‘একজন মমিনুল হক বাচ্চু’ – লেখা নিয়ে বিতর্ক

সাপ্তাহিক ঠিকানা ১৯ অক্টোবর ২০১৮ সংখ্যায় ৩১ নং পৃষ্ঠায় লস এঞ্জেলেসের মমিনুল হক বাচ্চু ভাইকে নিয়ে ‘একজন মমিনুল হক বাচ্চু’ নামে ঠিকানার নিজস্ব প্রতিবেদকের নামে একটি ফীচার প্রকাশিত হয়। সেই রিপোর্ট দুই সপ্তাহ পরে নিউইয়র্কের তথা সারা আমেরিকার জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ঠিকানার ওয়েব পোর্টালের
http://www.thikana.us/?p=18009
এই লিংকে তা পাবলিশ হয়। লস এঞ্জেলেসে জনপ্রিয় বাচ্চু ভাইকে নিয়ে ঠিকানার ফীচার যাতে অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে পড়তে পারেন তার জন্য সেই ফীচারটি একুশ পোর্টালে সাপ্তাহিক ঠিকানা থেকে রি-পোষ্ট করা হয়েছে। এখানে লেখার ক্রেডিট সাপ্তাহিক ঠিকানাকেই দেয়া হয়েছে।

একুশ ডট ইনফো লস এঞ্জেলেসের একটি জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল। একুশ পোর্টালে নিজস্ব সংবাদ ছাড়াও বিভিন্ন সোর্স থেকে স্থানীয় ও হ্যান্ড পিকড নির্বাচিত খবর ছাপা হয়। একুশ পোর্টালে প্রচারিত প্রত্যেকটি নিউজ তাদের সোর্সের নাম ও তাদের সরাসরি লিংকসহ পাবলিশ করা হয়। নিউজ সোর্সের নাম ও তাদের সরাসরি লিংকসহ প্রতিবেদন লস এঞ্জেলেসের স্থানীয় কোন পোর্টালে তো দেয়াই হয় না – জাতীয় অনেক নামকরা পোর্টালেও সেই সূত্র দেখা যায়না।

লস এঞ্জেলেসে আনন্দমেলার পক্ষ হতে আজীবন সম্মাননা গ্রহন করছেন মমিনুল হক বাচ্চু।

ঠিকানার সেই নিজস্ব ফীচার পড়ে কারোই বুঝার উপায় নেই যে কে সেই প্রতিবেদন তৈরী করেছে। সম্প্রতি লস এঞ্জেলেসের কমিউনিটিতে অজানা এক লেখক ঠিকানার সেই ফীচারকে তার লেখা বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে সে কমিউনিটিতে সুপরিচিত একুশ পোর্টালের এডিটরের নামে অজানা ব্যক্তিগত আক্রোশের বশবর্তী হয়ে কমিউনিটিতে তার সুনাম বিনষ্ট করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়ে ফেসবুকে আক্রমণ চালাচ্ছে। ঠিকানার নিজস্ব লেখায় তার রেফারেন্স না টানাতে সে স্থানীয়ভাবে প্রচারিত নিউজ পোর্টালের উপর ক্ষেপেছেন। ঠিকানা পত্রিকায় স্থানীয় লেখকের নাম থাকলে একুশ তা অবশ্যই প্রচার করতো। স্থানীয়ভাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঠিকানার প্রধান সাধুবাদ জানিয়ে নিউজলিংকে মন্তব্যও করেছেন। কমিউনিটির অনেকেই পক্ষে-বিপক্ষে মতামত দিচ্ছেন। এতে কমিউনিটিতে সুস্থ্য ডায়ালগ শুরু হয়েছে।  সামাজিক সম্প্রীতির নিরপেক্ষতা নিয়ে সাপ্তাহিক ঠিকানা জনপ্রিয় কোন সমাজকর্মীকে তাদের নিজস্ব প্রতিবেদক দিয়ে রিপোর্ট করাতেই পারেন।  ঠিকানার ফীচার আর সেই ব্যক্তির লেখা বিডি প্রতিদিনের ফীচারের সাথে হুবহু কোন মিল নেই। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের  নিয়ে লেখার মাঝে তার জন্মের কথা বা সামাজিক কার্যক্রমের বর্ননায় মিল থাকবেই। তাই অন্যকে আক্রমণ করার আগে লেখকের শিক্ষা ও তার সামাজিক অবস্থান বিচার করা জরুরী।

জনপ্রিয় সমাজকর্মীকে নিয়ে অনেক পত্রিকায়ই প্রতিবেদন যেতে পারে – এতে তাকে নিয়ে বিডি প্রতিদিনের লেখা যে তার নিজস্ব তা প্রমানের অপেক্ষা রাখে। একজন এক ব্যক্তিকে নিয়ে লিখলেই সে তার সম্পত্তি বা কপিরাইটেড ব্যক্তিত্ব হয়ে যায়না। লেখকের দৈন্যতা আর প্রফেশন সম্পর্কে অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশই ঘটলো স্থানীয় এক অপেশাদার লেখকের ফেসবুকের ম্যাসেজে। এইখানে তার প্রফেশনাল অজ্ঞতাকে নিয়েই কথা হচ্ছে – তার ব্যক্তিগত জীবন-যাত্রা নিয়ে নয়। আর এইখানেই মানুষের শিক্ষা ও মনুষ্যত্বের পরিচয়। যদি তার লেখা ঠিকানা ছাপাতো ও তাকে লেখক হিসাবে ক্রেডিট দিতো একুশ অবশ্যই তার নাম পাবলিশ করতো। কারন ঠিকানায় ফীচারটা লস এঞ্জেলেসের সেই লেখকের ছিলোনা। তিনি বিডি প্রতিদিনে মিজানুল কবীর নামে লিখে ভেবেছেন যে লস এঞ্জলেসের বাচ্চু ভাইকে নিয়ে কেউ কিছু লিখলে তা তার সম্পদ। যা এখন বুমেরাং হয়ে হাস্যকর অপরিপক্ক সেই ফরমাইসী লেখকের কাছে ফিরে আসছে। এই সকল লেখিয়েদের কথা কমিউনিটির সবাই জানেন। তাদেরকে যে কমিউনিটি কিভাবে দেখেন তা যদি তারা জানতেন তাহলে লজ্জা থাকলে লিখালিখি বন্ধ করে দিতেন।  কমিউনিটিকে বিভ্রান্ত করে তার এই অশুভ উদ্যোগকে অনেকেই নিন্দা জানাচ্ছেন।

প্রতিবেদন দুটি দেখে নিজেরাই যাচাই করুন। ‘একজন মমিনুল হক বাচ্চু’ আর ‘একজন পরোপকারী বাচ্চুর কথা’ ফীচারের মাঝে অনেক পার্থক্য আছে।  

সম্প্রতি লস এঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপূজার মন্ডপে সবার সাথে কমিউনিটিতে জনপ্রিয় মমিনুল হক বাচ্চু। বাংলাদেশ থেকে ইউএস ষ্টেট ডিপার্টমেন্ট-এ আমন্ত্রিত সিনিয়র সাংবাদিক দ্যা ডেইলি ষ্টারের স্পেশাল করসপন্ডেন্ট রেজাউল করিম লোটাস ও দৈনিক ইত্তেফাকের ডিপ্লোম্যাটিক করসপন্ডেন্ট মাইনুল আলম ও লিটল বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের পূজা টীমের সাথে যোগ দেন।

মনিনুল হক বাচ্চুকে নিয়ে দুই ধরনের প্রতিবেদন করা হয়েছে। যার শিরোনামও ভিন্ন। স্থানীয় একজন লেখক এই ফীচারকে তার নামে চালিয়ে দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন এবং বাচ্চু ভাইকে তার নিজের সম্পত্তি হিসাবে নিয়ে নিয়েছেন। এই কারনে একুশ এর নামে মিথ্যা, অসত্য বানোয়াট পোষ্ট দিয়েই যাচ্ছেন। ব্যক্তির অর্জন নিয়ে  এই ধরনের প্রতিবেদনে লেখকের চেয়ে ব্যক্তির কর্ম ও অবদানকেই বড়ো করে দেখা হয়। যেহেতু প্রবাসে লেখকরা সাধারনত সম্মানী পান না – সেখানে নিজের নামের বিনিময়ে তারা লিখে থাকেন যা বিষয়-বস্তুর বিচারে তাদের নাম পাবলিশ করার ক্ষেত্রে অনেক সময় এডিটর ও পাবলিশারদের নজর এড়িয়ে যায়। কেউ যদি নাম নিয়ে নাজুক হন তার উচিৎ ছিলো সেই পোর্টালে যোগাযোগ করা। সেখানে তার নাম যদি যুক্ত না করা হতো এবং তিনি যদি প্রমান করতে পারতেন যে তার লেখা কপি করা হয়েছে তাহলে তার সংক্ষুদ্ধতা নিয়ে কমিউনিটি সন্দিহান হতোনা।  কিন্তু হীনমানসিকতা নিয়ে অন্যের নামে বানোয়াট বিষোদগার করা যার উদ্দেশ্য সে সেই পথে যাবে কেন? ঠিকানাকে আক্রমন না করে একুশ নিয়ে বাজে কথার  বলার উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিগত আক্রমন আর তাদের দৃষ্টিতে উইকেষ্ট বা দূর্বল লিংক হলো একুশ। তাকে ধরো – কারন ব্যক্তিগত আক্রোশ আছে। একুশের প্রতিবেদনে কোন প্রতিবেদকের নাম উল্লেখ করা হয় নাই। তার সোর্স ও লিংক ফীচারের নীচে ক্রেডিট হিসাবে দেয়া হয়েছে। সাপ্তাহিক ঠিকানার ফীচারে দেখুন কার নাম দেয়া হয়েছে। মিজানুল কবীর নামে এই লেখক ১৯ শে অক্টোবরে ছাপা সাপ্তাহিকে তার লেখাকে কপি পেষ্ট ও তার নাম ব্যবহার নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করেন নাই। কারন লেখাটা সম্পূর্নভাবেই ঠিকানা পত্রিকার। স্থানীয়ভাবে রি-পোষ্ট করার পর তার ফেইক ক্লেইম নিয়ে একুশে প্রচারিত হবার পর তাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগের চেষ্টা না করেই ঘেউঘেউ করে যাচ্ছেন। এতে তার পোষ্টে তার নিজস্ব সহচর ১-২ জন ছাড়া কেউ সাড়া দিচ্ছেন না। যেহেতু বাচ্চু ভাইকে নিয়ে তারা বলছেন আরো লেখা আসুক তার সম্পর্কে কিন্তু বাচ্চু ভাইকে নিয়ে কেউ প্রতিবেদন করলে তাদের নাম নিতে হবে, এই রকম আভাসই তারা দিচ্ছেন। বসন্তের কোকিলের মতো উদয় হওয়া কিছু লেখকের অজ্ঞতা থেকে কমিউনিটি আর বেশী কি আশা করতে পারে? তাই আপনার ফেসবুক পেজে এই ধরনের অসার প্রচারণা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখার সময় এসেছে। ফেইক প্রচারণা আপনার ব্যক্তিত্বের সাথে বেমানান।        এই ফীচারের কেন্দ্রবিন্দু ও মানসিকতা ছিলো একজন লস এঞ্জেলেসবাসী কে বিশ্বে তুলে ধরা – কে সেই প্রতিবেদন লিখে তাকে উদ্ধার করলো তাকে গ্লোরিফাইড করলো তা নয়। গত আগষ্টে বিডি প্রতিদিন নিউইয়র্কে এই তথাকথিত লেখকের ফীচার ছাপা হয়।

https://www.bd-pratidin.com/northamerica/home/page/2018-08-17 ।
সাপ্তাহিক ঠিকানায় ১৯ অক্টোবর ২০১৮ সংখ্যায় ৩১ নং পৃষ্ঠায় মমিনুল হক বাচ্চুকে নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন ছাপা হয় যা মিজানুল কবীর তার লেখা হিসাবে দাবী করেছেন নিকৃষ্ট পন্থায়। এতে ফীচার লেখক হিসাবে তার দাবীর যৌক্তিকতা কোনভাবেই প্রমান হয়না। একুশ যখন কোন নিউজ করে তার প্রপার ক্রেডিট সব সময়ই দিয়ে থাকে। এই প্রসঙ্গে বিশিষ্ট সাংবাদিক সাইফুর রহমান জিতু বলেন, ‘একুশ প্ত্রিকা আমার নাম দিয়েই সব নিউজ বা সামাজিক আপডেট করে থাকে – এতে একুশ পোর্টালের কোনদিনই কোন অসুবিধা ছিলোনা। স্থানীয় পোর্টাল হিসাবে সবাই এখানে লিখেন বা লিখতে পারেন কমিউনিটির সেবায় – তবে এই প্রতিবেদনে প্রতিবেদক হিসাবে জাহান হাসানের নাম কোথাও ব্যবহৃত হয় নাই – ঠিকানার নাম ও লিঙ্ক দেওয়া আছে। লস এঞ্জেলেসে সামাজিক সম্প্রীতি ও বস্তুনিষ্ঠতার অপর নাম একুশ।’
লস এঞ্জেলেসে নিজের লেখা নিয়ে মাঝে মাঝে দেখা যায় প্রবল মাতামাতি। কে সাংবাদিক – কে লেখক – কে ফরমাইশী ফেসবুক লেখক বা কে কোন জনমে কোন পত্রিকায় দুইকলম লিখেছে তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা। লেখা নিয়ে যতোটা কথা হয় তার চেয়ে ব্যস্ত থাকে গুছিয়ে সমাজকে বিভ্রান্ত করে ব্যক্তিগত চরিত্র হননের অপচেষ্টায়। প্রতিপক্ষকে ‘বিলো দ্যা বেল্ট’ আঘাত করাই তাদের শয়তানী পৈশাচিক বিকৃত মনোবৃত্তি। এখানে নিজেকে প্রচারের জন্য পরিচিত পত্রিকায় কিছু ফরমাইশি লিখে ছাপায় যাতে নিজেদেরকে লেখক মনে হয়। তাদের কাছে সাংবাদিকতার সূত্র হলো হলুদ রঙ। কমিউনিটির উপকারে কিছু করার চেয়ে তারা নিজেদের প্রচারেই ব্যস্ত থাকে। লিটল বাংলাদেশ কমিউনিটি পেজে যদি এই লেখা আগে পাবলিশ হতো তখন সেটা আর একুশ পোর্টালে হয়তো পাবলিশ হতোনা। একুশ পোর্টালের যে নিরপেক্ষতা ও জনপ্রিয়তা আছে তা দেখে তারা মনে করেছে একুশ পত্রিকা  নিজে এই নিউজ করেছে। যে কমিউনিটির জন্য লেখা – সেই কমিউনিটিতেই প্রচার নেই নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত কর্পোরেট মালিকানাধীন নতুন কিছু সাপ্তাহিকদের। আর লেখক যদি স্থানীয়দের নিয়ে লিখালিখি করতেন তাহলে এই ফীচার লস এঞ্জেলেসে আলোড়ন তুলতো। তাই অন্যের ফেইসবুক পোষ্টে যারা নিজেদের প্রয়োজনে লিখে, সেইসব খবর বা প্রতিবাদ পাবলিশ করার আগে লিটল বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের প্রেসিডেন্টের পরিচালিত ফেসবুক পেজে প্রকাশ করার আগে যাচাই -বাছাই করা উচিৎ ছিলো যাতে কমিউনিটি বিভ্রান্ত না হয়। এখানে যারা লোকালী কিছু করার চেষ্টা করেন তাদেরকে ছোট করা হয়েছে। এইখানেই লিটল বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের অগ্রণী ভূমিকা থাকার দরকার যাতে কেউ কারো বিরূদ্ধে ব্যক্তিগত বিষোদ্গার করার সুযোগ না পায়।  এখানে কেউই প্রফেশনাল সাংবাদিক নন – তারা নিজেদেরভাবে কমিউনিটির নিউজ তুলে ধরেন বিভিন্ন মাধ্যমে। এই লেখকের ক্ষেত্রে তার ক্রিডেনশিয়াল নিয়ে প্রশ্ন উঠাতে লিটল বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব তাকে মেম্বারশীপ দিতে অনীহা প্রকাশ করেছিলো। তারই সূত্র ধরে এই ধরনের হীনমন্যতা ও আক্রমন।

ঠিকানায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে একুশের জানার কোন উপায়ই ছিলোনা যে এই প্রতিবেদন কে করেছে। একুশ স্থানীয় প্রতিবেদনের গুরত্ব দিয়ে তার রি-পোষ্ট করেছে। ঠিকানার প্রতিবেদনে কোন নাম উল্লেখ করা হয় নাই। যদি লেখক ঠিকানার প্রতিবেদনকে নিজের বলে দাবী করতেন তাহলে তিনি প্রথমেই ঠিকানাকে অনুরোধ করতে পারতেন তাদের পোর্টালে তার নাম সংযুক্ত করার জন্য। কারন ঠিকানা পত্রিকা প্রকাশের কয়েক সপ্তাহ পরে পত্রিকার ম্যাটেরিয়াল তাদের পোর্টালে আপডেট করে। আর এখানে একুশ-এর সাথে যোগাযোগ করলেই তার নামটা ফীচারে বসতে পারতো। এখানে কমিউনিটির লোকদের প্রচার কেউ চায় না – চায় শুধু নিজের। বিভেদ ও হেইট প্রচার করে অন্যের অবস্থানকে কিভাবে ধ্বংস করা যায় – সেই পৈশাচিকতাই অনেক অসুখী আত্মার হ্যালোইন উইস।

লস এঞ্জেলেসবাসী সেই সকল লেখকদের তাদের অসৎ উদ্দেশ্য ও অন্যকে ছোট করার মানসিকতাকে ধিক্কার জানায়। তাদেরকে সংবাদকর্মী ভাবতে ঘৃনা হয়। ফেসবুকে লেখা কমেন্টকে বিনীতভাবে মডিফাই করার অনুরোধ জানাচ্ছে একুশ।

আর ইউ এস কপিরাইট আইনে কি লিখা আছে দেখুনঃ “No copyright is claimed in [content copied] and to the extent that material may appear to be infringed, I assert that such alleged infringement is permissible under fair use principles in U.S. copyright laws.
If you believe material has been used in an unauthorized manner, please contact
the poster.”
‘একজন মমিনুল হক বাচ্চু’ লিংকঃ
http://ekush.info/?p=23312