অভিজাত ক্রেতাদের জন্য আমেরিকা থেকে আনা হল কোরবানির গরু

Texan Cow টেক্সাস থেকে আমদানি করা একটি গরু। ছবি কৃতজ্ঞতা- সুমন খান

“এই গরুগুলোকে সরাসরি আমেরিকার টেক্সাস থেকে প্লেনে করে নিয়ে আসা হয়েছে। আমদানির খরচ, প্লেনের টিকেট বাবদ এগুলোর জন্য মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।”

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিনে দিনে উন্নত হচ্ছে, সেই সাথে দেশে বাড়ছে ধনী মানুষের সংখ্যাও। কোরবানির জন্য বিদেশ থেকে গরু আমদানি করে ঈদে বিলাসিতার ছোঁয়া রাখতে চাচ্ছেন এসব অভিজাত ব্যক্তিরা।

ঈদ-উল-আযহায় স্বভাবতই স্বাস্থ্যবান গরু কোরবানি দিতে চায় এদেশের মুসলিমরা। এক্ষেত্রে কে কত বড় গরু কোরবানি দিতে পারে সেই প্রতিযোগিতাও চলে।

প্রতি বছরই ঈদের চাহিদা মেটাতে বিদেশ থেকে গরু আমদানি করা হয়। মিয়ানমার, ভারত ও পাকিস্তানের মতো প্রতিবেশী দেশ থেকে ট্রলার অথবা ট্রাকে করে গরু নিয়ে আসেন আমদানিকারকরা।

তবে সাদিক অ্যাগ্রো ফার্মে গরু আনা হয় আমেরিকা থেকেও। আমেরিকার টেক্সাস থেকে গত দু’বছর ধরে গরু আনছে এই খামার।

মোহাম্মাদপুরের বেড়িবাঁধে অবস্থিত এই খামারের মালিক হাজি ইমরান হোসেন এ বছর ঈদের জন্য টেক্সাস থেকে সাতটি গরু আমদানি করেছেন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা ট্রিবিউনকে ইমরান বলেন, “এই গরুগুলোকে সরাসরি আমেরিকার টেক্সাস থেকে প্লেনে করে নিয়ে আসা হয়েছে। আমদানির খরচ, প্লেনের টিকেট বাবদ এগুলোর জন্য মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।”

গত ১৫ অগাস্ট এই খামার প্রদর্শনকালে দেখা যায়, আমদানি করা এসব গরুর সাথে দেশীয় গরু বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। এসব গরুর শিং ছোট, আকারে অনেক দীর্ঘ এবং শরীর বেশ পেশীবহুল।

খামারের ম্যানেজার সুমন বললেন, “সাতটি গরুর সবগুলোই ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাহাদুর নামের সবচেয়ে বড় গরুটি বিক্রি হয়েছে ২৮ লাখ টাকায়। বাহাদুরের ওজন ১৫’শ কেজি আর লম্বায় ১০ ফুট। ১১’শ কেজি ওজনের আরেকটি গরু বিক্রি হয়েছে ২৫ লাখ টাকায়।”

তিনি বললেন, “গরুগুলো দেশীয় জাতের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। প্রথম যখন এদেরকে খামারে আনা হয়, এদেরকে নিয়ন্ত্রণ করাই বেশ মুশকিল হয়ে পড়ছিল। তবে ধীরে ধীরে এরা নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়।”

এসব আমদানিকৃত গরুর খাবারের চাহিদাও দেশীয় গরুর চেয়ে অনেক বেশি। প্রতিদিন ৩০-৩৫ কেজি খাবার লাগে এদের প্রত্যেকটির জন্য।

খামারের মালিক ইমরান জানালেন, “বাংলাদেশে কোরবানিতে এসব দামি গরুর চাহিদা প্রতি বছর বেড়েই চলছে। সেই চাহিদা মেটাতেই আমরা গরুগুলো আমদানি করি।”

Sacrificial cattle imported from Texas sells for Tk2.8 croreঃঃ

cows worth Tk1.30 crore brought to Bangladesh from the USA

As Bangladesh’s economy continues to see a steady growth, the number of wealthy buyers have imported cattle from the US for Eid-ul-Azha this year.

Every year, importers bring in cattle to meet the high demands from neighbouring countries – Myanmar, India, and Pakistan – by trawler or truck.

According to Livestock Department, last year, a total of 10.4 million animals were slaughtered, which is expected to be 11.5 million this year.

One of the importers, Sadeeq Agro Farm, has been importing cattle from US state of Texas for the past two years.

The owner of the farm, which is located in the Mohammadpur Beribadh area of Dhaka, Haji Imran Hossain, has imported seven cattle from Texas to meet the demand for sacrificial animals for this year’s upcoming Eid.

Speaking to the Dhaka Tribune, Imran said: “The cattle were flown-in directly from Texas, USA in a cargo plane. The import cost, including the airfare is about Tk1.3 crore.”

Visiting the Sadeeq Agro Farm on August 15, the Dhaka Tribune notes some key differences between the local cattle and the ones from Texas.

The cattle imported from Texas lack horns, but are much taller and have stockier bodies than locally-traded ones.

“All seven cattle have already been sold, and the biggest cow, named Bahadur, was sold for Tk2,800,000. Bahadur weighs 1,500kg and is 10 feet tall. Another cow, weighing 1100kg, was sold at Tk2,500,000,” the farm’s manager, Sumon, said.

He added: “Imported cattle are much stronger than the native breed. When these cows were first brought to this farm, they were difficult to control and maintain. But they gradually adjusted with their new surroundings.

“The imported cattle need more food compared to local ones, but the type of food remains the same. The Texan cattle usually eats 30-35kgs of feed every day.”

Owner Imran said: “’In Bangladesh, demand for these expensive sacrificial cattle is increasing each year, and we import them to meet local demand.”