বাফলার উদ্যোগে কবরের জায়গা ক্রয় ও বাফলা চ্যারিটি

লস এঞ্জেলেস প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে বাফলার উদ্যোগে কবরের জায়গা ক্রয়:

বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস এঞ্জেলেস (বাফলার) উদ্যোগে লস এঞ্জেলেসের উপকণ্ঠে সিটি অব মনরোভিয়াতে একটি কবরস্থানে ১০টি কবরের জায়গা ক্রয় করা হয়েছে। আকাশচুম্বী দাফনব্যায় নির্বাহ করতে অপারগ এমন স্বল্পবিত্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমাহিত করার জন্যে বাফলার এই উদ্যোগ। গত রোববার নভেম্বরের ৪ তারিখ সন্ধ্যায় বাফলার নিজস্ব কার্যালয়ে এক অনাড়ম্বর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ১০টি কবরের জায়গা বাবদ ২৫ হাজার ডলার মূল্যের চেক হস্তান্তর করা হয়। উক্ত ১০টি কবরস্থানের একটি ইতিমধ্যেই একজন মৃত প্রবাসী বাংলাদেশি কে প্রদান করা হয়েছে।

উল্লেখ্য ক্যালিফোর্নীয়াতে একজন মৃত ব্যাক্তির দাফনের জন্য ক্ষেত্রও বিশেষে প্রায় ১০ হাজার ডলার খরচ হয়। যার অর্ধেকের মতই পরিশোধ করতে হয় শুধু কবরের জায়গার জন্য। অনেক সময় নানা কারণে অনেক মৃতব্যাক্তির পক্ষে এই ব্যায়ভার বহন করার কেউ থাকে না বা কোনও সুযোগও থাকে না তখন কম্যুনিটিতে তহবিল সংগ্রহ করে দাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এই ধরনের মানুষের সহযোগিতার জন্যে বাফলার এই উদ্যোগ কম্যুনিটিতে বেশ প্রশংসা অর্জন করেছে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসকে লস এঞ্জেলেসে “বাংলাদেশ ডে প্যারেড” নামে উদযাপনের লক্ষে প্রায় একযুগ আগে গড়ে ওঠা বাফলা পর্যাক্রমে চ্যারিট্যাবল কার্যক্রমও শুরু করে এবং সাংগঠনিকভাবে সমাজকল্যাণমূলক কাজ করার জন্য বাফলার সবগুলো প্রাক্তন সভাপতিদের নিয়ে “বাফলা চ্যারিটি” নামে আলাদা একটা চ্যাপ্টার খোলা হয়েছে। বাফলার অসংখ্য চ্যারিট্যাবল কার্যক্রমের মধ্যে প্রতিবছর শীত মওসুমে লস এঞ্জেলেসের ডাউন টাউনে হোমলেসদের মধ্যে জ্যাকেট কিংবা কম্বল বিতরণ একটা গুরুত্বপূর্ন কার্যক্রম। কারণ লস এঞ্জেলেসের মেইন ষ্ট্রীমে কোনও বাংলাদেশী চ্যারিট্যাবল প্রতিষ্ঠানের এধরনের কার্যক্রম এটাই প্রথম। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তাদের অনুরূপ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

গত বছর সাইক্লোনে বিদ্ধস্ত জনপদ উত্তরবঙ্গের নওগার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রামে গৃহহীন ২০টা পরিবারকে ২০টা ঘর তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রায় সহায় সম্বলহীন তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং এই মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

রিপোর্টঃ