আশরাফ, সেলিফা আক্তার, ড· মুশফিকুর রহমান, ডা· আনোয়ার খান, রফিকুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদ, লতিফা শিকদার লুনা, মুকিত হোসেন, আব্দুর রশিদ, মনোরঞ্জন দাস। ক্যান্সারে মারা গিয়েছেন- কাজী ফয়সল আহমেদ, সিরাজ খান, মমতাজ বেগম খান বাবলী, মজিদ মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা· তৌফিক চৌধুরী, মাসুদ চৌধুরী, নূরুলস্নাহ খান, আহসান হাবিব, ডা· আজগর চৌধুরী, ইশরাত জাহান চৌধুরী, ইয়ানিহুর রহমান, লুৎফুর রহমান। হার্ট এ্যাটাকের পর ক্যান্সারে আক্রান্ত বাংলাদেশীদের সংখ্যা ছিলো বেশি। আলোচিত মৃত্যুর মধ্যে ছিলো মিশিগানে স্ত্রী সুরাইয়া পারভীনের খুনের পর স্বামী আবুল ফজল চৌধুরী খুন হন জেলে। গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মাহবুব আলম, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন মোখলেসুর রহমান, গলায় চাদর পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, সুইমিংপুলে পড়ে মারা যায় শিশু ওয়াজি উল্যাহ, ট্রেনের ধাক্কায় নিউইয়র্কে মারা যান রশিদ উদ্দিন সুজিব, কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যায় ১৯ বছরের টগবগে যুবক আহমেদ জে, সোহান, জ্যামাইকায় রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ি চাপায় মারা যায় ২ বছরের শিশু সামিরা জামান, ঘুমন্ত অবস্থায় নিউজার্সিতে মারা যায় মেধাবী ছাত্র কনিষ্ঠ পাল, জ্যাকসন হাইটসে এপার্টমেন্টের সিঁড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন দীন মোহাম্মদ খান, মিশিগানে আহমেদ কাদিরের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয় বাসা থেকে, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন রঞ্জিত বড়ণ্ডয়া। দুবৃত্তের গুলিতে নিহত হন- রফিকুল ইসলাম, রিমন হায়দার, ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ বঙ্। বার্ধক্য বা অন্যান্য কারণে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তারা হলেন- চেরাগ উদ্দিন চৌধুরী, আবু নাসের, দেওয়ান মাসুদ বখত চৌধুরী, রোকেয়া বেগম, আয়শা আক্তার, ডা· খুরশীদ আরা বেগম, সর্দার মোহাম্মদ খলিল উদ্দিন, আলী হায়দার, সৈয়দ আবু হাসান, গিরিশ দেব, সালমা আহমেদ, গোলাপী রাণী পোদ্দার, সালমা আহমেদ, কাজী মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কাজী শামসুল আলম, ডা· এ এস মোজাম্মেল হক, নূরুল আমিন, জিয়াউদ্দিন আহমেদ মুকুল, আবুল মনসুর মুনিম, রুহুল আমিন, তজম্মল আলী, ড· সদরুল আহমেদ, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সাবেক সভাপতি ড· রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আজহারুল হক প্রমুখ।