কফি হাউজকে ৩০ বছরে রেখে বিদায়…মান্না দে’ -কে নিয়ে কিছু কথা

কফি হাউজকে ৩০ বছরে রেখে বিদায়…
কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই/ কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই/আজ আর নেই…।’ প্রজন্ম থেকে প্রজšে§র কাছে তাদের আড্ডা জীবনের অটোবায়োগ্রাফিই বহন করে এই গান। নস্ট্রালজিয়ার সে াতে ভাসানো এক অনন্য বাহন এই গান।
এই ‘কফি হাউজ’কে ৩০ বছর বয়সে রেখেই চলে গেছেন স্রষ্টা মান্না দে। যখন এই কিংবদন্তি গায়ক একটি ‘মিথ-গল্প-কথা’ তৈরি করার মতো ক্ষমতাধর গানটি রেখে বিদায় নিলেন তখন সেই গানটির বয়স ৩০ বছর হয়েছে। আজ থেকে ৩০ বছর আগে এই গানটি গেয়েছেন শিল্পী মান্না দে। এর পরের গল্প সবারই জানা। এর পর প্রজন্ম থেকে প্রজšে§র হাত ধরে এগিয়ে চলছে এ গান।
কালের স্রোতে ভেসে তারুণ্যের দুর্দান্ত মুহূর্তগুলো পার করার সময়কে যখন বিদায় জানাতে হয় তখন চেতন কিংবা অবচেতনভাবেই প্রত্যেকটি প্রজন্মই গেয়ে ওঠে এই গান। সেই ‘কফি হাউজ’ গানটির ৩০ বছর পার হলো এ বছরই। ১৯৮৩ সালে গাওয়া হয় এ গানটি দিয়ে সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন মান্না দে প্রজন্ম থেকে প্রজšে§র কাছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ৯৪ বছর বয়সে এই কিংবদন্তি গায়ক বিদায় নিলেন। ৩০ বছরের প্রবাহিত এক ভরা যৌবনা নদীর মতো এগিয়ে চলছে ‘কফি হাউজ’ গানটি। শিল্পীর বিদায়ের দিনে ঘুরে আসা যাক একবার পেছন থেকে। দেখা আসা যাক কীভাবে এ গানটি জন্ম নেয় এবং ছুটে চলে অমরত্বের দিকে।

‘কফি হাউজ’ গানের কথা লিখেছেন গৌরী প্রসন্ন মজুমদার আর সুর করেছেন সুপর্ণ কান্তি ঘোষ। কণ্ঠ দেন মান্না দে। বছরের পর বছর গানটি প্রজšে§র পর প্রজšে§র কাছে সমান আবেগ নিয়েই সমাদৃত হয়ে আসছে। এই একটি গানকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে কত মিথ, কত গল্প! নাটক সিনেমাও হয়েছে এর ওপর নির্ভর করে। এই গান-সুরই তৈরি করে দিয়েছে ভাবনার অনেক পথ।

জনপ্রিয় এ গানটি তৈরির পেছনে রয়েছে এক মজার গল্প। একদিন শক্তি ঠাকুরকে দিয়ে একটি গান তোলাতে নচিকেতা ঘোষের নিউ আলিপুরের বাড়িতে গিয়েছিলেন গৌরী প্রসন্ন। নচিকেতার ছেলে সুপর্ণকে দেখতে পেয়ে গৌরী প্রসন্ন মজা করেই বলেন, ‘কি বাইরে আড্ডা মেরে সময় কাটাচ্ছ? এর উত্তরে সুপর্ণ বলেন, ‘কী সব গদগদে প্রেমের গান লিখছো। একটা অন্যরকম গান লিখে দেখাও না। এই আড্ডা বা কফি হাউজের আড্ডা নিয়েও তো গান লিখতে পারো।’ এই নিয়ে দুজনের মধ্যে বেশ হাসি-তামাশা চলে। কিন্তু এরই ফাঁকে গানের প্রথম দু’লাইন লিখে ফেলেন গৌরী প্রসন্ন। বাড়ি ফিরে অসুস্থ শরীর নিয়ে সারা রাত জেগে গানটি লিখে ফেলেন। দু’দিন পর সুপর্ণর কাছে নিয়ে এলেন গানটি। কিন্তু শেষ অংশ নিয়ে সুপর্ণের কিছুটা আপত্তি ছিল। আরো কিছু যোগ করা চাই। তার অনুরোধেই আবার শেষ অংশ তৈরির দিকে মনোযোগ দিলেন গৌরী প্রসন্ন। লিখে ফেললেন শেষ স্তবক ‘সেই সাতজন নেই, টেবিলটা আজও আছে…’। আর একেবারে শেষ ৩ লাইন লেখা হলো চেন্নাইয়ে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার পথে ট্রেনে। তিনি ট্রেনের দুলনির সঙ্গেই দুলতে দুলতে হঠাৎ কয়েকটি লাইন পেয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে হাতে থাকা সিগারেটের প্যাকেটের উল্টো পিঠে লিখে ফেলেন। তারপর পরিচিত একজনের মাধ্যমে পাঠান সুপর্ণর কাছে। যত্নসহকারে এতে সুর তোলেন সুপর্ণ। এরপর মান্না দে’কে নিয়ে রেকর্ডিংয়ে যান তিনি। মান্না দে তার কণ্ঠের সবটুকু সুর আর আবেগ ঢেলে দেন এ গানে।

মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে এর রেকর্ডিং শেষ হয় আর সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় একটি ইতিহাসের পথচলা। গানের চরিত্রগুলোকে নিয়েও চলতে থাকে অনুসন্ধান। তৈরি হয় নানা গল্প কথা। এগিয়ে যেতে থাকে গানটি। প্রজন্ম আসে, প্রজন্ম যায়। আড্ডার চেয়ার টেবিলগুলো শূন্য হতে হতেই পূর্ণ হয়। আর সেই চেয়ারগুলো ছেড়ে যাওয়া মানুষরা একটু অবসরে হুট করে পেছনে তাকিয়ে গেয়ে ওঠে, কোথায় হারিয়ে গেল সোনালি বিকেলগুলো সেই-আজ আর নেই…

কফি হাউজ শূণ্য। কফি হাউজের শেষ অতিথিটিও চলে গেলেন। ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ -আক্ষেপ জড়ানো কথা ক’টি একরাশ বিষাদ ছড়িয়ে দিয়েছে আমাদের মন ও মননে।

চলে গেলেন কিংবদন্তী শিল্পী মান্না দে। আমাদের মাঝে রেখে গেলেন কফি হাউজের বন্ধুদের জীবন্তগাঁথা। -কাকে যেন ভালোবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে পাগলা গারদে আছে রমা রায় / সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে শুনেছি তো লাখ্পতি স্বামী তার। / হীরে আর জহরতে আগাগোড়া মোড়া সে গাড়ীবাড়ী সবকিছু দামী তার ।

– সেই সাত জন নেই আজ টেবিলটা তবু আছে / সাতটা পেয়ালা অজোও খালি নেই / একই সে বাগানে আজ এসেছে নতুন কুঁড়ি শুধু সেই সেদিনের মালী নেই / কত স্বপনের রোদ ওঠে এই কফি হাউসে কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায় / কত জন এল গেলো কতজনই আসবে কফি হাউসটা শুধু থেকে যায়। পৃথিবী নামের কফি হাউজ থেকে মান্না দে’ও চলে গেলেন। চলে যেতেই হয়, এটাই নির্মম সত্য।

কেবল ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা’-ই নয়, আরো অনেক কালজয়ী গান গেয়ে গেছেন মান্না দে। যা তাঁকে কোনদিনই ভুলতে দেবে না আমাদের। সাড়ে তিন হাজারেরও বেশী গান গেয়েছেন স্বর্ণযুগের এই কণ্ঠশিল্পী

হিন্দি, বাংলা, গুজরাটি, মারাঠি, মালায়াম, আসাম, কানাড়া অনেক ভাষায় গেয়েছেন তিনি। তাঁর ‘গান লাগা চুনারি মে দাগ’, ‘পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া’, ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’, ‘আবার হবে তো দেখা`, `এই কূলে আমি, আর ওই কূলে তুমি`, `তীর ভাঙা ঢেউ আর নীড় ভাঙা ঝড়`, `যদি কাগজে লেখো নাম`, ‘কত দূরে আর নিয়ে যাবে বল’ কিংবা হেমন্তের আকাশ আজি মেঘলা’, ‘ও নদীরে একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে’, ‘অলির কথা শুনে বকুল হাসে’, ‘রানার রানার’, ‘পথের ক্লান্তি ভুলে’ -এসব গান যখন বেজে ওঠে তখন মনের দরোজা বন্ধ রাখার উপায় থাকে কি!

-‘তুমি আর ডেকো না পিছু ডেকো না / আমি চলে যাই, শুধু বলে যাই / তোমার হৃদয়ে মোর স্মৃতি রেখো না / আঁখিজল কবু ফেল না…’ এই গান কোথাও বেজে উঠলে পথচলা লোকজন এখনও থমকে দাঁড়ান। তাদের যে শুনতে হবে পুরো গানটি। শুনতেই যে হবে -‘নিবিড় আঁধারে একা নিবু দ্বীপ আর জ্বেল না পথ আর চেয়ে থেকো না / জানি মোর কিছু রবে না / তোমার আমার দেখা এ জীবনে আর হবে না / আমার এ চলে যাওয়া চেয়ে দেখো না, / অকারণে ব্যথা পেয়ো না হারালে যাহারে / আজ তারে আর ফিরে চেয়ে দেখো না। / বেদনায় হাসিতে ডেকো না পিছু ডেকো না।’… গানের এ কথাগুলোও।

মান্না দে’র আরো কয়েকটি কালজয়ী গান- ‘আজ আবার সেই পথে দেখা’, ‘এই ক্ষণটুকু কেন এত ভাল লাগে’, ‘এ জীবনে যত ব্যথা পেয়েছি’, ‘আমায় আকাশ বললো’, ‘না না যেওনা ও শেষ পাতা গো’, ‘যে ক`দিন আকাশজুড়ে’, ‘কাল কিছুতেই ঘুম এলোনা’, ‘মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়’, ‘সোনার এ দিনগুলি’, ‘যে ভালবাসায় ভোলায় মোরে’, ‘আমি আজ আকাশের মত একেলা’, ‘এই জীবনের বেশীটাই দুঃখ’, ‘এত ভালবেসে তবু মিটলোনা সাধ’, ‘সোনাতে কলংক ধরেনা’, ‘সোনালী রং মেখে পাখীরা যায় নীড়ে’, ‘যদি প্রশ্ন করি’, ‘এই সেই ঘর সেই দরজা’, ‘শুধু তোমার ভালবাসা পেয়ে’, ‘যে সমাধি বেদীটার ঠিক ওপরে’, ‘আজ শরতের কাশের বনে’, ‘এই আছি বেশ’, ‘অনেক কথা বলেও তবু’, ‘মনে পড়ে সেই দিনটি’, ‘যদি এখনো আমাকে শুধু ভাল লাগে’, ‘দুঃখ আমাকে দুঃখী করেনি’, ‘তুমি চিঠি লিখে ভুলে গেলে’, ‘তুমি চলতে ফিরতে গুনগুন’, ‘শুনতে শুনতে অনেক মিথ্যে’, ‘ভাব করে কি সুখ পাওয়া যায়’ ইত্যাদি।

এখনও শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে শোনেন মান্না দে’র গাওয়া এসব গান। মান্না দে’র এসব কালজয়ী গান জনম-জনমেও চিরজাগ্রত থাকবে যথার্থ আবেদন নিয়ে ।

বাংলা গানের আরেক জনপ্রিয় শিল্পী ‘নচিকেতা’ তাঁর এক গানে বলেন- ‘আর বিরহের কথা এলে মনের জ্বালা ভুলে / আজও মাঝে মাঝে গাই মান্না দে`র গান / পুরানো দিনের গান আজও ভরে মনপ্রাণ / যতই শুনি যে গান বিজাতীয় মডার্ণ’।

মুকুটটা তো পড়ে আছে রাজাই শুধু নেই

সংগীতে তার আধিপত্য ছিলো বিশ্ববিখ্যাত। রাজা বিহীন মুকুটের মতো পড়ে রইল তার অসংখ্য গান। শুধু তিনি নেই। তাঁর এই চলে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী ভক্ত অনুরাগিদের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাকে নিয়ে বলা বিখ্যাতদের স্মৃতি কথা তুলে ধরা হলো-
অমিতাভ বচ্চন: ভারতীয় সংগীত জগতের নক্ষত্রের পতন। তার অনেক স্মৃতি ও গান আজ মনে পড়ছে। কাজ শুরু করার আগে প্রত্যেকেরএক মিনিট নীরবতা পালন করা উচিত।

নরেন্দ্র মোদি: আমরা এক কিংবদন্তি শিল্পীকে হারালাম। তার কণ্ঠস্বরের মধ্যে তিনি আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবেন। তার আত্মার শান্তি কামনা করি।
শাবানা আজমি: মান্না দে একজন অসাধারণ কণ্ঠের অধিকারী ছিলেন। ‘অ্যায় মেরি জোহরা জবি’, ‘দিল কা হাল শুনে দিলওয়ালা’, ‘পুছো ক্যায় সে ম্যায়ন্তে’ এসব গানের মধ্যে তিনি বেঁচে থাকবেন। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়: ইয়ে সার্কাস হ্যায় তিন ঘণ্টে কি…প্যাহলা বচ্পন…দুসরা জওয়ানি, তিসরা বুঢ়াপা হ্যায়।
শ্রেয়া ঘোষাল: সারা জীবন তিনি সংগীতের সাধনা করে গেছেন। শুধু শিল্পী হিসেবে নন, মানুষ হিসেবেও খুব ভালো ছিলেন। তিনি মারা যাননি, তিনি অমর।

অনুপম খের: মান্না দে সেই কিংবদন্তি শিল্পীদের মধ্যে প্রথম, যার গান আমি সিমলায় একটি অনুষ্ঠানে শুনেছিলাম। তিনি তার কণ্ঠস্বরের মতোই ভদ্র ও শান্ত ছিলেন। তাকে খুব মিস করব। তার আত্মার শান্তি কামনা করি।

অভিজিৎ: কফি হাউস থেকে আমি যে জলসাঘরে সব গানের মধ্যে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন। তিনি ভগবানের দূত। বাপি লাহিড়ী: তিনি সুরসম্রাট ছিলেন। সংগীত গুলে খেয়েছিলেন। ভারত সংগীতজগতের পিতৃস্থানীয়কে হারাল।

অপর্ণা সেন: তার সঙ্গে আমার খুব বেশি দেখা হয়নি, সেই দুঃখ চিরকাল রয়ে যাবে। এই মৃত্যু পরবর্তী প্রজšে§র কাছে এক বিরাট ক্ষতি।
বনশ্রী সেনগুপ্ত: গানের মধ্যেই তিনি বেঁচে থাকবেন।

আরতি মুখোপাধ্যায়: তিনি নিজেই সংগীতের প্রতিষ্ঠান ছিলেন। তার প্রয়াণে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।
অনুপ ঘোষাল: মান্না দা এক পরিপূর্ণ শিল্পী।

অরুন্ধতি হোমচৌধুরী: আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি হয়ে গেল। গানই আমার কাছে সব কিছু, সেই জায়গা থেকেই এই ক্ষতি। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী: প্রতিটি দেশের সাংগীতিক বাবা চলে গেলেন। মান্না দে ভারতের রত্ন।

সুপর্ণকান্তি ঘোষ: সুরের দিক থেকে পৃথিবী খুব গরিব হয়ে গেল। শান্তনু মৈত্র: যত দিন গান থাকবে, তত দিন মান্না দে বেঁচে থাকবেন।
হৈমন্তী শুক্লা: তিনি আমার বাবার মতো ছিলেন। আমি আজ যেটুকু জানি সবই তার জন্য। তার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলাম।


মান্না দের সেরা হিন্দি গান

সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন উপমহাদেশের প্রবাদপ্রতিম সংগীতশিল্পী। তার অন্যতম স্মরণীয় কয়েকটি হিন্দি গান
পেয়ার হুয়া ইকরার হুয়া: এখনো সবচেয়ে ক্লাসিক গান হিসেবে বিবেচিত হয় গানটি। ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত রাজকাপুরের ‘শ্রী ফোরটুয়েন্টি’ ছবিতে গানটি প্লেব্যাক করেন মান্না দে ও লতা মুঙ্গেশকর।

এ ভাই জারা দেখকে চলো: উনিশ সত্তর দশকে রাজকাপুরের ‘মেরা নাম জোকার’ অন্যতম বড় একটি হিট গান।

ইয়েহ দোস্তি হাম নাহি তোড়েঙ্গে: অমিতাভ ও ধর্মেন্দ্র অভিনীত ‘শোলে’ ছবিতে গানটি ব্যবহৃত হয়। মান্না দের সঙ্গে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন কিশোর কুমার।
জিন্দেগি ক্যায়সে হ্যায় পেহেলি: ১৯৭১ সালে ঋষিকেশ মুখার্জির ‘আনন্দ’ ছবিতে গানটি গেয়েছিলেন মান্না দে।

লাগা চুনারি মে দাগ: ১৯৬৩ সালে ‘দিল হি তো হ্যায়’ ছবিতে এই গান গেয়েছিলেন মান্না দে। ছবিতে অভিনয় করেন রাজকাপুর।

ইয়ে রাত ভিগি ভিগি: লতা ও মান্নার অন্যতম স্মরণীয় একটি গান। এটি রাজকাপুর অভিনীত ‘চোরি চোরি’ ছবির গান।

আব কাহা জায়ে হাম: ১৯৫৯ সালের ‘উজালা’ ছবিতে শাম্মী কাপুরের গানটির দৃশ্যায়ন করা হয়। তুজহে সুরুজ কাহোয়া চান্দা: ১৯৬৯ সালে ‘এক ফুল দো মালি’ ছবিতে গানটি ব্যবহৃত হয়েছে।