২৩ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ:সিইসি – সরকারের ইচ্ছায় আরেকটি একতরফা নির্বাচনী তফসিল: ফখরুল

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ ২৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তফসিল করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। সেখানে তিনি এ তথ্য উল্লেখ করেন।

আগামী ২৮ জানুয়ারীর মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে উল্লেখ করে নূরুল হুদা বলেন, এরই মধ্যে ৭৫টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। চূড়ান্ত হয়েছে ভোটার তালিকা। ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্রের যাচাইবাছাই শেষ হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ চলছে। এবারের নির্বাচনে সাত লাখ কর্মকর্তা নিয়োগের প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রথমবারের মতো পোলিং এজেন্টদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ ছা্ড়া প্রায় শেষের পথে নির্বাচন সামগ্রী কেনাকাটা ও মূদ্রণের কাজ।

ফখরুল : সরকারের ইচ্ছায় আরেকটি একতরফা নির্বাচনী তফসিল

তফসিল ঘোষণা সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের আশা ও প্রত্যাশার বিরুদ্ধে কোনো নির্বাচন তারা গ্রহণ করবেন না।

সরকারের ইচ্ছায় আরেকটা একতরফা নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোট নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টায় নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণে তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৩ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ ২২ নভেম্বর। প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা যাবে ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করা হবে তা আগেই নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। তবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা তফসিল ঘোষণা না করার অনুরোধ জানান।

তফসিল ঘোষণা সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণের আশা ও প্রত্যাশার বিরুদ্ধে কোনো নির্বাচন তারা গ্রহণ করবেন না।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘একতরফা নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে সরকারের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে।’

নির্বাচনে মাঠে থাকবে ৬ লাখ আইন-শৃঙ্খলারক্ষী সদস্য


একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাঠে থাকবে ৬ লাখের বেশি আইনশৃঙ্খলরক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তফসিল করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। সেখানে তিনি এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ টেলিভিশন বিটিভি ও বাংলাদেশ বেতার থেকে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ও রেডিও সিইসির ভাষণ সম্প্রচার করা হয়।

একাদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় নির্বাচনে এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার বিধানের অধীনে সেনাবাহিনীর সদস্যদের মোতায়েনের কথা উল্লেখ করেছেন সিইসি। তিনি জানান, নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন বাহিনীর ৬ লাখের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর মধ্যে থাকবে—পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।