পর্ণোগ্রাফি যেভাবে সর্বনাশ ডেকে আনছে উঠতি বয়সীদের

0
12

পর্ণোগ্রাফি যেভাবে সর্বনাশ ডেকে আনছে উঠতি বয়সীদের

যুক্তরাজ্যের নর্থ ওয়েলসের ‘মোল্ড ক্রাউন’ আদালতে গত মঙ্গলবার ১৩ বয়সী একটি ছেলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেছে , ৮ বছর বয়সী একটি মেয়ের সঙ্গে তার নিয়মিত যৌন সম্পর্ক রয়েছে এবং গত দুইবছর ধরেই মেয়েটি সঙ্গে গোপনে তার এ সম্পর্ক চলছে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ডেইলি মেইলে এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।

আদালতের বিচারক ‘নেকলাস প্যারি’ ছেলেটির সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন যে, ১০ বছর বয়স থেকে এই ছেলে ইন্টারনেটে প্রতিদিন কমপক্ষে এক ঘন্টা পর্ণো ভিডিও দেখত। এসব ভিডিও দেখে সে তার আবেগ ধরে রাখতে পারতনা। এজন্য সে পাশ্ববর্তী ৬ বছর বয়সী এক মেয়ের সাথে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল। গত দুই বছর ধরেই তাদের এ সম্পর্ক চলছে।

তিনি আরো বলেন, এই ছেলে প্রায়ই তার মা’কে পর পুরুষের সঙ্গে সরাসরি সেক্স করতে দেখত। এটি তাকে বেশি প্ররোচিত করেছে।

তবে ছেলেটিকে পারিবারিকভাবে কোন বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হতোনা। ছিলটি নিজেকে একেবারেই স্বাধীন মনে করতো। ছেলেটি নৈতিকতার শিক্ষাও পায়নি।

সম্প্রতি এ বিষয়টি জানাজানি হলে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে ছেলেটি তার দোষ স্বীকার করলেও তাকে কোন প্রকার শাস্তি দেয়া হয়নি। তবে তাকে সংশোধনের জন্যে তিন বছর ধরে একটি কিশোর সংশোধনাগারে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ইউরোপের বেশিরভাগ দেশেই সেক্স নিয়ে কোনো রাখঢাক করা হয় না। বিষয়টি খোলামেলা। বিশ্ববাজারে বর্তমান সময়ে যেসব পর্ণোগ্রাফি পাওয়া যায় তার বেশিরভাগই ইউরোপ ও আমেরিকার পর্ণোস্টারদের করা। এসব অশ্লীল ভিডিও বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কেউ সংগ্রহ করতে পারে।

বর্তমানে বয়স্ক ব্যক্তিদের পাশাপাশি একেবারে কমবয়সী ছেলেমেয়েরাও পর্ণোগ্রাফির প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েরা এ ধরণের অপকর্মের প্রতি বেশি আকৃষ্ট।

তবে গবেষকরা বলছেন, পর্ণোগ্রাফি দেখার পর শারীরিক যে উন্মাদনা সৃষ্টি হয় তা মেটাতেই অনেকে এ ধরণের কাজে জড়িয়ে পড়ে। ছেলেমেয়দের নৈতিকতার পাশাপাশি একাজে তাদের ব্যাপক স্বাস্থ্যহানি ঘটে। এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হয়।

উৎসঃ   ঢাকাটাইমস২৪