জীবনে সময় খুবই কম। এটাকে কীভাবে ব্যয় করছেন, ভাবুনছবি: কবির হোসেন

এই ১৫টি কথা মনে রাখুন, জীবনে অনেক জটিল পরিস্থিতি এড়াতে পারবেন

আশির বেশি বয়সী হাজারো মানুষকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে, আপনার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা কী। এরপর সবচেয়ে জনপ্রিয় উপদেশগুলো নিয়ে একটা প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানচেস্টারের নিউ হ্যাম্পশায়ারভিত্তিক অনলাইন গণমাধ্যম ফুললি স্টেকড। চলুন সবচেয়ে কম কথায় জেনে নেওয়া যাক, কী সেই উপদেশগুলো:

১. সম্পদের চেয়ে স্বাস্থ্য বড়। তাই ঘুম আর নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট করে অর্থ উপার্জন নয়।

২. সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হলো আত্ম–উন্নয়নমূলক বিনিয়োগ। আত্ম–উন্নয়নে যত বিনিয়োগ আছে, এর ভেতর সবচেয়ে ভালো হলো শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ।

৩. জরুরি অবস্থার জন্য তহবিল রাখা খুবই জরুরি।

৪. একাধিক আয়ের উৎস তৈরি করুন।

৫. গুণগত মানের ওপর জোর দিন।

৬. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে কুণ্ঠাবোধ করবেন না। আপনি যে রিকশায় করে অফিসে এলেন, সময়মতো নিরাপদে কর্মস্থলে নিয়ে আসার জন্য ভাড়ার সঙ্গে চালককে একটা ধন্যবাদ দিলে কী ক্ষতি! দৈনন্দিন জীবনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা অনুশীলন করুন।

৭. নিজেকে কখনো কোনো অবস্থায় অন্য কারও সঙ্গে তুলনা নয়। এমনি কাউকেই কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না। এর মতো বদভ্যাস আর নেই। মনে রাখবেন, প্রত্যেক মানুষ স্বতন্ত্র। কারও সঙ্গে কারও তুলনা হয় না। কেবল নিজের সঙ্গে নিজের তুলনা করুন।

৮. নিজের সুখের চাবিকাঠি যতটা সম্ভব নিজের কাছে রাখুন। নিজের জন্য নিজে যথেষ্ট হোন। অমুকে তমুক করলে আপনি সুখী হবেন, এমন কোনো কথা নেই।

৯. ব্যর্থতা, খারাপ সময়কে সহজ স্বাভাবিকভাবে নিন। পৃথিবীতে কোন মানুষের জীবন কেবল সফলতা বা কেবল সুসময় দিয়ে লেখা হয় না। ভালো, মন্দ উভয়েই জীবনের স্বভাবিক অংশ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথাটা মনে রাখবেন, ‘সত্যরে লও সহজে’।

১০. জীবনে ‘কনসিসটেন্সি (ধারাবাহিকতা)’ খুবই জরুরি। এক দিন অনেক কাজ করলেন, তারপর তিন দিন আর আপনার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, এভাবে বেশি দূর এগোতে পারবেন না।

১১. কখন থামবেন, এটা জানা খুবই জরুরি। যেকোন কাজ, ব্যবসা, সম্পর্ক—সবকিছুরই একটা শেষ থাকে। কখন থামতে হবে, এটা বুঝতে পারা খুব দরকার।

১২. নিজের ‘কমফোর্ট জোন’কে চ্যালেঞ্জ করুন।

১৩. জীবনে সময় খুবই কম। এটাকে কীভাবে ব্যয় করছেন, ভাবুন। সময়ের সদ্ব্যবহার করুন।

১৪. নিজের লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগ করে আগান।

১৫. মনে রাখবেন, বন্ধুত্বের সম্পর্কও চিরকাল থাকে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষও অনেক সময় বদলায় (ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয়ভাবেই)। মানুষের এই বদলে যাওয়াকে যত স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেতে পারবেন, ততই ভালো।