বিশ্বের শীর্ষ যানজটপূর্ণ শহর ঢাকা, ২য় কলকাতা

বিশ্বের শীর্ষ যানজটপূর্ণ শহর ঢাকা, ২য় কলকাতা

এই তালিকায় লস অ্যাঞ্জেলেস রয়েছে ১৫ নম্বরে

যানজটে বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ঢাকা। শনিবার আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘নামবিও’র প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ট্রাফিক ইনডেক্স-২০১৯-এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

২০১৮ এবং ২০১৭ সালে যানজটে ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়, ২০১৬ সালে তৃতীয় এবং ২০১৫ সালে ছিল অষ্টম।

‘নামবিও’র প্রকাশিত এই তালিকা অনুসারে, যানজটের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা, আর তৃতীয় অবস্থানে নয়াদিল্লী, ৪র্থ স্থানে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি, ৫ম ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, ৬ষ্ঠ শ্রীলঙ্কার কলম্বো, ৭ম ভারতের মুম্বাই, ৮ম ফিলিপাইনের ম্যানিলা, ৯ম আরব আমিরাতের সারজা এবং ১০ম অবস্থানে আছে ইরানের তেহরান। এই তালিকায় লস অ্যাঞ্জেলেস রয়েছে ১৫ নম্বরে।

তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪টি, ভারতের ১১টি, পাকিস্তানের তিনটি, চীনের দুটি আর বাংলাদেশের একটি শহরের নাম উঠে এসেছে।

যানজটের জন্য ঢাকার স্কোর হচ্ছে ২৯৭ দশমিক ৭৬। কলকাতার স্কোর ২৮৩ দশমিক ৬৮। ভারতের রাজধানী দিল্লিকে দেওয়া হয়েছে ২৭৭ দশমিক ৮১ স্কোর। নাইরোবির স্কোর ২৭৭ দশমিক ৬৬। আর জাকার্তার স্কোর হচ্ছে ২৭৪ দশমিক ৩৯।

এই তালিকা অনুসারে বিশ্বের সবচেয়ে কম যানজটপূর্ণ শহরের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের বাসেল। এরপর আছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। গত বছর কম যানজটপূর্ণ শহরের মধ্যে শীর্ষস্থানে ছিল ভিয়েনা।

বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ ২১২টি শহরকে বিবেচনায় নিয়ে এ তালিকা প্রণয়ন করেছে নামবিও। এই তালিকা প্রণয়নে নামবিও কয়েকটি উপসূচক ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সময় সূচক, সময় অপচয় সূচক, অদক্ষতা সূচক ও কার্বন-নিঃসরণ সূচক।

সময়, সময় অপচয় ও অদক্ষতা উপসূচকেও ঢাকার অবস্থান শীর্ষে। কার্বন নিঃসরণ সূচকে ঢাকার অবস্থান ১০৯তম, আর কোলকাতা রয়েছে ১১০-এ।

সময় সূচকের ক্ষেত্রে কোনো গন্তব্যে পৌঁছানোকে বোঝানো হয়েছে। এক্ষেত্রে কর্মস্থল বা স্কুলে যাতায়াত সময়কে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সময় অপচয় সূচকে যানজটে সময় অপচয়ের কারণে অসন্তোষের বিষয়টি উঠে এসেছে। অদক্ষতার সূচক মূলত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অদক্ষতা নির্দেশ করে। আর যানজটে সময় অপচয়ের কারণে নিঃসরিত অতিরিক্ত কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা নির্দেশ করে কার্বন নিঃসরণ সূচক।

অনলাইনভিত্তিক জরিপ প্রতিষ্ঠান ‘নামবিও’ প্রকাশিত তথ্য বিবিসি, ফোর্বস, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, বিজনেস ইনসাইডার, টাইম, দ্য ইকোনমিস্ট, চায়না ডেইলি, দ্য গার্ডিয়ান, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং দ্য টেলিগ্রাফসহ বিশ্বের খ্যাতনামা সংবাদপত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।