৯ মার্চ ২০২৬ , ৬:০৭:৩৭
শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের ভারতে গ্রেপ্তার

কারা গ্রেপ্তার হলেন? ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসটিএফ) সদস্যরা গ্রেপ্তার করেছে।
কীভাবে গ্রেপ্তার হলেন? গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে খবর ছিল, দুই বাংলাদেশি গুরুতর অপরাধ করে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে এবং সুযোগ পেলে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিল।
পেছনের ঘটনা কী ছিল? গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনে ওসমান হাদিকে গুলি করা হয় এবং ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা (ডিজিএফআই) তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
প্রত্যর্পণের ধাপগুলো সাধারণত এভাবে হয়:
১. কূটনৈতিক অনুরোধ — বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের হাইকমিশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠায়। ২. ভারতীয় আদালতের অনুমতি — ভারতে যেহেতু আলাদা মামলা হয়েছে, সেখানকার আদালতের রায়ের পর প্রত্যর্পণ সম্ভব। ৩. দ্বিপাক্ষিক চুক্তি — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি (Extradition Treaty) রয়েছে, যার আওতায় এই প্রক্রিয়া চলবে। ৪. গোয়েন্দা সহযোগিতা — ডিজিএফআইয়ের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ইতিমধ্যে ভারত সফর করে সব সন্ত্রাসীকে ফেরত পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছেন।
সংক্ষেপে, এটি একটি ইতিবাচক কূটনৈতিক সহযোগিতার নজির — বাংলাদেশের তথ্যের ভিত্তিতে ভারত গ্রেপ্তার করেছে এবং দুই দেশের আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ফেরানোর কাজ চলছে।












