জাতীয়

সাড়ে ৫ মাসে ১২৬ আন্দোলন: এত বাহারি আন্দোলন দেশ প্রত্যক্ষ করেনি কখনো

  সিরাজুল ইসলাম ১১ মার্চ ২০২৫ , ৪:৫৫:০২

বিভিন্ন দাবিতে সাড়ে ৫ মাসে ১২৬ আন্দোলন

পেশাজীবীর ব্যানারে ৭৬ শতাংশ

সিরাজুল ইসলাম

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন ঘটে। এরপর ৮ আগস্ট গঠন করা হয় নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এরপর থেকেই শুরু হয় একের পর এক আন্দোলন। এতে এক রকম বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে বর্তমান সরকার। এসব আন্দোলনের মধ্যে ৭৬ শতাংশই হয়েছে বিভিন্ন পেশাজীবীর ব্যানারে। শিক্ষাসংশ্লিষ্ট আন্দোলন আছে ৩২ ভাগ। এছাড়া শ্রমিক আন্দোলন আট ভাগ এবং অন্যান্য ব্যানারের আন্দোলন ১০ ভাগ। এর মধ্যেই বন্ধ হয়েছে ৯০ ভাগ আন্দোলন। ১০ ভাগ আন্দোলন এখনো চলমান। ৫ আগস্টের পর থেকে গত ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১২৬টি আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া খুন, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব শিক্ষার্থীর আবাসন নিশ্চিত এবং চা শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোসহ বেশকিছু দাবিতে আরও কয়েকটি আন্দোলন চলমান বলে যুগান্তরের অনুসন্ধানে জানা গেছে। আন্দোলন সংশ্লিষ্ট অনেক বাহারি নামের সংগঠনের তৎপরতার বিষয়েও তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, গত সাত মাসে আন্দোলনের হটস্পট হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে: জাতীয় প্রেস ক্লাব, বাংলাদেশ সবিচালয়, রেলভবন ও কমলাপুর রেলস্টেশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ মোড় এবং জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ। সবচেয়ে বেশি আন্দোলন হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবে। বেসরকারি শিক্ষকসহ একাধিক সংগঠন বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে এখনো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায়। সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের প্রধান স্থান হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে সচিবালয়। রেলওয়ে কর্মচারীদের আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল হলো: রেলভবন ও কমালপুর রেলওয়ে স্টেশন। আর শিক্ষার্থীদর আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ মোড় ও জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ।

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গত সাত মাসে যেসব দাবিতে আন্দোলন হয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ হলো: চাকরিচ্যুত ও পুনর্বহালের আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার, শহিদ পরিবারের পুনর্বাসন ও আহতদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত, সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন দাবি, শ্রমিক স্বার্থ, শিক্ষাসংশ্লিষ্ট আন্দোলন, সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় সংগঠনগুলোর আন্দোলন এবং পরিবহণ ও যানবাহনসংশ্লিষ্ট।

জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী বলেন, যে কোনো সংগঠন তাদের অধিকার আদায়ের জন্য দাবি জানতেই পারে। তবে কয়েক মাস ধরে যে প্রক্রিয়ায় দাবি জানানো হচ্ছে সেটা যথাযথ নয়। কিছু হলেই আন্দোলন শুরু হচ্ছে। দখল করা হচ্ছে রাজপথ। এতে মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে। আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে আমি বলব: দাবি আদায়ের জন্য আপনারা রাস্তা নয়, আলোচনার টেবিলে বসে সমস্যার সমাধান করুন।

গতিপথ ও ধারাবাহিকতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, আন্দোলনের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরপরই।

গত বছরের ১৩ থেকে ২৫ আগস্টের মধ্যে পালিত হয়েছে সবচেয়ে বেশি কর্মসূচি। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আন্দোলনের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। একই মাসের ১০ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে আন্দোলন চালিয়েছে সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীরা। অক্টোবর মাসে ফের আন্দোলনের চাপ বাড়ে। পুরো মাসব্যাপী আন্দোলন চালায় সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষা খাতসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো। নভেম্বর মাসে আন্দোলন কিছুটা হ্রাস পেলেও ৭ থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত কিছু বড় কর্মসূচি ছিল। গত ডিসেম্বরে তিতুমীর কলেজ ও শিক্ষক সংগঠনের আন্দোলনে উত্তাল ছিল রাজপথ। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আবারও আন্দোলনের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

২৫ থেকে ৩০ জানুয়ারির মধ্যে অনেকগুলো কর্মসূচি চোখে পড়ে। ফেব্রুয়ারিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির মাধ্যমে সরকারকে বড় ধাক্কা দিতে চেয়েছিল একটি পরাজিত রাজনৈতিক শক্তি। চলতি মাসের শুরু থেকে নারী ও শিশু নির্যাতন-হয়রানি এবং ধর্ষণের বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এসবের প্রতিবাদের রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আন্দোলন চলছে। এছাড়া বনানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় পোশাক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় সড়ক অবরোধে সোমবার অচল হয়ে পড়ে পুরো রাজধানী।

চাকরি পুনর্বহালের আন্দোলনের মধ্যে আছে

চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য, সেনা সদস্য ও বিজিবি ৭৬তম ব্যাচ, ব্যাটালিয়ন আনসার ও সাধারণ আনসার, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গ্রামীণফোন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের আন্দোলন।

সরকারি চাকরিজীবী আন্দোলন সংক্রান্ত  দাবির মধ্যে আছে

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর, ১১-২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য নিরসন ও পদোন্নতি, উপসচিব পদে ক্যাডারদের সমান সুযোগের দাবি ও কর্মকর্তাদের বদলি নীতি সংস্কার।

শ্রমিক আন্দোলনের দাবিগুলোর মধ্যে আছে

নির্মাণ শ্রমিকের নিরাপত্তা, বাসস্থান ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু; রিকশা-ভান-ইজিবাইক শ্রমিকদের লাইসেন্স ও রুট পারমিট এবং সেবরকারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি।

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট আন্দোলনের দাবিগুলোর মধ্যে আছে

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য নিরসন ও চাকরি স্থায়ীকরণ, মেডিকেল টেকনোলজি ও ফার্মেসি শিক্ষার্থীদের বৈষম্য দূরীকরণ, ৪৬তম বিসিএসের প্রিলিতে উত্তীর্ণদের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত, সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি এবং শিক্ষার কারিকুলাম পরিবর্তন।

সংখ্যালঘু ও ধর্মীয় সংগঠনসংক্রান্ত আন্দোলনের দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো

সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন, হিন্দুধর্মীয় গুরু চিš§য় দাসের মুক্তির দাবি বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ মঞ্চের এবং বৈষম্য দূরীকরণের দাবি ইসকন ও সনাতন ধর্মীয় সংগঠনগুলোর।

পরিবহণ ও যানবাহনসংশ্লিষ্ট আন্দোলনগুলোর দাবির মধ্যে আছে

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালু রাখা, হালকা মোটরযান চালকদের জন্য সাদা প্লেট সংযুক্ত গাড়ি ভাড়ায় চালানোর অনুমতির দাবি এবং সিএনজিচালকদের রেজিস্ট্রেশন ও পুলিশের হয়রানি বন্ধের দাবি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ আগস্টের পর থেকে পেশাজীবী যেসব সংগঠনের ব্যানারে আন্দোলন হয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো

চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য, ১৩ থেকে ২২তম ব্যাচের উপসচিব, চাকরিচ্যুত ব্যাটালিয়ন আনসার, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ কলেজ সমিতি, স্বাধীনতা আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ, বিডিআর ৭৬তম ব্যাচের সৈনিক, বেতন বৈষম্যবিরোধী গ্রাম পুলিশ সমন্বয় কমিটি এবং বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা স্বেচ্ছাসেবী (মহিলা) দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ।

আরও আছে-

বাংলাদেশ রেলওয়ের মান উন্নয়ন শীর্ষক পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চল রাজস্বকরণ বাস্তবায়ন গেটকিপার ঐক্য, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন, ১০-২০ গ্রেড বৈষম্যবিরোধী সরকারি কর্মচারী, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার, এলজিইডি কর্মরত সার্ভেয়ার, বাংলাদেশ সহকারী কমিশনারের (ভূমি) গাড়িচালক ঐক্য পরিষদ, পরিবার পরিকল্পনা মহিলা স্বেচ্ছাসেবী, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, মৎস্য অধিদপ্তরের ইউনিয়ন প্রকল্প কর্মচারী ইউনিয়ন কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা ওয়াসা আউটসোর্সিং কর্মচারী, ডাক ভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশ এক্সট্রা মোহরার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ রেলওয়ে অস্থায়ী টিএলআর শ্রমিক, ১১-২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারী ঐক্য পরিষদ, সরকারি কলেজের বেসরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন, এনআইডি প্রকেল্পর আউটসোর্সিং কর্মকর্তা-কর্মচারী, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার পরিচালক, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রজেক্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেড কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বৈষম্যবিরোধী দপ্তরি কাম-প্রহরী ঐক্য পরিষদ, সাধারণ আনসার সদস্য, বিএডিসি মাস্টাররোল কর্মচারী, কমিউনিটি ক্লিনিক মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মচারী, রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ কর্মচারী, সিজিএ অফিস কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডেসকো কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ইম্প্যাক্ট প্রকল্প, বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প কর্মী, সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ, অডিট অ্যান্ড অ্যকাউন্টস ডিপার্টমেন্টের অডিটর, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মযর্দা রক্ষা কমিটি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বৈষম্যবিরোধী কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, ৪১তম নন-ক্যাডার প্যানেল প্রত্যাশী, বিসিএস হেলথ ক্যাডার অ্যসোসিয়েশন, সিএজি-সিজিএ-সিজিজিএফ অডিটর, চাকরিচ্যুত সেনা সদস্যের ‘প্লাটফর্ম সহযোদ্ধা’, নার্সিং সংস্কার পরিষদ, মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদ, জীবন বীমা কর্পোরেশন বৈষম্যবিরোধী কর্মকর্তা-কর্মচারী, সম্মিলিত ফিজিওথেরাপি শিক্ষার্থী, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষানবিশ আইনজীবী ঐক্য পরিষদ, বৈষম্যবিরোধী চাকরি প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ, সোনার বাংলা নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, পেট্রোবাংলা অস্থায়ী কর্মচারি কল্যাণ পরিষদ, সরকারি চাকরিজীবী জাতীয় ফোরাম, চাকরিপ্রার্থী ছাত্র সমাজ, সাদায় প্রশক্ষণরত ৪০তম ব্যাচের ৮২৩ ক্যাডেট এসআই, বিডিআর কল্যাণ পরিষদ প্রভৃতি।

শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে যেসব অন্দোলন হয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

হালকা মোটরযান চালক মালিক ঐক্য পরিষদ, হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইট মিট শ্রমিক ফেডারেশন, বাটা শু কোম্পানি লিমিটেড ক্যাজুয়াল শ্রমিক, পিপলস সিরামিক কোম্পানি শ্রমিক, জাতীয় কর্মচারি সংগ্রাম পরিষদ, ন্যাশনাল কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড, এবিকো ইন্ড্রাস্ট্রি লিমিটেড শ্রমিক ইউনিয়ন, সাইনোভিয়া ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের শ্রমিক এবং অধিকার বঞ্চিত গ্রামীণফোন শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট আন্দোলনগুলোর মধে আছে

এইচএসসি পরীক্ষার্থী-২৪ (ঢাকা বোর্ড), সাধারণ শিক্ষার্থী সমন্বয়  পরিষদ, সাধারণ ম্যাটস শিক্ষার্থী, স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি, টেক্সটাইল ভকেশনাল ইন্সটিটিউট শিক্ষক-কর্মচারি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ কমিটি, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউড শিক্ষার্থী, সাফেনা উইমেন্স ডেন্টাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল ইন্টার্ন ডাক্তার ও শিক্ষার্থী, সচেতন কওমি ছাত্র সমাজ, সম্মিলিত কওমি মাদাসা ফোরাম, এইচএসসি পরীক্ষার্থী-২০২৩, ১৮ ও ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন শিক্ষার্থীবৃন্দ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষাকারি কর্মকর্তা কর্মচারি কল্যাণ পরিষদ, শূন্যপদে সার্বজনীন বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষক ঐক্যজোট,  প্রধান শিক্ষক ঐক্যজোট, পলিটেকনিক টিচার্স ফেডারেশন, সাত কলেজ শিক্ষার্থী, ডিগ্রি বৈষম্য নিরসন ছাত্র আন্দোলন, ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন, প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতি, সংক্ষুব্ধ আদিবাসী ছাত্র-জনতা, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ) প্রভৃতি।

অন্যান্য যেসব সংগঠনের ব্যানারে আন্দোলন হয়েছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

জাতীয় শিক্ষা সংস্কার ফোরাম, সচেতন অভিবাবক সমাজ, রিকশাচালক, ব্যাটারিচারিক রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ, অহিংস গণঅভ্যত্থান বাংলাদেশ. ঢাকা সিটি করপোরেশন রিকশা মালিক ঐক্যজোট, বাংলাদেশ হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, সনাতন অধিকার মঞ্চ, সনাতন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, বাংলাদেশ সম্মিলিত সংখ্যালঘু জোট, সংখ্যালঘু অধিকার আন্দোলন, বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চ, সংখ্যালঘু ঐক্যমোর্চা, বাড়িওয়ালা ঐক্য পরিষদ, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন, ঢাকা মহানগর সিএনজি অটোরিকশা চালক ঐক্য পরিষদ, মেডিকেল ডিভাইস ব্যবসায়ী সমিতি সম্মিলিত জোট প্রভৃতি।

আরও খবর