অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি কিনতে সমঝোতা স্মারক সই 

  ১৫ মে ২০২৬ , ১০:৩৭:৫৬

সমঝোতা স্মারকে সই করেন মার্কিন জ্বালানি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি কিনতে সমঝোতা স্মারক সই

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো জোরদার 

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে কৌশলগত সহযোগিতা বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্থানীয় সময় সকালে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন জ্বালানি বিভাগে (ডিওই) সমঝোতা স্মারকটি সই হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট সমঝোতা স্মারকে সই করেন এবং বাংলাদেশের পক্ষে সই করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

এমন সময়ে এই সমঝোতা স্মারক সই হলো, যখন মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে চলমান সংঘাতের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশ তাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারক সাশ্রয়ী মূল্য ও সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতার ওপর ভিত্তি করে জ্বালানি উৎসের বিকল্পগুলোকে বৈচিত্র্যময় করবে। এরমধ্য দিয়ে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রচেষ্টায় অবদান রাখবে এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বৃহত্তর জ্বালানি সহযোগিতার নতুন পথ উন্মোচন করবে।

এটি দুই দেশের মধ্যে তেল, গ্যাস, জিওথার্মাল ও জৈব জ্বালানি বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ও বিশেষজ্ঞ বিনিময় এবং অধ্যয়ন এবং বাংলাদেশের সাশ্রয়ী মূল্যে ইউএস এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানিতে সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে দূতাবাস।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এই উদ্যোগের পেছনে সমর্থন দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সেক্রেটারি রাইট এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ঐতিহাসিক উন্নয়ন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং মার্কিন জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

হলিউড সির চরিত্রের জন্য কাউকে খুঁজে পাবে না: ট্রাম্প

ট্রাম্প বলেন, চীন ২০০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

এর আগে ট্রাম্পের সফরের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, খুব শিগগিরই চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুলসংখ্যক বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিতে পারে।

ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও বলেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনতেও রাজি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা টেক্সাস, লুইজিয়ানা ও আলাস্কা থেকে চীনের জাহাজে জ্বালানি পাঠানো শুরু করব।’

ট্রাম্পের দাবি, জ্বালানিই এখন চীনের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘তাদের সবচেয়ে বেশি দরকার জ্বালানি। আর আমাদের কাছে প্রচুর জ্বালানি আছে।’

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সি চিন পিংয়ের ব্যক্তিত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত আন্তরিক। তবে তিনি পুরোপুরি কাজের মানুষ। এখানে কোনো চালাকি নেই। এটা ভালো দিক।

সি অন্যদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাঁর জীবন চীনকে ঘিরেই বলে মন্তব্য করেন ট্রাম্প। চীনের অর্থনীতিকে উন্মুক্ত করতে চান বলেও জানান ট্রাম্প। চীনের সঙ্গে বাণিজ্যঘাটতি আগের চেয়ে কমে গেছে বলেও মনে করেন ট্রাম্প।

আরও খবর