২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ , ১২:৪৪:৫৪
প্রতিবেশী সম্পর্কে ইসলাম
‘পড়শী-উৎপীড়ক অভিশপ্ত’: প্রতিবেশী সম্পর্কে মহানবী (সা.) ও তাঁর আহলেবাইতের হাদিস:
সামাজিক জীবনে প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবেশীর অধিকার রক্ষার বিষয়টি আধুনিক শহুরে জীবনের সমৃদ্ধির জন্যও বেশ জরুরি।
প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর নেয়া ও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা তথা তাঁদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করার ওপর বেশ গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। প্রতিবেশীর প্রতি উদাসীন থাকতে নিষেধ করেছে ইসলাম। এ বিষয়ে আমরা ইসলামের মহানবী মুহাম্মাদ (সা) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের কয়েকটি বাণী বা হাদিস তুলে ধরছি:
মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান মায়ের প্রতি সম্মানের সমতুল্য। (মাকারিমুল আখলাক, পৃ.১২৬)
ইমাম জাফর আস সাদিক-আ. বলেছেন, যে প্রতিবেশীকে জ্বালাতন করে সে অভিশপ্ত, অভিশপ্ত। (মুস্তাদরাকুল ওয়াসায়িল, খণ্ড-আট, পৃ. ৪২২)
ইসলামের মহানবী (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও কিয়ামাত বা বিচার-দিবসে বিশ্বাস রাখে তার উচিত নয় প্রতিবেশীকে জ্বালাতন করা। (আলকাফি, খণ্ড-৪, পৃ.৪৯১)
ইসলামের মহানবী (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর জন্য নিজের ভালো কাজ বা কল্যাণ প্রদান বন্ধ রাখবে, আল্লাহতায়ালাও কিয়ামতের দিন তথা বিচার-দিবসে তাঁর কল্যাণ বন্ধ করে দেবেন ওই ব্যক্তির জন্য। (মুস্তাদরাকুল ওয়াসায়িল, খণ্ড-আট, পৃ. ৪২৩)
ইমাম জাফর আস সাদিক (আ) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিবেশীর সঙ্গে ভালো আচরণ করে না সে আমাদের সমাজের কেউ নয়। (আলকাফি, খণ্ড-৪, পৃ.৪৯২)
ইসলামের মহানবী (সা) বলেছেন, জিব্রাইল ফেরেশতা প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে আমাকে এত গুরুত্ব দিয়ে সুপারিশ করছিলেন যে আমি ভাবছিলাম যে প্রতিবেশীকে হয়ত সম্পদের উত্তরাধিকারীও করা হবে। (বিহারুল আনোয়ার, খণ্ড-৭৪, পৃ.১৫১)
ইমাম জাফর আস সাদিক (আ) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে পেটপুরে খেয়ে ঘুমালো অথচ প্রতিবেশী অনাহারে ছিল সে আসলে আল্লাহ ও কিয়ামত তথা বিচার-দিবসে বিশ্বাসী নয়। (বিহারুল আনোয়ার, খণ্ড-৭৭, পৃ.১৯১) #
পার্সটুডে/