আয়ু বাড়াতে কুমড়া

আয়ু বাড়াতে কুমড়া
মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের শুরু শিশুবেলায়। নবজাতকের প্রথমদিকের খাবারে ডাক্তাররা ডাল-কুমড়ার খিঁচুড়ি রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সেই শুরু। এরপর পুরোটা জীবন এক অন্যতম উপকারী সবজি হয়ে পাশে থাকে কুমড়া
গবেষণাটি মার্কিনদের। তারা প্রমাণ পেয়েছেন, নিয়মিত কুমড়া খেলে দীর্ঘজীবী হওয়া যায়। এর আলফা ক্যারোটিন উপাদান আমাদের আয়ু বাড়িয়ে দেয়। সুতরাং কুমড়ার প্রতি অনীহা থাকলে তা আজই দূর করুন। শুধু তা-ই নয়, মেধাশক্তি বাড়াতেও খেতে পারেন কুমড়া।
 অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার কুমড়া। ১০০ গ্রাম কুমড়ায় ১৪ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’ থাকে। পাশাপাশি ভিটামিন ‘ই’, ‘এ’ ও ‘বি৬’সহ আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আঁশ প্রভৃতি তো আছেই।
বিশ্বের অনেক দেশে কুমড়ার স্যুপ প্রিয় একটি খাবার। বিশেষ করে শীতকালীন দেশগুলোয় এ স্যুপ ভীষণ পছন্দের। সেসব অঞ্চলে কুমড়া দিয়ে মিষ্টি খাবারও তৈরি হয়। কুমড়ায় ক্যালরির উপস্থিতি কম থাকায় সবাই এ মিষ্টিজাতীয় খাবার খেতে পারেন।
উচ্চরক্তচাপ কমাতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খেয়ে যান মিষ্টি কুমড়া। পাশাপাশি চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে এক কার্যকর সবজি এটি।
তাত্ক্ষণিক কর্মক্ষমতা বা শক্তি বাড়াতে প্রকৃতির এক দারুণ ফল কলা। এর সঙ্গে আরো জেনে রাখুন, এক কাপ পরিমাণ কুমড়ার তরকারিরও একই ক্ষমতা রয়েছে।
ত্বকের জন্যও উপকারী সবজি কুমড়া। ত্বক ও চুলের সুরক্ষায় মিষ্টি কুমড়া খেয়ে যান। এর ক্যারোটিনয়েডস চামড়ার বলিরেখা দূর করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয়।
 মিষ্টি কুমড়ার কিছুই ফেলনা নয়। এর শাকেও আমিষ, শর্করা, খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ক্যারোটিন এবং ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’-এর উপস্থিতি রয়েছে।
খেতে পারেন কুমড়ার বিচি। এটা হার্টের জন্য উপকারী। এ বিচিতে আঁশের উপস্থিতি অনেক। তাছাড়া ক্যালরি, ফ্যাট, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম প্রভৃতি রয়েছে। কুমড়ার খোসা ভর্তা করে বা ভেজে খাওয়া যায়; এসব খাবারে পুষ্টিগুণও বজায় থাকে।
পুরুষদের প্রোস্টেট গ্রন্থির কার্যক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে কুমড়া। রান্না বা ভাজার সময় সবজিটি থেকে যেটুকু তেল বের হয়, তা এ গ্রন্থির জন্য উপকারী। তাছাড়া এর বীজে ফাইটেস্টেরল থাকে, এটিও প্রোস্টেটকে রক্ষা করে।
, , #, # ও ফিটনেস, ও ফিটনেস, , খাবার দাবার, লাইফ ষ্টাইল