আঙুলের নখ খান? ভাবতেও পারবেন না কী হবে!

মনের সুখে কিংবা দুঃখে আঙুলের নখ খান? ভাবতেও পারবেন না কী হবে!

Photo credit: Steven Vacher on VisualHunt / CC BY-NC-ND

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক:  আপনি মনের সুখে অথবা দুঃখে মুখের মধ্যে পুরে দিলেন আঙুল! কা’মড়ে কে’টে নিলেন নখ বা আঙুলের চার পাশের চামড়ার একটুখানি! এরকম সময়ে হামেশাই কেউ না কেউ বলে থাকেন, এই বদ অভ্যেসটা ছাড়তে! কখনও কখনও উপদেশের সঙ্গে জুটে যায় মৃদু বকুনিও!
তখন যিনি ব্যাপারটাকে বদ অভ্যেস বলছেন, তার উপর একটু বিরক্তি এসে যায়। বিরক্তি এলে তাঁদের আমরা হয় এড়িয়ে যাই, নয় তো তাঁদের উপস্থিতিতে দাঁত দিয়ে নখ কা’টা বা আঙুলের চার পাশের চামড়া ছেঁ’ড়াটা থামিয়ে দিই! তার পর আবার যে কে সেই! ব্যাপারটা বদ অভ্যেস জেনেও! কিন্তু, বদ অভ্যেস কেন? সেটা কি কেউ বলেছেন?

সেই রহস্যই এবার ফাঁ’স করল এক বিদেশি পত্রিকা। বলল, এই বদ অভ্যেসটার পোশাকি নাম ডার্মাটোফেজিয়া।

কী এই ডার্মাটোফেজিয়া?
বিদেশই ওই পত্রিকার বক্তব্য অনুযায়ী, সাধারণত উদ্বে’গ থেকে এই দাঁত দিয়ে নখ কা’টা বা আঙুলের চার পাশের চামড়া কা’টার বদ অভ্যেস তৈরি হয়। খুব ছোট বয়স থেকেই। সেটাকেই চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হচ্ছে ডার্মাটোফেজিয়া।তা, দীর্ঘ দিন যদি এই অভ্যেস বজায় থাকে, তাহলে কী হয়? সেখানেই আসল সমস্যা! কী হয়, জানলে আঁ’তকে উঠবেন।

চিকিৎসকরা বলছেন, দীর্ঘ দিন ধ’রে এভাবে নখ এবং চার পাশের চামড়া কা’টতে কা’টতে এক সময়ে নেল বেড ন’ষ্ট হয়ে যায়। মানে, নখের নিচে যে নরম চামড়ার আ’স্তরণ থাকে, তা আর তৈরি হয় না। নখ তখন বসে যেতে থাকে ত্বকের গভীরে। ব্যাপারটা কতটা ব্য’থাদায়ক, বুঝতে পারছেন আশা করি!

এখানেই শেষ নয়। অনেক সময় দেখা যায়, অনেকে কা’মড়ে আঙুলের মাথার কাছটা বেশ ক্ষ’তবি’ক্ষ’ত করে ফে’লেছেন। এ সব ক্ষেত্রে জীবা’ণু সং’ক্রমণের একটা আশ’ঙ্কা থেকে যায়। পাশাপাশি, মুখের লালা থেকেও হতে পারে ব্যাকটেরিয়া সং’ক্রমণ।সে রকম হলে? আঙুল কে’টে বাদ দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তাই, উদ্বে’গকে প্রশ’মিত করতে শেখাই বরং ভাল হবে! খামোখা অ’ঙ্গহা’নি কে বা চান!

সংবাদ প্রতিদিন