১০ মার্চ ২০২৫ , ৭:০২:৫৭
4 billion taka laundered in one semester in the name of higher education
শফিকুল আলম বলেছেন, ‘অনেক ছেলেমেয়ে বিদেশে পড়তে যায়। এক কেসে দেখা গেছে, ছেলের একটি সেমিস্টারের টিউশন ফি হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠানো হয়েছে।
উচ্চশিক্ষার নামে এক সেমিস্টারে ৪০০ কোটি টাকা পাচার হয়েছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম বলেছেন, শুধু এক ব্যক্তির ছেলের টিউশন ফির মাধ্যমেই পাচার হয় এই টাকা।
সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেছেন, ‘অনেক ছেলেমেয়ে বিদেশে পড়তে যায়। এক কেসে দেখা গেছে, ছেলের একটি সেমিস্টারের টিউশন ফি হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা বিদেশে পাঠানো হয়েছে।
মানি লন্ডারিংটা কিভাবে হয়েছে দেখেন। তবে তদন্তের স্বার্থে আমরা ব্যক্তির নাম প্রকাশ করছি না। কতটা ইনোভেটিভ প্রক্রিয়ায় টাকা পাচার হয়েছে। আমরা জানতাম ওভার ইনভয়েসিং আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে, ব্যাংকিং সিস্টেমে বা হুন্ডির মাধ্যমে টাকা চলে গেছে।
কিন্তু দেখা গেছে কিছু কিছু জায়গায় লুপ হোল খুঁজে ৪০০ কোটি…। পৃথিবীতে কারো টিউশন ফি ৪০০-৫০০ কোটি টাকা আছে?’
তিনি বলেন, ‘পাচার করা টাকা উদ্ধারের জন্য প্রথম থেকেই অন্তর্বর্তী সরকার তৎপর ছিল। প্রফেসর ইউনূস প্রথম থেকেই বলে আসছেন যে এটা বাংলাদেশের মানুষের টাকা। আমাদের টপ প্রায়োরিটির ভেতরে এটা থাকবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের ফোকাস ছিল পাচার করা টাকা কিভাবে আনা যায়। সে জন্য গত সেপ্টেম্বর মাসে ১১ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তার নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নর।