লসএ্যনঞ্জেলস্ -এ আইটি সম্পর্কিত ব্যবসায় আমেরিকা-বাংলাদেশ যৌথ উদ্দোগ এবং এর সম্ভাবনার পর্যালোচনা।

একুশ নিউজ মিডিয়া-র সব নিউজ এখন ফেস বুক এ
http://tinyurl.com/ekush21

লসএ্যনঞ্জেলস্ -এ আইটি সম্পর্কিত ব্যবসায় আমেরিকা-বাংলাদেশ যৌথ উদ্দোগ এবং এর সম্ভাবনার পর্যালোচনা।

IT Business Seminar Picturesসাইফুল খন্দকার

গত ১৬ জুলাই, রবিবার লসএ্যনঞ্জেলস্, ক্যালিফোনিয়ায় কনসুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ইউএস-বাংলদেশ বিজনেস ফোরাম ও কনসুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ, লসএ্যনঞ্জেলস্ -এর যৌথ ব্যবস্থাপনায় আইটি সম্পর্কিত ব্যবসায় আমেরিকা-বাংলাদেশ যৌথ উদ্দোগ এবং এর সম্ভাবনা শীর্ষক এক আলোচনা সভা । সভার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল আইটি খাতে আমেরিকা-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের বর্তমান পরিস্থিতির নিরীক্ষণ, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা।

সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দিতে গিয়ে ইউএস-বাংলদেশ টেক্নোলজি এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট এবং ফ্রিবিপে এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জনাব ড. সাইফুল খন্দকার বলেন “নতুন উদ্ভাবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশীগণ স্বীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ বজায় রেখে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ণে ব্যাপক অবদান রাখতে পারবেন।” কথাটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ‘ফ্রিবিপে’-এর চমৎকার প্লাটফর্মের সাথে পরিচয় করিয়ে ড. সাইফুল উল্লেখ করেন ‘ফ্রিবিপে’ স¤পূর্ণ ভাবে বাংলাদেশের প্রযুক্তিকমীদের নির্মিত। গত ৭ মাসে ‘ফ্রিবিপে’ নির্মাণে ৫০ জন প্রযুক্তিকর্মী রাতদিন শ্রম দিয়েছেন। এবং এটি বাজারজাতের পূর্বে ও পরে আরো বহুসংখক প্রযুক্তিকর্মী নিয়োগের মাধ্যমে গুনগত কর্মসংস্থান সম্ভব যা অন্যান্য ক্ষেত্রে হাজার কর্মসংস্থান-এর সমান।

এ বিষয়ে ইউএস-বাংলদেশ বিজনেস ফোরাম -এর প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ আহ্সান NRI (Non Resident Indians) এর ভারতের প্রযুক্তি খাতে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, এখন সময় এসেছে NRI (Non Resident Indians) কমিউনিটির দল-মত এর উর্দ্ধে দেশের কল্যাণে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে সক্রিয় অংশ নেবার। এতে করে বাংলাদেশ একদিকে যেমন বিশ্বের মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিতে পারবে; অন্যদিকে তেমন বাংলাদেশীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যদা বৃদ্ধিপেতে থাকবে ক্রমবর্ধমান হারে।
এছড়া সভায় ফ্রিবিপে -এর সিওও মি. যেফ জারভিস্ আমেরিকায় ফ্রিবিপে’র বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
পরে সম্মানিত কনসুল জেনারেল জনাব এনায়েত হোসেন এর সভাপতিত্বে এ বিষয়ে এক সাধারণ মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ কন্স্যুলেট অব লস এঞ্জেলেস

এখানে উল্লেখ্য যে, সম্পূর্ণ বাংলাদেশী ব্যবস্থাপনায় ও বাংলাদেশী প্রযুক্তিকর্মীদের দ্বারা উন্নয়নকৃত ফ্রিবিপের ভোক্তা ও বিপনণ এই দুই বিভাগেই রয়েছে নানান রকম সুবিধা। একদিকে ভোক্তারা যেমন তাদের আইফোন, এণরয়েড, ব্লাকবেরীউইন্ডোজ ফোন থেকে এবং সেইসাথে ফ্রিবিপের ওয়েবপোটাল ব্যবহার করে কোনধরণের প্লাস্টিক কার্ড বহন না করেই তাদের কেনাকাটা সারতে পারবেন। শুধু তাই নয় রকমারি পণ্যের মূল্যছাড় সহ লয়ালিটি প্রোগ্রামের আওতার সুবিধাগুলো নিতে ফ্রিবিপে তাদের ব্যক্তিগত সহকারীর ভূমিকা পালন করবে অনায়াসে।

অন্যদিকে বিপনণে ফ্রিবিপেতে রয়েছে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র দুই ধরনের মার্চেন্টদের জন্যই রকমারি সুবিধা। বৃহৎ মার্চেন্ট যেমন তাদের সেন্ট্রাল পি.ও.এস. থেকে মূল্য গ্রহণ ও ওয়েবপোটাল থেকে পণ্যের বিভিন্ন অফার ফ্রিবিপের গ্রাহকদের কাছে সহজেই পৌঁছে দিতে পারবেন সেই সাথে তাদের পণ্যের বাজারে অবস্থান সম্পর্কেও ধারণা রাখতে পারবেন। তেমনি ক্ষুদ মার্চেন্টরাও আইপডে ফ্রিবিপে-পি.ও.এস. সফট্ওয়ারটি ব্যবহার করে মূল্য গ্রহণ ও তাদের পণ্যের প্রমোশনাল অফার সহ এ্যনিমেটেড বিজ্ঞাপণ ফ্রিবিপের ওয়েবপোটাল থেকে কাষ্টমাইজ করতে পারবেন যেকোন সময়।