ভিয়েতনামের জন্য সম্ভাবনাময় বাজার হচ্ছে ব্রাজিল

চলতি বছরের শেষ দিকে আমদানি শুল্ক কমাতে যাচ্ছে ব্রাজিল। এটি ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ বাজার ধরার ক্ষেত্রে ভিয়েতনামের জন্য চমত্কার একটি সুযোগ বলে মনে করা হচ্ছে। কম শুল্কের কারণে দেশটিতে তাদের রফতানি আরো বাড়ার প্রত্যাশা করছে ব্রাজিলে থাকা ভিয়েতনামের শুল্ক বিভাগ। খবর নিউজ এশিয়ার।

দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি ব্রাজিল ইস্পাত, পেট্রোকেমিক্যাল, ফার্মাসিউটিকেলস, নির্মাণ সামগ্রীসহ ১০০টি শিল্পপণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমাতে যাচ্ছে। গত বছর মুদ্রার ওঠানামার প্রভাব থেকে স্থানীয় শিল্প রক্ষায় কর বাড়িয়েছিল দেশটি। তবে এবার আমদানি শুল্ক অর্ধেকেরও বেশি অর্থাত্ ২৫ শতাংশ থেকে ৮-১০ শতাংশে নিয়ে আসা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছর ব্রাজিলের আমদানি বাজারে প্রবৃদ্ধি ছিল ২২ শতাংশ। মূলত জনসংখ্যা ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার প্রভাবেই আমদানি প্রবৃদ্ধিও বেড়েছিল। আমদানি প্রবৃদ্ধি বেড়ে যাওয়ার কারণেই মূলত এ খাতের শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এদিকে ব্রাজিলের বিশাল এ বাজারে প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে, তা অনুধাবন করতে পারছে বিভিন্ন দেশ। এর মধ্যে অন্যতম ভিয়েতনাম। ভিয়েতনামের বাণিজ্য সংস্থা জানায়, অন্য বিদেশী প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় তাদের পণ্যের দাম কম। এছাড়া গত দশকে দুটি দেশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হয়েছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে উভয় দেশের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যিক লেনদেন হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে ব্রাজিলে ভিয়েতনামের রফতানি বেড়ে ৫৭ দশমিক ৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৪৯৯ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার। দেশ দুটির মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রবৃদ্ধি বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও ব্রাজিলের আমদানিতে ভিয়েতনামের রফতানির অংশ মাত্র দশমিক ৩ শতাংশ। কাজেই কম শুল্কের সুবিধা পেতে ভিয়েতনামের ব্যবসাগুলোকে প্রচারণা চালানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্রঃবণিক বার্তা রিপোর্ট