BANGLADESH: People pay more to the police than to their government

BANGLADESH: People pay more to the police than to their government

 August 9, 2012
AHRC-STM-160-2012.JPGBangladesh's law-enforcement agents have a reputation for abusing authority through coercive means. They are and have been the hired thugs of all the ruling regimes. Policing in the country is an industry of producing victims of torture and fabrication of criminal charges against civilians and political opponents since long. Corruption has replaced the chain of command within the police.  The constant failure of the police to credibly investigate crimes is the single largest impediment within the criminal justice administration in the country. To keep the police subservient to the ruling elite the government has kept the salary of the police force very low. This opens the floodgates and serves as incentive for the police officers to demand and accept bribes. Impunity provided to the force against prosecution for corruption and all other crimes these officers commit is returned by the force by undertaking cleanup work for the ruling elite, most often by 'dealing' with political opponents. The disparity between the wealth of some police officers and their actual income is proof to this illegal nexus of corruption and protection between the police and politicians in Bangladesh. The ordinary people, for whom the police is the most visible and powerful presence of the state in the rural and urban settings, pay bribes to the police on a daily basis. People pay bribes to the police for registering a General Dairy entry and complaints; to prevent officers from torturing or ill-treating them, for inclusion or exclusion of a person's name from the lists of accused or witnesses in a complaint and the like. They pay the police for arresting a suspect, while the same suspect pays the police to obtain a release from custody. Complainants pay the police for bringing a charge against the respondent in the police investigation report while the respondent pays for dropping the charge. People pay bribes for the police to collect and preserve evidence in criminal investigations - known as alamot in Bangladesh - until the evidence is handed over to the courts. In cases of unnatural death if the body is to be recovered and sent to a public hospital for autopsy, the relatives or those interested in the case have to bribe the police for transporting the body. Without bribing nobody can expect the police to undertake a proper inquest. Equal amounts or perhaps more has to be paid at the hospital as well.  This is the case in rape charges as well. Any hawker, from those who sell peanuts or candy squatting in a footpath or moving around in streets or public parks, must bribe the police routinely, failing which the police would fabricate false charges against the hawker. Likewise, the illegal drug-peddlers or arms dealers bribe the police to sustain their business. Officers who are responsible for maintaining road traffic demand and accept bribes from drivers and transport company owners. If a case of traffic accident were to be registered the complainant should bribe the officer and if the accused pays higher amount to the police, the police could shift burdens of the accused and the complaint as the officer chooses. Most officers own assets disproportionate to their legitimate source of income. Many officers to avoid problems maintain these assets in the names of their relatives. Unfortunately the government is least bothered about this plight of the people. Often the officers' family do not care that most of their conveniences in life has a story of sorrow, misery and blood of the common citizens. Often the acquisition of a police officer is the 'blood', 'sweat', 'sigh', 'tears' and 'curse' of the ordinary citizens! The country must end this entrenched institutional wilt and treat it as the matter of highest priority. Unless Bangladesh reforms its policing system, make it a professional body, equipped and trained to serve the people as required in any modern democracy, there will be no hope for the people, failing which justice, equality and fair trial would be impossible in the country.

মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতিতে লস এঞ্জেলেস প্রবাসীদের উদ্বেগ

লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি শীর্ষক আলোচনা সভা মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতিতে লস এঞ্জেলেস প্রবাসীদের উদ্বেগ জুন ৩, ২০১২, লস এঞ্জেলেসঃ বাংলাদেশের অবনতিশীল মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা গভীর উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষন করছে লস এঞ্জেলেস প্রবাসীরা। বিরোধী দলের উপর নজিরবিহীন আগ্রাসন ও হয়রানি, নাগরিকদের অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টার প্রতি নিন্দা ও ঘৃণা জানিয়েছেন তারা। গত রবিবার লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস অলিম্পিক পুলিশ ষ্টেশনের কমিউনিটি সেন্টারে একুশ নিউজ মিডিয়া ও বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ডাইভার্সিটি আর্টস এন্ড মিডিয়া (বাদাম) এর উদ্যোগে সমবেত বিভিন্ন কমিউনিটির নেতারা ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে মানবাধিকারের চরম লংঘনে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, কিছু কিছু সুবিধাবাদী রাজনৈতিক নেতাদের ভুল সিদ্ধান্ত ও সংসদকে অকার্যকর করে রাখায় দেশ এখন শুধু প্রধানমন্ত্রীর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এতে সামাজিক উন্নয়ন প্রচণ্ড ভাবে হুমকির সম্মুখীন। দেশ ও দশের উন্নয়নে যোগ্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকল্প নাই। মেধা বিকাশে দলীয়করণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য শিক্ষিত সমাজকে সোচ্চার হবার আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে পরিমাণ হিংসা-বিদ্বেষ তাতে দেখে যে কারো মনে হতে পারে এখানে গৃহযুদ্ধ চলছে। প্রবাসের মতো দেশেও যেন সব দলের নেতারা এক প্লাটফর্মে বসে কথা বলার পরিবেশ তৈরী করতে পারে তার জন্য সহনশীলতা তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ক্ষমতার লিপ্সাই প্রধান। স্থানীয় উন্নয়নে সাংসদদের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে শুধু নিজেদের জন্য নয় বরং দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। দেশের নাজুক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নাগরিকদের জান-মালের নিশ্চয়তা বিধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীদের দলের উর্ধে উঠে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশে আজ ব্যক্তির কোনো নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্রে খুন, গুম, ধর্ষণ একের পর এক বেড়েই চলেছে। সচিবালয়ে বোমা হামলা ও বাসে অগ্নিসংযোগ ঘটনায় কয়েকদিনের মাথায় বিরোধীদলের নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে জেলে অন্তরীন করা হয় অথচ মাসের পর মাস পেরিয়ে গেলেও সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের কোন কূলকিনারা না হওয়াতে দলীয় হস্তক্ষেপে আশংকায় উদ্দ্বেগ প্রকাশ করা হয়। খুন হওয়া সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির ঘটনা সরকার যেন ইচ্ছা করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অপশক্তিরা উৎসাহিত হয়। এ পরিস্থিতিতে দেশের সাংবিধানিক অভিভাবক নির্বাচিত সরকারের নির্লিপ্ততার নিন্দা জানিয়ে বক্তরা বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানবিক গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেয়ার কাজে সরাসরি পুলিশ বহিনী ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার সামগ্রিক পরিস্থতিকে আরো জটিল করেছে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নয় – তাই শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, অর্থবহ জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। দলীয় দূর্নীতিবাজদেরও ছাড় দেওয়া চলবে না। এতে নিজ দলের অপরাধীদেরকেও বিচারের আওতায় আনার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেন আন্তর্জাতিক মানের হয় তার প্রতি আইনজীবী ও সচেতন সমাজের লক্ষ্য রাখার অনুরোধ জানানো হয়। মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। ব্যবসায়ীদের আজ রাজনীতিতে আধিপত্যতা। তার ফলশ্রুতিতে প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে অপশক্তির উত্থান ঘটছে। প্রকৃত ঘটনা উদ্বঘাটিত হচ্ছেনা। সাংবাদিকরাও আইনের উর্ধে নন। সাংবাদিকরা নিজেদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ সঠিকভাবে করছে না বলেই অপশক্তিরা এখনো সংগঠিত হচ্ছে। সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের জনগণ পাশে প্রবাসীরা ও সোচ্চার আছে। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। দেশের উন্নয়নে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে বিদেশী বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করার কোন বিকল্প নেই বলে প্রবাসীরা মনে করেন। বক্তারা বলেন, দেশের ভাবমূর্তি এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে অনেক খারাপ। সবগুলো রাষ্ট্রীয় খাতই এত বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত যে বিদেশিরা কোনো সহায়তা দিতে ভরসা পাচ্ছে না। তারা মনে করছে, এখানে কিছু দিলেই তা ব্যক্তি বিশেষের পকেটে চলে যাবে। এটা দেশের উন্নয়নের কোনো কাজে লাগবে না। হত্যা, গুম, নারী নির্যাতনরোধে বিশ্বব্যাপী জনমত তৈরিতে পরিবর্তিত বিশ্ব প্রেক্ষাপটে প্রবাসে বসবাসরত প্রবাসীদের উৎকন্ঠা তাদের নিজ নিজ কাউন্সিলম্যান, সিনেটরদেরকে অবহিত করার উপর তাগিদ দেওয়া হয়। দেশের এ নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের সরকারকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দায়িত্বশীল মহলকে যথাযথ ভূমিকা রাখার আহবান জানানো হয়। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান স্বীকৃত হয়ে আসলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবাসীদের গুরুত্ব দেওয়ার ধারা তৈরী করতে হবে। প্রবাসীদের আওয়াজ যাতে সংসদ ও জনগণের মাঝে তুলে ধরা যায় তার জন্য প্রবাসী উইন্ডো নামে একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরী করার পরামর্শ দেওয়া হয়। স্বদেশে নিরাপদ জীবনের অঙ্গীকারে প্রবাসীদের হয়রানী বন্ধে দেশের স্থানীয় প্রশাসনকে সক্রিয় হবার আহ্বান জানানো হয়। সহনশীলতার পরিবেশ ও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দেশের উন্নতির লক্ষ্যে বিজ্ঞ প্রবাসীদের নিয়ে একটি পলিসি ইন্সটিউট তৈরির আহ্বান জানানো হয়। পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে পরিশীলিত রাজনৈতিক সংষ্কৃতির উন্মেষ ঘটিয়ে যুগের চাহিদা অনুযায়ী দেশ গড়ার প্রতয়ে সকল প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সোচ্চার হবার আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। সাম্প্রতিক বাংলাদেশ ও প্রবাস ভাবনা শীর্ষক এই আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইসমাইল হোসেন, ড্যানী তৈয়ব, মুশফিকুর চৌধুরী খসরু, মাহতাব আহমেদ, তারিক বাবু, শাহানা পারভীন, এম এ বাতেন, মারুফ ইসলাম, শফিঊল আলম বাবু, মোঃ এস জোহা বাবলু, মুজিব সিদ্দিকী, শামসুদ্দিন মানিক, এম এ বাসিত, আনিসুর রহমান, ডাবলু আমিন, লায়েক আহমেদ, এম কে জামান, মোঃ গোলাম সারোয়ার, ফয়সাল আহমেদ তুহিন, রওনাক সালাম, আশরাফ এইচ আকবর, মার্টিন রহমান, জসীম আশরাফী, অবঃ মেজর হামিদ, ফারহানা সাঈদ, ডাঃ আবুল হাশেম, মোসাম্মৎ ফরিদা, সোহেল রহমান বাদল প্রমুখ। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- আলী তৈয়ব, মাসুদ চৌধুরী, ইশতিয়াক চিশতী, কাঞ্চন চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী খান, বুলবুল সিনহা, মোঃ ময়েজ উদ্দিন, শফিক রহমান, নাসির উদ্দিন জেবুল, ফারুক হাওলাদার, ইফতেখার রহমান, ইলিয়াস খান, মোতিয়ার রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কাজী মশহুরুল হুদা ও সৈয়দ এম হোসেন বাবু। সার্বিক অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন আয়োজক সংগঠন একুশ নিউজ মিডিয়ার পরিচালক জাহান হাসান। Pic Link:

লসএ্যনঞ্জেলস্ -এ আইটি সম্পর্কিত ব্যবসায় আমেরিকা-বাংলাদেশ যৌথ উদ্দোগ এবং এর সম্ভাবনার...

একুশ নিউজ মিডিয়া-র সব নিউজ এখন ফেস বুক এ

লসএ্যনঞ্জেলস্ -এ আইটি সম্পর্কিত ব্যবসায় আমেরিকা-বাংলাদেশ যৌথ উদ্দোগ এবং এর সম্ভাবনার পর্যালোচনা। IT Business Seminar Picturesসাইফুল খন্দকার গত ১৬ জুলাই, রবিবার লসএ্যনঞ্জেলস্, ক্যালিফোনিয়ায় কনসুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ইউএস-বাংলদেশ বিজনেস ফোরাম ও কনসুলেট জেনারেল অব বাংলাদেশ, লসএ্যনঞ্জেলস্ -এর যৌথ ব্যবস্থাপনায় আইটি সম্পর্কিত ব্যবসায় আমেরিকা-বাংলাদেশ যৌথ উদ্দোগ এবং এর সম্ভাবনা শীর্ষক এক আলোচনা সভা । সভার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল আইটি খাতে আমেরিকা-বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগের বর্তমান পরিস্থিতির নিরীক্ষণ, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা। সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দিতে গিয়ে ইউএস-বাংলদেশ টেক্নোলজি এসোসিয়েশন এর প্রেসিডেন্ট এবং ফ্রিবিপে এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জনাব ড. সাইফুল খন্দকার বলেন “নতুন উদ্ভাবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশীগণ স্বীয় অর্থনৈতিক স্বার্থ বজায় রেখে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ণে ব্যাপক অবদান রাখতে পারবেন।” কথাটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ‘ফ্রিবিপে’-এর চমৎকার প্লাটফর্মের সাথে পরিচয় করিয়ে ড. সাইফুল উল্লেখ করেন ‘ফ্রিবিপে’ স¤পূর্ণ ভাবে বাংলাদেশের প্রযুক্তিকমীদের নির্মিত। গত ৭ মাসে ‘ফ্রিবিপে’ নির্মাণে ৫০ জন প্রযুক্তিকর্মী রাতদিন শ্রম দিয়েছেন। এবং এটি বাজারজাতের পূর্বে ও পরে আরো বহুসংখক প্রযুক্তিকর্মী নিয়োগের মাধ্যমে গুনগত কর্মসংস্থান সম্ভব যা অন্যান্য ক্ষেত্রে হাজার কর্মসংস্থান-এর সমান। এ বিষয়ে ইউএস-বাংলদেশ বিজনেস ফোরাম -এর প্রেসিডেন্ট জনাব মোহাম্মদ আহ্সান NRI (Non Resident Indians) এর ভারতের প্রযুক্তি খাতে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, এখন সময় এসেছে NRI (Non Resident Indians) কমিউনিটির দল-মত এর উর্দ্ধে দেশের কল্যাণে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে সক্রিয় অংশ নেবার। এতে করে বাংলাদেশ একদিকে যেমন বিশ্বের মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিতে পারবে; অন্যদিকে তেমন বাংলাদেশীদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মর্যদা বৃদ্ধিপেতে থাকবে ক্রমবর্ধমান হারে। এছড়া সভায় ফ্রিবিপে -এর সিওও মি. যেফ জারভিস্ আমেরিকায় ফ্রিবিপে’র বাণিজ্যিক সম্ভাবনা নিয়েও বক্তব্য উপস্থাপন করেন। পরে সম্মানিত কনসুল জেনারেল জনাব এনায়েত হোসেন এর সভাপতিত্বে এ বিষয়ে এক সাধারণ মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ কন্স্যুলেট অব লস এঞ্জেলেস এখানে উল্লেখ্য যে, সম্পূর্ণ বাংলাদেশী ব্যবস্থাপনায় ও বাংলাদেশী প্রযুক্তিকর্মীদের দ্বারা উন্নয়নকৃত ফ্রিবিপের ভোক্তা ও বিপনণ এই দুই বিভাগেই রয়েছে নানান রকম সুবিধা। একদিকে ভোক্তারা যেমন তাদের আইফোন, এণরয়েড, ব্লাকবেরী ও উইন্ডোজ ফোন থেকে এবং সেইসাথে ফ্রিবিপের ওয়েবপোটাল ব্যবহার করে কোনধরণের প্লাস্টিক কার্ড বহন না করেই তাদের কেনাকাটা সারতে পারবেন। শুধু তাই নয় রকমারি পণ্যের মূল্যছাড় সহ লয়ালিটি প্রোগ্রামের আওতার সুবিধাগুলো নিতে ফ্রিবিপে তাদের ব্যক্তিগত সহকারীর ভূমিকা পালন করবে অনায়াসে। অন্যদিকে বিপনণে ফ্রিবিপেতে রয়েছে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র দুই ধরনের মার্চেন্টদের জন্যই রকমারি সুবিধা। বৃহৎ মার্চেন্ট যেমন তাদের সেন্ট্রাল পি.ও.এস. থেকে মূল্য গ্রহণ ও ওয়েবপোটাল থেকে পণ্যের বিভিন্ন অফার ফ্রিবিপের গ্রাহকদের কাছে সহজেই পৌঁছে দিতে পারবেন সেই সাথে তাদের পণ্যের বাজারে অবস্থান সম্পর্কেও ধারণা রাখতে পারবেন। তেমনি ক্ষুদ মার্চেন্টরাও আইপডে ফ্রিবিপে-পি.ও.এস. সফট্ওয়ারটি ব্যবহার করে মূল্য গ্রহণ ও তাদের পণ্যের প্রমোশনাল অফার সহ এ্যনিমেটেড বিজ্ঞাপণ ফ্রিবিপের ওয়েবপোটাল থেকে কাষ্টমাইজ করতে পারবেন যেকোন সময়।

প্রবাসে ক্রাইম বেড়েছেঃ মৃত্যুর মিছিল

২০১০ সালে শতাধিক বাংলাদেশীর মৃত্যু

প্রবাসে ক্রাইম বেড়েছেঃ মৃত্যুর মিছিল

ঠিকানা রিপোর্টঃ প্রবাসে বাংলাদেশীর সংখ্যা বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে মৃত্যুর মিছিলও। ২০১০ সালে প্রায় শতাধিক বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। যা ছিলো গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশি। গত বছর অধিকাংশ বাংলাদেশী মৃত্যুবরণ করেছেন হার্টএ্যাটাকে। তাছাড়া ছিলো বেশ কয়েকটি আলোচিত মৃত্যু। যার মধ্যে ছিলো বেশ কয়েকটি আত্মহত্যার ঘটনা, সড়ক দুর্ঘটনা, খুন এবং সুইমিং পুলে পড়ে শিশুর মৃত্যু। অন্যদিকে আমেরিকার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মন্দা থাকার কারণে নিউইয়র্ক সিটিসহ আমেরিকায় হেইট ক্রাইমের সংখ্যাও বেড়েছে এবং গত বছর অনেক বাংলাদেশী হেইট ক্রাইমেরও শিকার হয়েছেন। গত বছর শতাধিক মৃত্যুর মধ্যে হার্ট এ্যাটাকে মারা গিয়েছেন প্রায় ৩০ জনের মত। যারা হার্ট এ্যাটাকে মারা গিয়েছেন তারা হলেন- বাংলা একাডেমি পুরষ্কারপ্রাপ্ত সাহিত্যিক মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু, একেএম শাহাদাত হোসেন সেন্টু, নুরন্নাহার চৌধুরী, মাহবুব হাসান শিমুল, আবুল খায়ের, নূরুল হক, জামাল উদ্দিন হেলালী, আহমেদ কবীর শাওন, আবু তাহের, জুনেদ খান, আলহাজ্ব বসির আহমেদ, ইকবাল হোসেন, হাফিজুর রহমান, মমিনুর আশরাফ, সেলিফা আক্তার, ড· মুশফিকুর রহমান, ডা· আনোয়ার খান, রফিকুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদ, লতিফা শিকদার লুনা, মুকিত হোসেন, আব্দুর রশিদ, মনোরঞ্জন দাস। ক্যান্সারে মারা গিয়েছেন- কাজী ফয়সল আহমেদ, সিরাজ খান, মমতাজ বেগম খান বাবলী, মজিদ মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা ড· তৌফিক চৌধুরী, মাসুদ চৌধুরী, নূরুলস্নাহ খান, আহসান হাবিব, ডা· আজগর চৌধুরী, ইশরাত জাহান চৌধুরী, ইয়ানিহুর রহমান, লুৎফুর রহমান। হার্ট এ্যাটাকের পর ক্যান্সারে আক্রান্ত বাংলাদেশীদের সংখ্যা ছিলো বেশি। আলোচিত মৃত্যুর মধ্যে ছিলো মিশিগানে স্ত্রী সুরাইয়া পারভীনের খুনের পর স্বামী আবুল ফজল চৌধুরী খুন হন জেলে। গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মাহবুব আলম, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন মোখলেসুর রহমান, গলায় চাদর পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন, সুইমিংপুলে পড়ে মারা যায় শিশু ওয়াজি উল্যাহ, ট্রেনের ধাক্কায় নিউইয়র্কে মারা যান রশিদ উদ্দিন সুজিব, কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মারা যায় ১৯ বছরের টগবগে যুবক আহমেদ জে, সোহান, জ্যামাইকায় রাস্তা পারাপারের সময় গাড়ি চাপায় মারা যায় ২ বছরের শিশু সামিরা জামান, ঘুমন্ত অবস্থায় নিউজার্সিতে মারা যায় মেধাবী ছাত্র কনিষ্ঠ পাল, জ্যাকসন হাইটসে এপার্টমেন্টের সিঁড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন দীন মোহাম্মদ খান, মিশিগানে আহমেদ কাদিরের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয় বাসা থেকে, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন রঞ্জিত বড়ণ্ডয়া। দুবৃত্তের গুলিতে নিহত হন- রফিকুল ইসলাম, রিমন হায়দার, ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ বঙ্। বার্ধক্য বা অন্যান্য কারণে যারা মৃত্যুবরণ করেছেন তারা হলেন- চেরাগ উদ্দিন চৌধুরী, আবু নাসের, দেওয়ান মাসুদ বখত চৌধুরী, রোকেয়া বেগম, আয়শা আক্তার, ডা· খুরশীদ আরা বেগম, সর্দার মোহাম্মদ খলিল উদ্দিন, আলী হায়দার, সৈয়দ আবু হাসান, গিরিশ দেব, সালমা আহমেদ, গোলাপী রাণী পোদ্দার, সালমা আহমেদ, কাজী মেসবাহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা কাজী শামসুল আলম, ডা· এ এস মোজাম্মেল হক, নূরুল আমিন, জিয়াউদ্দিন আহমেদ মুকুল, আবুল মনসুর মুনিম, রুহুল আমিন, তজম্মল আলী, ড· সদরুল আহমেদ, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সাবেক সভাপতি ড· রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আজহারুল হক প্রমুখ।

লসএঞ্জেলেসে মনোজ্ঞ কবিতা সন্ধ্যা

লসএঞ্জেলেসে মনোজ্ঞ কবিতা সন্ধ্যা

কাজী মশহুরম্নল হুদাঃ লসএঞ্জেলেসে সাহিত্যের ধারাকে বেগবান ও অব্যাহত রেখে চলেছে রাইটার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, ক্যালিফোর্নিয়া। প্রতিনিয়ত কবিতার সন্ধ্যায় জমে ওঠে শব্দের ঝংকার। কবিতা এখন লসএঞ্জেলেসে জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে। মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছে সাংগঠনিক ঈর্ষা, হিংসা ও প্রতিহিংসার আবর্তে। গত ২৭ ডিসেম্বর রাইটার্স এসোসিয়েশনের আয়োজিত বিজয় দিবসকে সামনে রেখে ও লিটল বাংলাদেশের সেলিব্রেট হিসাবে অনুষ্ঠিত হয় মনোরম কবিতার সন্ধ্যা। নতুনের কেতন ওড়ে। লিটল বাংলাদেশ প্রবাসে প্রাপ্ত একটি নতুন কেতন যা বিশ্বের মাঝে গৌরবের উজ্জ্বলতায় জ্বলছে এবং উড়ছে। কবিতার গায়ে নতুন প্রজন্মদের অনুপ্রাণিত ও উৎসাহিত করার জন্য শিশুদের কবিতা আবৃত্তির অংশ ছিল প্রারম্্‌েভ। লসএঞ্জেলেসের প্রথিত যশা কবিবৃন্দ একে একে তাদের স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আবৃত্তি করে ৩ ঘন্টা ব্যাপী অনুষ্ঠানকে মাতোয়ারা করে তোলে। প্রচন্ড বৃষ্টিকে উপেড়্গা করে জমজমাট হয়ে কবিতা সন্ধ্যা। বিশেষভাবে পরিলড়্গিত হয়েছিল কবি মহিলা ও আবৃত্তিকারদের তুলনামূলক সংখ্যায় বেশী। কবিতা প্রিয় কনসাল জেনারেল এনায়েত হোসেন স্বপরিবারে উপস্থিত হয়ে পাঠে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি বলেন যে, আমি কবিতার প্রতি অনুরাগী। এ ধরনের অনুষ্ঠান তার অত্যন্ত প্রিয়। তিনি পরবর্তী কবিতার সন্ধ্যা তার বাসভবনের করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। নতুন কেতন ওড়ে' কবিতা সন্ধ্যায় আগামী বাংলা একাডেমীর বই মেলায় প্রকাশিতব্য লসএঞ্জেলেসের ৫ জন লেখক/কবিদের অভিনন্দন জানানো হয়, রাইটার্স এসোসিয়েশনের পড়্গ থেকে । তারা হলেন, চাঁদ, সুলতানা, শবনম আমীর, কাজী মশহুরম্নল হুদা, তপন দেবনাথ, সার্টিন রহমান ও ফারহানা সাঈদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাইটারর্স এসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী মশহুরম্নল হুদা। কবিতা সন্ধ্যায় যারা অংশগ্রহণ ও উপস্থিত ছিলেন তারা হচ্ছেন, তপন দেবনাথ, রায়হানা, নাসির, ফারহানা সাঈদ, ডাঃ নাসির আহমেদ অপু, পূর্বা দেবী, প্রভাতী দেবী, কাজী রহমান, চাঁদ সুলতানা, তাসনুভা সাদিয়া খান, সাজেদা ম্যাকলীন, আঃ খালেক, কাজী মাশহুরম্নল হুদা, শাহ আলম, তাবাসসুম, মার্টিন রহমান, রওনক সালাম, মুক্তা সিনহা, তারেক বাবু, ইশতিয়াক চিশতী, জসিম আশরাফী, জাহান হাসান প্রমুখ।

লস এঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশে বিজয় দিবসে বিজয় বহর অনুষ্ঠিত

লস এঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশে বিজয় দিবসে বিজয় বহর অনুষ্ঠিত তপন দেবনাথ, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস থেকে মহান বিজয় দিবস ২০১০ উদযাপন উপলক্ষে লস এঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশে বাফলার আয়োজনে বিজয় বহর অনুষ্ঠিত হয়।এ উপলক্ষে ১৯ ডিসেম্বর স্থানীয় দেশি রেস্টুরেণ্টে এক গণজমায়েতে বিজয় বহরেরর উদ্বোধন করেন লস এঞ্জেলেস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলারের কনসাল জেনারেল জনাব মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন।এখানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ডঃ জয়নাল আবেদিন, ডাঃ মোহাম্মদ সিরাজুল্লাহ্‌, ইসমাইল হোসেন, ড্যানি তৈয়ব, মুজিব সিদ্দিকী ,অভিনেত্রী নীপা মোনালিসা প্রমুখ। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা খচিত টুপী, হ্যাট ব্যান্ডেনা আর রঙ বেরঙের পোষাক পরে শিশু-কিশোর যুবা-বৃদ্ধা মেতে উঠে বিজয়ের বিজয় বহরের অনুষ্ঠানে। থার্ড স্ট্রীট ও আলেকজান্দ্রিয়ায় কাছে এলে শুরু হয় ক্লিক ক্লিক ফটো তোলার প্রতিযীগিতা। কারণটি হলো, সেখানেই রাস্তার লাইট পোস্টে রয়েছে ‘ ঐতিহ্যবাহী লিটল বাংলাদেশ সাইন বোর্ড।’ এর পর পরই মোটর শোভা যাত্রা বা বিজয় বহরটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা উড়িয়ে দেশাত্নবোধক গানের সুরে সুরে রিগল্যান্ডের দিকে রওয়ানা হয়। এই রিগল্যান্ডেকে এখানকার বাংলাদেশি কমউনিটিতে বলা হয় রাঙ্গামাটি। সেখান থেকে আর্টেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে , আর্টেশিয়াকে বলে লিটল ঢাকা। উৎসব চলে রাত দু’টো অব্দি। বিজয় বহরের নেতৃতে ছিলেন মুজিব সিদ্দিকী, ডঃ জয়নাল আবেদিন ও অন্যান্য । স্বাধীনতার ৪০ বছরের ইতিহাসে বাংলাদেশের বাহিরে তথা যুক্তরাষ্টে এই প্রথম বারের মত এমন একটা বিজয় বহর উৎসব অনুষ্ঠিত হলো।গত কয়েকদিন ধরে এখানে ঘন ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। দূর্যোগপূর্ণ এই বৈরী আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে এঞ্জেলেসেবসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি এই বিজয় বহরে অংশ গ্রহণ করে।

লস এঞ্জেলেসে ইউ এস বি বি এফ -এর অনুষ্ঠান লস এঞ্জেলেসে ইউ এস বি বি এফ -এর অনুষ্ঠান। অ্যাম্বাসেডর হুমায়ুন কবীর ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে কথা বলছেন। Ambassador M. Humayun Kabir & his speech - Part 1 লস এঞ্জেলেসে ইউ এস বি বি এফ -এর অনুষ্ঠান। অ্যাম্বাসেডর হুমায়ুন কবীর ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে কথা বলছেন। Ambassador M. Humayun Kabir & his speech - Part 2 লস এঞ্জেলেসে ইউ এস বি বি এফ -এর অনুষ্ঠান। Doing business and encouraging investment in Bangladesh: Real Experience - real people Q & A with Ambassador M Humayun Kabir at USBBF reception Q & A Part -2 with Ambassador M Humayun Kabir at USBBF reception M. Zafar Ullah of USBBF speaks about creating business growth between US and Bangladesh.
USBBF লস এঞ্জেলেসে ইউ এস বি বি এফ -এর অনুষ্ঠান। Click here to see all USBBF's Video by Ekush ( Bangla Newspaper from the West Coast)
The Mission of USBBF is to promote, foster and advance business and entrepreneurship between US and Bangladesh with a bi-directional focus to support trade and technology. It will also support business, commercial, economic, cultural and educational interests of local communities related to Bangladesh in USA through networking, education and community representation. Visit for more info.

এক বছরের জন্য ভাঙলো ফোবানার মিলনমেলা

এক বছর পর আবার দেখা হবে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে নিউইর্য়কে শেষ হয়েছে উত্তর আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের মিলনমেলা ফোবানা। আগামী বছর প্রবাসী বাংলাদেশীদের এ সমেমলন নিউজার্সিতে হবে বলে স্থির হয়েছে। নিউইয়র্কে আমেরিকা-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রির আয়োজনে এই ফোবানা সমেমলন ছাড়াও নিউ ইয়র্কেই বাংলাদেশ সমেমলন ও ডালাসে আরেকটি ফোবানা সমেমলন অনুষ্ঠিত হয়েছে একই সময়ে। বাংলাদেশ সমেমলনের আয়োজকরা শনিবার ঘোষণা দিয়েছেন আগামী বছর তাদের সমেমলন হবে টেক্সাসের হিউস্টনে। গত বৃহসপতিবার থেকে নিউইয়র্ক সিটির হিলটন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় চারদিনব্যাপী ফোবানা সমেমলন। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীরা সমবেত হয়েছিলেন ম্যানহাটনের হিলটন হোটেলে। সমেমলনের সদস্য সচিব হাসানুজ্জামান হাসান বলেন, “ফোবানা সমেমলন শেষ হয়েছে। এ সমেমলনের মাধ্যমে প্রাবাসী বাংলাদেশীদের জন্য দেশ ও দেশের মাটিকে নিয়ে জানার সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার এটা একটা অপূর্ব সুযোগ আমাদের কাছে।’’ বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, প্রযুক্তির ব্যবহার, আর্সেনিক সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেমিনার ছিল সমেমলনের অন্যতম আকর্ষণ। সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশী ও স্থানীয় শিলীদের পরিবেশনায় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। তবে এবছর সমেমলনের সেমিনারগুলোতে উপস্থিতি অন্যবারের চেয়ে কম ছিল বলে আয়োজকরাই জানিয়েছেন। এবার সমেমলনের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ। সমেমলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক রাহাত খান, নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবির, নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দীন, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী প্রমূখ। একই সময় নিউইয়র্ক সিটিতেই আয়োজিত ’বাংলাদেশ সমেমলন’ ছিল মূলত দুদিনের একটি সাংস্কৃতিক উৎসব। শুক্রবার এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কংগ্রেস সদস্য পিটার কিং এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের একজন উদ্ধর্তন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।